বাংলার জাগরণ’ প্রবন্ধের মূল বক্তব্য লেখ।
উত্তর : বাংলাদেশ নামক দেশটি দীর্ঘকাল ধরে বিদেশিদের শাসনাধীন ছিল। ফলে বাঙালির ভাষা, সংস্কৃতি, সাহিত্য তথা যাবতীয় ঐতিহ্যের অবক্ষয় ঘটেছিল। পরাধীনতার গ্লানিতে আচ্ছন্ন বাঙালি হিন্দু-মুসলমান […]
উত্তর : বাংলাদেশ নামক দেশটি দীর্ঘকাল ধরে বিদেশিদের শাসনাধীন ছিল। ফলে বাঙালির ভাষা, সংস্কৃতি, সাহিত্য তথা যাবতীয় ঐতিহ্যের অবক্ষয় ঘটেছিল। পরাধীনতার গ্লানিতে আচ্ছন্ন বাঙালি হিন্দু-মুসলমান […]
উত্তর : ১৮৯৪ খ্রিস্টাব্দে কাজী আবদুল ওদুদ ফরিদপুর জেলার পাংশা থানার বাঘমারা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম কাজী সৈয়দ হোসেন। শিক্ষাজীবনে কাজী আবদুল ওদুদ […]
ক-বিভাগ বাংলা সাহিত্যের একজন চিন্তাশীল, মার্জিত রুচি, বুদ্ধিদীপ্ত ও ধীসম্পন্ন লেখক হলেন-উত্তর : কাজী আবদুল শুদুন।কাজী আবদুল ওদুদের জন্ম সাল কত?উত্তর : ২৬ এপ্রিল ১৮৯৪ […]
অথবা, প্রমথ চৌধুরী সামাজিক জীবনে কেন যৌবনের প্রতিষ্ঠা চান? প্রাচীন সংস্কৃত সাহিত্যের প্রতিতিনি কেন সমালোচনামুখর?অথবা, “আমরা যে যৌবনকে গোপন করে রাখতে চাই তার জন্য আমাদের […]
অথবা ‘যৌবনে দাও রাজটিকা’ প্রবন্ধানুসরণে জড়বাদী ও মায়াবাদীদের মানসিকতা বিশ্লেষণ কর।উত্তর৷ ভূমিকা : মার্জিত রুচি, বুদ্ধির দীপ্তি, অপূর্ব বাকচাতুর্য ও স্মিত রসিকতায় প্রমথ চৌধুরী বাংলা […]
অথবা, “এ মানসিক যৌবনকে সমাজে প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে আমাদের উদ্দেশ্য” – এ উদ্ধৃতির অনুসরণে লেখকের যৌবন সম্বন্ধীয় বক্তব্য বিবৃত কর।অথবা, “প্ৰাণাৰেগ তথা মানসিক যৌবনের প্রতিষ্ঠাই […]
অথবা, প্রমথ চৌধুরী কী উপায়ে যৌবনকে সমাজের যৌবরাজ্যে অভিষিক্ত করতে চেয়েছেন- আলোচনা কর।অথবা, যৌবনকে সমাজের যৌবরাজ্যে অভিষিক্ত করার উপায় কী? প্রমথ চৌধুরীর ‘যৌবনে দাও রাজটিকা’ […]
অথবা, ‘যৌবনে দাও রাজটিকা’ প্রবন্ধানুসরণে দেহের যৌবন ও মনের যৌবনের পার্থক্য নির্ণয় কর।উত্তর ভূমিকা : প্রাণবন্ত তারুণ্যের সাধনাকে যিনি যথার্থ সাহিত্য সাধনা বলে ভেবেছিলেন এবং […]
অথবা, যৌবনে দাও রাজটিকা’ প্রবন্ধে লেখক প্রকৃত যৌবন বলতে কী বুঝিয়েছেন? সমাজের যৌবন রক্ষা করা যায় কী প্রকারে? প্রবন্ধটি অবলম্বনে তা বিবৃত কর।অথবা, ‘যৌবনে দাও […]
উত্তর : ‘যৌবনে দাও রাজটিকা’ প্রবন্ধে সুসাহিত্যিক প্রমথ চৌধুরী যৌবনের বন্দনা করেছেন মুক্তকণ্ঠে। তিনি যৌবনকে রাজটিকা পরানোর প্রস্তাব করেছেন এই নিবন্ধে। যৌবন মানুষের জীবনের সর্বোৎকৃষ্ট […]
Copyright © 2026 | WordPress Theme by MH Themes