
ক_বিভাগ (অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন)
১। Phycology-এর সংজ্ঞা দাও।
উঃ উদ্ভিদবিজ্ঞানের যে শাখায় শৈবাল সম্পর্কে
আলোচনা করা হয় তাকে শৈবাল বিজ্ঞান বা
ফাইকোলজি বলে ৷
২। মহাকাশ গবেষণায় ব্যবহৃত শৈবালের নাম লিখ।
উঃ Chlorella sp. নামক শৈবাল ব্যবহৃত হয়।
৩। কলোনি গঠনকারী দুটি শৈবালের নাম লিখ।
উঃ Volvox ও Hydrodictyon.
৪। এন্ডোফাইটিক শৈবাল কি?
উঃ যেসব শৈবাল অন্য উদ্ভিদের কোষের ভেতরে
অবস্থান করে তাদেরকে এন্ডোফাইটিক শৈবাল বলে ।
৫।Thermophytic শৈবাল বলতে কী বুঝ?
উঃ ৭০-৮৫°
সে. তাপমাত্রায় পানিতে
বসবাসকারী শৈবালকে থার্মোফাইটিক শৈবাল বলে।
৬। একটি থার্মোফিলিক শৈবালের নাম লিখ।
উঃ একটি থার্মোফিলিক বা থার্মোফাইটক শৈবাল
হলো- Scytonema
৭। একটি পরজীবী শৈবালের নাম লিখ।
উঃ Cephaleuros sp.
৮। দুইটি এপিফাইটিক শৈবালের বৈজ্ঞানিক নাম লিখ।
উঃ (i) Coleochacte,
(ii) Oedogonium.
৯। এপিজোয়িক শৈবাল কি?
উঃ যেসব শৈবাল অন্য প্রাণীর দেহের বহির্ভাগে
জন্মায় তাদেরকে এপিজোয়িক শৈবাল বলে।
১০। গার্ডল-আকৃতির ক্লোরোপ্লাস্ট উপস্থিত থাকে কোন শৈবালে?
উঃ Chaetophorales বর্গ, Phaeophyta,
Rhodophyta প্রভৃতি শ্রেণির শৈবালে গার্ডল
(girdle) আকৃতির ক্রোমোটোফোর দেখা যায়।
১১। পামেলা দশা কি?
উঃ অনাবৃষ্টির সময় পরিবেশে শুষ্কতার কারণে
কিছু এককোষী শৈবাল সংখ্যক সচল ফ্ল্যাজেলাবিহীন হয়ে জিলেটিনের আবরণে আবৃত হয়। অতঃপর কোষবিভাজনের মাধ্যমে বহুসংখ্যক অপত্য কোষ সৃষ্টি করে প্রতিকূল পরিবেশ এড়ানোর জন্য এ অবস্থাটিতে পামেলা দশা নামে পরিচিত।যেমন-Chlamydomonas.
১২। হরমোগোনিয়াম কী?
উঃ হেটারোসিস্ট ভেঙ্গে যাবার ফলে ট্রাইকোম
এর খণ্ডিত অংশগুলোর প্রত্যেকটিকে এক একটি
হরমোগোনিয়াম বলা হয়।
১৩। প্রোটোনিমা কী?
উঃ কোন কোন শৈবালের যেসব ক্ষুদ্র উপবৃদ্ধি
অঙ্গজ জননের মাধ্যমে নতুন থ্যালাস গঠনে সক্ষম,
তাদের নাম প্রোটোনিমা।
১৪। শৈবালের সবচেয়ে জটিল ও উন্নত পুং ও স্ত্রী
যৌনাঙ্গের নাম কি?
উঃ জটিল ও উন্নত স্ত্রী যৌনাঙ্গ-রিসেপ্টাকল ও
জটিল ও উন্নত পুংযৌনাঙ্গ-কনসেপ্টাকল।
১৫। অ্যাপ্লানোস্পোর কি?
উঃ নিশ্চল স্পোরকে অ্যাপ্লানোস্পোর বলে।
১৬। অটোস্পোর কি?
উঃ মাতৃকোষের আকৃতিবিশিষ্ট অ্যাপ্লানোস্পোরকে
অটোস্পোর বলে।
১৭। অ্যাকাইনিটি কি?
উঃ সাধারণত অঙ্গজ কোষে খাদ্য সঞ্চিত হলে
কোষগুলো আকারে বড় হয় এবং প্রাচীর পুরু ও
দৃঢ়তা লাভ করে। পরবর্তীতে এসব অঙ্গজ কোষকে
অ্যাকাইনিটি বলে।
১৮। ডেনড্রয়েড দশা কী?
উঃ কিছু কিছু সূত্রবৎ বা শাখান্বিত শৈবালের
পাদদেশে মিউসিলেজ জমা হবার কারণে পাদদেশের –
কোষগুলো পরস্পর জোড়া লেগে ক্ষুদ্র বৃক্ষ-সদৃশ্য
আকার ধারণ করে তাকে ডেনড্রয়েড দশা বলে।
১৯। দুটি আদিকোষী শৈবালের উদাহরণ দাও।
উঃ Nostoc, Anabaena, Chlamydomonas
২০। N, সংবন্ধনকারী দুইটি শৈবানের নাম লেখ।
উঃ (i) Nostoc, (ii) Anabaena.
২১। বাংলাদেশে সহজ প্রাপ্য দুটি সায়ানোব্যাকটেরিয়ার নাম লিখ।
উঃ বাংলাদেশে সহজ প্রাপ্য দুটি
নাম হলো-Nostoc, Anabaena.
২২। অ্যান্টিবায়োটিক উৎপাদনকারী দুইটি শৈবালের নাম লিখ।
উঃ (i) Chlorella, (ii) Laminaria.
২৩। ইনভার্সন বা ইনভ্যাজিনেশন কি?
উঃ Volvox-এর গোনিয়াম এর কোষ বিভাজন
শেষে প্লাকিয়া দশা সৃষ্টির পর গোলকের এক প্রান্তের
ফায়ালোপোর নামক ছিদ্রের সৃষ্টি হয়। উক্ত ছিদ্রটি
ছিদ্রের মাধ্যমে গোলকটি উল্টে যাওয়ার পদ্ধতিকে
ইনভার্সন বা ইনভ্যাজিনেশন বলে।
২৪। এপিক্যাল ক্যাপ কি?
উঃ Oedogonium এর কোষ বিভাজনের সময়
যখন একটি কোষ বিভাজিত হয়ে দুই কোষে
পরিণত হয় তখন উপরের কোষের শীর্ষভাগ যে
ক্যাপ সৃষ্টি হয় তাকে এপিক্যাল ক্যাপ বলে ।
২৫। ন্যান্নালিয়াম কাকে বলে?
উঃ অ্যান্ডোস্পোর নামক বিশেষ ধরনের স্পোর
অংকুরোদগমের ফলে Oedogonium এর যে
প্রজাতি উৎপন্ন হয় তাকে ন্যান্নান্ড্রিয়াম বলে।
২৬। মেরোপ্লাজম কাকে বলে??
উঃ Oedognium নামক শৈবাল জীবনের কোন
“একসময় পানিতে ভাসমান অবস্থায় কাটানোর সময়
ভার কোষে যে মেমব্রেণ তৈরি হয় তাকে
মেরোপ্লাজম বলে।
২৭। Chara কে স্টোনওয়ার্ট বলা হয় কেন?
উঃ Chara-র দেহের উপরিভাগে সিলিকা ও
ক্যালসিয়াম কার্বনেটের আস্তরণ থাকে বলে একে
স্টোনওয়ার্ট বলা হয়।
২৮। Chara-র পুং ও স্ত্রী জননাঙ্গের নাম লিখ।
উঃ৷ Chara-র পুং জননাঙ্গের নাম স্পার্মাট্যাঞ্জিয়াম
এবং স্ত্রী জননাঙ্গের নাম কার্পোগোনিয়াম ।
২৯। অ্যামাইলাম স্টার কি?
উঃ Chara-র কেন্দ্রীয় অক্ষের গোড়ার দিকের পর্বে |
কতিপয় অক্ষের গোড়ার কোষ একত্রিত হয়ে তারকার
২ ন্যায় গঠন সৃষ্টি করে একে অ্যামাইলাম স্টার বলে।
৩০। ডায়াটম কাকে বলে?ডায়াটমের অযৌন জনন হয় কিভাবে?
উঃ কলোনি গঠন করে পানিতে ভাসমান অবস্থায় থাকে
তাকে ডায়াটম বলে। অক্সোস্পোর, স্ট্যাটোস্পোর এবং মাইক্রোস্পোরের মাধ্যমে।
৩১। র্যাফি কি?
উঃ ডায়াটমের দেহের মধ্যভাগ বরাবর বিস্তৃত
রেখাকে র্যাফি বলা হয়।
৩২। বায়ু থলি কোন শৈবালে দেখা যায়?
উঃ Sargassum নামক শৈবালে ।
৩৩। কোন শৈবালকে সি-কেলপ বলা হয়?
উঃ Laminaria নামক শৈবালকে।
৩৪। কোন রঞ্জক পদার্থের উপস্থিতির কারণে লোহিত
শৈবালের বর্ণ লাল হয়?
উঃ আলফা ক্যারোটিন, বিটা ক্যারোটিন ও ৪-
ক্যারোটিন।
৩৫। সিস্টোকার্পের সংজ্ঞা দাও।
উঃ কার্পোস্পোর, বন্ধ্যা সূত্র সমষ্টি এবং
কার্পোগোনিয়াম এর অবশিষ্ট অংশকে নিয়ে মিলিতভাবে যে গঠন দেখা যায় তাকে সিস্টোকার্প বলা হয়।
৩৬। অ্যাগার অ্যাগার কোন শৈবাল থেকে উৎপন্ন হয়?
উঃ Gelidium নামক শৈবাল থেকে।
৩৭। সিনোজুস্পোর কি?সিনোজুস্পোর কোন শৈবালে দেখা যায়?
উঃ জুস্পোরাঞ্জিয়ামের অভ্যন্তরে বহু নিউক্লিয়াস ও
বহু ফ্ল্যাজেলাযুক্ত একটি মাত্র জুস্পোর সৃষ্টি হলে এই
জুস্পোরকে সিনোজুস্পোর বলে । Vaucheria নামক শৈবালে সিনোজুস্পোর দেখা যায়।
৩৮। সরল থেকে ক্রমিক জটিলতার ধারাটির শুরু কোথা থেকে?
উঃ সরল এককোষী Chlamydomonas বা
এককোষী সচল কোষের কলোনি Volvox থেকে।
৩৯। ওয়াটার ব্লুম কি?ওয়াটার ব্লুম সৃষ্টিকারী দুটি ফাইটোপ্ল্যাংকটনের নাম লিখ।
উঃ স্বাদু পানির জলাশয়ে নাইট্রোজেন, ফসফরাস
ও ক্যালসিয়াম বেশি থাকলে ফাইটোপ্ল্যাংকটনের
আধিক্য বেশি হলে পানির উপরে বিভিন্ন বর্ণের আস্তরণ পরে থাকে যাকে ওয়াটার ব্লুম বলে । ওয়াটার ব্লুম সৃষ্টিকারী দুটি ফাইটোপ্ল্যাংকটনের
(i) Volvox,
(ii) Anabaena.
৪০। মেরোপ্লাংটন কি?
উঃ কিছু কিছু শৈবাল প্রকৃত অর্থে প্ল্যাংকটন
নয়। কিন্তু জীবনচক্রের কোন এক অবস্থায় পানিতে
ভাসমান অবস্থায় কাটায় তাদের মেরোপ্ল্যাংক্টন
বলে । যেমন— Oedogonium |
৪১। রেড-টাইড বলতে কি বুঝ?
উঃ ফাইটোপ্ল্যাংকটনের অধিক্যের কারণে
সমুদ্রের পানির রং বিবর্ণ হয়ে লালচে বাদামি বা
হলদে আভাযুক্ত হতে পারে। এই রং দিনের বেলা
থেকে রাতে দ্বিগুণ হয়। অনেক ক্ষেত্রে উজ্জ্বল
আলোয় পরিণত হয়। রাতে ঢেউ এর মাথায় উজ্জ্বল
লাল আলো দূর থেকে দেখে মনে হয়। এই
অবস্থাকে রেড-টাইড বলে।
৪২। শৈবালের বিবর্তনের ধারা কয়টি ও কি কি?
উঃ তিনটি। যথা- (i) Volvocine, (ii) Chlorococcine
ও (iii) Tetrasporine.
৪৩। খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত দুটি শৈবালের নাম লিখ।
উঃ (i) Laminaria, (ii) Sargassum |
৪৪। একক কোষ প্রোটিন হিসেবে ব্যবহৃত হয়, এমন
একটি শৈবালের নাম লিখ।
উঃ একক কোষ প্রোটিন হিসেবে ব্যবহৃত হয়, এমন
একটি শৈবালের নাম হলো Spirulina নামক শৈবাল ৷
৪৫। Kelp বলতে কী বুঝ?
উঃ Kelp হলো এক ধরনের পদার্থ যা সামুদ্রিক
শৈবাল থেকে উৎপাদন করা হয়। এটি মানুষের
খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

খ-বিভাগ (সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন)
১। Gelidium এর বৈশিষ্ট্যগুলো লিখ। ১০০%
২। Xanthophyceae শ্রেণির বৈশিষ্ট্য লিখ। ১০০%
৩। Euglena এর উদ্ভিদ সদৃশ্য বৈশিষ্ট্যগুলো লিখ। ১০০%
৪। Oedogonium এর ম্যাক্রান্ড্রাস ও ন্যান্নান্ড্রাস প্রজাতির মধ্যে পার্থক্য লিখ। ১০০%
৫। একাইনিটি ও হেটেরোসিস্ট এর মধ্যে পার্থক্য লিখ। ১০০%
৬। কৃষিক্ষেত্রে নীলাভ সবুজ শৈবালের গুরুত্ব আলোচনা কর। ১০০%
৭। ফাইটোপ্ল্যাংকটনের সাধারণ বৈশিষ্ট্যগুলি লিখ। ১০০%
৮। Sargassum-এর পুং ও।স্ত্রী কনসেপ্ট্যাকলের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন কর। ১০০%
১১। Sargassum এর চিহ্নিত চিত্র আঁক। ৯৯%
১২। Chlorella এর শ্রেণিবিন্যাসগত অবস্থান লিখ। ৯৯%
১৩। Euglena-এর উদ্ভিদ ও প্রাণী বৈশিষ্ট্যগুলো লিখ। ৯৯%
১৪। সিনোবিয়াম ও সিনোসাইটিক শৈবালের মধ্যে পার্থক্য লিখ। ৯৯%
১৫। পিনেট ও সেন্ট্রিক ডায়াটমের তুলনা কর। ৯৯%
গ-বিভাগ (রচনামূলক প্রশ্ন)
১। F.E. Fritsch কর্তৃক প্রদত্ত শৈবালের শ্রেণি পর্যন্ত উদাহরণসহ বর্ণনা কর। ১০০%
২। শৈবালের বিভিন্ন প্রকার যৌন ও অযৌন জনন চিত্রসহ বর্ণনা কর। ১০০%
৩। ফাইটোপ্লাংকটনের ভেসে থাকার কৌশলগুলো বর্ণনা কর। ১০০%
৪। Volvox এর ইনভার্সন প্রক্রিয়ার সচিত্র বর্ণনা দাও। ১০০%
৫। Ectocarpus এর স্পোরাঞ্জিয়াম এর গঠন ও বিকাশ বর্ণনা কর। ১০০%
৬। শৈবালের দৈহিক গঠনের পরিসর বর্ণনা কর। ১০০%
৭। নাইট্রোজেন সংবন্ধনে শৈবালের ভূমিকা আলোচনা কর। ১০০%
৮। Polysiphonia -এর নিষেকোত্তর পরিবর্তনগুলো চিত্রসহ বর্ণনা কর। ১০০%
৯। শৈবালের পেরিনেশন পদ্ধতিগুলো বর্ণনা কর। ১০০%
১০। টীকা লিখ (যেকোনো দুটি) : ১০০%
(ক) ওয়াটার ব্লুম (খ) শৈবালের পেরিনেশন (গ) পামেলা দশা।
১১। Chara-এর নিউকিউল এর গঠন ও বিকাশ বর্ণনা কর। ৯৯%
১২। Navicula এর অক্সোস্পোর তৈরির পদ্ধতি চিত্রসহ বর্ণনা কর। ৯৯%
১৩। চিহ্নিত চিত্র ও উদাহরণসহ শৈবালের বিভিন্ন প্রকার ক্লোরোপ্লাস্টের বর্ণনা দাও। ৯৯%
১৪। ফাইটোপ্লাংক্টনের জৈবিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব বর্ণনা কর। ৯৯%
১৫। Bacillariophyceae-র অক্সোস্পোর তৈরির প্রক্রিয়া চিত্রসহ বর্ণনা কর। ৯৯%

Leave a Reply