
ক_বিভাগ (অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন)
১। নির্গমনতত্ত্ব কী?
উঃ ‘নির্গমনতত্ত্ব’ জগতের উৎপত্তি ও প্রকৃতি ব্যাখ্যার একটি ভ্রান্ত মতবাদ।
২। তাহাফাতুল-ফালাসিফা’ এর অর্থ কী?
উঃ ‘তাহফাতুল-ফালাসিফা’ অর্থ হলো দার্শনিক।
৩। আল-গাজালীর পূর্ণনাম কী?
উঃ ইমাম গাজালীর প্রকৃত নাম আবু হাদিম মুহাম্মাদ ইবনে তাইস আহম্মদ আল-তুসী আল শাফী আল নিশাপুরী।
৪। আল-গাজালীর মতে জ্ঞানের প্রকৃত উৎস কী?
উঃ প্রত্যাদেশ।
৫। Ihya Ulum ad-Din’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
উঃ ইমাম আল-গাজালী।
৬। হুজ্জাতুল ইসলাম’ শব্দের অর্থ কী?
উঃ ইসলামের রক্ষক।
৭। সুফিবাদ কী?
উঃ এক কথায় বলা যায় যে, ‘উত্তম চরিত্রই সুফিবাদ’।
৮। কুল্লিয়াত ফিল-তিব্ব’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
উঃ ‘কুল্লিয়াত ফিল-তিব্ব’ গ্রন্থের রচয়িতা ইবনে রুশদ।
৯। ইবনে রুশদ ইউরোপে কী নামে প্রসিদ্ধ ছিল?
উঃ ইবনে রুশদ ইউরোপে ব্যাখ্যাদাতা ও যুক্তিবাদের জনক নামে প্রসিদ্ধ ছিল।
১০। কিয়াস বলতে কী বোঝ?
উঃ কিয়াস হলো উল্লিখিত আসল ও শাখা যেকোনো একটির হুকুমের নিজ স্বরূপকে এর ইল্লতর নিজ স্বরূপে অন্য কোথাও প্রকাশ করা।
১১। কে ধর্মের সাথে দর্শনের সমন্বয়সাধন করেন?
উঃ ইবনে রুশদ।
১২। এরিস্টটলের দর্শনের সর্বশ্রেষ্ঠ ভাষ্যকার কে ছিলেন?
উঃ এরিস্টটলের দর্শনের সর্বশ্রেষ্ঠ ভাষ্যকার ছিলেন ইবনে রুশদ।
১৩। তাহাফাতুল ফালাসিফা’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
উঃ ইমাম গাজালি (র)।
১৪। সুফিবাদের ‘ত্রিরত্ন’ কারা?
উঃ আল গাজালি, ইবনে রুশদ, ইবনে সিনা ও আল ফারাবী।
১৫। আল-গাজালির দার্শনিক পদ্ধতির নাম কী?
উঃ তাহফাতুল ফালাসিফা।
১৬। হুজ্জাতুল ইসলাম’ কার উপাধি?
উঃ ইমাম গাজালিকে ‘হুজ্জাতুল ইসলাম’ বলে অভিহিত করা হয়।
১৭। আল-গাজালির মতে মানবাত্মা কী?
উঃ আল গাজালির মতে, মানবত্মা একটি আধ্যাত্মিক পদার্থ কিন্তু স্বয়ং বর্তমান পদার্থ নয়।
১৮। আল গাজালির দুইটি গ্রন্থের নাম লিখ।
উঃ আল গাজালির দুইটি গ্রন্থের নাম হলো- ইয়াহ ইয়া-উল উলুম আদদীন, ও ২. তাহফাতুল ফালাসিফা।
১৯। ফালাসিফা শব্দের অর্থ কী?
উঃ ফালাসিফা শব্দের অর্থ হলো দার্শনিক।
২০। আল-গাজালির মতে জ্ঞানের প্রকৃত উৎঙ্গ কি?
উঃ গাজালির মতে জ্ঞানের উৎস প্রধানত দুইটি। যথা : ইন্দ্রিয় প্রত্যক্ষণ ও ২. বিচারবুদ্ধি।
২১। গাজালির মতে, মানুষের আত্মার স্তর কয়টি ও কী কী?
উঃ গাজালির মতে, মানুষের আত্মার স্তর তিনটি। যথা- নাক্সে আম্মারা, ২. নাক্সে লাওয়ামা এবং ৩. নক্সে মুতমায়েন্না।
২২। ইবনে রুশদ কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?
উঃ ইবনে রুশদ ১১২৬ খ্রিস্টাব্দে ৫২০ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন।
২৩। ইবনে রুশদ-এর পূর্ণনাম কী?
উঃ আবুল ওলিদ মোহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মোহাম্মদ ইবনে রুশদ।
২৪। তাহাফুল-আল-তাহাফুত গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
উঃ Tahafut al-Tahafut গ্রন্থের রচয়িতা ইবনে রুশদ।
২৫। মুতাকাল্লিম কারা?
উঃ কালাম শাস্ত্রবিদদের মুতাকাল্লিম বলা হয়।
২৬। আল-গাজালির দার্শনিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো ইবনে রুশদ কোন গ্রন্থে খণ্ডন করেন?
উঃ আল-গাজালীর দার্শনিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো ইবনে রুশদ ‘তাহাফুত আল তাহাফুত’ গ্রন্থে খণ্ডন করেন।
২৭। ইবনে রুশদ এর ২টি বইয়ের নাম লিখ ।
উঃ ইবনে রুশদ এর ২টি বইয়ের নাম-তাহাফাতুত তাহাফুত ও কুল্লিয়াত ফিত তিব্ব।
২৮। ইবনে রুশদ আত্মাকে কয়ভাগে ভাগ করেছেন?
উঃ পাঁচ ভাগে।
২৯। আল্লাহর কয়টি গুণের দ্বারা বিশেষিত?
উঃ সাতটি। যথা- জ্ঞান, জীবন, শক্তি, ইচ্ছা, শ্রবণ, দর্শন ও কথা।
৩০। গাজালির সর্বশ্রেষ্ঠ ভাবশালী গ্রন্থ কোনটি?
উঃ গাজালির সর্বশ্রেষ্ঠ প্রভাবশালী গ্রন্থ হলো “তাহফুতুল ফালাসিফা”।
৩১। গতি ও কাল কে সৃষ্টি করেছেন?
উঃ গতি ও কাল মহান আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন।
৩২। কার্যকারণ সম্পর্কে আল-গাজালির মত কী?
উঃ কার্যকারণ সম্পর্কে আল গাজালি বলেন কার্য ও কারণের মধ্যে অনিবার্য ও আবশ্যিক সম্পর্ক নেই তিনি কার্যকারণ ঘটনার পরামর্শ বলে উল্লেখ করেন।
৩৩। মুসলিম জাতির শ্রেষ্ঠ মৌলিক চিন্তাবিদ কে?
উঃ ইমাম আল গাজালি।
৩৪। ইমাম গাজালি কত সালে ইন্তেকাল করেন?
উঃ ইমাম গাজালি ১১১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর, ৫০৫ হিজরি ইন্তেকাল করেন।
৩৫। আল-গাজালি কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
উঃ ইমাম গাজালি তৎকালীন ইরানের খোরাসান প্রদেশের তুস নগরে জন্মগ্রহণ করেন।
৩৬। ইমাম গাজালিকে ‘গাজালি’ বলা হয় কেন?
উঃ তাঁর জন্ম পল্লির নামানুসারে তাঁকে গাজালি বলা হয়।
৩৭। ইমাম গাজালির তিনটি গ্রন্থের নাম লিখ।
উঃ ইমাম গাজালির তিনটি গ্রন্থের নাম হলো : ‘তাহাফুতুল ফালাসিফা’ ২. ইহইয়াউ উলুমিদ্দিন; ৩. কিমিয়ায়ে সা’য়াদাত।
৩৮। আল গাজালির মতে বিশ্বজগৎ কিভাবে সৃষ্টি হয়েছে?
উঃ আল গাজালির মতে, সৃষ্টিকর্তার পরিকল্পনা মাফিক জগত সৃষ্টি হয়েছে।
৩৯। ইবনে রুশদ কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
উঃ ইবনে রুশদ স্পেনের কর্ডোভা নগরে জন্মগ্রহণ করেন।

খ-বিভাগ (সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন)
১। আল-গাজালীর দার্শনিক পদ্ধতি ব্যাখ্যা কর। ১০০%
২। সত্তা সম্পর্কে ইবনে রুশদের ধারণা সংক্ষেপে লেখ। ১০০%
৩। দৈহিক পুনরুত্থান সম্পর্কে আল-গাজালীর মতবাদ ব্যাখ্যা কর। ১০০%
৪। আল্লাহর গুণাবলি সম্পর্কে ইবনে রুশদের ধারণা ব্যাখ্যা কর। ১০০%
৫। আল্লাহর অস্তিত্বের সপক্ষে ইবনে রুশদ-এর যুক্তিগুলো ব্যাখ্যা কর। ১০০%
৬। ইবনে রুশদ কীভাবে ধর্ম ও দর্শনের মধ্যে সমন্বয় সাধন করেন? ১০০%
৭। আল-গাজালিকে ‘হুজ্জাতুল ইসলাম’ বলা হয় কেন? ১০০%
৮। জ্ঞানতত্ত্বে ইবনে রুশদের অবদান কী? ১০০%
৯। দৈহিক পুনরুত্থান ও সৃষ্টিতত্ত্ব কাকে বলে? ১০০%
১০। কার্যকারণ নিয়ম সম্পর্কে আল-গাজালীর মত ব্যাখ্যা কর। ৯৯%
১১। পাশ্চাত্য দর্শনে ইবনে রুশদ-এর দর্শনের প্রভাব ব্যাখ্যা কর। ৯৯%
১২। আল গাজালির দৃষ্টিকোণ থেকে আল্লাহর গুণাবলিসমূহ সংক্ষেপে লিখ। ৯৯%
১৩। মুসলিম দর্শনে ইবনে রুশদের প্রভাব কী? ৯৮%
গ-বিভাগ (রচনামূলক প্রশ্ন)
১। সমালোচনাসহ আল-গাজালীর নির্গমন তত্ত্ব ব্যাখ্যা কর। ১০০%
২। আল-গাজালীর সৃষ্টিতত্ত্ব ব্যাখ্যা কর। ১০০%
৩। দৈহিক পুনরুত্থান সম্পর্কিত সমস্যাগুলো ইবনে রুশদ কীভাবে সমাধানের চেষ্টা করেন? ১০০%
৪। দার্শনিকদের বিরুদ্ধে আল-গাজালীর যুক্তিগুলো ইবনে রুশদ কীভাবে সমালোচনা করেন? তার ‘তাহাফুত অনুসরণে ব্যাখ্যা দাও। ১০০%
৫। মুসলিম দর্শনে আল-গাজালির অবদান সংক্ষেপে ব্যাখ্যা কর। ১০০%
৬। মুসলিম দর্শনে আল-গাজালির গুরুত্ব নির্ণয় কর। ১০০%
৭। আল-গাজালির জ্ঞানতত্ত্ব আলোচনা কর। ১০০%
৮। জ্ঞানতত্ত্বে ইবনে রুশদ-এর অবদান আলোচনা কর। ১০০%
৯। জ্ঞান সম্পর্কিত আল-গাজালীর মতবাদ ব্যাখ্যা কর। তাঁকে ‘হুজ্জাতুল ইসলাম’ বলা হয় কেন? ১০০%
১০। জগতের অনাদিত্ব বিষয়ক দার্শনিকদের যুক্তিগুলো আল-গাজালী কীভাবে খণ্ডন করেন? ১০০%
১১। মানবাত্মার অমরত্ব প্রমাণে ইবনে রুশদ-এর যুক্তিগুলোর বিচারমূলক ব্যাখ্যা কর। ৯৯%
১২। কার্যকারণ সম্পর্কে আল গাজালির মতবাদ ব্যাখ্যা কর। হিউমের কার্যকারণ সম্পর্কিত ধারণার সাথে এর সম্পর্ক কি? ব্যাখ্যা কর। ৯৮%

Leave a Reply