এইচ এস সি পরীক্ষার বাংলা প্রথম পত্রের সাজেশন ২০১৪

রকেট স্পেশাল সাজেশন

গদ্য:

১.অপরিচিতা

২.বিলাসী

৩.আমার পথ

৪.মানব-কল্যাণ

৫.মাসি-পিসি

৬.বায়ান্নর দিনগুলো

৭.রেইনকোট

১.অপরিচিতা:

বহুনির্বাচনি :

১.”সে নিজের চারদিকের সকলের চেয়ে অধিক-রজনী- গন্ধার শুভ্র মঞ্জুরীর মতো সরল বৃন্তটির উপরে দাঁড়াইয়া, যে গাছে ফুটিয়াছে সে গাছকে সে একেবারে অতিক্রম করিয়া উঠিয়াছে”- কে?

উত্তর:কল্যাণী।

২.’অপরিচিতা’ গল্পে গল্প বলায় পটু কে?

উত্তর:হরিশ।

৩.ছোটোগল্প লেখক হিসেবে কত বছর বয়সে রবীন্দ্রনাথের আত্মপ্রকাশ ঘটে?

উত্তর:১৬

৪.বিয়ের সময় কল্যাণীর বয়স কত ছিল?

উত্তর:পনেরো৷

৫.অনুপমের বাবা কী করে জীবিকা নির্বাহ করতেন?

উত্তর:ওকালতি।

৬.’আমার ভাগ্যে প্রজাপতির সঙ্গে পঞ্চশরের কোনো বিরোধ নেই’ -এ কথা বলতে বোঝানো হয়েছে অনুপমের-

উত্তর:স্বার্থহীন ভালবাসাকে।

৭.হরিশ ছুটিতে কোথায় এসেছিল?

উত্তর:কলকাতায়।

৮.কল্যাণীর ‘মাতৃ-আজ্ঞা’ বলতে কী বুঝিয়েছে?

উত্তর:দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা।

৯.সেকরা মকরমুখা মোটা একখানা বালা একটু চাপ দিয়া দেখাইল তাহা বাঁকিয়া যায়।’- এতে প্রমাণিত হয় বালাটির সোনা-

উত্তর:খাঁটি।

১০.’অপরিচিতা’ গল্পের কল্যাণীর বিয়ে না করার কারণ কী?

উত্তর:আত্মমর্যাদা।

১১.শিশুকালে অনুপম কেমন ভাবে মানুষ হয়েছে?

উত্তর:আদরে।

১২.’পণ প্রথা’ সমাজের অভিশাপ। অতিরিক্ত লোভের বশে মানুষ তার মর্যাদা হারায়। অনেক সময় ক্ষতির সম্মুখীন হয়।’ উদ্দীপকের এই বক্তব্য তোমার পঠিত কোন গল্পটির ভাবার্থ বহন করে।

উত্তর:অপরিচিতা।

১৩.মন্দ নয় হে, খাঁটি সোনা বটে।’ উদ্ধৃতিটি কার?

উত্তর:পিসতুতো ভাই বিনুদার।

১৪.’এমন তো আর শুনি নাই— এখানে কি শোনার কথা বলা হয়েছে?

উত্তর:গলা।

১৫.কোন গল্প রচনার মধ্য দিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোট গল্পকার হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটে?

উত্তর:ষোলো।

১৬.রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত সর্বশেষ গল্পের নাম কি?

উত্তর:মুসলমানির গল্প।

১৭.অপরিচিতা গল্পে অনুপমের সুন্দর চেহারা কে শিমুল ফুলের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন কেন?

উত্তর:আত্মঃসারশূন্য বলে।

১৮.বিয়ের আসরে অনুপম সম্পর্কে কি কথা হয়ে গিয়েছিল?

উত্তর:মেরুদন্ডহীন।

১৯.বিবাহের মাত্র তিন দিন পূর্বে শম্ভুনাথ বাবু অনুপমকে দেখেন এ থেকে কি বোঝা যায়?

উত্তর:হরিশকে অনেক বিশ্বাস করেন।

২০.অপরিচিতা গল্পে কল্যাণীর জন্য প্রযোজ্য –

উত্তর: বলিষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।

২১.’অপরিচিতা’ গল্পে মামার সাথে অনুপমের বয়সের পার্থকা কত ছিল?

উত্তর:বছর ছয়েক।

২২.রেলওয়ে কর্মচারীর সাথে কল্যাণীর তর্ক করার মধ্যে চিরায়ত বাঙালি নারীর কোন বিপরীত দিকটি প্রকাশিত হয়েছে?

উত্তর:অধিকার সচেতন হওয়া।

২৩.শম্ভুনাথ সেন পেশায় কী ছিলেন?

উত্তর:ডাক্তার।

২৪.’জ্যাকী মুনের কণ্ঠস্বর শুনে বিমোহিত হয়ে গেল’- জ্যাকীর সাথে ‘অপরিচিতা’ গল্পে কার সাদৃশ্য রয়েছে?

উত্তর:অনুপমের।

২৫.’বরের হাট মহার্থ কেন?

উত্তর:যৌতুকের কারণে।

২৬.অনুপমের বাবা নিজের উপার্জিত টাকা ভোগ করতে পারলেন না কেন?

উত্তর:কেবল উপার্জনে ব্যস্ত ছিলেন বলে।

২৭.না, আমরা গাড়ি ছাড়িব না।’- কথাটি কল্যাণী কোন ভাষায় বলেছিল?

উত্তর:হিন্দি।

২৮.পাত্রপক্ষের দেওয়া এয়ারিং জোড়াকে সেকরা কী বলে অভিহিত করেছে?

উত্তর:বিলাতি মাল।

২৯.বাংলা ছোটোগল্পের সার্থক রূপকার কে?

উত্তর:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

৩০.মামার মন ভারী হলো কেন?

উত্তর:মেয়ের বয়স বেশি বলে।

৩১.অপরিচিতা’ গল্পে অনুপমের বিয়ে ভেঙে যায় কেন?

উত্তর:মামার হীন ব্যবহার।

৩২.অনুপম কার হাতে মানুষ?

উত্তর:মায়ের।

৩৩.’আমার পুরোপুরি বয়সই হইল না’- কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর:পরমুখাপেক্ষী হওয়া।

৩৪.অনুপমের শিক্ষাগত যোগ্যতা কী?

উত্তর:এমএ।

৩৫.অনুপমের গোপন কথা কোথায়?

উত্তর:তবু মমরে।

৩৬.অপরিচিতা’ গল্পে সরস রসনার গুণ আছে কার?

উত্তর:হরিশের।

৩৭.অনুপম কেন নিজের চোখে মেয়ে দেখার কথা বলতে পারল না?

উত্তর:সাহসের অভাবে।

৩৮.অনুপমের পিসতুতো ভাইয়ের নাম কী?

উত্তর:বিনু।

৩৯.অত্যন্ত আট ভাষার বক্তা কে?

উত্তর:বিনুদাদা।

৪০.শনাথ বাবুর বয়স কত?

উত্তর:প্রায় চল্লিশ।

৪১.অপরিচিতা’ গল্পে ভিড়ের মধ্যে দেখিলে সকলের আগে তার ওপরে চোখ পড়িবার মতো চেহারা কার?

উত্তর:হরিশের।

৪২.কোনটি মকরমুখা ছিল?

উত্তর: বালা।

৪২.’আপনারা আমাদের গাড়িতে আসুন না- এখানে জায়গা আছে’- উক্তিটি কার?

উত্তর:কল্যাণীর।

৪৩.স্টেশনে কি ফেলে রেখে অনুপম ট্রেনে উঠে পড়ল?

উত্তর:ক্যামেরা।

৪৪.অপরিচিতা’ গল্পে স্টেশন মাষ্টার ছিল- এখানে শূন্যস্থানটিতে কোন শব্দটি বসবে?

উত্তর:ইংরেজ।

৪৫.অনুপমের হাত জোড়ে, মাথা হেঁটে কার হৃদয় গলেছে?

উত্তর:শম্ভুনাথ সেনের।

৪৬.অপরিচিতা’ গল্পটি প্রথম প্রকাশিত হয় কোন পত্রিকায়?

উত্তর:সবুজপত্র।

৪৭.অপরিচিতা’ গল্পে লেখক মূলত কী প্রকাশ করতে চেয়েছেন?

উত্তর:তৎকালীন যৌতুকপ্রথা।

৪৮.অপরিচিতা’ গল্পটি প্রথম অন্তর্ভুক্ত হয় কোন গ্রন্থে?

উত্তর:গল্পসপ্তক।

৪৯.রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত যৌতুকপ্রথার বিরুদ্ধে নারী- পুরুষের সম্মিলিত প্রতিরোধের চিত্র কোন গল্পে প্রতীয়মান হয়েছে?

উত্তর:অপরিচিতা।

৫০.অনুপম তার মামাকে ছেড়েছে কারণ তার মামা-

উত্তর:অর্থলোভী।

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন—

১. অনুপমের বন্ধু হরিশ কোথায় কাজ করে?

উত্তর: অনুপমের বন্ধু হরিশ কানপুরে কাজ করে।

২. অনুপমের মামার জীবনে একমাত্র লক্ষ্য কী ছিল?

উত্তর: অনুপমের মামার জীবনে একমাত্র লক্ষ্য ছিল, তিনি কারো কাছে ঠকবেন না।

৩. ‘অপরিচিতা’ গল্পের খাদযুক্ত গহনাটির নাম কী?

উত্তর: ‘অপরিচিতা’ গল্পের খাদযুক্ত গহনাটির নাম এয়ারিং।

৪. বিবাহ ভাঙার পর হতে কল্যাণী কোন ব্রত গ্রহণ করেছে?

উত্তর: বিবাহ ভাঙার পর থেকে কল্যাণী মেয়েদের শিক্ষাব্রত গ্রহণ করেছে।

৫. বিবাহ ভাঙার পর হতে কল্যাণী কোন ব্রত গ্রহণ করেছে?

উত্তর: বিবাহ ভাঙার পর থেকে কল্যাণী মেয়েদের শিক্ষা ব্রত গ্রহণ করেছে।

৬.কল্যাণীর বাবার নাম কী?

উত্তর: কল্যাণীর বাবার নাম শম্ভুনাথ সেন।

৭. বিনুদাদা অনুপমের কেমন ভাই?

উত্তর: বিনুদাদা অনুপমের পিসতুতো ভাই।

৮. কল্যাণী কোন স্টেশনে নেমেছিল?

উত্তর: কল্যাণী কানপুর স্টেশনে নেমেছিল।

৯. কল্যাণী কোন স্টেশনে নেমেছিল?

উত্তর: কল্যাণী কানপুর স্টেশনে নেমেছিল।

১০. কল্যাণীর কয়টি মেয়ে ছিল?

উত্তর: কল্যাণীর দু-তিনটি মেয়ে ছিল।

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন —

প্রশ্ন-১. “এইটে একবার পরখ করিয়া দেখো।” ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: অনুপমদের দেওয়া একজোড়া এয়ারিং খাঁটি সোনার কি না তা সেকরাকে
দিয়ে যাচাই করানোর পরিপ্রেক্ষিতে শম্ভুনাথ সেন প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন। ‘অপরিচিতা’ গল্পে অনুপমের মামা বিয়ের গহনা পরীক্ষা করার জন সেকরা সঙ্গে নিয়ে বিয়েতে আসেন। বিয়ের কাজ শুরুর আগেই তিনি কনেপক্ষের গহনা যাচাই করে নিতে চান। কিন্তু বিষয়টি কনের বাবা শম্ভুনাথের কাছে অপমানের মনে হয়। মূলত তাঁর দেওয়া গহনার চেয়ে বরপক্ষের দেওয়া গহনাই যে বেশি খাদযুক্ত সেটি বোঝানোর জন্যই শম্ভুনাথ এয়ারিং পরীক্ষার জন্য প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেন।

প্রশ্ন-২. ‘বাহিরে তো সে ধরা দিলই না, তাহাকে মনেও আনিতে পারিলাম না।’

  • ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: বিয়ে ভাঙে যাওয়ার কারণে অনুপম কল্যাণীকে কখনো না দেখতে পাওয়ায় নিজের কল্পনাতেও কল্যাণীর না থাকার প্রসঙ্গে প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছে।

‘অপরিচিতা’ গল্পে অনুপমের মামার যৌতুকলোভী মানসিকতার কারণে বিয়ের আসর থেকে বিয়ে না করেই অনুপমকে ফিরে আসতে হয়েছে। ফলে অনুপমের কাছে কল্যাণী অচেনাই থেকে যায়। এমনকি কল্যাণীকে কখনো না দেখায় তার অবয়ব অনুপমের স্মৃতিতেও নেই। বিনুদার বর্ণনায় কনে পছন্দ করায় অনুপম কখনো কল্যাণীকে দেকেনি। এমনকি কল্যাণীর কোনো ছবিও অনুপম দেখেনি। ফলে কল্যাণী দেখতে কেমন সে কল্পনাও করতে পারে না অনুপম। আর এ প্রসঙ্গেই প্রশ্নোক্ত কথাটি বলা হয়েছে।

প্রশ্ন-৩.. ‘মামা বিবাহ-বাড়িতে ঢুকিয়া খুশি হইলেন না।’ কেন?

উত্তর: বিয়েবাড়ির উঠানে বরযাত্রীদের জায়গা সংকুলান না হওয়ায় এবং সমস্ত
আয়োজন নিতান্ত মধ্যম রকমের হওয়ায় মামা সেখানে ঢুকে খুশি হলেন না।
শম্ভুনাথ সেনের এককালে প্রচুর ধন-সম্পদ থাকলেও বর্তমানে তেমন কিছুই নেই। তাই শম্ভুনাথ সেনের আয়োজনে তেমন বাড়াবাড়ি ছিল না। আর বিয়েবাড়ির উঠানে বরযাত্রীদের জায়গারও সংকুলান হচ্ছিল না। এসব কারণে মামা বিয়েবাড়িতে ঢুকে খুশি হলেন না।

প্রশ্ন-৪. “এটা আপনাদের জিনিস, আপনাদের কাছেই থাক।”- এরূপ মন্তব্যের কারণ কী?

উত্তর: বরপক্ষের হীন মানসিকতার কারণে কৌশলী এবং অপমানসূচক প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি করেছিলেন কল্যাণীর বাবা শম্ভুনাথ সেন। বিয়ের আসরে কন্যা সম্প্রদায়ের কাজ স্থগিত রেখে বরের মামা সেকরা দিয়ে কন্যার বাবার দেওয়া গহনা যাচাই করার মতো হীন কাজ করেন। সেকরা দ্বিধাহীনভাবে জানায় কনের সমস্ত গহনাই খাঁটি। শুধু একজোড়া এয়ারিং খাদপূর্ণ এবং বিলাতি। সেটি আশীর্বাদে সময় বরের মামা কন্যাকে দিয়েছিলেন। আর এ কারণে কৌশলে বরপক্ষকে অপমান করতে বাবা সেটি বরের মামাকে ফেরত দেন এবং প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি করেন।

প্রশ্ন-৫. ‘অন্নপূর্ণার কোলে গজাননের ছোট ভাইটি’- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: ‘অন্নপূর্ণার কোলে গজাননের ছোট ভাইটি’- এ কথাটি মূলত অনুপমকে ব্যঙ্গ করার উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে।

‘অপরিচিতা’ গল্পে লেখক অন্নপূর্ণার সন্তানের সঙ্গে গল্পের অনুপমের তুলনা করেছেন। অনুপমের মা ছিলেন গরিব ঘরের মেয়ে। সেজন্য ধনী স্বামীর ঘরে ধনীর ভাবখানা মেলে রাখতেন। দেবী দুর্গার দুই পুত্র- গণেশ ও কার্তিকের। কার্তিকের ছোট বিধায় সে সবসময় মাতৃস্নেহে লালিত এবং মায়ের কোলই যেন তার একমাত্র আশ্রয়। অনুপম শিক্ষিত হলেও ব্যক্তিত্বরহিত পরিবারতন্ত্রের কাছে অসহায়, তার নিজস্বতা বলতে কিছুই নেই। তাকে দেখলে মনে হয় সে যেন মায়ের কোলসংলগ্ন অবুঝ শিশু। এ কারণে লেখক ব্যঙ্গার্থে অনুপমকে কার্তিকের সঙ্গে তুলনা করে প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন।

২.বিলাসী

বহুনির্বাচন:

১.বিলাসী’ গল্পটি কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?

উত্তর:ভারতী।

২.’ইহা আর একটি শক্তি।’-উক্তিটিতে কোন শক্তির কথা বলা হয়েছে?

উত্তর:ভালোবাসা।

৩.’বিলাসী’ গল্পে মৃত্যুঞ্জয় প্রসঙ্গে ‘সুনাম’ কথাটির দ্বারা কী প্রকাশ পেয়েছে?

উত্তর:দুর্নাম।

৪.’বিলাসী’ গল্পে কে মৃত্যুঞ্জয়ের চিকিৎসা করে?

উত্তর:বুড়ো মালো।

৫.বলিলাম, “পৌঁছে দিতে হবে না, শুধু আলোটা দাও।” -উক্তিটিতে ন্যাড়ার যে মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে-

উত্তর:আত্মসম্মানবোধ।

৬.রোগা মানুষ সমস্ত রাত খেতে পাবে না’ খাবারের কথা বলা হয়েছে।

উত্তর:রুটি।

৭.বিলাসী গল্পে বিলাসী-কীসের প্রতীক?

উত্তর:প্রেমনিষ্ঠার।

৮.শরৎচন্দ্রের প্রথম মুদ্রিত রচনা কোনটি?

উত্তর:মন্দির।

৯.গ্রামের মধ্যে মৃত্যুঞ্জয়ের ছিল এমনি সুনাম।”‘সুনাম’ কথাটা কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?

উত্তর:দুর্নাম।

১০.’বিলাসী’ গল্পে কাকে গালিগালাজ করে দেশ উচ্ছ্বারের কথা বলা হয়েছে?

উত্তর:ইংরেজকে।

১১.ওপরের আদালতের হুকুম” বলতে কার নির্দেশ বোঝানো হয়েছে?

উত্তর:স্রষ্টার।

১২.মৃত্যুঞ্জয় কোন ক্লাসে পড়ত?

উত্তর:থার্ড ক্লাস।

১৩.মহত্ত্বের কাহিনি আমাদের অনেকে আছে?’ এখানে ‘মহর’ কী অর্থে ব্যবহূত হয়েছে?

উত্তর:ব্যঙ্গার্থে।

১৪.শরৎচন্দ্র জীবিকার তাগিদে কোথায় গিয়েছিলেন?

উত্তর:মায়ানমার।

১৫.শরৎচন্দ্র কোন রচনার জন্য কুন্তলীন পুরস্কার পান?

উত্তর:মন্দির।

১৬.এমন করে মানুষ ঠকায়ো না’-উক্তিটি কার?

উত্তর:বিলাসী।

১৭.পল্লিগ্রামে পুরুষদের সুখ্যাতিতে’ বাক্যটিতে ‘সুখ্যাতি’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর:ব্যাঙ্গ করে নিন্দা।

১৮.মাঝে মাঝে আমাদের গুরুশিষ্যের সহিত বিলাসী তর্ক করিত’ -কী বিষয়ে?

উত্তর:শিকড় বিক্রি।

১৯.পল্লিগ্রামে কীসের অভাব নেই?

উত্তর:উদারতার।

২০.ছোটোবাবু গ্রামের বারোয়ারি পূজা বাবদ কত টাকা দান করেছিলেন?

উত্তর:দুই শত টাকা।

২১.বিলাসী’ গল্পের ন্যাড়া কত ক্রোশ পথ হেঁটে স্কুলে যেত?

উত্তর:দুই ক্রোশ।

২২.মৃত্যুঞ্জয়ের কোন ক্লাসে ওঠার খবর কেউ কখনো পায়নি?

উত্তর:সেকেন্ড ক্লাস।

২৩.গ্রামের এক প্রান্তে মৃত্যুঞ্জয়ের কিসের বাগান ছিল?

উত্তর:আম-কাঁঠালের।

২৪.বিষহরির আজ্ঞা’ কী?

উত্তর:মন্ত্র।

২৫.’বিলাসী’ কেন আত্মহত্যা করেছিল?

উত্তর:স্বামীর শোকে।

২৬.মৃত্যুঞ্জয় নামটি কীভাবে প্রতিপন্ন হলো?

উত্তর:মৃত্যুঞ্জয়ের মৃত্যুর ফলে।

২৭.বিলাসী’ গল্পে বিলাসী ভয়ে নীল হয়ে গিয়েছিল কী দেখে?

উত্তর:লাঠিসহ গ্রামবাসিকে দেখে।

২৮.মৃত্যুঞ্জয়ের ‘অন্নপাশ’-এর মধ্যে খুড়া কোনটি খুঁজে পেয়েছে?

উত্তর: স্বার্থসিদ্ধির বিশাল সম্ভাবনা।

২৯.বিলাসীর সৎ মানসিকতার পরিচয় মেলে কীভাবে?

উত্তর:নিচু জাতের হাতে ভাত খাওয়া।

৩০.মৃত্যুঞ্জয়ের বাগানটা কত বিঘার ছিল?

উত্তর:কুড়ি-পঁচিশ।

৩১.’বিলাসী’ গল্পে ন্যাড়া তার এক আত্মীয়ের কাহিনি উল্লেখ করে কী বোঝাতে চেয়েছেন?

উত্তর:বিলাসী ও মৃত্যুঞ্জয়ের প্রেমের মহিমা।

৩২.বিলাসী মৃত্যুঞ্জয়ের সেবা করেছিল কেন?

উত্তর:মৃত্যুঞ্জয় অসুস্থ ছিল বলে।

৩৩.বিলাসী কার মেয়ে?

উত্তর:সাপুড়ের।

৩৪.খুড়া গ্রামবাসীদের নিয়ে বিলাসীর ওপর হামলা করেছিল কেন?

উত্তর:মৃত্যুঞ্জয়ের বাগানের প্রতি তার লোভ ছিল।

৩৫.বিলাসী ভয়ে নীলবর্ণ হয়ে গেল কেন?

উত্তর:লাঠিসোঁটা হাতে এতগুলি লোক দেখে।

৩৬.’বিলাসী’ গল্পে জাতিগত বিভেদ ছাড়িয়ে কী ফুটে উঠেছে?

উত্তর:প্রেমের মহিমা।

৩৭.পঞ্চমুখ’ শব্দটা ‘বিলাসী’ গল্পে কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?

উত্তর:প্রশংসা অর্থে।

৩৮.তাহার হৃদয় জয় করিয়া দখল করার আনন্দটাও • তুচ্ছ নয়। সে সম্পদও অকিঞ্চিৎকর নয়। উক্তিটি কোন গল্পের অন্তর্ভুক্ত?

উত্তর:বিলাসী।

৩৯.’বিলাসী’ গল্পটি প্রথম প্রকাশিত হয়?

উত্তর:ভারতী পত্রিকায়।

৪০.চরিত্র ও ঘটনা বর্ণনার ক্ষেত্রে শরৎচন্দ্র-

উত্তর:নিরপেক্ষ অবস্থানে থেকেছেন।

৪১.”মাঝে মাঝে আমাদের গুরুশিষ্যের সহিত বিলাসী তর্ক করিত।”-কী বিষয়ে?

উত্তর:শিকড় বিক্রি।

৪২.মৃত্যুঞ্জয়রা গোয়ালার বাড়িতে গিয়েছিল কেন?

উত্তর:সাপ ধরার জন্য।

৪৩.মৃত্যুঞ্জয় যে সাপটা ধরেছিল সেটির নাম কী?

উত্তর:খরিশ গোখরো।

৪৪.কোন কাজটি মৃত্যুঞ্জয়ের বড় অপরাধ?

উত্তর:অন্নপাপ।

৪৫.’যিনি মৃত্যুকে জয় করেন’ তাকে কী বলা হয়?

উত্তর:মৃত্যুঞ্জয়ী।

৪৬.বিলাসী কিভাবে আত্মহত্যা করে?

উত্তর:বিষপানে।

৪৭.যমরাজ’ শব্দটির অর্থ কোনটি?

উত্তর: মৃত্যু।

৪৮.বিলাসী’ গল্পে কোন সময়ের সমাজব্যবস্থার স্বরূপ উন্মোচিত হয়েছে?

উত্তর:বিশ শতকের।

৪৯.’বিলাসী’ গল্পটি ‘ভারতী’ পত্রিকার কোন সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে?

উত্তর:বৈশাখ।

৫০.’বিলাসী’ গল্পের বিলাসী কিসের প্রতীক?

উত্তর:প্রেমনিষ্ঠার।

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন—

১. মৃত্যুঞ্জয়ের কত বিঘার বাগান ছিল?

উত্তর: মৃত্যুঞ্জয়ের কুড়ি-পঁচিশ বিঘার বাগান ছিল।

২. এডেন কীসের জন্য বিখ্যাত?

উত্তর: এডেন বন্দর সামুদ্রিক লবণ তৈরির জন্য বিখ্যাত।

৩. ‘বিলাসী’ গল্পটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?

উত্তর: ‘বিলাসী’ গল্পটি প্রথম ‘ভারতী’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।

৪. ‘বিলাসী’ গল্পটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?

উত্তর: ‘বিলাসী’ গল্পটি প্রথম ‘ভারতী’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।

৫. মৃত্যুঞ্জয় কোন ক্লাসে পড়ত?

উত্তর: মৃত্যুঞ্জয় থার্ড ক্লাসে পড়ত।

৬. ‘বিলাসী’ গল্পে মৃত্যুঞ্জয় কোন ক্লাসে পড়ত?

উত্তর: ‘বিলাসী’ গল্পে মৃত্যুঞ্জয় থার্ড ক্লাসে পড়ত।

৭. ‘বিলাসী’ গল্পটি কোন পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়?

উত্তর: ‘বিলাসী’ গল্পটি ‘ভারতী’ পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়।

৮. ‘বিলাসী’ গল্পের গল্প কথকের নাম কী?

উত্তর: ‘বিলাসী’ গল্পের গল্প কথকের নাম হলো ন্যাড়া।

৯. ‘বিলাসী’ গল্পে কোন মোগল সম্রাটের নাম উল্লেখ আছে?

উত্তর: ‘বিলাসী’ গল্পে মোগল সম্রাট হুমায়ূনের নাম উল্লেখ আছে।

১০. ন্যাড়ার মাদুলি-কবচ কবরে দেওয়ার পরে তার কাছে আর কী অবশিষ্ট রইল?

উত্তর: ন্যাড়ার মাদুলি-কবচ কবরে দেওয়ার পরে তার কাছে আর অবশিষ্ট
রইল বিষহরির আজ্ঞা।

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন—

প্রশ্ন-১. “ওরে বাপরে, আমি একলা থাকতে পারব না।”- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: উক্তিটির মাধ্যমে ন্যাড়া তার এক আত্মীয়ার দৃষ্টান্ত তুলে ধরে তার মেকি স্বামীপ্রেমের প্রতি ইঙ্গিত করেছে।

‘বিলাসী’ গল্পে ন্যাড়ার এক আত্মীয় মারা গেলে তার বিধবা স্ত্রী শোকাহত হয়ে স্বামীর সঙ্গে সহমরণের জন্য হাহাকার করতে থাকে। কিন্তু লাশের পাশে তাকে একাকী রেখে ন্যাড়া যখন মৃতের সৎকারের জন্য লোক ডাকতে বাইরে পা বাড়ায়, তখনই সে চিৎকার করে উদ্ধৃত উক্তিটি করে। এ ঘটনা থেকে বোঝা যায়, বহুদিনের সাহচর্য সত্ত্বেও স্বামীর সঙ্গে তার কোনো আত্মিক সম্পর্ক গড়ে ওঠেনি। এভাবে উক্তিটির মধ্য দিয়ে তার মেকি স্বামীপ্রেমের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।

প্রশ্ন-২. “একলা যেতে ভয় করবে না তো?”- কে, কাকে এবং কেন এই উক্তিটি করেছিল? বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর: আম বাগানের জমাট বাঁধা অন্ধকারের মধ্য দিয়ে যেতে ভয় করবে কি না তা জানতে চেয়ে বিলাসী ন্যাড়াকে উদ্দেশ্য করে আলোচ্য উক্তিটি করেছে।
দীর্ঘদিন মৃত্যুঞ্জয়ের দেখা না পেয়ে, তার মর-মর অবস্থার কথা জানতে গেরে তাকে দেখতে এসেছিল ন্যাড়া। ফেরার সময় পথ এমনকি নিজের হাতও দেখতে না পাওয়া জমাট অন্ধকারে আম বাগানের ভেতর দিয়ে আসতে যে কারো দারুণ-
ভয় পাওয়ার কথা। বিলাসী সে বিষয়টি আঁচ করতে পেরে ন্যাড়ার কাছে জানতে
চেয়েছে সে একা যেতে ভয় পাবে কি না।

প্রশ্ন-৩. “গ্রামের মধ্যে মৃত্যুঞ্জয়ের ছিল এমনি সুনাম।”- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: গ্রামের মধ্যে মৃত্যুঞ্জয়ের নেতিবাচক ভাবমূর্তিকে ব্যঙ্গার্থে ‘সুনাম’ বলা হয়েছে।

মৃত্যুঞ্জয় সম্পর্কে উদ্ধৃত উক্তিতে ‘সুনাম’ শব্দটি গল্পকথক ন্যাড়া ‘দুর্নাম’ অর্থে ব্যবহার করেছে। আত্মীয়-পরিজনহীন মৃত্যুঞ্জয়ের এক জ্ঞাতি খুড়া ছিল। সে তার নামে দুর্নাম রটনা করে বেড়াত। দুর্নাম প্রচারের কল্যাণে গ্রামের মধ্যে মৃত্যুঞ্জয়ের এমন একটা নেতিবাচক ভাবমূর্তি গড়ে উঠেছিল যে, গ্রামবাসী তার সঙ্গে প্রকাশ্যে মেলামেশা দূরে থাক, তার সঙ্গে সংশ্রব থাকার কথাটা পর্যন্ত স্বীকার করত না। নিজ গ্রামে মৃত্যুঞ্জয়ের এমন নেতিবাচক ভাবমূর্তি প্রসঙ্গেই গল্পটিতে উদ্ধৃত উক্তিটির অবতারণা।

প্রশ্ন-৪. ‘ঠিক যেন ফুলদানিতে জল দিয়া ভিজাইয়া রাখা বাসি ফুলের মতো’- কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর: উদ্ধৃত উক্তিটির মাধ্যমে অসুস্থ মৃত্যুঞ্জয়ের সেবারত বিলাসীর অবস্থা
বোঝানো হয়েছে।

‘বিলাসী’ গল্পের নায়ক-মৃত্যুঞ্জয় অসুস্থ হয়ে পড়লে বিলাসী রাতের পর রাত জেগে তার সেবা-শুশ্রুষা করে। এই নিরবচ্ছিন্ন পরিশ্রমে বিলাসী শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। তার সারা শরীরে একটা অপরিসীম ক্লান্তি ও নিরবচ্ছিন্ন রাত জাগার ছাপ পড়ে যায়। তার এ সজীবতাহীন ও অবসন্ন শরীরকে গল্পের কথক তুলে ধরেছে উক্তিটির মাধ্যমে।

প্রশ্ন-৫. “চার ক্রোশ মানে আট মাইল নয়, ঢের বেশি”- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: গাণিতিকভাবে চার ক্রোশ মানে আট মাইল হলেও পারিপার্শ্বিক অবস্থার
কারণে গল্পকথকের যাতায়াতের পথ দীর্ঘতর হয়ে উঠত বোঝাতেই প্রশ্নোক্ত উক্তিটির অবতারণা করা হয়েছে।

লেখক ও তার সহপাঠীদের প্রতিদিন স্কুলে যাতায়াতের জন্য দীর্ঘ চার ক্রোশ পথ অতিক্রম করতে হতো। কিন্তু বর্ষার দিনে মেঘের জল, এক হাঁটু কাদা এবং গ্রীষ্মের দিনের খরতাপ ও ধুলার কারণে সেই চার ক্রোশ পথ আরও বেশি দীর্ঘ বলে মনে হতো। এ ব্যাপারটি স্পষ্ট করে তুলতেই লেখক উপরিউক্ত ব্যঙ্গাত্মক উক্তিটির আশ্রয় গ্রহণ করেছেন।

৩.আমার পথ

বহুনির্বাচন:

১দেশের যারা শত্রু, দেশের যা-কিছু মিথ্যা, ভন্ডামি, মেকি- তা দূর করতে কী প্রয়োজন?

উত্তর :আগুনের সম্মার্জনা।

২.’আত্মাকে চিনলে আত্মনির্ভরতা আসে’- কেন?

উত্তর:মানুষের আত্মশক্তি বৃদ্ধি পায় বলে।

৩.আমার পথ’ প্রবন্ধ অনুসারে কীভাবে সত্যকে পাওয়া যায়?

উত্তর:গভুলের মধ্য দিয়ে গিয়ে।

৪.আমি চির দুর্দম’ দুর্বিনীত, নৃশংস, মহাপ্রলয়ের আমি নটরাজ, আমি সাইক্লোন, আমি ধ্বংস।”- কবিতাংশটিতে ‘আমার পথ’ প্রবন্ধের কোন বিষয়টির ইঙ্গিত পাওয়া যায়?

উত্তর:অহংকারের পৌরুষ।

৫.’আমার পথ’ প্রবন্ধে লেখকের মতে, মানুষ নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে কেন?

উত্তর:পরনির্ভরশীলতার কারণে।

৬.’আমার পথ’ প্রবন্ধে লেখক কোন ভয়ে ভীত নন?

উত্তর:রাজার।

৭.কাজী নজরুল ইসলামের মতে নিচের কোনটি আমাদের নিস্ক্রিয় করে ফেলে?

উত্তর:পরাবলম্বন।

৮.কাজী নজরুল ইসলাম সর্বদা কাকে নমস্কার জানিয়েছে?

উত্তর:সত্যকে।

৯.নিজেকে চিনলে, নিচের সত্যকেই নিজের কর্ণধার মনে জানলে শক্তি ওপর কী আসে?

উত্তর:অটটুবিশ্বাস।

১০.আমার পথ’ প্রবন্ধে লেখকের মতে, মানুষ নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে কেন?

উত্তর:পরনির্ভরশীলতার কারণে।

১১.ভুলের মধ্যে দিয়ে কীভাবে সত্যকে পাওয়া যায়?

উত্তর:ভুল চেপে রেখে।

১২.আমার পথ’ প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক নিজের পরিচয় দিয়েছেন কী হিসেবে?

উত্তর:অভিশাপ-রথের সারথি।

১৩.’আমার পথ’ প্রবন্ধে কাজী নজরুল ইসলাম কীসের চেয়ে অহংকারকে ভালো বলেছেন?

উত্তর:মিথ্যা বিনয়।

১৪.’আমার পথ’ প্রবন্ধে নিচের কোন বৈশিষ্ট্যটি বিদ্যমান?

উত্তর:সত্যের পথ।

১৫.’আমার পথ’ প্রবন্ধ অনুযায়ী স্বাধীনতার জন্য করণীয় কী?

উত্তর:আত্মনির্ভরশীল হতে হবে।

১৬.’আমার পথ’ প্রবন্ধ অনুসারে আমরা পরাধীন যে কারণে-

উত্তর:স্বাবলম্বনহীনতার।

১৭.’আমার পথ’ প্রবন্ধে লেখকের কর্ণধার কে?

উত্তর:নিজে।

১৮.কাজী নজরুল ইসলামের প্রবন্ধ গ্রন্থ-

উত্তর:রুদ্র-মঙ্গল।

২০.আমি চিনেছি আমাকে, আজিকে আমার খুলিয়া গিয়াছে সব বাঁধ।’ -পঙ্ক্তিটি কোন রচনা নির্দেশ করে?

উত্তর:আমার পথ।

২১.আত্মাকে চিনলে মানুষের ভিতরে কী আসে?

উত্তর:আত্মনির্ভরতা।

২২.’ঝুট’ শব্দের সঠিক অর্থ কোনটি বেশি প্রচলিত?

উত্তর:মিথ্যা।

২৩.কাজী নজরুল ইসলাম কত সালে সেনাবাহিনীর বাঙালি পল্টনে যোগ দেন?

উত্তর:১৯১৭।

২৪.’আমার পথ’ প্রবন্ধে নজরুলের ‘আমি’ ভাবনা বিন্দুতে কিসের উচ্ছ্বাস জাগায়?

উত্তর:সিন্ধুর।

২৫.কাজী নজরুল ইসলাম কত বছর বয়সে লেটোর দলে যোগ দিয়েছিলেন?উত্তর:বারো।

২৬.- চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে।’ কী চিনলে?

উত্তর:- আত্মাকে।

২৭.’আমার পথ’ প্রবন্ধ অনুসারে কে কখনো অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না?

উত্তর:যে নিজ ধর্মের সত্যকে চিনেছে।

২৮.ভারত সরকার কত সালে কবি কাজী নজরুল ইসলামকে ‘পদ্মভূষণ’ উপাধিতে ভূষিত করেন?

উত্তর:১৯৬০

২৯.’আমার পথ’ প্রবন্ধানুসারে সত্যকে কীসের মধ্যে পাওয়া যায়?

উত্তর:ভুলের।

৩০.’আমার পথ’ কোন ধরনের রচনা?

উত্তর:প্রবন্ধ।

৩১.হিন্দু-মুসলমান মিলনের অন্তরায় কোথায়?

উত্তর:মনুষ্যধর্মকে মূল্য না দেয়া।

৩২.’কেউ তাতে ভয় দেখিয়ে পদাবনত রাখতে পারে না’- এখানে কার কথা বলা হয়েছে?

উত্তর:আত্মবিশ্বাসী ব্যক্তি।

৩৩.কবি কাজী নজরুল ইসলামের মতে মানুষের আত্মমর্যাদা কীসে?

উত্তর:মিথ্যা বিনয়ে।

৩৪.কাজী নজরুল ইসলাম ‘আমার পথ’ প্রবন্ধে নিজেকে পৃথিবীর কী হিসেবে ঘোষণা করেছেন?

উত্তর:অভিশাপ।

৩৫.কাজী নজরুল ইসলামের মতে, যে নিজের ধর্মের সত্যকে চিনেছে, সে অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না কেন?

উত্তর:সকল ধর্মই সম্প্রীতির কথা বলে।

৩৬.ঐক্যের মূল শক্তি কী?

উত্তর:সম্প্রীতি।

৩৭.এই পরাবলম্বনই আমাদের নিষ্ক্রিয় করে ফেললে।”- ‘আমার পথ’ প্রবন্ধ অনুসারে এই ‘পরাবলম্বন’ কীভাবে সৃষ্টি হয়?

উত্তর:নিজের বিশ্বাসকে স্পষ্টভাবে প্রকাশ না করলে।

৩৮.কী করে আত্মনির্ভরতা আসে?

উত্তর:আত্মাকে চিনলে।

৩৯.নিচের কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের গল্পগ্রন্থ?

উত্তর:শিউলিমালা।

৪০.আমি বেদুইন, আমি চেঙ্গিস আমি আপনারে ছাড়া করি না কাহারে কুর্নিশ

উদ্দীপকের ভাবের সাথে ‘আমার পথ’ প্রবন্ধের যে উক্তিটির সাথে ভাবগত সাদৃশ্য প্রত্যক্ষ করা যায়……

উত্তর:আমার কর্ণধার আমি।

৪১.আমার পথ’ প্রবন্ধের মূল উপজীব্য কোনটি?

উত্তর:ব্যক্তিসত্তার জাগরণ।

৪২.আমার পথ’ প্রবন্ধে কাজী নজরুল ইসলামের ‘আমি’ভাবনা বিন্দুতে কিসের উচ্ছ্বাস জাগায়?

উত্তর:সিন্ধুর।

৪৩.কোনটি আমাদের নিষ্ক্রিয় করে ফেলে।

উত্তর:পরাবলম্বন।

৪৪.স্পষ্ট বাকোর মাধ্যমে কষ্ট পাওয়াটাকে প্রবন্ধকার কী বলেছেন?

উত্তর:দুর্বলতা।

৪৫.’আমার পথ’ প্রবন্ধে কাজী নজরুল ইসলাম আমাদের সবচেয়ে বড় দাসত্ব বলতে কোনটিকে বুঝিয়েছেন?

উত্তর:পরাবলম্বনকে কাকে চিনলে।

৪৬.’রাজবন্দির জবানবন্দি’ কাজী নজরুল ইসলামের কী ধরনের রচনা?

উত্তর:প্রবন্ধ গ্রন্থ।

৪৭.নিচের কোনটি কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত পত্রিকা?

উত্তর:ধূমকেতু।

৪৮.সারথি’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তর:রথ চালক।

৪৯.নিজেকে জানো’ উক্তিটি ‘আমার পথ’ প্রবন্ধের কোন দিকটিকে নির্দেশ করে?

উত্তর:আত্মনির্ভরতা।

৫০.গান্ধীজি আছেন’ কথাটির মর্মার্থ কী?

উত্তর:পরাবলম্বন।

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন —

১. সবচেয়ে বড়ো ধর্ম কী?

উত্তর: মানুষ ধর্মই সবচেয়ে বড়ো ধর্ম।

২. কাজী নজরুল ইসলামের মতে কে মিথ্যাকে ভয় করে?

উত্তর: কাজী নজরুল ইসলামের মতে, যার মনে মিথ্যা সে-ই মিথ্যাকে ভয় করে।

৩. ‘কুর্নিশ’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তর: ‘কুর্নিশ’ শব্দের অর্থ- অভিবাদন বা সম্মান প্রদর্শন।

৪. ‘আমার পথ’ প্রবন্ধে নিজের ওপর অটুট বিশ্বাস করতেই শেখাচ্ছিলেন কে?

উত্তর: ‘আমার পথ’ প্রবন্ধে নিজের ওপর অটুট বিশ্বাস করতেই শেখাচ্ছিলেন মহাত্মা গান্ধীজি।

৫ . ‘আমার পথ’ প্রবন্ধ অনুযায়ী আত্মাকে চিনলেই কী আসে?

উত্তর: ‘আমার পথ’ প্রবন্ধ অনুযায়ী আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে।

৬. ‘সম্মাজর্না’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তর: সম্মার্জনা শব্দের অর্থ মেজে ঘষে পরিষ্কার করা।

৭. ‘আমার পথ’ প্রবন্ধে কাকে লেখক সালাম জানিয়েছেন?

উত্তর: ‘আমার পথ’ প্রবন্ধে লেখক তাঁর সত্যকে সালাম জানিয়েছিলেন।

৮. কাজী নজরুল ইসলামের কত বছর বয়সে দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হন?

উত্তর: কাজী নজরুল ইসলাম তেতাল্লিশ বছর বয়সে দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হন।

৯. কত সালে কাজী নজরুল ইসলাম বাঙালি পল্টনে যোগ দেন?

উত্তর: ১৯১৭ সালে কাজী নজরুল ইসলাম বাঙালি পল্টনে যোগ দেন।

১০. ‘আমার পথ’ প্রবন্ধে ‘আমার পথ’ আমাকে কী দেখাবে?

উত্তর: ‘আমার পথ’ প্রবন্ধে আমার পথ আমাকে আমার সত্য দেখাবে।

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন —

প্রশ্ন-১. “আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে।”- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: সত্যকে জানা ও আত্মশক্তির বিকাশের মাধ্যমে আত্মনির্ভরতা অর্জনের বিষয়টি বোঝাতে লেখক প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন।

অন্যের ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকাকে বলা হয় পরনির্ভরতা। যার নিজের শক্তির। ওপর বিশ্বাস নেই, যে আত্মশক্তি ও সত্যকে জানে না সেই পরনির্ভর। নিজের সত্যকে না জানলে আত্মনির্ভরতা অর্জন করা যায় না। তাই পরনির্ভরশীলতাকে বর্জন করতে হলে নিজের সত্যকে জানতে হবে, নিজের শক্তির ওপর আস্থা স্থাপন করতে হবে। আর তা হলেই মানুষ আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠবে। আর এভাবেই আত্মনির্ভরতা আসে। প্রশ্নোক্ত কথাটির মাধ্যমে লেখক এই বিষয়টিই তুলে ধরেছেন।

প্রশ্ন-২. ‘মানুষ-ধর্মই সবচেয়ে বড়ো ধর্ম’- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: মানুষ-ধর্ম তথা মনুষ্যত্ববোধই সবচেয়ে বড়ো ধর্ম। কেননা এটি জাগ্রত হলেই মানুষে মানুষে সম্প্রীতি গড়ে উঠবে।

মানুষের প্রাণের সম্মিলন ঘটাতে হলে তাদের মধ্যকার ব্যবধান ঘোচাতে হবে। এ ব্যবধান ঘোচাতে হলে মানুষের ‘মানুষ’ পরিচয়টিকে সবচেয়ে ঊর্ধ্বে স্থান দিতে হবে। এর মাধ্যমে মিটে যাবে এক ধর্মের সঙ্গে অন্য ধর্মের বিরোধও। মনুষ্যত্ববোধের জাগরনই ধর্মের প্রকৃত সত্য উন্মোচন করতে পারে। তাই মানুষ- ধর্মকেই সবচেয়ে বড়ো ধর্ম বলা হয়েছে।

প্রশ্ন-৩. লেখক নিজ সত্যকে সালাম জানিয়েছেন কেন? বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর: লেখকের সত্য তাঁকে পথ দেখাবে বলে তিনি তাঁর সত্যকে সালাম জানিয়েছেন।

লেখক নিজেই কর্ণধার। সামনে এগিয়ে যাওয়ার পর তাঁকে দেখায় তাঁর সত্য। তাই সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার আগে লেখক নিজের সত্যকে সালাম- নমস্কার জানিয়েছেন। আপন সত্যের পথ কখনো বিপথে নিয়ে যায় না। কোনো ভয়েই সে বিপথগামী হয় না। আর এ কারণেই লেখক নিজ সত্যকে সালাম জানিয়েছেন।

প্রশ্ন-৪. কবি নিজেকে “অভিশাপ-রথের সারথি” বলে অভিহিত করেছেন কেন?

উত্তর: সমাজের অনিয়ম ভেঙে ফেলতে লেখকের যে অবস্থান তার প্রেক্ষিতে কবি নিজেকে ‘অভিশাপ-রথের সারথি’ বলে অভিহিত করেছেন।

সমাজের প্রচলিত, পুরনো নিয়মকে ভেঙে নতুনকে প্রতিষ্ঠা করা সহজ কাজ নয়। এতে প্রতিনিয়ত সমাজরক্ষকদের অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হতে হয়। নানা প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে হয়, অভিশাপ পেতে হয়। এসব জেনেও নজরুল তাঁর বিশ্বাসকে প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছেন। সব অন্যায়, অবিচার আর অনিয়মের বিরুদ্ধে তিনি অভিশাপ হয়ে আবির্ভূত হয়েছেন এবং নিজেই রথচালকের আসনে বসে “অভিশাপ-রথের সারথি’ হয়েছেন।

প্রশ্ন-৫. ‘যার ভিতরে ভয়, সেই বাইরে ভয় পায়।’-ব্যাখ্যা কর

উত্তর: যে নিজের সত্যকে চিনতে পারে না, তার ভেতরে ভয় কাজ করে বলে সে বাইরেও ভয় পায়।

বাস্তব জীবনে মানুষকে প্রতিনিয়ত নানারকম সত্য-মিথ্যার মুখোমুখি হতে হয়। কিন্তু খুব অল্প মানুষই সত্য-মিথ্যার প্রকৃত রূপ চিনতে পারে। যে সত্যকে সঠিকভাবে চিনতে পারে তার অন্তরে মিথ্যার অমূলক ভয় থাকে না। আর যে ব্যক্তি সত্যের আসল রূপটি চিনতে ব্যর্থ হয় তার অন্তরেই মিথ্যার ভয় থাকে। যার মনে মিথ্যা সে-ই মিথ্যার ভয় করে, আর অন্তরে ভয় থাকলে সে ভয় বাইরেও প্রকাশ পায়। এ জন্যে প্রাবন্ধিক বলেছেন, যার ভিতরে ভয়, সেই বাইরে ভয় পায়।

৪.মানব কল্যাণ

বহুনির্বাচন:

১.বিজ্ঞানের অভাবনীয় আবিষ্কারকে ধ্বংসের পরিবর্তে সৃজনশীল মানবিক কর্মে নিয়োগ করা যায়- একমাত্র কার সাহায্যে?

উত্তর:মুক্ত বিচার বুদ্ধি।

২.প্রাবন্ধিক আবুল ফজল কত সালে ‘মানব-কল্যাণ’ প্রবন্ধটি রচনা করেন?

উত্তর:১৯৭২ সালে।

৩.এক মুষ্টি ভিক্ষা দেওয়ার মাধ্যমে কোনটি ক্ষুণ্ণ হয়?

উত্তর:মানব অস্তিত্ব।

৪.নিচের কোনটি আবুল ফজল রচিত উপন্যাস?

উত্তর:রাঙা প্রভাত।

৫.শিক্ষা গ্রহণকারীর দীনতা কোথায় প্রতিফলিত হয়?

উত্তর:সর্ব অবয়বে।

৬.”তাই সবরকম কল্যাণ কর্মেরও রয়েছে সামাজিক পরিণতি।” ‘মানব-কল্যাণ’ রচনায় মানুষ একথা ভুলে যায় কেন?

উত্তর:পরলোকের চিন্তায়।

৭.’মহত্ত্বের কাহিনী আমাদের অনেক আছে।’ এখানে ‘মহত্ত্ব’ কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?

উত্তর:ব্যঙ্গার্থে।

৮.মানুষের ভালো করো, মানুষের কল্যাণ করো, সুখ- শান্তি দান করো মানুষকে। এই নির্দেশ কারা দিয়েছেন?

উত্তর:ধর্ম প্রবর্তকেরা।

৯.আবুল ফজল রচিত ‘চৌচির’ কোন ধরনের রচনা?

উত্তর:উপন্যাস।

১০.নিচের কোনটি বর্তমানে মানব-কল্যাণের প্রধান অন্তরায়?

উত্তর:বিচ্ছিন্ন মানব চেতনা।

১১.’ওপরের হাত সব সময় নিচের থেকে শ্রেষ্ঠ’-কথাটি কে বলেছেন?

উত্তর:মহানবী (স.)।

১২.সত্যিকার মানবকল্যাণ কীসের ফসল?

উত্তর:মহৎ চিন্তা-ভাবনার।

১৩.লেখক আবুল ফজল কোন সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন?

উত্তর:মুসলিম সাহিত্য সমাজ।

১৪.আমাদের প্রচলিত ধারণা আর চলতি কথায় মানবকল্যাণ কথাটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়?

উত্তর:সস্তা।

১৫.লেখক আবুল ফজলের মতে, সব রকম কল্যাণ কর্মেরই কী রয়েছে?

উত্তর:সামাজিক পরিণতি।

১৬.প্রকৃত মানব কল্যাণের জন্য কোনটি অপরিহার্য?

উত্তর:মনুষ্যত্ববোধের জাগরণ।

১৭.জাতিকে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন করে তোলা কার দায়িত্ব?

উত্তর:রাষ্ট্রের।

১৮.মানুষের ভালো করো, মানুষের কল্যাণ করো, সুখ- শান্তি দান করো মানুষকে- এই নির্দেশ কারা দিয়েছেন?

উত্তর:ধর্ম-প্রবর্তকেরা।

১৯.’অনুগৃহীত’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তর:উপকৃত।

২০.কোন শব্দগুলো ‘মনীষা’ শব্দে অর্থ প্রকাশ করে?

উত্তর:বুদ্ধি, মনন, প্রজ্ঞা।

২১.বুদ্ধি-বিবেচনার দিক থেকে মানুষ কী ধরনের প্রাণী?

উত্তর:বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন।

২২.’মানব-কল্যাণ’ প্রবন্ধটি প্রথম কোন গ্রন্থে সংকলিত হয়?

উত্তর:’মানবতন্ত্র’ গ্রন্থে।

২৩.আবুল ফজলের জন্মতারিখ কোনটি?

উত্তর:পহেলা জুলাই।

২৪.আবুল ফজল তাঁর শিক্ষাজীবন কোথায় অতিবাহিত করেন?

উত্তর:চট্টগ্রাম ও ঢাকায়।

২৫.আবুল ফজল অন্যদের সঙ্গে মিলে কী প্রতিষ্ঠা করেন?

উত্তর:মুসলিম সাহিত্য সমাজ।

২৬.’সাহিত্য সংস্কৃতি ও জীবন’ রচনাটির লেখক কে?

উত্তর:আবুল ফজল।

২৭.একমুষ্টি ভিক্ষা দেওয়াকে আমরা মানব-কল্যাণ মনে করি কেন?

উত্তর:উপলব্ধিহীনতার কারণে।

২৮.কোন কাজ মনুষ্যত্ববোধ ও মানব-মর্যাদাকে ক্ষুণ্ণ করে?

উত্তর:ভিক্ষা প্রদান করা।

২৯.কোন বিষয়টি সাধারণত আমাদের উপলব্ধি করা হয় না?

উত্তর:মানব-মর্যাদাকে ক্ষুণ্ণ করায়।

৩০.’ওপরের হাত’ বলতে কাকে বুঝিয়েছেন?

উত্তর:দাতাকে।

৩১.দান বা ভিক্ষা গ্রহণকারীর মাঝে কোনটি প্রতিফলিত হয়?

উত্তর:দীনতা।

৩২.ভিক্ষা গ্রহণকারীর দীনতা কোথায় প্রতিফলিত হয়?

উত্তর:সর্ব অবয়বে।

৩৩.মনুষ্যত্ব আর মানব-মর্যাদার দিক থেকে অনুগ্রহকারী আর অনুগৃহীতের মধ্যে পার্থক্য কেমন?

উত্তর:আকাশ-পাতাল।

৩৪.কোনটি জাতির যৌথ জীবন আর যৌথ চেতনার প্রতীক?

উত্তর:রাষ্ট্র।

৩৫.জাতিকে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন করে তোলা কার দায়িত্ব?

উত্তর:রাষ্ট্রের।

৩৬.লেখকের মতে, কখন রাষ্ট্র আত্মমর্যাদাসম্পন্ন নাগরিক সৃষ্টি করতে ব্যর্থ হয়?

উত্তর:যখন হাতপাতা আর চাটুকারিতাকে প্রশ্রয় দেয়।

৩৭.লেখক কোন কাজকে মানব-কল্যাণ বলে মনে করেন না?

উত্তর:করুণার বশবর্তী হয়ে দান-খয়রাতকে।

৩৮.মনুষ্যত্ববোধ ও মানব-মর্যাদাকে ক্ষুণ্ণ করার বিষয়টি আমাদের উপলব্ধি করা হয় না কেন?

উত্তর:বিদেশি পণ্যের আমদানি বৃদ্ধি করার মাধ্যমে।

৩৯.অনুগ্রহকারী এবং অনুগৃহীতের মধ্যে আকাশ-পাতাল তফাত কেন?

উত্তর:সম্পূর্ণ বিপরীতধর্মী বলে।

৪০.করুণার বশবর্তী হয়ে দান-খয়রাতের অবশ্যম্ভাবী পরিণতি কী?

উত্তর:মনুষ্যত্বের অবমাননা।

৪১.নবি ভিক্ষুককে কী দিয়েছিলেন?

উত্তর: কুড়াল.।

৪২.মানুষকে কী হিসেবে বেড়ে উঠতে হবে?

উত্তর:মানুষ।

৪৩.সমাজের ক্ষুদ্রতম অঙ্গ বা ইউনিট কোনটি?

উত্তর:পরিবার।

৪৪.লেখকের মতে, মানব-কল্যাণ কী হতে পারে না?

উত্তর:স্বয়ম্ভু।

৪৫.প্রতিটি মানুষকে কেমন হতে হবে?

উত্তর:সামাজিক।

৪৬.মানুষের মনুষ্যত্বকে বাদ দিযে স্রেফ তার জৈব অস্তিত্বের প্রতি সহানুভূতিশীল মানব-কল্যাণ কী হতে পারে না?

উত্তর:ফলপ্রসূ।

৪৭.লেখকের মতে, মানব-কল্যাণের কোন রূপ দেখার জন্য দূরদূরান্তে যাওয়ার প্রয়োজন নেই?

উত্তর:কুৎসিত।

৪৮.আবুল ফজল ছাত্রজীবনে কোন আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হন?

উত্তর:বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের সঙ্গে।

৪৯.আবুল ফজলের সাহিত্যকর্মের অন্যতম মূল প্রতিপাদ্য কোনটি?

উত্তর:স্বদেশ ও ঐতিহ্যপ্রীতি।

৫০.’একুশ মানে মাথা নত না করা’ কী ধরনের রচনা?

উত্তর:প্রবন্ধ

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন —

১. ‘মানব-কল্যাণ’ প্রবন্ধটি কত সালে রচিত?

উত্তর: ‘মানব-কল্যাণ’ প্রবন্ধটি ১৯৭২ সালে রচিত হয়।

২. “ওপরের হাত সবসময় নিচের হাত থেকে শ্রেষ্ঠ।”-কথাটি কে বলেছেন?

উত্তর: “ওপরের হাত সবসময় নিচের হাত থেকে শ্রেষ্ঠ” কথাটি বলেছেন ইসলামের নবি।

৩. আমাদের প্রচলিত ধারণা আর চলতি কথায় মানব-কল্যাণ কথাটা অনেক খানি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়?

উত্তর: আমাদের প্রচলিত ধারণা আর চলতি কথায় মানব-কল্যাণ অনেক খানি সস্তা আর মামুলি অর্থে ব্যবহৃত হয়।

৪. ‘র‍্যাশনাল’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তর: ‘র‍্যাশনাল’ শব্দের অর্থ বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন।

৫. “তুমি অধম তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন?”- এ অবিস্মরণীয় সাহিত্যিক উক্তিটি কার?

উত্তর: “তুমি অধম তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন?”- এ অবিস্মরণীয় সাহিত্যিক উক্তিটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের।

৬. জাতিকে কী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে?

উত্তর: জাতিকে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন করে গড়ে তুলতে হবে।

৭. সত্যিকার মানব-কল্যাণ কীসের ফসল?

উত্তর: সত্যিকার মানব-কল্যাণ মহৎ চিন্তা-ভাবনার ফসল।

৮. মানব-কল্যাণের প্রাথমিক সোপান কী?

উত্তর: মানুষকে মানুষ হিসেবে এবং মানসিক বৃত্তির বিকাশের পথে বেড়ে ওঠার যথাযথ ক্ষেত্র রচনাই হলো মানব কল্যাণের প্রাথমিক সোপান।

৯. আবুল ফজল কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?

উত্তর: আবুল ফজল ১৯০৩ সালে জন্মগ্রহণ করেন।

১০. আবুল ফজল মূলত কোন ধরনের সাহিত্যিক ছিলেন?

উত্তর: আবুল ফজল মূলত ছিলেন চিন্তাশীল প্রাবন্ধিক।

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন —

প্রশ্ন-১. মানব-কল্যাণ কথাটা আমরা সস্তা ও মামুলি বানিয়ে ফেলেছি কীভাবে? বুঝিয়ে লেখো।

উত্তর: মানব-কল্যাণের প্রকৃত তাৎপর্য উপলব্ধি না করার ফলে আমরা একে সস্তা ও মামুলি বানিয়ে ফেলেছি।

বর্তমান সমাজে মানুষ মানব-কল্যাণ কথাটিকে ক্ষুদ্রার্থে ব্যবহার করে থাকে। এক মুষ্টি ভিক্ষা দেওয়াকেও তারা মানব-কল্যাণ বলে মনে করে থাকে। অথচ এতে মানুষের প্রকৃত কল্যাণ সাধিত হয় না; বরং মানব-মর্যাদাকে ক্ষুণ্ণ করা হয়। মূলত মানব-কল্যাণের প্রকৃত তাৎপর্য উপলব্ধি না করার কারণেই আমরা একে সস্তা ও মামুলি বানিয়ে ফেলেছি।

প্রশ্ন-২. ‘সর্বজীবের হিত’- কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে? -ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: ‘সর্বজীবের হিত’ কথাটি দ্বারা সকল জীবের প্রতি সহানুভূতি, কল্যাণ করার মানসিকতা রাখার আহ্বানকে বোঝানো হয়েছে।

সকল ধর্ম ও ধর্ম-প্রবর্তকেরা মানুষের ভালো করা, মানুষের কল্যাণ করা, তাদেরকে সুখ-শান্তি দানের কথা বলেছেন। তাঁরা বারবার মানব-কল্যাণে নিয়োজিত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। শুধু তা-ই নয়, তাঁরা সকল জীবের হিত করার নির্দেশও দিয়েছেন। কারণ, সকল জীবেরই ভালোভাবে বাঁচার অধিকার আছে। তাই সকল জীবকে নিরাপদে রাখার চেষ্টা করতে হবে।

প্রশ্ন-৩. মানব-কল্যাণ কীভাবে মানব-মর্যাদার সহায়ক হয়ে উঠবে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: কল্যাণময় পৃথিবী রচনা সম্ভব হলে মানব-কল্যাণ মানব-মর্যাদার সহায়ক হয়ে উঠবে।

‘মানব-কল্যাণ’ প্রবন্ধে লেখক কল্যাণময় পৃথিবী রচনার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। কল্যাণময় পৃথিবী বলতে তিনি এমন পৃথিবীকে বুঝিয়েছেন যেখানে মানব-মর্যাদা কখনো ক্ষুণ্ণ হয় না। বরং সকল অবমাননাকর অবস্থা থেকে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থায় সেখানে মানুষের উত্তরণ ঘটে। তিনি মনে করেন, মুক্তবুদ্ধির সহায়তায় পরিকল্পনামাফিক পথে চললে তা সম্ভব; কারণ একমাত্র সুষ্ঠু পরিকল্পনাকারীকে সৃজনশীল মানবিক কর্মে নিয়োগ করা যায়। তাই বলা যায়, কল্যাণময় পৃথিবী রচনা সম্ভব হলেই মানব-কল্যাণ মানব-মর্যাদার সহায়ক হয়ে উঠবে।

প্রশ্ন-৪. ‘ওপরের হাত সব সময় নিচের হাত থেকে শ্রেষ্ঠ।’ ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: দান করা একটি উত্তম কাজ হওয়ায় ওপরের হাত সব সময় নিচের হাতের থেকে শ্রেষ্ঠ। ওপরের হাত বলতে দাতাকে বোঝানো হয়। আর নিচের হাত দ্বারা বোঝানো হয় গ্রহীতাকে। মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.) ওপরের হাতকে উত্তম বলেছেন। কারণ, এ হাত ওপর থেকে অনুগ্রহ বর্ষণ করে, আর নিচের হাত সেই দান গ্রহণ করে। মূলত দান করার মাহাত্ম্য এবং দানগ্রহীতার দীনতা তুলে ধরতেই প্রশ্নোক্ত কথাটি বলা হয়েছে।

৫.মাসি পিসি

বহুনির্বাচনি:

১.মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?

উত্তর:১৯৩৮

২.’নিজেকে তার ছ্যাঁচড়া, নোংরা, নর্দমার মতো লাগে।’- কার সম্পর্কে বলা হয়েছে?

উত্তর:আহ্লাদি।

৩.’মাসি-পিসি’ গল্পে কার মাথায় ফেটিবাঁধা বাবরি চুল ছিল?

উত্তর:বৈদ্যের।

৪.’মাঝখানে গুটিসুটি হয়ে বসে আছে অল্প বয়সি একটি বৌ’ বৌটি কে?

উত্তর:আহ্লাদি।

৫.’বজ্জাত হোক, খুনি হোক, জামাই তো।’ মাসি- পিসি’ গল্পের পিসির এই উক্তির মধ্যদিয়ে প্রকাশ পেয়েছে-

উত্তর:আহ্লাদি।

৬.কলেরায় আহাদির পরিবার কতজন সদস্যকে হারিয়েছিল?

উত্তর:৩

৭.’মাসি-পিসি’ গল্পে ‘জগু আর নেই জগু নেই’- কথাটি দ্বারা বোঝানো হয়েছে?

উত্তর:চারিত্রিক পরিবর্তন।

৮.’মাসি-পিসি’ গল্পটি কোন পত্রিকায় প্রথম হয়?

উত্তর:পূর্বাশা।

৯.মাসি ও পিসি কেন কাছারি বাড়ি যেতে রাজি হয়নি?

উত্তর:আহ্লাদির নিরাপত্তাজনিত কারণে।

১০.’ওসব একরকম’ ছেড়ে দিয়েছে জগ্ন’-
এখানে’ওসব’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর:নেশা করা।

১১.মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিতৃপ্রদত্ত নাম কী?

উত্তর:প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়।

১২.আহাদি পরিবারের তিনজন সদস্য কোন অসুখে মারা গিয়েছিল?

উত্তর:জন্ডিসে।

১৩.মাসি-পিসি’ গল্পে ‘বজ্জাত হোক, খুনে হোক জামাই তো।’ বাক্যটিতে প্রকাশ পেয়েছে-

উত্তর:প্রথানুগত্য।

১৪.আহ্লাদি ও বুড়ো রহমানের কন্যা- তারা দুজনেই-

উত্তর: নির্যাতিত।

১৫.মাসি-পিসি’ গল্পে অল্পদিন আগে কার মেয়েটা শ্বশুরবাড়িতে মরেছে?

উত্তর:রহমানের।

১৬.মাসি-পিসি কাঁথা-কম্বল ভিজিয়ে রাখে-

উত্তর:যুদ্ধের আয়োজন হিসাবে।

১৭.মাসি-পিসি’ গল্পটি নিচের কোন গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে?

উত্তর:পরিস্থিতি।

১৮.আহ্লাদিকে তার স্বামী যেভাবে নিয়ে যাবে বলে কৈলাশকে জানায়-

উত্তর:মামলা করে।

১৯.মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?

উত্তর:১৯০৮

২০.’মাসি-পিসি’ গল্পে শেষ পর্যন্ত ঔজ্জ্বল্য লাভ করেছে-

উত্তর:মাসি-পিসির বুদ্ধিদীপ্ত প্রতিরোধ।

২১.আহ্লাদিকে রক্ষার জন্য মাসি-পিসির প্রচেষ্টায় তাদের চরিত্রের যে দিকটি প্রকাশ পেয়েছে তা হলো-

উত্তর:সংগ্রামশীলতা।

২২.কে এগিয়ে আসবে এসো, বঁটির এক কোণে গলা দুফাঁক করে দেব।’- এখানে কী বুঝিয়েছে?

উত্তর:যদি এগিয়ে আসো তবে মারা পড়বে।

২৩.’মাসি-পিসি’ গল্পটি কত বঙ্গাব্দে প্রকাশিত হয়?

উত্তর:১৩৫২

২৪.মাসি বিরক্ত হয় কেন?

উত্তর:কৈলাসের গড়িমসিতে।

২৫.মাসি-পিসির গলা ঝরঝরে, আওয়াজ একটু মোটা, একটু ঝঙ্কার আছে। এখানে ‘ঝঙ্কার’ শব্দ দ্বারা প্রকাশ পেয়েছে মাসি-পিসি-

উত্তর:অসহিষ্ণু।

২৬.মাসি-পিসি গল্পের অল্পদিন আগে কার মেয়েটা শ্বশুর বাড়িতে মরেছে?

উত্তর:রহমানের।

২৭.প্রাগৈতিহাসিক’ কী ধরনের রচনা?

উত্তর:ছোটগল্প।

২৮.মাসি-পিসি’ গল্পে গাঁয়ের গুন্ডা কে?

উত্তর:ওসমান।

২৯.মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বাজি ধরে লিখেছেন কোন গল্প?

উত্তর:অতসীমামী।

৩০.’ছেলের মুখ দেখলে পাষাণ নরম হয়’- উক্তিটি কার?

উত্তর:পিসির।

৩১.কৈলাশের প্রতিবাদের অন্তরালে মূলত কী লুকিয়ে আছে?

উত্তর:শঠতা।

৩২.কৈলাশের প্রথমে খুনশুটি করে কথা বলা কারণ-

উত্তর:মাসি-পিসির সাথে ভাব জমাতে।

৩৩.’জগু আর সেই জগু নেই। বৌকে নিতে চায় এখন।’- আলোচ্য সংলাপটিতে জগু পুনরায় বৌকে নিতে চায় কেন?

উত্তর:সম্পত্তির লোভে।

৩৪.জননী’ উপন্যাস-এর রচয়িতা কে?

উত্তর:মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়।

৩৫.”বেঁচে থাকার আরেক নাম সংগ্রাম। সাহসিকতার সাথে জীবনকে এগিয়ে নিয়ে বাঁচতে হবে।” উদ্দীপকের বিষয়বস্তু কোন রচনায় ফুটে উঠেছে?

উত্তর:বিড়াল।

৩৬.’মাসি-পিসি’ গল্পে পিসি কত দিন বাদে জামাই আসবে বলে উল্লেখ করেছে?

উত্তর:দুদিন।

৩৭.মাসি-পিসির মধ্যে সম্পর্কের দূরত্ব ঘুচে যায় কীভাবে?

উত্তর:শাক-সবজির ব্যবসায় নেমে।

৩৮.সালতি থেকে কী তোলা হচ্ছে?

উত্তর:বাঁশ।

৩৯.খারাপ লোক হলেও জগু বাড়িতে এলে মাসি-পিসির আদর করার কারণ কী?

উত্তর:নমনীয়তা।

৪০.মরবে তোমরা জানো মাসি, জানো পিসি, মারা পড়বে তোমরা একেবারে।’ উক্তিটির মধ্যে প্রচ্ছন্ন আছে-

উত্তর:ভয় দেখানো।

৪১.’মাসি-পিসি’ গল্পে জগুর মামলা করার সংবাদ পাঠানোর উদ্দেশ্য হলো-

উত্তর:ভীতি সৃষ্টি করা।

৪২.মাসি-পিসির মধ্যে ঐকান্তিক ভাব থাকার কারণ-

উত্তর:তাদের বয়স ও অবস্থার অভিন্নতা।

৪৩.কোনটি ‘মাসি-পিসি’ গল্পের একটি অন্যতম দিক?

উত্তর:প্রতিবাদী চেতনা।

৪৪.মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিতৃপ্রদত্ত নাম কী?

উত্তর:প্রবোধ কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়।

৪৫.মাসি-পিসির কাপড়ের আঁচল কোমরে বাঁধা ছিল-

উত্তর:সালতির লগি ঠেলছিল বলে।

৪৬.বজ্জাত হোক, খুনে হোক, জামাই তো’- উক্তিটি কার?

উত্তর:মাসির।

৪৭.মাসি-পিসির মধ্যে দূরত্ব ঘুচে যায়-

উত্তর:ব্যবসায় নেমে।

৪৮.’মাসি-পিসি’ জীবিকার তাগিদে কী ব্যবসায় শুরু করেন?

উত্তর:শাকসবজির।

৪৯.’মাসি-পিসি’ গল্পের খলনায়ক কে?

উত্তর:গোকুল।

৫০.মাসি-পিসি কেন কাছারিবাড়ি যেতে রাজি হয়নি?

উত্তর:আহ্লাদির নিরাপত্তাজনিত কারণে।

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন—

১. ‘ছেলের মুখ দেখে পাষাণ নরম হয়’-উক্তিটি কার?

উত্তর: ছেলের মুখ দেখে পাষাণ নরম হয়’-উক্তিটি পিসির।

২. ‘মাসি-পিসি’ গল্পটির লেখক কে?

উত্তর: ‘মাসি-পিসি’ গল্পটির লেখক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়।

৩. মানিক বন্দোপাধ্যায়ের পিতৃদত্ত নাম কী?

উত্তর: মানিক বন্দোপাধ্যায়ের পিতৃদত্ত নাম প্রবোধকুমার বন্দোপাধ্যায়।

৪ . কখন কৈলাশের স্বভাব বিগড়ে যায়?

উত্তর: হাতে দুটো পয়সা এলে কৈলাশের স্বভাব বিগড়ে যায়।

৫. ‘মাসি-পিসি’ গল্পে উল্লিখিত বাবুর নাম কী?

উত্তর: ‘মাসি-পিসি’ গল্পে উল্লিখিত বাবুর নাম গোকুল।

৬. “খুনসুটি রাখো দিকি কৈলেশ তোমার।” উক্তিটি কার?

উত্তর: “খুনসুটি রাখো দিকি কৈলেশ তোমার।”- উক্তিটি কৈলেশকে উদ্দেশ্য করে মাসির।

৭. ‘সালতি’ কী?

উত্তর: ‘সালতি’ হলো শালকাঠ নির্মিত বা তালকাঠের সরু ডোঙা বা নৌকা।

৮. পাতাশূন্য শুকনো গাছটায় কারা বসেছে?

উত্তর: পাতাশূন্য শুকনো গাছটায় শকুনেরা উড়ে এসে বসেছে।

৯. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিতৃপ্রদত্ত নাম কী? অথবা, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রকৃত নাম কী?

উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিতৃপ্রদত্ত নাম প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়।

১০. পাশাপাশি কয়টি সালতি ছিল? কালিকাপুর আব্দুল মতিন খসরু ডিগ্রি কলেজ, কুমিল্লা

উত্তর: পাশাপাশি দুটি সালতি ছিল।

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন —

প্রশ্ন-১. ‘মোরা নয় মরব।’ পিসির এ উক্তি কীসের ইঙ্গিত বহনকারী? বুঝিয়ে দাও।

উত্তর: প্রশ্নোক্ত উক্তিটির মাধ্যমে বদমায়েশ কানাই ও তার দলের বিরুদ্ধে পিসির প্রতিবাদী চেতনা ও দৃঢ় মনোভাবের পরিচয় প্রকাশ পায়।

‘মাসি-পিসি’ গল্পে মাসি ও পিসি দুজনেই বিধবা। তাঁরা আহাদিকে আগলে রেখেছেন সকল লম্পটের কুদৃষ্টি থেকে। রাতের বেলা ষড়যন্ত্র করে কানাইা ও তার দল মাসি ও পিসিকে কাছারিতে নিয়ে যেতে চাইলে মাসি ও পিসি তার কুমতলব বুঝতে পারেন। কৌশলে কানাই ও তার দল আহাদির কোনো ক্ষতি করতে পারে তা মাসি ও পিসি দুজনেই টের পান। তাই তাঁরাও প্রতিরোধ গড়ে তোলেন কানাই ও তার দলের বিরুদ্ধে। মাসি ও পিসি রাতের বেলা কাছারিতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে কতটা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ তা বোঝা যায় পিসির প্রশ্নোক্ত উক্তিতে।

প্রশ্ন-২. “মরণ ঠেকাতেই ফুরিয়ে আসছে তাদের জীবনীশক্তি”- উক্তিটি ব্যাখ্যা- কর।

উত্তর: প্রশ্নোক্ত উক্তিটিতে দুর্ভিক্ষের সময় মাসি-পিসির জীবনসংগ্রামের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।

  • ‘মাসি-পিসি’ গল্পে দুর্ভিক্ষের সময় খাদ্যের অভাব তীব্র হয়ে ওঠে। তার মধ্যে অসুস্থ আহাদি এসে হাজির হয় মাসি-পিসির ঘরে। খেয়ে না-খেয়ে মাসি-পিসি – আহাদিকে সুস্থ করার চেষ্টা করে। কিন্তু আহ্লাদি অবস্থা আরও খারাপের দিকে যায়। অন্যদিকে, চারপাশের মানুষ না-খেয়ে মরতে শুরু করে। ফলে জীবন বাঁচাতে মাসি-পিসিকে কঠোর পরিশ্রম করতে হয়। মাসি-পিসির মতো যারা সে যাত্রায় বেঁচে যায়, তাদের অবস্থা বোঝাতে প্রশ্নোক্ত কথাটি বলা হয়েছে।

প্রশ্ন-৩. “কেমন একটা স্বস্তি বোধ করে মাসি-পিসি।” কেন?

উত্তর: সাহসিকতার সাথে কর্তা বাবুর লোকদের বিতাড়িত করতে পেরে মাসি- পিসি স্বস্তিবোধ করে।

অহোদি স্বামীর বাড়ি থেকে ফিরে আসার পর গাঁয়ের অনেকেরই লোলুপ দৃষ্টি পড়ে তার ওপর। প্রতিবেশী গোকুল এদের মধ্যে একজন। সে আহ্লাদিকে পাওয়ার জন্য মাসি-পিসিকে নানাভাবে হাত করার চেষ্টা করে। কিন্তু কোনোভাবেই সে তাদের রাজি করাতে পারে না। তাই রাতের অন্ধকারে সে কর্তা বাবুর লোকজন নিয়ে আসে, যাতে কৌশলে মাসি-পিসিকে বাড়ির বাইরে বের করে সেই সুযোগে সে আহাদিকে তুলে নিয়ে যেতে পারে। কিন্তু মাসি-পিসির সাহসিকতা ও কৌশলের কারণে তাদের সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়। গাঁয়ের লোকজনও দলে দলে তাদের সাহায্যে এগিয়ে আসে। এ কারণে মাসি-পিসি অনেকটা স্বস্তিবোধ করে।

প্রশ্ন-৪. “ছেলের মুখ দেখে পাষাণ নরম হয়।” উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: ছেলের মুখ দেখে পাষাণ পিতারও মন নরম হয়- এমন প্রসঙ্গে আহাদিকে উদ্দেশ্য করে পিসি আলোচ্য উক্তিটি করেছিল।

সন্তানের প্রতি স্নেহ-মমতা মানুষের একটি মৌলিক মানবীয় গুণ। বদমেজাজী স্বামী তার স্ত্রীর প্রতি যতই নিষ্ঠুর হোক না কেন, সন্তানের প্রতি বাবা পরম দয়াশীল হয়ে থাকে। তাদের পাষাণ হৃদয় বরফের মতো গলে যায়। স্ত্রীর প্রতি আর আগের মতো নিষ্ঠুর আচরণ করে না। এমন আশাবাদ ব্যক্ত করে পিসি গর্ভবতী আহাদিকে বোঝায়। দেখিস তোর নিষ্ঠুর স্বামী জগু ছেলের মুখ দেখে নরম মেজাজের মানুষ হয়ে উঠবে। কারণ তোর পিসেও ছিল জগুর মতো পাষাণ।আমার খোকাটা কোলে আসতেই সে নরম দয়াশীল মানুষ হয়ে যায়।

প্রশ্ন-৫. ‘শকুনরা উড়ে এসে বসেছে পাতা শূন্য শুকনো গাছটায়’- উক্তিটির প্রাসঙ্গিকতা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: প্রশ্নোক্ত উক্তিটি দ্বারা নির্যাতিত-অসহায় নারীর ওপর শকুনরূপী কিছু পুরুষের দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত হয়েছে।

পিতৃমাতৃহীন আহাদি স্বামীর নিষ্ঠুর নির্যাতনের শিকার হয়ে বিধবা মাসি ও পিসির আশ্রয়ে থাকে। সেখানেও সে বারবার জোতদার, দারোগা ও গুন্ডা-বদমাশদের কুনজরে পড়ে। একদিকে স্বামীগৃহ থেকে বঞ্চিত, অন্যদিকে একশ্রেণির খারাপ পুরুষের কুদৃষ্টি আহাদির মতো অসহায় মেয়েটিকে যেন অস্থির করে তোলে। নারীর প্রতি পুরুষতান্ত্রিক সমাজের এমন নেতিবাচক মনোভাবই প্রশ্নোক্ত উক্তিটি দ্বারা প্রকাশ পেয়েছে।

৬.বায়ান্নর দিনগুলো

বহুনির্বাচনী:

১.ওপরওয়ালার নির্দেশে বঙ্গবন্ধুকে নারায়ণগঞ্জে কোথা রাখা হয়েছিল?

উত্তর:থানা হাজতে।

২.জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ শতবার্ষিকী পালিত হয়-

উত্তর:২০২২ সালে।

৩.’আবার ফুটেছে দ্যাখো কৃষ্ণচূড়া থরে থরে শহরের পথে’ চরণটি আমাদের জাতীয় জীবনের কোন দিকটি তুলে ধরে?

উত্তর:ভাষা আন্দোলন।

৪.জাহাজ ঘাটে শেখ মুজিবুর রহমান সহকর্মীদের কাছে কী চাইলেন?

উত্তর:ক্ষমা।

৫.ফরিদপুরে স্যারা দিন শোভাযাত্রা চলেছিল কত তারিখে?

উত্তর:বাংলা ভাষা।

৬.রাষ্ট্রীয় প্রশাসনে সরকারি কর্মচারীদের কর্তৃত্বমূলক ব্যবস্থাকে কী বলে?

উত্তর:আমলাতন্ত্র।

৭.ভাষা সৈনিকদের শহিদ হওয়ার খবর বঙ্গবন্ধু কীভাবে পেয়েছিলেন?

উত্তর:সিপাহীদের মাধ্যমে।

৮.অনশন ধর্মঘটের ব্যাপারে আলোচনার কথা বলে বঙ্গবন্ধুকে কোন তারিখে জেলগেটে আনা হয়েছিল?

উত্তর:১৫ ফেব্রুয়ারি।

৯.শেখ মুজিবুর রহমান প্রস্তুত ছিলেন?

উত্তর:দেশ ও জনগণের।

১০.’বায়ান্নর দিনগুলো’ রচনায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কাকে তাঁর সহকর্মীদের খবর দিতে বললেন?

উত্তর:চায়ের দোকানের মালিক।

১১.’বায়ান্নর দিনগুলো’ রচনায় ১৯৫২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কোন জীবনের কথা বিবৃত হয়েছে?

উত্তর:জেল জীবন।

১২.বাংলাদেশ যে আপনার কাছ থেকে অনেক কিছু প্রত্যাশা করে”- উক্তিটি দ্বারা ‘বায়ান্নর দিনগুলো’ রচনায় কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর:মুক্তিকামী মানুষের জন্য বঙ্গবন্ধুর সফল নেতৃত্ব।

১৩.জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কত সালে ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ রচনা করেন?

উত্তর:১৯৬৭

১৪.বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কত তারিখে ঢাকা সেন্ট্রাল জেলের গেটে নিয়ে যাওয়া হয়?

উত্তর:১৫ই ফেব্রুয়ারি।

১৫.বায়ান্নর দিনগুলোতে’ কারা অভ্যন্তরে বঙ্গবন্ধুর অনশন করার কারণ-

উত্তর:বিনা বিচারে আটক রাখা।

১৬.বায়ান্ন দিনগুলো’ কোন গ্রন্থ থেকে নেয়া হয়েছে?

উত্তর:অসমাপ্ত আত্মজীবনী।

১৭.জনমতের বিরুদ্ধে যেতে শোষকরাও ভয় পায়”- কোণ প্রসঙ্গে কথাটি বলা হয়েছে?

উত্তর:ভাষার দাবি মেনে নেওয়া।

১৮.“ডাক্তার সাহেব আমাদের নড়াচড়া করতে নিষেধ করেছেন; কিন্তু উত্তেজনায় উঠে বসলাম।” এখানে কোন উত্তেজনার কথা বলা হয়েছে?

উত্তর:ভাষা আন্দোলনের।

১৯.নিম্নের কোন ব্যক্তি আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন?

উত্তর:আবদুর রশিদ তর্কবাগীশ।

২০.কবে শেখ মুজিবর রহমানের মুক্তির অর্ডার এসেছিল?

উত্তর:২৭ তারিখ।

২১.গণ আজাদী লীগ নেতা কে ছিলেন?

উত্তর:আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ।

২২.বঙ্গবন্ধু কোন পুরস্কার পেয়েছিলেন?

উত্তর:জুলি ও কুরি।

২৩.’ইয়ে কেয়া বাত হ্যায়, আপ জেলখানা মে’ এর প্রশ্নের জবাবে বঙ্গবন্ধু বলেন-

উত্তর:কিসমত।

২৪.গোয়ালন্দ থেকে ফরিদপুর শেখ মুজিবুর রহমান কিসে আসেন?

উত্তর:ট্রেনে।

২৫.অসমাপ্ত আত্মজীবনী’- কার লেখা?

উত্তর:বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

২৬.’বায়ান্নর দিনগুলো’ আত্মজীবনীর লেখকের নামের শুদ্ধ বানান কোনটি?

উত্তর:শেখ মুজিবুর রহমান।

২৭.”মানুষের যখন পতন আসে হতে থাকে।” কথাটি কার?

উত্তর:শেখ মুজিবুর রহমান।

২৮.জনগণের বিরুদ্ধে যেতে শোষকরাও—

উত্তর:ভয় পায়।

২৯.’যারা শাসন করছে তারা আপনজন নয়’-এ কথা কারা বুঝতে শুরু করেছিল-

উত্তর:সাধারণ মানুষ।

৩০.”আজ দুই শত বৎসর পরে আমরা স্বাধীন হয়েছি?” -বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতিচারণে কোন সময়ের প্রসঙ্গ ব্যক্ত করেছেন?

উত্তর:ব্রিটিশ আমল থেকে ১৯৪৭ সালে প্রাপ্ত স্বাধীনতা।

৩১.’মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন’ এ প্রবাদ বাক্যের প্রতিফলন আছে কোন রচনায়-

উত্তর:বায়ান্নর দিনগুলো।

৩২.”ভরসা হলো, আর দমাতে পারবে না।” রাষ্ট্রভাষা বাংলার প্রশ্নে বঙ্গবন্ধুর এই উপলব্ধির অন্তর্নিহিত কারণ কী?

উত্তর:ভাষার জন্য ছাত্র-জনতা রক্ত দিয়েছে।

৩৩.বায়ান্নর দিনগুলো’ রচনায় ‘বেলুচি ভদ্রলোক’ কে?

উত্তর:সুবেদার।

৩৪.জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু কত সালে ‘জুলিও কুরি’ পদকে ভূষিত হন?

উত্তর:১৯৭২

৩৫.বায়ান্নর দিনগুলি’ শীর্ষক রচনায় ‘ভরসা হলো, আর দমাতে পারবে না।’- এই আত্মপ্রত্যয় কার?

উত্তর:বঙ্গবন্ধুর।

৩৬.বায়ান্নর দিনগুলি’ রচনায় ‘এখন আর প্রকাশ্যে বাংলা ভাষার বিরুদ্ধে কথা বলতে সাহস পাচ্ছেন না। কে?

উত্তর:সুপারিনটেনডেন্ট।

৩৭.বায়ান্নর দিনগুলো’ রচনায় বঙ্গবন্ধুর অনশনের মধ্যে কোন বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে?

উত্তর:প্রতিবাদ।

৩৮.বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কত সালের ইলেকশনে ওয়ার্কার ইনচার্জ ছিলেন?

উত্তর:১৯৪৬

৩৯.বঙ্গবন্ধুর কোন বিষয়টি খুব খারাপ লেগেছিল?

উত্তর:মহিউদ্দিনের নামে স্লোগান না দেওয়া।

৪০.সমস্ত ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে পাকিস্তনিরা কী সৃষ্টি করে?

উত্তর:ত্রাসের রাজত্ব।

৪১.কারা কর্তৃপক্ষ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে মরতে দিতে চাচ্ছে না কেন?

উত্তর:দেশের শৃঙ্খলা রক্ষায়।

৪২.বঙ্গবন্ধু প্রথম বাংলা ভাষায় ভাষণ দেন কোথায়?

উত্তর:জাতিসংঘে।

৪৩.সিভিল সার্জন ফরিদপুর জেলে মুজিবকে দিনের মধ্যে কতবার দেখতে আসতেন?

উত্তর:পাঁচ-সাত বার।

৪৪.’তোমার আব্বাকে আমি একটু আব্বা বলি?’- কে বলেছিল?

উত্তর:শেখ কামাল।

৪৫.সিভিল সার্জন সাহেবের মুখ গভীর হয়ে যায় কেন?

উত্তর:শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যু আশঙ্কায়।

৪৬.মাতৃভাষা আন্দোলনে ২১ শে ফেব্রুয়ারির ঘটনাকে লেখক কার অপরিনামদর্শিতা বলেছেন?

উত্তর:পাকিস্তানিদের।

৪৭.২২ শে ফেব্রুয়ারিতে ফরিদপুরে কী হয়েছিল?

উত্তর:শোভাযাত্রা।

৪৮.ফরিদপুর জেলে অনশনে থাকাকালে শেখ মুজিবুর রহমান কোন অসুখে ভুগছিলেন?

উত্তর:হার্টের দুর্বলতা।

৪৯.’বায়ান্নর দিনগুলো’ রচনার বিশ্লেষণে বঙ্গবন্ধুকে বলা যায়-

উত্তর:দেশপ্রেমী ও দায়িত্বশীল মহান নেত।

৫০.বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ ডিগ্রি অর্জন করেন?

উত্তর:কলিকাত।

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন—

১. রেণু কে?

উত্তর: রেণু হলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব।

২. ‘বোধ হয় আর দু-একদিন বাঁচতে পারি’- শেখ মুজিবুর রহমানের এই বোধ কত তারিখে হয়েছিল?

উত্তর: ‘বোধ হয় আর দু-একদিন বাঁচতে পারি’- শেখ মুজিবুর রহমানের এই বোধ ২৭ তারিখে হয়েছিল।

৩. ফরিদপুরে কত তারিখে শোভাযাত্রা চলল?

উত্তর: ফরিদপুরে ২২ তারিখে শোভাযাত্রা চলল।

৪. শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ কত সালে প্রথম প্রকাশিত হয়?

উত্তর: শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ ২০১২ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।

৫. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাবার নাম কী?

উত্তর: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাবার নাম শেখ লুৎফর রহমান।

৬. বক্তাবন্ধুকে ডাবের পানি খাইয়ে দিয়ে অনশন ভাঙান কে?

উত্তর: বঙ্গবন্ধুকে ডাবের পানি খাইয়ে দিয়ে অনশন ভাঙান তার সঙ্গী মহিউদ্দিন আহমদ।

৭. মহিউদ্দিন আহমদ কী রোগে ভুগছিলেন?

উত্তর: মহিউদ্দিন আহমদ গ্লরিসিস রোগে ভুগছিলেন।

৮. ‘বায়ান্নর দিনগুলো’ প্রবন্ধে ডেপুটি জেলারের নাম কী?

উত্তর: ‘বায়ান্নর দিনগুলো’ প্রবন্ধে ডেপুটি জেলারের নাম মোখলেসুর রহমান।

৯. ‘বায়ান্নর দিনগুলো’ প্রবন্ধটি কোন গ্রন্থে সংকলিত?

উত্তর: ‘বায়ান্নর দিনগুলো’ প্রবন্ধটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ সংকলিত।

১০. আমলাতন্ত্রও কী?

উত্তর: আমলাতন্ত্র হলো- রাষ্ট্রীয় প্রশাসনে সরকারি কর্মচারীদের কর্তৃত্ব মূলক ব্যবস্থা।

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন —

প্রশ্ন-১. “জনমতের বিরুদ্ধে যেতে শোষকরাও ভয় পায়।”- কেন? বুঝিয়ে দাও।

উত্তর: জনমতের বিরুদ্ধে গেলে পতন অনিবার্য হয়ে ওঠে বলে শোষকরাও জনমতের বিরুদ্ধে যেতে ভয় পায়।

‘বায়ান্নর দিনগুলো’ রচনায় ভাষা আন্দোনে মাতৃভাষা বাংলার পক্ষে জনমত সৃষ্টি হওয়ার কথা বলা হয়েছে। বাঙালিদের মুখের ভাষা বাংলাকে কেড়ে নিতে শাসকগোষ্ঠী যে তৎপর সেটি বাঙালি বুঝতে পেরে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভাষা আন্দোলনে সাড়া দিয়েছে। ফলে মাতৃভাষা বাংলার পক্ষে জনমত গড়ে উঠেছে। এই জনমতের বাইরে গেলে শোষকদেরও পতন ঘটবে তাকে কোনো সন্দেহ নেই। তাই শোষকরাও জনমতের বিরুদ্ধে যেতে ভয় পায়।

প্রশ্ন-২. “মানুষের যখন পতন আসে তখন পদে পদে ভুল হতে থাকে”- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: পাকিস্তান সরকার ভাষা আন্দোলনাকারীদের গ্রেফতার করার পরিবর্তে গুলি করে হত্যার অপকৌশল গ্রহণ করলে লেখক প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছিলেন। ১৯৫২ সালে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে রাজপথে নামে এদেশের ছাত্র- জনতা। ২১শে ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে আন্দোলনকারীরা গ্রেফতার করার পরিবর্তে তাদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালায়। বাঙালির অধিকার আদায়ের সংগ্রামকে প্রতিহত করতে এমন ঘৃণ্য অপকৌশল গ্রহণ করলে শাসকগোষ্ঠীর প্রতি এদেশের মানুষের ঘৃণা বাড়তে থাকে। এরকম প্রেক্ষাপটে ‘বায়ান্নর দিনগুলো’ রচনার লেখক শেখ মুজিবুর রহমান মনে করেন, পাকিস্তান সরকারের এ ধরনের অপকৌশলই তাদের পতন ত্বরান্বিত করবে।

প্রশ্ন ৩. “ভরসা হলো, আর দমাতে পারবে না।”- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: ভাষা আন্দোলনের চেতনায় উজ্জীবিত বাংলাদেশের মানুষকে আন্দোলন- সংগ্রামে অংশ নিতে দেখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান “ভরসা হলো, আর দমাতে পারবে না।” কথাটি বলেছেন।

১৯৫২ সালে ঢাকায় গুলি চালানোর পর জনগণ বুঝতে পেরেছিল যে, যারা দেশ শাসন করছে তারা এ দেশের আপনজন নয়। একুশে ফেব্রুয়ারির ঘটনা প্রবল বেগে বাতাসে ভাসতে ভাসতে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। গ্রামের ছোট ছোট হাট-বাজারে মানুষ হরতাল পালন করে ভাষার সংগ্রামে সমর্থন, শক্তি ও অনুপ্রেরণা জোগায়। এ ঘটনার মধ্য দিয়ে স্পষ্ট হয় যে, গ্রামের সাধারণ মানুষও অধিকার সচেতন হয়ে উঠেছে। সারা দেশের মানুষের এই জাগরণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়। এই বিশ্বাস থেকেই তিনি প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন।

প্রশ্ন-৪. শেখ মুজিবুর রহমান ও মহিউদ্দিনকে নারায়ণগঞ্জ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল কেন?

উত্তর: ফরিদপুরগামী রাত এগারোটার জাহাজটি ধরতে না পারায় শেখ মুজিবুর রহমান ও মহিউদ্দিনকে নারায়ণগঞ্জ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। পরে সরকার সিদ্ধান্ত নেয় তাঁদের ফরিদপুর জেলে পাঠানো হবে। এ জন্য তাঁদের ঘোড়ার গাড়িতে করে জাহাজ ধরার জন্য সদরঘাট নেওয়া হয়। কিন্তু তাঁরা পৌঁছে খবর পান যে জাহাজ ছেড়ে গেছে। তাই তাঁদের নারায়ণগঞ্জ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

প্রশ্ন-৫, এদের কথা হলো ‘মরতে দেব না’- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: জেলের ভেতর অনশনরত বঙ্গবন্ধুকে জোর করে খাওয়ানোর প্রসঙ্গে এ কথা বলা হয়েছে।১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের সময় বঙ্গবন্ধু কারাগারে অনশন ধর্মঘট করছিলেন। কিন্তু অনশন চারদিন চলার পর জেল কর্তৃপক্ষ জোর করে নাকের ভেতর নল দিয়ে বঙ্গবন্ধুকে খাওয়াতে শুরু করে। নাকের ভেতর দিয়ে নল পেটের মধ্যে পর্যন্ত দিয়ে তার মধ্যে দুধের মতো পাতলা করে খাবার তৈরি করে পেটের মধ্যে ঢেলে দেয়। জেল কর্তৃপক্ষের মনোভাব হলো জেলের মধ্যে বঙ্গবন্ধুকে কোনোভাবেই মরতে দেবে না।

৭.রেইনকোট

বহুনির্বাচনী:

১.’একটা জিপ উড়াইয়া দিছে, কমপক্ষে পাঁচটা খানসেনা খতম।’ তথ্যটি ‘রেইনকোট’ গল্পের কোন চরিত্রের মাধ্যমে জানা যায়?

উত্তর:দোকানদার।

২.রেইনকোট’ গল্পে ‘রেইনকোট’ বহন করছে—

উত্তর:মুক্তিযুদ্ধের চেতনা।

৩.রেইন কোট’ গল্পে রেইনকোট কীসের তাৎপর্য বহন করে?

উত্তর:মুক্তিযুদ্ধের চেতনার।

৪.’রেইনকোট’ গল্পে নুরুল হুদা কোন বিষয়ের শিক্ষক ছিলেন?

উত্তর:রসায়ন।

৫.’রেইনকোট’ গল্পে নুরুল হুদা কাকে জড়িয়ে ধরে চুম্বু খেতে ইচ্ছে করছে?

উত্তর:পিওনকে।

৬.রেইনকোট’ গল্পে প্রিন্সিপ্যাল কেন সব স্কুল-কলেজ থেকে শহিদ মিনার হটাতে মিলিটারির নিকট নিবেদন করেছি?

উত্তর:হিন্দুয়ানি চিহ্ন বলে।

৭.”প্রিনসিপালের কালো মুখ বেগুনি হয়”- কেন?

উত্তর:ভয়ে।

৮.’রেইনকোট’ গল্পে ভিতু নুরুল হুদার সাহসী হয়ে ওঠার মূল কারণ-

উত্তর:সঞ্চারিত উষ্ণতা ও দেশপ্রেম।

৯.চাবুকের বাড়ির দিকে নুরুল হুদার আর মনোযোগ দেওয়া হয়ে ওঠে না কেন?

উত্তর:মুক্তিযোদ্ধাদের সম্পর্কে গভীর ভাবনায়।

১০.রেইনকোট’ গল্পে কোন বিষয়টি অধিক ব্যঞ্জনাময় হয়ে উঠেছে?

উত্তর:নুরুল হুদার দেশপ্রেম।

১১.রেইনকোট’ গল্পে নুরুল হুদা কোন বিষয়ের শিক্ষক?

উত্তর:কেমিস্ট্রি।

১২.মিসক্রিয়েন্টরা সব খতম’- এখানে ‘মিসক্রিয়েন্ট’ বলতে কাদের বোঝানা হয়েছে?

উত্তর:মুক্তিফৌজ।

১৩.’রাশিয়ায় ছিল জেনারেল উইন্টার, আর আমাদের জেনারেল-।’

উত্তর:মনসুন।

১৪.’বর্ষাকালেই তো জুত’ -কথাটি কে বলে?

উত্তর:একটি কুলি।

১৫.মিসক্রিয়েন্টদের ঠিকানা তো তার জানা আছে’- উক্তিটি তোমার পঠিত কোন রচনার?

উত্তর:রেইনকোট।

১৬.রেইনকোট’ গল্পে নুরুল হুদার চতুর্থ বাড়ির জানালা দিয়ে কি দেখা যায়?

উত্তর:ধানক্ষেত।

১৭.পাকিস্তান যদি বাঁচাতে হয় তো সব স্কুল-কলেজ থেকে শহীদ মিনার হটাও।’ বাক্যটিতে শহিদ মিনার কিসের প্রতীক?

উত্তর:বাঙালি জাতির সংগ্রামী চেতনার প্রতীক।

১৮.আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত উপন্যাসের সংখ্যা কয়টি?

উত্তর:দুটি।

১৯.মিলিটারির আশঙ্কায় দরজা খোলার পর পিওন ঘরে ঢুকলে নুরুল হুদার কী অনুভূতি হয়?

উত্তর:আনন্দিত হয়।

২০.চিলেকোঠার সেপাই’ গ্রন্থটির লেখক কে?

উত্তর:আখতারুজ্জামান ইলিয়াস।

২১.রেইনকোট’ গল্পে ‘টুপিতে কোন তেজ আছে’ বলে ইঙ্গিত রয়েছে?

উত্তর:মুক্তিযোদ্ধার তেজ।

২২.প্রিনসিপ্যালের বাড়ির গেটে বোমা ফেলার অর্থ কী?

উত্তর:মিলিটারি ক্যাম্প অ্যাটাক করা।

২৩.মিলিটারিদের শহিদ মিনার হটানোর পরামর্শ দেওয়ার মধ্য দিয়ে প্রিন্সিপাল চরিত্রে প্রকাশ পেয়েছে-

উত্তর:দেশদ্রোহিতা।

২৪.রেইনকোট’ গল্পের প্রেক্ষাপট কী?

উত্তর:১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ।

২৫.ছদ্মবেশী মিসক্রিয়েন্ট হলো-

উত্তর:কুলিরা।

২৬.ক্ষিতিশের একটি লোহার দোকান আছে। সে জানালার গ্রিল বানায়। ক্ষিতিশ চরিত্রের সাথে ‘রেইনকোট’ গল্পের কোন চরিত্রে সাদৃশ্য রয়েছে?

উত্তর:নিচতলার ভাড়াটের।

২৭.নুরুল হুদা সাহসী হয়েছিলেন কীভাবে?

উত্তর:রেইনকোট পরার কারণে।

২৮.’রেইনকোট’ গল্পে প্রিন্সিপালের কোয়ার্টারটি কোথায়?

উত্তর:মাঠ পেরিয়ে বাম দিকে।

২৯.নুরুল হুদার মেয়ের বয়স কত বছর?

উত্তর:আড়াই বছর।

৩০.মিন্টুর রেইনকোট গায়ে দিয়ে নুরুল হুদা কোথায় যাচ্ছিল?

উত্তর:ঢাকা কলেজে।

৩১.রেইনকোট’ গল্পটি কোন গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?

উত্তর:জাল স্বপ্ন স্বপ্নের জাল।

৩২.রেইনকোট’ গল্পে মিন্টু কে?

উত্তর:আসমার ভাই।

৩৩.কী দেখে নুরুল হুদার এক্সটা ভালো লাগে?

উত্তর:ট্রান্সপারেন্ট আবরণ।

৩৪.’রেইনকোট’ গল্পের মূল প্রতিপাদ্য কী?

উত্তর:মুক্তিযুদ্ধের চেতনার উন্মোচন।

৩৫.’রেইনকোট’ গল্পে রেইনকোট কিসের প্রতীক?

উত্তর:প্রতিরোধের।

৩৬.রেইনকোট’ গল্পের কলেজের প্রিন্সিপালের নাম কী?

উত্তর:ড.আফাজ আহমদ।

৩৭.’রেইনকোট’ গল্পে কোন বিষয়টি অধিক ব্যঞ্জনাময় হয়ে উঠেছে?

উত্তর:নুরুল হুদার দেশপ্রেম।

৩৮.রেইনকোট’ গল্পের ইসহাক কোন মাসের শুরু থেকে বাংলা বলা ছেড়ে দিয়েছে?

উত্তর:এপ্রিল।

৩৯.কারা ছিল ছদ্মবেশী মিসক্রিয়েন্ট?

উত্তর:কুলিরা।

৪০.রেইনকোট’ গল্পটি কে রচনা করেছেন?

উত্তর:আখতারুজ্জামান ইলিয়াস।

৪১.’রেইনকোট’ গল্পের প্রেক্ষাপট কী?

উত্তর:১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ।

৪২.রাশিয়ার ছিল জেনারেল উইনটার, আমাদের কী?

উত্তর:জেনারেল মনসুন

৪৩.নুরুল হুদার জীবনের কী বারের ঘটনা ‘রেইনকোট’ গল্প আকারে উপস্থিত?

উত্তর:মঙ্গলবার।

৪৪.কে দিন-রাত উর্দু বলে?

উত্তর:ইসহাক মিয়া।

৪৫.আখতারুজ্জামান ইলিয়াস কোন গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন?

উত্তর:গোটিয়া গ্রামে।

৪৬.ফিরে এসে দেশের ভিতরে মিন্টু কী করে?

উত্তর:দমাদম মিলিটারি মারে।

৪৭.হাঁপানির টান আছে কার?

উত্তর:নুরুল হুদার।

৪৮.দোজকে ওম’ আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের কোন ধরনের রচনা?

উত্তর:গল্পগ্রন্থ।

৪৯.দুধেভাতে উৎপাত’ গল্পগ্রন্থের রচয়িতা কে?

উত্তর:আখতারুজ্জামান ইলিয়াস।

৫০.নিচের কোনটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের উপন্যাস?

উত্তর:খোয়াবনামা।

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন—

১. ‘রেইনকোট’ গল্পের কথকের নাম কী?

উত্তর: ‘রেইনকোট’ গল্পের কথকের নাম নুরুল হুদা।

২. কার জন্য নুরুল হুদাকে তটস্থ থাকতে হয়?

উত্তর: ‘রেইনকোট’ গল্পটি ‘জাল স্বপ্ন স্বপ্নের জাল’ গল্পগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।

৩. মাঠ পেরিয়ে একটু কোন দিকে প্রিনসিপ্যালের কোয়ার্টার?

উত্তর: মাঠ পেরিয়ে একটু বাঁ দিকে প্রিনসিপ্যালের কোয়ার্টার।

৪. কলেজের আলমারিগুলো কিসে করে আনা হয়?

উত্তর: কলেজের আলমারিগুলো ঠেলাগাড়িতে করে আনা হয়।

৫. আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের মৃত্যু কত সালে?

উত্তর: আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের মৃত্যু ১৯৯৭ সালে।

৬. ‘রেইনকোট’ গল্পে কখন থেকে বৃষ্টি হচ্ছে?

উত্তর: ‘রেইনকোট’ গল্পে ভোররাত থেকে বৃষ্টি হচ্ছে।

৭. মিলিটারি নুরুল হুদাকে কোন ভাষায় প্রশ্ন করেছিল?

উত্তর: মিলিটারি নুরুল হুদাকে ইংরেজি ভাষায় প্রশ্ন করেছিল।

৮. কার জন্য নুরুল হুদাকে এক্সট্রা তটস্থ থাকতে হয়?

উত্তর: শ্যালক মিন্টুর জন্য নুরুল হুদাকে এক্সট্রা তটস্থ থাকতে হয়।

৯ . ‘রেইনকোট’ গল্পে মিলিটারি ক্যাম্প কোথায় স্থাপন করা হয়?

উত্তর: ‘রেইনকোট’ গল্পে মিলিটারি ক্যাম্প স্থাপন করা হয় কলেজের জিমন্যাশিয়ামে।

১০. উর্দুর প্রফেসরের নাম কী?

উত্তর: উর্দুর প্রফেসরের নাম আকবর সাজিদ।

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন —

প্রশ্ন-১. “সত্যি বলেছে? আমার নাম বলেছে?”- নুরুল হুদার এ উত্তেজনার কারণ ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: ছদ্মবেশী কুলিরা মিলিটারিদের কাছে ধরা পড়ার পর নুরুল হুদার নাম বলেছে শুনে অবাক হয়ে নুরুল হুদা প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন।

‘রেইনকোট’ গল্পে নুরুলা হুদা একজন ভীতু প্রকৃতির মানুষ। কলেজে মিলিটারির জিজ্ঞাসাবাদে যখন তিনি জানতে পারেন, ছদ্মবেশী মিসক্রিয়ান্টরা তাঁর নাম বলেছে তখন নুরুল হুদা আশ্চর্য হন। মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে তাঁর আঁতাত রয়েছে এটা ভেবে নুরুল হুদা উত্তেজনায় স্থির থাকতে পারেন না। মিসক্রিয়ান্টদের তাঁর প্রতি এত আস্থা তা ভেবেও নুরুল হুদা অবাক হন। এই পরিপ্রেক্ষিতে নুরুল হুদা মিলিটারির সন্দেহের জবাবে প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছে।

প্রশ্ন-২. “ভোর রাত থেকে বৃষ্টি”- এই ‘বৃষ্টি’ সম্পর্কে নুরুল হুদার অভিব্যক্তি বর্ণনা করো।

উত্তর: ভোর রাত থেকে হওয়া বৃষ্টি নিয়ে নুরুল হুদার নানা রকম অভিব্যক্তি প্রকাশ পেয়েছে।

‘রেইনকোট’ গল্পে ভোর রাত থেকে বৃষ্টি নুরুল হুদার মনে নানা রকম অভিব্যক্তি সৃষ্টি করে। তার মনে হয় বৃষ্টির কারণে পরিস্থিতি কিছুটা হলেও শান্ত থাকবে। কেননা, অন্যান্য দিনের মতো গুলির আওয়াজ বৃষ্টির কারণে আর হবে না। তাছাড়া বৃষ্টি নিয়ে তার মনে প্রবাদও ঘুরে ফিরে আসে। যেহেতু মঙ্গলবার বৃষ্টি শুরু হয়েছে সেহেতু তিনদিন এই বৃষ্টি থাকবেই বলে মনে করে নুরুল হুদা। ‘বৃষ্টি’ সম্পর্কে এরকম বিভিন্ন অভিব্যক্তি নুরুল হুদার মনে ঘুরেফিরে আসে।

প্রশ্ন-৩. উর্দুর প্রফেসর আকবর সাজিদকে প্রিন্সিপাল আজকাল তোয়াজ করে কেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: পাকিস্তানি মিলিটারিরা উর্দুভাষী বলে উর্দুর প্রফেসর আকবর সাজিদকে প্রিনসিপ্যাল তোয়াজ করেন।
প্রিনসিপ্যাল বুঝতে পেরেছেন, পাকিস্তানি মিলিটারিরা প্রফেসর আকবর সাজিদকে উর্দু জানার কারণে সম্মান করবে। তাই তার সাথে সম্পর্ক ভালো থাকলে মিলিটারির রোষানল থেকে রেহাই মিলতে পারে। এই ভেবে তিনি আকবর সাজিদকে আজকাল তোয়াজ করে চলেন।

প্রশ্ন-৪. “দেশে একটা কলেজেও শহিদ মিনার আর অক্ষত নেই।” কেন? আলোচনা করো।

উত্তর: পাকিস্তানিদের হামলা ও ধ্বংসযজ্ঞের কারণে দেশে একটা কলেজেও শহিদ মিনার অক্ষত নেই।মুক্তিযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে বাংলাদেশের চিত্র ছিল অত্যন্ত ভয়াবহ ও লোমহর্ষক। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বাঙালি জাতিকে চিরতরে ধ্বংস করার জন্য ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চালায়। বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করা এবং এই জাতির ঐতিহ্য ধ্বংস করার জন্য পরিকল্পিতভাবে হামলা করে হানাদাররা। একপর্যায়ে তারা শহিদ মিনারে হামলা চালায়। তাই বলা হয়েছে, নরপশু পাকিস্তানি বাহিনীর ধ্বংসযজ্ঞের কারণে দেশে একটা কলেজেওও শহিদ মিনার অক্ষত নেই।

প্রশ্ন-৫. “আব্বু ছোট মামা হয়েছে।”- কথাটি কী অর্থ বহন করে?

উত্তর: মুক্তিযোদ্ধা মিন্টুর রেইনকোট পরার পর প্রফেসর নুরুল হুদাকে দেখতে মিন্টুর মতো লাগছে এ প্রসঙ্গে ছোট্ট মেয়ে এ উক্তিটি করেছে।

‘রেইনকোট’ গল্পে নুরুল হুদার শ্যালক মিন্টু একজন মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষার অভিযোগে নুরুল হুদাকে সেনা ক্যাম্পে ডেকে পাঠানো হয়। বৃষ্টির মধ্যে বাইরে যাচ্ছেন দেখে নুরুল হুদার স্ত্রী তাঁকে মিন্টুর রেইনকোট পরিয়ে দেয়। তখন তার ছোট্ট মেয়ে আলোচ্য উক্তিটি করে।

কবিতা

১.সোনার তরী

২.বিদ্রোহী।

৩.প্রতিদান

৪.তাহারেই পড়ে মনে

৫.আঠারো বছর বয়স

৬.ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯

৭.আমি কিংবদন্তির কথা বলছি

১.সোনার তরী

বহুনির্বাচনী:

১.পরপারে দেখি আঁকা তরুছায়া মসী-মাখা।’ -এখানে ‘মসী-মাখা’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর:কালো রঙে মাখানো।

২.ধান দিয়া কী হইব, মানুষের জান যদি না থাকে’- উক্তিটিতে কী মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে?

উত্তর:ক্ষোভ

৩.’সোনারতরী’ কবিতায় ‘বাঁকা জল’ মূলত কীসের প্রতীক?

উত্তর:কাল স্রোতের

৪.’সোনার তরী’ কবিতায় ‘ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই’- কথাটিতে মাঝির কেমন মনোভাব প্রকাশিত হয়েছে?

উত্তর:হতাশা

৫.সোনার তরী’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?

উত্তর:মাত্রাবৃত্ত

৬.’সোনার তরী’ কবিতায় ‘সোনার ধান’ কীসের প্রতীক?

উত্তর:সৃষ্টিকর্ম

৭.’সোনার তরী’ কবিতায় মহাকালের প্রতীক কোনটি?

উত্তর:মাঝি

৮.’সোনার তরী’ কবিতায় কবির আক্ষেপ নিচের কোন পঙ্ক্তিটিতে প্রকাশ পেয়েছে?

উত্তর:যাহা ছিল নিয়ে গেল সোনার তীর

৯.ধান কাটা হলো সারা’ চরণটির মাধ্যমে কোন ভাব প্রকাশ পেয়েছে?

উত্তর:কর্মের পরিণতি

১০.সোনার তরী’ কীসের প্রতীক?

উত্তর:জীবনের

১১.’গগনে গরজে মেঘ’ এখানে ‘গরজে’ বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?

উত্তর:অর্জন করা

১২.বারেক ভিড়াও তরী কূলেতে এসে’ -পঙ্ক্তিটিতে প্রকাশিত হয়েছে-

উত্তর:অনুনয়

১৩.’কুলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা’-বলতে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বুঝিয়েছেন?

উত্তর:অনিশ্চয়তা

১৪.পরপারের গ্রামখানি কীরূপ?

উত্তর:আঁকা ছবির মতো।

১৫. কৃষককে দেখে সোনার তরীর মাঝির কেমন অনুভূতি হয়?

উত্তর:নির্বিকার থাকে

১৬.মাঝির কোনো দিকে না তাকানোর অন্তর্নিহিত কারণ কী?

উত্তর:মহাকাল আপন গতিতে চলে

১৭.জলকে ‘বাঁকা’ বলে অভিহিত করার কারণ কী?

উত্তর:প্রতিকূল পরিস্থিতি

১৮.সোনার তরী’ কবিতায় ‘বাঁকা জল’ মূলত কীসের প্রতীক?

উত্তর:কাল স্রোতের

১৯.পরপারে’ রূপকের মধ্য দিয়ে কবিতাটিতে মূলত কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর:মৃত্যু পরবর্তী জগত

২০.সোনার তরী’ কবিতায় কবি ‘আমার’ বলতে মূলত কাকে বুঝিয়েছেন?

উত্তর:নিজেকে

২১.কবিতায় তরীটিকে ছোটো বলার কারণ কী?

উত্তর:তরীতে কেবল কর্মফলই ঠাঁই পায়

২২.সোনার তরী’ কবিতায় ফসলের রূপকে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর:সৃষ্টিকর্মকে

২৩.’সোনার তরী’ কবিতায় কৃষক কোন মাসে ধান কেটেছিলেন?

উত্তর:শ্রাবণ

২৪.শূন্য নদীর তীরে অপূর্ণতার বেদনা নিয়ে কে একা দাঁড়িয়ে থাকে?

উত্তর:কৃষক

২৫.’শূন্য নদীর তীরে/ রহিনু পড়ি।’- কথাটি দিয়ে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর:মৃত্যুর অনিবার্যতা

২৬.’ব্যক্তিজীবন অসার’- এ বোধ কবিতার কোন চরণের মধ্য দিয়ে প্রকাশিত হয়েছে?

উত্তর:শূন্য নদীর তীরে/ রহিনু পড়ি-

২৭.কৃষকের ফসল কে নিয়ে যায়?

উত্তর:সোনার তরী

২৮.কৃষকের অতৃপ্তির বেদনার কারণ কী?

উত্তর:সোনার তরীতে ঠাঁই না হওয়া

২৯.সোনার তরী’ কবিতায় কার দুঃখ প্রকাশিত হয়েছে?

উত্তর:কৃষকের

৩০.সোনার তরী’ কবিতায় গঠনগত বৈশিষ্ট্যের মিল রয়েছে নিচের কোনটির সাথে?

উত্তর:রূপকধর্মিতা

৩১.সৃষ্টিকর্মকে সোনার ফসল বলা হয়েছে কেন?

উত্তর:সৃষ্টিকর্ম অবিনশ্বর বলে

৩২.সোনার তরী’ কবিতায় ব্যক্তিসত্তাকে বিসর্জনের ইঙ্গিত পাওয়া যায় কোনটিতে?

উত্তর:কৃষকের অসহায় আত্মসমর্পণে

৩৩.’বিশ্বভারতী’ কার অবদান?

উত্তর:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের

৩৪.রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রকাশিত প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম কী?

উত্তর:বনফুল

৩৫.রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত খ্রিষ্টাব্দে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?

উত্তর:১৯১৩ খ্রিস্টাব্দে

৩৬.বিসর্জন’ কী জাতীয় রচনা?

উত্তর:

৩৭.’চিত্রাঙ্গদা’ নাটকটি কে রচনা করেছেন?

উত্তর:নাটক

৩৮.এশীয়দের মধ্যে কে প্রথম সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান?

উত্তর:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

৩৯.বাংলা সাহিত্যে ছোটোগল্পের পথিকৃৎ কে?

উত্তর:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

৪০.বর্ষা প্রকৃতির রূপ ফুটে উঠেছে নিচের কোন চরণে?

উত্তর:গগনে গর্জে মেঘ ঘন বরষা

৪১.নৌকার মাঝিকে দেখে প্রথমটায় কৃষকের কী ধারণা হয়?

উত্তর:পূর্ব পরিচিত

৪২.সোনার তরী’ কবিতায় সোনার ধান আসলে কী?

উত্তর:সৃষ্টিকর্ম

৪৩.ধানখেতের পরিবেশ কেমন ছিল?

উত্তর:চারিদিকে বাঁকা জল খেলা করছিল

৪৪.শেষ লেখা’ কার রচনা?

উত্তর:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

৪৫.গর্জে’ শব্দটির রূপান্তরিত রূপ কোনটি?

উত্তর: গরজে

৪৬.’সোনার তরী’ কবিতায় পূর্ণ পর্বে মাত্রাসংখ্যা কত?

উত্তর:৮

৪৭.সোনার তরী’ কবিতায় ফসলের জমির চারদিকে বেষ্টিত জলরাশি কীসের প্রতীক?

উত্তর:কাল স্রোতের

৪৮.থরে বিথরে’ কথাটির অর্থ কী?

উত্তর:স্তরে স্তরে

৪৯.বারেক’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তর:একবার

৫০.সোনার তরী’ কৰিতার বর্ণনা মতে বর্ষা কখন এল?

উত্তর:ধান কাটতে কাটতে

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন —

১. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা?

উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা।

২. ‘সোনার তরী’ কীসের প্রতীক?

উত্তর: ‘সোনার তরী’ সৃষ্টিসম্ভারের প্রতীক।

৩. ‘সোনার তরী’ কবিতায় কোন ঋতুর কথা বলা হয়েছে?

উত্তর: ‘সোনার তরী’ কবিতায় বর্ষা ঋতুর কথা বলা হয়েছে।

৪. চারিদিকে বাঁকা জল কী করছে?

উত্তর: চারিদিকে বাঁকা জল খেলা করছে।

৫. ‘সোনার তরী’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?

উত্তর: ‘সোনার তরী’ কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।

৬. কত বছর বয়সে রীবন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়?

উত্তর: পনেরো বছর বয়সে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়।

৭. ‘সোনার তরী’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?

উত্তর: ‘সোনার তরী’ কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।

৮. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্যগ্রন্থ কোনটি?

উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম ‘বনফুল’।

৯. ‘আমি একেলা’- এখানে ‘আমি’ কে?

উত্তর: ‘আমি একেলা’- এখানে ‘আমি’ হলো কৃষক।

১০. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘বনফুল’ প্রকাশিত হয় কত সালে?

উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘বনফুল’ প্রকাশিত হয় ১৮৮০ সালে।

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন —

প্রশ্ন-১. ‘সকলি দিলাম তুলে থরে বিথরে’-ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: আলোচ্য চরণটিতে মানুষের কর্ম পৃথিবীতে রেখে যাওয়ার দিকটি ফুটে উঠেছে।

‘সোনার তরী’ কবিতায় কৃষক, ধান, সোনার তরী প্রভৃতি রূপকের মাধ্যমে মানবজীবনের শাশ্বত দর্শন ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। কৃষক তার ছোটো জমিতে যে সোনার ফসল বা ধান ফলিয়েছে, সোনার তরীতে তার সব তুলে দিয়েছে। কৃষক নিজে নৌকায় উঠতে চাইলও তার তাতে জায়গা হয়না। তেমনি মানুষ পৃথিবীতে কর্মসম্ভার রেখে যাবে, অথচ ব্যক্তি মানুষের স্থান এখানে হবে না। কৃষকরূপী কবি তাই বলেছেন-সকলি দিলাম তুলে থরে বিথরে।

প্রশ্ন-২. “শূন্য নদীর তীরে/রহিনু পড়ি”- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: প্রশ্নোক্ত চরণটির মধ্যদিয়ে মহাকালের কাছে ব্যক্তিমানুষের চিরন্তন অসহায়ত্বের দিকটি উন্মোচিত হয়েছে।

আলোচ্য কবিতায় এক নিঃসঙ্গ কৃষকের রূপকে কবি জীবনের এক গভীর সত্যকে তুলে ধরেছেন। মহাকাল কৃষকের কর্মফলের প্রতীক সোনার ধানকে গ্রহণ করলেও তাঁকে গ্রহণ করে না। ফলে অপূর্ণতার বেদনা নিয়ে তাঁকে অপেক্ষা করতে হয় মহাকালের শূন্যতায় বিলীন হওয়ার জন্য। প্রশ্নোক্ত চরণটিতে শূন্য নদীর তীরে কৃষকের পড়ে থাকার চিত্র উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে কবি এ বিষয়টিকেই উপস্থাপন করেছেন।

প্রশ্ন-৩. ‘ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই- ছোটো সে তরী’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর: প্রশ্নোক্ত চরণটিতে মহাকালের প্রতীক সোনার তরীতে মানুষের কর্মের স্থান হলেও সেখানে ব্যক্তিমানুষের যে স্থান হয় না, সে বিষয়টিই ফুটে উঠেছে।

ব্যক্তিমানুষের মৃত্যু অনিবার্য; তাকে রোধ করা সম্ভব নয়। কিন্তু ব্যক্তির কর্মফল বা অর্জনকে মৃত্যু স্পর্শ করতে পারে না। আর তাই সোনার তরীতে কেবল কৃষকের সোনার ধানই ঠাঁই পায়, কিন্তু ব্যক্তিকৃষককে অপূর্ণতার বেদনা নিয়ে অপেক্ষা করতে হয় অনিবার্যভাবে মহাকালের স্রোতে বিলীন হওয়ার জন্য। মানুষ তার কর্মকে রেখে যায়, মানুষের স্থান হয় না এ নম্বর পৃথিবীতে। প্রশ্নোক্ত চরণটিতে ঠাঁই নাই কথাটির মাধ্যমে জীবনের এই অমোঘ সত্যটিকেই তুলে ধরা হয়েছে।

প্রশ্ন-৪. ‘ভরা নদী ক্ষুরধারা’ কথাটি দ্বারা কবি কী বুঝিয়েছেন?

উত্তর: ‘ভরা নদী ক্ষুরধারা’ বলতে ঝঞ্ঝা-বিক্ষুব্ধ পরিবেশকেই কবি বুঝিয়েছেন।

‘ক্ষুরধারা’ হলো ক্ষুরের মতো ধারালো যে প্রবাহ বা স্রোত। ‘সোনার তরী’ কবিতায় ভরা বর্ষায় নদীর আগ্রাসী স্রোতকে কবি ক্ষুরধারা বলেছেন। এই ঘূর্ণায়মান স্রোত ছোটো ধানখেতটির চারপাশে ভয়ংকরূপে বিরাজমান। বস্তুত, পৃথিবীতে মানুষকে নানা প্রতিকূলতার মধ্যে কাজ করে যেতে হয়। আলোচ্য কবিতাটিতে প্রশ্নোক্ত কথাটি দ্বারা করি সেই সব প্রতিকূলতাকেই বুঝিয়েছেন।

প্রশ্ন-৫. “চারিদিকে বাঁকা জণ করিছে খেলা।”- এখানে ‘বাঁকা জল’ দ্বারা কী
বোঝানো হয়েছে?

উত্তর: ‘বাঁকা জল’ বলতে ভরা বর্ষায় নদীর জলের ভয়ংকর রূপ ধারণের বিষয়টিকে বোঝানো হয়েছে।

কবিতায় এক নিঃসঙ্গ কৃষক সোনার ধান কেটে নদীতীরবর্তী খেতে অপেক্ষমান। আকাশে ঘন মেঘের গর্জন, বর্ষার ভরা নদীর ক্ষুরধারা স্রোতের সাথে এর জলও বাঁকা হয়ে খেলা করছে। ছোটো খেতটুকুকে ধীরে ধীরে গ্রাস করে চলেছে তা। এভাবে ‘বাঁকা জল’ শব্দবন্ধের ভেতর দিয়ে কবিতাটিতে বৈরী প্রকৃতির রুদ্ররূপের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। এছাড়া ‘বাঁকা জল’ কবিতাটিতে অনন্ত কালস্রোতের প্রতীক।

কবিতা

১.সোনার তরী

২.বিদ্রোহী।

৩.প্রতিদান

৪.তাহারেই পড়ে মনে

৫.আঠারো বছর বয়স

৬.ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯

৭.আমি কিংবদন্তির কথা বলছি

১.সোনার তরী

বহুনির্বাচনী:

১.পরপারে দেখি আঁকা তরুছায়া মসী-মাখা।’ -এখানে ‘মসী-মাখা’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর:কালো রঙে মাখানো।

২.ধান দিয়া কী হইব, মানুষের জান যদি না থাকে’- উক্তিটিতে কী মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে?

উত্তর:ক্ষোভ

৩.’সোনারতরী’ কবিতায় ‘বাঁকা জল’ মূলত কীসের প্রতীক?

উত্তর:কাল স্রোতের

৪.’সোনার তরী’ কবিতায় ‘ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই’- কথাটিতে মাঝির কেমন মনোভাব প্রকাশিত হয়েছে?

উত্তর:হতাশা

৫.সোনার তরী’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?

উত্তর:মাত্রাবৃত্ত

৬.’সোনার তরী’ কবিতায় ‘সোনার ধান’ কীসের প্রতীক?

উত্তর:সৃষ্টিকর্ম

৭.’সোনার তরী’ কবিতায় মহাকালের প্রতীক কোনটি?

উত্তর:মাঝি

৮.’সোনার তরী’ কবিতায় কবির আক্ষেপ নিচের কোন পঙ্ক্তিটিতে প্রকাশ পেয়েছে?

উত্তর:যাহা ছিল নিয়ে গেল সোনার তীর

৯.ধান কাটা হলো সারা’ চরণটির মাধ্যমে কোন ভাব প্রকাশ পেয়েছে?

উত্তর:কর্মের পরিণতি

১০.সোনার তরী’ কীসের প্রতীক?

উত্তর:জীবনের

১১.’গগনে গরজে মেঘ’ এখানে ‘গরজে’ বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?

উত্তর:অর্জন করা

১২.বারেক ভিড়াও তরী কূলেতে এসে’ -পঙ্ক্তিটিতে প্রকাশিত হয়েছে-

উত্তর:অনুনয়

১৩.’কুলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা’-বলতে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বুঝিয়েছেন?

উত্তর:অনিশ্চয়তা

১৪.পরপারের গ্রামখানি কীরূপ?

উত্তর:আঁকা ছবির মতো।

১৫. কৃষককে দেখে সোনার তরীর মাঝির কেমন অনুভূতি হয়?

উত্তর:নির্বিকার থাকে

১৬.মাঝির কোনো দিকে না তাকানোর অন্তর্নিহিত কারণ কী?

উত্তর:মহাকাল আপন গতিতে চলে

১৭.জলকে ‘বাঁকা’ বলে অভিহিত করার কারণ কী?

উত্তর:প্রতিকূল পরিস্থিতি

১৮.সোনার তরী’ কবিতায় ‘বাঁকা জল’ মূলত কীসের প্রতীক?

উত্তর:কাল স্রোতের

১৯.পরপারে’ রূপকের মধ্য দিয়ে কবিতাটিতে মূলত কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর:মৃত্যু পরবর্তী জগত

২০.সোনার তরী’ কবিতায় কবি ‘আমার’ বলতে মূলত কাকে বুঝিয়েছেন?

উত্তর:নিজেকে

২১.কবিতায় তরীটিকে ছোটো বলার কারণ কী?

উত্তর:তরীতে কেবল কর্মফলই ঠাঁই পায়

২২.সোনার তরী’ কবিতায় ফসলের রূপকে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর:সৃষ্টিকর্মকে

২৩.’সোনার তরী’ কবিতায় কৃষক কোন মাসে ধান কেটেছিলেন?

উত্তর:শ্রাবণ

২৪.শূন্য নদীর তীরে অপূর্ণতার বেদনা নিয়ে কে একা দাঁড়িয়ে থাকে?

উত্তর:কৃষক

২৫.’শূন্য নদীর তীরে/ রহিনু পড়ি।’- কথাটি দিয়ে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর:মৃত্যুর অনিবার্যতা

২৬.’ব্যক্তিজীবন অসার’- এ বোধ কবিতার কোন চরণের মধ্য দিয়ে প্রকাশিত হয়েছে?

উত্তর:শূন্য নদীর তীরে/ রহিনু পড়ি-

২৭.কৃষকের ফসল কে নিয়ে যায়?

উত্তর:সোনার তরী

২৮.কৃষকের অতৃপ্তির বেদনার কারণ কী?

উত্তর:সোনার তরীতে ঠাঁই না হওয়া

২৯.সোনার তরী’ কবিতায় কার দুঃখ প্রকাশিত হয়েছে?

উত্তর:কৃষকের

৩০.সোনার তরী’ কবিতায় গঠনগত বৈশিষ্ট্যের মিল রয়েছে নিচের কোনটির সাথে?

উত্তর:রূপকধর্মিতা

৩১.সৃষ্টিকর্মকে সোনার ফসল বলা হয়েছে কেন?

উত্তর:সৃষ্টিকর্ম অবিনশ্বর বলে

৩২.সোনার তরী’ কবিতায় ব্যক্তিসত্তাকে বিসর্জনের ইঙ্গিত পাওয়া যায় কোনটিতে?

উত্তর:কৃষকের অসহায় আত্মসমর্পণে

৩৩.’বিশ্বভারতী’ কার অবদান?

উত্তর:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের

৩৪.রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রকাশিত প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম কী?

উত্তর:বনফুল

৩৫.রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত খ্রিষ্টাব্দে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?

উত্তর:১৯১৩ খ্রিস্টাব্দে

৩৬.বিসর্জন’ কী জাতীয় রচনা?

উত্তর:

৩৭.’চিত্রাঙ্গদা’ নাটকটি কে রচনা করেছেন?

উত্তর:নাটক

৩৮.এশীয়দের মধ্যে কে প্রথম সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান?

উত্তর:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

৩৯.বাংলা সাহিত্যে ছোটোগল্পের পথিকৃৎ কে?

উত্তর:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

৪০.বর্ষা প্রকৃতির রূপ ফুটে উঠেছে নিচের কোন চরণে?

উত্তর:গগনে গর্জে মেঘ ঘন বরষা

৪১.নৌকার মাঝিকে দেখে প্রথমটায় কৃষকের কী ধারণা হয়?

উত্তর:পূর্ব পরিচিত

৪২.সোনার তরী’ কবিতায় সোনার ধান আসলে কী?

উত্তর:সৃষ্টিকর্ম

৪৩.ধানখেতের পরিবেশ কেমন ছিল?

উত্তর:চারিদিকে বাঁকা জল খেলা করছিল

৪৪.শেষ লেখা’ কার রচনা?

উত্তর:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

৪৫.গর্জে’ শব্দটির রূপান্তরিত রূপ কোনটি?

উত্তর: গরজে

৪৬.’সোনার তরী’ কবিতায় পূর্ণ পর্বে মাত্রাসংখ্যা কত?

উত্তর:৮

৪৭.সোনার তরী’ কবিতায় ফসলের জমির চারদিকে বেষ্টিত জলরাশি কীসের প্রতীক?

উত্তর:কাল স্রোতের

৪৮.থরে বিথরে’ কথাটির অর্থ কী?

উত্তর:স্তরে স্তরে

৪৯.বারেক’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তর:একবার

৫০.সোনার তরী’ কৰিতার বর্ণনা মতে বর্ষা কখন এল?

উত্তর:ধান কাটতে কাটতে

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন —

১. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা?

উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা।

২. ‘সোনার তরী’ কীসের প্রতীক?

উত্তর: ‘সোনার তরী’ সৃষ্টিসম্ভারের প্রতীক।

৩. ‘সোনার তরী’ কবিতায় কোন ঋতুর কথা বলা হয়েছে?

উত্তর: ‘সোনার তরী’ কবিতায় বর্ষা ঋতুর কথা বলা হয়েছে।

৪. চারিদিকে বাঁকা জল কী করছে?

উত্তর: চারিদিকে বাঁকা জল খেলা করছে।

৫. ‘সোনার তরী’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?

উত্তর: ‘সোনার তরী’ কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।

৬. কত বছর বয়সে রীবন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়?

উত্তর: পনেরো বছর বয়সে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়।

৭. ‘সোনার তরী’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?

উত্তর: ‘সোনার তরী’ কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।

৮. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্যগ্রন্থ কোনটি?

উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম ‘বনফুল’।

৯. ‘আমি একেলা’- এখানে ‘আমি’ কে?

উত্তর: ‘আমি একেলা’- এখানে ‘আমি’ হলো কৃষক।

১০. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘বনফুল’ প্রকাশিত হয় কত সালে?

উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘বনফুল’ প্রকাশিত হয় ১৮৮০ সালে।

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন —

প্রশ্ন-১. ‘সকলি দিলাম তুলে থরে বিথরে’-ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: আলোচ্য চরণটিতে মানুষের কর্ম পৃথিবীতে রেখে যাওয়ার দিকটি ফুটে উঠেছে।

‘সোনার তরী’ কবিতায় কৃষক, ধান, সোনার তরী প্রভৃতি রূপকের মাধ্যমে মানবজীবনের শাশ্বত দর্শন ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। কৃষক তার ছোটো জমিতে যে সোনার ফসল বা ধান ফলিয়েছে, সোনার তরীতে তার সব তুলে দিয়েছে। কৃষক নিজে নৌকায় উঠতে চাইলও তার তাতে জায়গা হয়না। তেমনি মানুষ পৃথিবীতে কর্মসম্ভার রেখে যাবে, অথচ ব্যক্তি মানুষের স্থান এখানে হবে না। কৃষকরূপী কবি তাই বলেছেন-সকলি দিলাম তুলে থরে বিথরে।

প্রশ্ন-২. “শূন্য নদীর তীরে/রহিনু পড়ি”- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: প্রশ্নোক্ত চরণটির মধ্যদিয়ে মহাকালের কাছে ব্যক্তিমানুষের চিরন্তন অসহায়ত্বের দিকটি উন্মোচিত হয়েছে।

আলোচ্য কবিতায় এক নিঃসঙ্গ কৃষকের রূপকে কবি জীবনের এক গভীর সত্যকে তুলে ধরেছেন। মহাকাল কৃষকের কর্মফলের প্রতীক সোনার ধানকে গ্রহণ করলেও তাঁকে গ্রহণ করে না। ফলে অপূর্ণতার বেদনা নিয়ে তাঁকে অপেক্ষা করতে হয় মহাকালের শূন্যতায় বিলীন হওয়ার জন্য। প্রশ্নোক্ত চরণটিতে শূন্য নদীর তীরে কৃষকের পড়ে থাকার চিত্র উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে কবি এ বিষয়টিকেই উপস্থাপন করেছেন।

প্রশ্ন-৩. ‘ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই- ছোটো সে তরী’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর: প্রশ্নোক্ত চরণটিতে মহাকালের প্রতীক সোনার তরীতে মানুষের কর্মের স্থান হলেও সেখানে ব্যক্তিমানুষের যে স্থান হয় না, সে বিষয়টিই ফুটে উঠেছে।

ব্যক্তিমানুষের মৃত্যু অনিবার্য; তাকে রোধ করা সম্ভব নয়। কিন্তু ব্যক্তির কর্মফল বা অর্জনকে মৃত্যু স্পর্শ করতে পারে না। আর তাই সোনার তরীতে কেবল কৃষকের সোনার ধানই ঠাঁই পায়, কিন্তু ব্যক্তিকৃষককে অপূর্ণতার বেদনা নিয়ে অপেক্ষা করতে হয় অনিবার্যভাবে মহাকালের স্রোতে বিলীন হওয়ার জন্য। মানুষ তার কর্মকে রেখে যায়, মানুষের স্থান হয় না এ নম্বর পৃথিবীতে। প্রশ্নোক্ত চরণটিতে ঠাঁই নাই কথাটির মাধ্যমে জীবনের এই অমোঘ সত্যটিকেই তুলে ধরা হয়েছে।

প্রশ্ন-৪. ‘ভরা নদী ক্ষুরধারা’ কথাটি দ্বারা কবি কী বুঝিয়েছেন?

উত্তর: ‘ভরা নদী ক্ষুরধারা’ বলতে ঝঞ্ঝা-বিক্ষুব্ধ পরিবেশকেই কবি বুঝিয়েছেন।

‘ক্ষুরধারা’ হলো ক্ষুরের মতো ধারালো যে প্রবাহ বা স্রোত। ‘সোনার তরী’ কবিতায় ভরা বর্ষায় নদীর আগ্রাসী স্রোতকে কবি ক্ষুরধারা বলেছেন। এই ঘূর্ণায়মান স্রোত ছোটো ধানখেতটির চারপাশে ভয়ংকরূপে বিরাজমান। বস্তুত, পৃথিবীতে মানুষকে নানা প্রতিকূলতার মধ্যে কাজ করে যেতে হয়। আলোচ্য কবিতাটিতে প্রশ্নোক্ত কথাটি দ্বারা করি সেই সব প্রতিকূলতাকেই বুঝিয়েছেন।

প্রশ্ন-৫. “চারিদিকে বাঁকা জণ করিছে খেলা।”- এখানে ‘বাঁকা জল’ দ্বারা কী
বোঝানো হয়েছে?

উত্তর: ‘বাঁকা জল’ বলতে ভরা বর্ষায় নদীর জলের ভয়ংকর রূপ ধারণের বিষয়টিকে বোঝানো হয়েছে।

কবিতায় এক নিঃসঙ্গ কৃষক সোনার ধান কেটে নদীতীরবর্তী খেতে অপেক্ষমান। আকাশে ঘন মেঘের গর্জন, বর্ষার ভরা নদীর ক্ষুরধারা স্রোতের সাথে এর জলও বাঁকা হয়ে খেলা করছে। ছোটো খেতটুকুকে ধীরে ধীরে গ্রাস করে চলেছে তা। এভাবে ‘বাঁকা জল’ শব্দবন্ধের ভেতর দিয়ে কবিতাটিতে বৈরী প্রকৃতির রুদ্ররূপের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। এছাড়া ‘বাঁকা জল’ কবিতাটিতে অনন্ত কালস্রোতের প্রতীক।

২.বিদ্রোহী

বহুনির্বাচনি:

১.১৯৭২ সালে কার উদ্যোগে কাজী নজরুল ইসলামকে সপরিবারে স্বাধীন বাংলাদেশে এনে নাগরিকত্ব ও জাতীয় কবির স্বীকৃতি দেওয়া হয়?

উত্তর:জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

২.তিথি অত্যন্ত রাগী প্রকৃতির মেয়ে। ক্রোধান্বিত হলে হিতাহিত জ্ঞান থাকে না। তিথির সাথে ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় কার মিল রয়েছে?

উত্তর:ফ্যাপা দুর্বাসার

৩.বিদ্রোহী’ কবিতায় কবি বিশ্বকে নিঃক্ষত্রিয় করতে চান কেন?

উত্তর: পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য

৪.’বিদ্রোহী’ কবিতা রচনার শতবর্ষ পূর্ণ হয়েছে-

উত্তর:২০২০ সালে

৫.’আমি দলে যাই যত বন্ধন, যত নিয়ম কানুন শৃঙ্খল’- এই পঙক্তির মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে-

উত্তর:কবির কোন পরোয়া নেই

৬.’চির উন্নত মম শির’- কথাটি কীসের পরিচায়ক?

উত্তর:অন্যায়ের সামনে মাথা নত না করার

৭.কাজী নজরুল ইসলাম সর্বদা কাকে নমস্কার জানিয়েছেন?

উত্তর:সত্যকে

৮.বিদ্রোহী’ কবিতায় কবি কাকে কুর্নিশ করেন?

উত্তর:নিজেকে

৯.কবি কার কুঠার দিয়ে বিশ্বকে নিঃক্ষত্রিয় করবেন?

উত্তর:পরশুরাম

১০.অগ্নিবীণা’ কাব্যগ্রন্থ কত সালে প্রকাশিত হয়?

উত্তর:১৯২২ সালে

১১.কার ‘ক্রন্দনরোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না’-বলে ‘বিদ্রোহী’ কবিতার কবির কামনা?

উত্তর:উৎপীড়িতের

১২.”মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তুর্য”- পঙ্ক্তিতে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর:প্রেম ও দ্রোহ

১৩.জাগো রে কৃষাণ, সব তো গেছে, কীসের আর ভয়’- উদ্দীপকটিতে ‘বিদ্রোহী’ কবিতার যে ভাব ফুটে উঠেছে-

উত্তর:প্রতিরোধ

১৪.পাশরি’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তর:ভুলে যায়

১৫.পরশুরাম বিষ্ণুর কততম অবতার?

উত্তর: ষষ্ঠ

১৬.বলরামের অস্ত্র হলো-

উত্তর:লাঙ্গল

১৭.কবি নিজকে কার দন্ড বলে অভিহিত করেছেন?

উত্তর:ধর্মরাজের

১৮.কবি নিজেকে কীসের নটরাজ হিসেবে ঘোষণা করেছেন?

উত্তর:মহাপ্রলয়ের

১৯.বিদ্রোহী কবিতায় কবি কার বুকের ক্রন্দন-শ্বাস?

উত্তর:বিশ্ব

২০.কে ক্ষত্রিয়কুলে জন্ম নিয়েও কঠোর তপস্যার ফলে ব্রাহ্মণত্ব লাভ করেন?

উত্তর:বিশ্বমিত্র

২১.বাংলাদেশের জাতীয় কবি কে?

উত্তর:কাজী নজরুল ইসলাম

২২.কাজী নজরুল ইসলাম কত খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?

উত্তর:১৮৯৯

২৩.কাজী নজরুল ইসলাম কত খ্রিষ্টাব্দে ‘পদ্মভূষণ’ উপাধিতে ভূষিত হন?

উত্তর:১৯৬০

২৪.কাজী নজরুল ইসলাম কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?

উত্তর:১৯৭৬

২৫.কবি নিজেকে কেমন ঝড় বলে উল্লেখ করেছেন?

উত্তর:এলোকেশে

২৬.ইন্দ্রাণী-সুত কে?

উত্তর:জয়ন্ত

২৭.কবির এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী, অন্য হাতে কী?

উত্তর:রণ-তূর্য

২৮.কবি নিজেকে বেদুইন বলেছেন কেন?

উত্তর:নিজেকে বেদুইনদের মতো যোদ্ধা মনে করায়

২৯.কবির পরিবার চরম দারিদ্র্যে পতিত হয় কেন?

উত্তর:কবির পিতার মৃত্যু হওয়ায়

৩০.বিদ্রোহী’ কবিতার কোন চরণে কবির কোমল হৃদয়ের পরিচয় মেলে?

উত্তর:আমি অবমানিতের মরম বেদনা

৩১.কবি নিজেকে কার দণ্ড বলে অভিহিত করেছেন?

উত্তর:পিণাক-পাণির

৩২.কবি নিজেকে কার ডমরু ত্রিশূল বলেছেন?

উত্তর:ধর্মরাজের

৩৩.কাজী নজরুল ইসলাম কোথায় শিক্ষকতা করেন?

উত্তর:গ্রামের মক্তবে

৩৪.লেটোর দলে যোগ দিয়ে নজরুল দলের জন্য রচনা করেন?

উত্তর:পালাগান

৩৫.কাজী নজরুল ইসলাম কত সালে বাঙালি পল্টনে | সৈনিক হিসেবে যোগদান করেন?

উত্তর:১৯১৭ সালে

৩৬.কত সালে বাঙালি পল্টন ভেঙে দেওয়া হয়?

উত্তর:১৯২০ সালে

৩৭.কখন কাজী নজরুল ইসলামের কবিখ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে?

উত্তর:বিদ্রোহী’ কবিতা প্রকাশিত হওয়ার পর

৩৮.ভীম কী নিয়ে যুদ্ধে পারঙ্গম?

উত্তর:গদা

৩৯.কার পুত্রের নাম জয়ন্ত্র?

উত্তর:ইন্দ্রাণীর

৪০.’বিদ্রোহী’ কবিতায় উল্লিখিত ইস্রাফিল কে?

উত্তর:একজন ফেরেশতা

৪১.বিষ্ণু বা সুদর্শন কয় হাতবিশিষ্ট?

উত্তর:চার হাত

৪২.’নবযুগ’ কী?

উত্তর:নজরুল রচিত সম্পাদিত পত্রিকা

৪৩.সাম্যবাদী’ কোন ধরনের সাহিত্যকর্ম?

উত্তর:কাব্যগ্রন্থ

৪৪.কাজী নজরুল ইসলামকে ‘পদ্মভূষণ’ উপাধিতে ভূষিত করে কে?

উত্তর:ভারত সরকার

৪৫.’বিদ্রোহী’ কবিতার প্রথম চরণ কোনটি?

উত্তর:বল বীর

৪৬.কবি নিজেকে পৃথিবীর কী হিসেবে ঘোষণা করেছেন?

উত্তর:অভিশাপ

৪৭.যত বন্ধন, যত নিয়ম কানুন শৃঙ্খলকে কবি কীভাবে অতিক্রম করেন?

উত্তর:দলে যান

৪৮.”ঘুম চুমু দিয়ে করি নিখিল বিশ্বে নিঝুম”- চরণটিতে নজরুলের কোন মনোভাবটি প্রকাশ পেয়েছে?

উত্তর:শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা

৪৯.’আমি শ্যামের হাতের বাঁশরী’- এখানে ‘শ্যাম’ বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?

উত্তর:শ্রীকৃষ্ণকে

৫০.ইগ্রাস কোথাকার রাজা ছিলেন?

উত্তর:থ্রেসের

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন —

১. অর্ফিয়াসের ভালোবাসার পাত্রীর নাম কী ছিল?

উত্তর: অর্ফিয়ার্সের ভালোবাসার পাত্রীর নাম ইউরিডিস।

২. কবিকে রুষে উঠতে দেখে কী ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে নিভে যায়?

উত্তর: কবিকে রুষে উঠতে দেখে সপ্ত নরক হাবিয়া দোজখ ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে নিভে যায়।

৩. কাজী নজরুল ইসলাম কত খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?

উত্তর: কাজী নজরুল ইসলাম ১৮৯৯ খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।

৪. কাজী নজরুল ইসলাম কত বছর বয়সে লেটোর দলে যোগ দেন?

উত্তর: কাজী নজরুল ইসলাম ১২ বছর বয়সে লেটোর দলে যোগ দেন।

৫. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় কখন?

উত্তর: প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় ১৯৪১ খ্রিষ্টাব্দে।

৬. ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি সর্বপ্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?

উত্তর: ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি সর্বপ্রথম ‘বিজলী’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।

৭. কত খ্রিষ্টাব্দে কাজ। নজরুল ইসলাম ‘পদ্মভূষণ’ উপাধিতে ভূষিত হন?

উত্তর: ১৯৬০ খ্রিষ্টাব্দে কাজী নজরুল ইসলাম ‘পদ্মভূষণ’ উপাধিতে ভূষিত হন।

৮. কবি নিজেকে কীসের মহা হুংকার বলেছেন?

উত্তর: কবি নিজেকে ইস্রাফিলের শিঙ্গার মহা হুংকার বলেছেন।

৯. ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় কবি কী দাহন করবেন বলে উল্লেখ করেছেন?

উত্তর: ‘বিদ্রোহী’ কবিতা অনুসারে কবি বিশ্ব দাহন করবেন বলে উল্লেখ করেছেন।

১০. কবি নিজেকে কাদের বঞ্চিত ব্যথা বলেছেন?

উত্তর: কবি নিজেকে পথবাসী গৃহহারা যত পথিক রয়েছে তাদের বঞ্চিত ব্যথা বলেছেন।

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন —

প্রশ্ন-১. কবি ‘অনিয়ম-উচ্ছৃঙ্খল’ কেন?

উত্তর: নিয়ম-শৃঙ্খলার বেড়াজালে আবদ্ধ থেকে অন্যায়, অত্যাচার ও অবিচারের বিরুদ্ধে লড়াই করা সম্ভব নয় বলে কবি নিজেকে ‘অনিয়ম-উচ্ছৃঙ্খল’ অভিহিত করে শৃঙ্খল ভাঙার বার্তা দিয়েছেন।

পরাধীন ভারতবর্ষে ঔপনিবেশিক শাসন-শোষণের জাঁতাকলে মানুষকে নিষ্পেষিত হতে দেখে কবির হৃদয় ক্ষতবিক্ষত হয়েছে। তিনি দেখেছেন, অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গেলেই আইন ও বাধ্যবাধকতার বেড়াচালে মানুষকে নাকাল হতে হয়। সংগত কারণেই তিনি আইনের এই বেড়াজাল ভেঙে বেরিয়ে আসতে চেয়েছেন। শুধু তাই নয়, এ লক্ষ্য সামনে রেখেই তিনি অনিয়ম দিয়ে প্রচলিত নিয়মকে এবং উচ্ছৃঙ্খলতা দিয়ে শৃঙ্খলিত ও প্রথাবদ্ধ জীবনব্যবস্থাকে ভাঙতে চেয়েছেন।এজন্যই কবি নিজেকে ‘অনিয়ম-উচ্ছৃঙ্খল’ বলে অভিহিত করেছেন।

প্রশ্ন-২. কবি নিজেকে বেদুইন বলেছেন কেন?

উত্তর: অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে নিরন্তর সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার মানসিক দৃঢ়তার দিকটি তুলে ধরতেই কবি নিজেকে বেদুইন বলে আখ্যায়িত করেছেন। বেদুইন হলো আরবের যাযাবর জাতি। এদের স্থায়ী কোনো আবাস নেই। কঠিন মরুভূমির বুকে এরা প্রতিনিয়ত তাদের দমন করতে পারে না। আলোচ্য অংশে কবি হতোদ্যম না হয়ে বেদুইনদের জীবনযুদ্ধের সাথে নিজের তুলনা করে অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে নিজের দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করেছেন।

প্রশ্ন-৩. ‘শির নেহারি’ আমারি, নতশির ওই শিখর হিমাদ্রির’-ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: ‘শির নেহারি’ আমারি, নতশির ওই শিখর হিমাদ্রির’- কথাটির মধ্য দিয়ে
আত্মজাগরণের উন্মুখ কবির সদম্ভ আত্মপ্রকাশ ঘোষিত হয়েছে। আলোচ্য কবিতার কবি বীর ধর্মের অনুসারী। আত্মপ্রত্যয়ী বীরের চিত্ত সর্বদাই সমুন্নত। সংগত কারণেই কবির এই বীর সত্তা কোনোকিছুকে পরোয়া করে না; ধ্বংসের দামামা বাজিয়ে এগিয়ে যায় নতুন সৃষ্টির লক্ষ্যে। কবি মনে করেন, আত্মগৌরবে বলীয়ান তাঁর সেই সদম্ভ বিরোচিত রূপ অবলোকন করে হিমাদ্রি তথা হিমালয়ও যেন মাথা নত করে। প্রশ্নোক্ত চরণটির মধ্য দিয়ে এ বিষয়টিই ফুটে উঠেছে।

প্রশ্ন-৪. ‘আমি সাইক্লোন, আমি ধ্বংস’ কবি এ কথা বলেছেন কেন?

উত্তর: কবি ঔপনিবেশিক ভারতবর্ষে ব্রিটিশ রাজশক্তির অপশাসনসহ সকল অপশক্তির ধ্বংস কামনা করে নিজেই বিধ্বংশী রূপে হাজির হয়েছেন। কবি জন্মেছিলেন পরাধীন ভারতবর্ষে। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন-শোষণে এদেশের মানুষ তখন হাঁপিয়ে উঠেছে। প্রথম মহাযুদ্ধের ভূলুণ্ঠিত হতে থাকে মানবতা। এমন দুঃসহ পরিস্থিতিতে সকল অত্যাচার-অনাচারের বিরুদ্ধে দ্রোহ ঘোষণা করেন কবি। এরই অংশ হিসেবে আলোচ্য কবিতায় প্রশ্নোক্ত উক্তিটির অবতারণা করে তিনি সকল অপশক্তির ধ্বংস কামনা করেছেন।

প্রশ্ন-৫. ‘আমি দ’লে যাই যত বন্ধন, যত নিয়ম কানুন শৃঙ্খল’ কবি এ কথা বলেছেন কেন?

উত্তর: নিয়মের বেড়াজাল দিয়ে অত্যাচারী শাসকগোষ্ঠী সাধারণ মানুষের জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলায় কবি নিয়ম ভঙ্গ করে সে অবস্থার উত্তরণ ঘটাতে চেয়েছেন।

ঔপনিবেশিক ভারতবর্ষে জন্মগ্রহণ করে কবি ব্রিটিশ বেনিয়া শাসকগোষ্ঠীর অন্যায়, অত্যাচার ও অবিচারকে প্রত্যক্ষ করেছেন কাছ থেকে। এ সকল অন্যায়ের বিরুদ্ধে উচ্চকণ্ঠ হতে চাইলেই এদেশবাসীর ওপর নেমে এসেছে নিয়মকানুনের বেড়াজাল। কবি তাই সব ধরনের বন্ধন ছিন্ন করে, আইনের বেড়াজাল কেটে বেরিয়ে আসার মাঝেই মুক্তি খুঁজেছেন। প্রশ্নোক্ত চরণটিতে কবির সে মনোভাবই ব্যক্ত হয়েছে।

৩.প্রতিদান

বহুনির্বাচনী

১.’আমার এ ঘর ভাঙিয়াছে যেবা আমি বাঁধি তার ঘর’-এ পঙক্তিতে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর:পরোপকার

২.’প্রতিদান’ কবিতায় উল্লিখিত রজনী কেমন ছিল?

উত্তর:দিঘল

৩.কবি জসিমউদ্দীন কত খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?

উত্তর:১৯০৩ খ্রি.

৪.প্রতিদান’ কবিতায় প্রতিদান শব্দটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?

উত্তর:অনিষ্টকারীকে শাস্তি প্রদান

৫.’প্রতিদান’ কবিতায় কবি কার ঘর বাঁধেন?

উত্তর:যে কবির ঘর ভেঙেছে

৬.”কাঁটা পেয়ে তারে ফুল করি দান”-চরণটিতে কবি কী বুঝিয়েছেন?

উত্তর:পরার্থপরতা

৭.যে মোরে দিয়েছে বিষে-ভরা বাণ, আমি দেই তারে বুকভরা গান;- এখানে ‘বিষেভরা বাণ’ কী অর্থ জ্ঞাপন করেছে?

উত্তর:কটুকথা

৮.’প্রতিদান’ কবিতায় কবি অনিষ্টকারীকে কী দিয়েছেন?

উত্তর:ক্ষমা

৯.’প্রতিদান’ কবিতায় কে পথের বিবাগী হয়েছে?

উত্তর:কবি স্বয়ং

১০.যে ‘বিষভরা বাণ’ দিয়েছে প্রতিদানে কবি তাকে কী দেন?

উত্তর:বুকভরা গান

১১.’প্রতিদান’ কবিতায় কবি ‘বিষে-ভরা’ বাণের পরিবর্তে কী দিয়েছেন?

উত্তর:বুক ভরা গান

১২. ‘প্রতিদান’ কবিতার প্রথম স্তবকে চরণ সংখ্যা কতটি?

উত্তর:৮ টি

১৩. নিঠুরিয়া বাণি উচ্চারণ করে কবি তার মুখখানি কী করেন?

উত্তর:নিরন্তর সাজান

১৪. কবি জসীমউদ্দীন ১৯৭৬ খ্রিষ্টাব্দের কত তারিখে মারা যান?

উত্তর:১৪ই মার্চ

১৫. ‘প্রতিদান’ কবিতায় ‘যে মোরে করিল পথের বিবাগী’ -এ পঙক্তির পরের চরণ কোনটি?

উত্তর:পথে পথে আমি ফিরি তার লাগি

১৬. জসীমউদ্দীনের কোন কাব্যগ্রন্থ বিভিন্ন বিদেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে?

উত্তর:নকশী কাঁথার মাঠ

১৭. জসীমউদ্দীনের কবিতার প্রধান উপজীব্য-

উত্তর:পল্লী জীবন

১৮. অনিষ্টকারী কবিকে কী শোনায়?

উত্তর:নিঠুরিয়া বাণী

১৯. জসীমউদ্দীনের পৈতৃক নিবাস কোথায়?

উত্তর:গোবিন্দপুর

২০. জসীমউদ্দীন কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কোন ডিগ্রি লাভ করেন?

উত্তর:এম এ

২১. জসীমউদ্দীন কলেজে অধ্যয়নকালে কোন কবিতা রচনা করে খ্যাতি অর্জন করেন?

উত্তর:কবর

২২. জসীমউদ্দীনের ছাত্রাবস্থায় কোন কবিতাটি স্কুল পাঠ্যগ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত হয়?

উত্তর:কবর

২৩. ‘কবর’ কবিতা কার সৃষ্টি?

উত্তর:জসীমউদ্দীন

২৪. ‘প্রতিদান’ কবিতায় কী বিসর্জনের কথা বলা হয়েছে?

উত্তর:ক্ষুদ্র স্বার্থ

২৫. কে ‘পল্লিকবি’ হিসেবে সমধিক পরিচিত?

উত্তর:জসীমউদ্দীন

২৬. ‘জসীমউদ্দীনের কবিতার প্রধান উপজীব্য-

উত্তর:পল্লী জীবন

২৭. ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’ কী জাতীয় রচনা?

উত্তর:কাব্য

২৮.রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কোথায় অবস্থিত?

উত্তর:কলকাতায়

২৯. জসীমউদ্দীন ১৯৭৬ খ্রিষ্টাব্দের কত তারিখে মারা যান?

উত্তর:১৪ই মার্চ

৩০. কবি অন্যের ঘর বেঁধে দিতে চান কেন?

উত্তর:সুন্দর পৃথিবীর নির্মাণের মানসে

৩১. ‘প্রতিদান’ কবিতায় সমাজকে কী দ্বারা আক্রান্ত বলা হয়েছে?

উত্তর:বিভেদ হিংসা হানাহানি

৩২. কবি কাকে আপন করতে কেঁদে বেড়ান?

উত্তর:যে তাকে পর করেছে

৩৩.’আপন করিতে কাঁদিয়া বেড়াই যে মোরে করেছে পর’- এ পঙ্ক্তিতে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর:ক্ষমাশীলতা

৩৪. পরকে কবি কী করতে চেয়েছেন?৩৫. কবি কেঁদে বেড়ান কেন?

উত্তর:আপন

৩৫. কবি কেঁদে বেড়ান কেন?

উত্তর:পরকে আপন করতে

৩৬. ‘যে মোরে করিল পথের বিবাগী’- এ পঙ্ক্তির পরবর্তী চরণ কী?

উত্তর:পথে পথে আমি ফিরি তার লাগি

৩৭. যে কবির ঘুম কেড়েছে, কবি তার জন্য কী করেন?

উত্তর:দীঘল রজনী জাগেন

৩৮. ‘প্রতিদান’ কবিতায় উল্লিখিত রজনী কেমন ছিল?

উত্তর:দীঘল

৩৯. ‘আমার এ ঘর ভাঙিয়াছে যেবা আমি বাঁধি তার ঘর’ এ পঙ্ক্তিটি প্রতিদান কবিতায় কত বার ব্যবহৃত হয়েছে?

উত্তর:২ বার

৪০. ‘প্রতিদান’ কবিতায় কবি কী কী বেঁধে দিতে চেয়েছেন?

উত্তর:

৪১. কবি কার জন্য কাঁদেন?

উত্তর:

৪২. ‘প্রতিদান’ কবিতায় উল্লিখিত ‘বাণ’ কেমন?

উত্তর:

৪৩. কবি ‘বিষে-ভরা বাণ’- এর বিনিময়ে কী দিতে চেয়েছেন?

উত্তর:

৪৪. কবি কীসের বিনিময়ে ফুল দিয়েছেন?

উত্তর:

৪৫. কবি কাঁটার বিনিময়ে ফুল দেন কেন?

উত্তর:অনিষ্ঠকারীর মঙ্গলার্থে

৪৬. অনিষ্টকারী কবির বুকে কী বেঁধেছে?

উত্তর:কবর

৪৭. ‘প্রতিদান’ কবিতায় কবর বাঁধা বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর:ব্যথা দেওয়া

৪৮. কবিতায় উল্লিখিত ফুল কেমন?

উত্তর:রঙিন

৪৯. ‘প্রতিদান’ কবিতায় সোহাগ জড়ানো কী?

উত্তর:ফুল মালঞ্চ

৫০. অনিষ্টকারী কবিকে কী শোনায়?

উত্তর:নিঠুরিয়া বাণী

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন—

১. ‘মালঞ্চ’ অর্থ কী?

উত্তর : ‘মালঞ্চ’ অর্থ ফুলের বাগান।

২. ‘প্রতিদান’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তর: ‘প্রতিদান’ শব্দের অর্থ-দানের বদলে দান।

৩. ‘নিরন্তর’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তর: ‘নিরন্তর’ শব্দের অর্থ অবিরাম।

৪. ‘নকসী কাঁথার মাঠ’ কী জাতীয় রচনা?

উত্তর: ‘নকসী কাঁথার মাঠ’- একটি কাব্যগ্রন্থ।

৫. কবি জসীমউদ্দীন কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?

উত্তর : কবি জসীমউদ্‌দীন ফরিদপুরে জন্মগ্রহণ করেন।

৬. জসীমউদ্দীন কত সালে জন্মগ্রহণ করেছেন?

উত্তর: জসীমউদ্দীন ১৯০৩ সালে জন্মগ্রহণ করেছেন।

৭. জসীমউদ্দীনের জন্ম তারিখ কত?

উত্তর: জসীমউদ্‌দীনের জন্ম তারিখ পহেলা জানয়ারি।

৮. জসীমউদ্‌দীন কখন ‘কবর’ কবিতা রচনা করেন?

উত্তর: জসীমউদ্‌দীন কলেজে অধ্যয়নকালে ‘কবর’ কবিতা রচনা করেন।

৯. জসীমউদ্দীন সরকারের কোন বিভাগে উচ্চপদে আসীন ছিলেন?

উত্তর: জসীমউদ্‌দীন সরকারের প্রচার ও জনসংযোগ বিভাগে উচ্চপদে আসীন ছিলেন।

১০. জসীমউদ্দীনের কবিতায় শব্দ, উপমা ও চিত্রের মাধ্যমে কী মূর্ত হয়ে উঠেছে?

উত্তর: জসীমউদ্দীনের কবিতায় গ্রামীণ জীবনের আবহ, সহজসরল প্রাকৃতিক রূপ শব্দ, উপমা ও চিত্রের মাধ্যমে মূর্ত হয়ে উঠেছে।

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন —

প্রশ্ন-১, কবি কেন অনিষ্টকারীর জন্য দীর্ঘ রজনী জেগে থাকেন?

উত্তর: ‘প্রতিদান’ কবিতায় কবি দীঘল তার জন্যই জেগে কাটাতে চেয়েছেন যে কবিকে ঘুমাতে দেয়নি।

কবি অনিষ্টকারীকে আপন ভেবে কাছে টেনে নিতে চান। কারণ প্রতিরোধ নয় ভালোবাসার মধ্যেই রয়েছে মানবতার প্রকৃত সমাধান। তাই যে কবির ঘুম কেড়ে নিয়ে তাঁকে অশান্তিতে রেখেছে তার জন্যই কবি নির্ঘুম রাত কাটাতে চান। তার মঙ্গল চিন্তাই কবিকে ঘুমাতে দেয় না।

প্রশ্ন-২. যে কবির ঘর ভেঙেছে, কবি তার ঘর বাঁধতে চান কেন?

উত্তর: কবি প্রতিহিংসায় বিশ্বাস করেন না বলে তিনি নিজের ঘর যে ভেঙে দিয়েছে তার জন্য ঘর বেঁধে দেন।

প্রতিশোধ ও প্রতিহিংসা কখনোই চূড়ান্ত সমাধান হতে পারে না। কেউ কবির ক্ষতির কারণ হলে তারও ক্ষতি করতে হবে, কবি তা বিশ্বাস করেন না। কবি মানুষের প্রতি দায়িত্বশীল এবং ক্ষমাশীল। তিনি মনে করেন ভলোবাসাই মানুষকে আলোর পথ দেখায়। তাই কেউ কবির ঘর ভেঙে দিলেও কবি সেই অনিষ্টকারীর জন্য ঘর তৈরি করতে চেয়েছেন।

প্রশ্ন-৩. ‘কাঁটা পেয়ে তারে ফুল করি দান সারাটি জনম-ভর’- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: কবি অনিষ্টকারীর উপকার করতে চান বলে কাঁটার বিনিময়ে ফুল দান
করেন।

কবি বিশ্বাস করেন, অনিষ্টকারীকে কেবল ক্ষমা করেই নয়, বরং প্রতিদান হিসেবে তার উপকার করার মাধ্যমে পৃথিবীকে সুন্দর করা সম্ব। কেউ ক্ষতি করেছে বলে প্রতিশোধের বশবর্তী হয়ে তারও ক্ষতি করতে হবে কবি তা মানতে নারাজ। তাই কবিকে কেউ কাঁটা দিলে কবি তাকে প্রতিদানে ফুল উপহার দেন। অর্থাৎ কেউ তাঁর অনিষ্ট করলে বিনিময়ে তার মঙ্গল সাধন করেন।

প্রশ্ন-৪. ‘আমার এ ঘর ভাঙিয়াছে যেবা আমি বাঁধি তার ঘর’- এ পঙ্ক্তিতে কবি
কী বোঝাতে চেয়েছেন?

উত্তর: আলোচ্য পঙ্ক্তিতে কবি অনিষ্টকারীকে ক্ষমা করে তার উপকার করার কথা বলেছেন।

কবি প্রতিশোধ, প্রতিহিংসা আর হানাহানিতে বিশ্বাস করেন না। তিনি মহৎ হৃদয়ের মানুষ। শান্তিময়, নিরাপদ পৃথিবীর স্বপ্ন দেখেন বলেই তাঁর ঘর যে ভেঙেছে তিনি তাকেই ঘর তৈরি করে দিয়েছেন। অর্থাৎ শত্রুকে ক্ষমা করে পরম আপন করে নিয়েছেন।

প্রশ্ন-৫. নিজের ঘর ভাঙার প্রতিদান দিতে কবি অন্যের ঘর বেঁধে দিয়েছেন কেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: কবি প্রতিহিংসায় বিশ্বাস করেন না বলে তিনি নিজের ঘর যে ভেঙে দিয়েছে তার জন্যই ঘর বেঁধে দেন।

প্রতিশোধ-প্রতিহিংসা কখনোই চূড়ান্ত সমাধান হতে পারে না। কেউ কবির ক্ষতির কারণ হলে তারও ক্ষতি করতে হবে, কবি তা বিশ্বাস করেন না। কবি মানুষের প্রতি দায়িত্বশীল এবং ক্ষমাশীল। তিনি মনে করেন ভালোবাসাই মানুষকে আলোর পথ দেখায়। তাই কেউ কবির ঘর ভেঙে দিলেও কবি সেই অনিষ্টকারীর জন্য ঘর তৈরি করতে চেয়েছেন।

৪.তাহারেই পড়ে মনে

বহুনির্বাচনী

১.তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতায় ব্যবহৃত ‘কুহেলি উত্তরী’ শব্দটি কী অর্থ বহন করে?

উত্তর:কুয়াশার চাদর

২.’কহিল সে কাছে সুরে আসি’- পরের পঙ্ক্তি কোনটি?

উত্তর:কুহেলি উত্তরী তলে মাঘের সন্ন্যাসী

৩.’তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতায় ‘উত্তরী’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তর:চাদর

৪.’তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতাটির গঠনরীতি কোন বৈশিষ্ট্যের?

উত্তর:নাটকীয়

৫.’তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতায় কবির মন বিষণ্ণতায় আচ্ছন্ন যে কারণে-

উত্তর:প্রিয়জন হারানোর শোক

৬.’তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতায় কবি কাকে ব্যথা দিয়েছেন?

উত্তর:ঋতুরাজ

৭.’বসন্ত-বন্দনা তব কণ্ঠে শুনি- এ মোর মিনতি’- এ মিনতি করে-

উত্তর:কবি ভক্ত

৮.সুফিয়া কামাল রচিত কাব্যগ্রন্থ নয় কোনটি?

উত্তর:ছায়া হরিণ

৯.’তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতায় শীতকে কোন ঋতুর বিপরীতে স্থাপন করা হয়েছে?

উত্তর:বসন্ত

১০.কবির জীবনে শূন্যতা নেমে আসে কেন?

উত্তর:স্বামীর মৃত্যুতে

১১.’তরী তার এসেছে কি? কোন কবিতার অন্তর্গত?

উত্তর:তাহারেই পরে মনে

১২.’দক্ষিণ দুয়ার গেছে খুলি?’ এ জিজ্ঞাসায় কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর:বসন্তের আগমন

১৩.’তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতায় কোন ফুলের উল্লেখ আছে?

উত্তর:বাতাবি লেবুর ফুল

১৪.ফুল কি ফোটেনি শাখে?’ -কবি কেন এ প্রশ্ন করেছেন?

উত্তর:অভিমান ও বিদ্রুপ করে

১৫.উপেক্ষায় ঋতুরাজের কবি কী দেয় বলে ভক্ত উল্লেখ করেছে?

উত্তর:অর্ঘ্য

১৬.কত বছর বয়সে সুফিয়া কামালের ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতাটি প্রকাশিত হয়?

উত্তর:২৪

১৭.’তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতাটি কত সালে কোন পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়?

উত্তর:১৯৩৫ সালে মাসিক মোহাম্মাদী

১৮.’তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতায় কবির অনুভূতির সাথে কোনটি তুলনীয়?

উত্তর:শীতের রিক্ততা

১৯.’তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতায় বর্ণনাকারী চরিত্র কোনটি?

উত্তর:কবি ভক্ত

২০. পারিবারিক নানা উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে কে স্বশিক্ষায় শিক্ষিত হয়েছেন?

উত্তর:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

২১.পুষ্পশূন্য দিগন্তের পথে কে চলে গেছে?

উত্তর:মাঘের সন্ন্যাসী

২২.’তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতায় কবি কোন বিষয়ে তাৎপর্যময় অভিব্যক্তি প্রকাশ করেছেন?

উত্তর:প্রকৃতি ও মানব মনের সম্পর্ক

২৩.’কহিল সে স্নিগ্ধ আঁখি তুলি’-কে কহিল?

উত্তর:কবি

২৪.সুফিয়া কামালের পৈতৃক নিবাস কোথায়?

উত্তর:কুমিল্লা

২৫.গঠনরীতির দিক থেকে ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কোন ধরনের রচনা?

উত্তর:সংলাপ নির্ভর

২৬.’নাই হলো, না হোক এবারে’ সুফিয়া কামালের কোন অনুভূতি ব্যক্ত হয়েছে? উক্তিটিতে কবি

উত্তর:বসন্তের প্রতি উদাসীনতা

২৭.কুহেলি উত্তরী তলে কে চলে গিয়েছে?

উত্তর: মাঘের সন্ন্যাসী

২৮.’গিয়াছে চলিয়া ধীরে পুষ্পশূন্য দিগন্তের পথে’ -বলতে কবি সুফিয়া কামাল কী বোঝাতে চেয়েছেন?

উত্তর:শীতের বিদায়কে

২৯.’তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতায় কবির বসন্তবিমুখতার মধ্য দিয়ে কোনটি ফুটে উঠেছে?

উত্তর:উদাসীনতা

৩০.’কহিল সে স্নিগ্ধ আঁখি তুলি- দক্ষিণ দুয়ার গেছে খুলি?’ কবির এ রকম উক্তির কারণ কী?

উত্তর:কাব্যগ্রন্থ

৩১.’কেয়ার কাঁটা’- একটি?

উত্তর:কাব্যগ্রন্থ

৩২.মাঘের সন্ন্যাসী দিগন্তের কেমন পথে গেছে?

উত্তর:পুষ্প শূন্য

৩৩.কবি কেন বসন্তের আগমন প্রত্যক্ষ করেননি?

উত্তর:দুঃখ বেদনায় কাতর থাকায়

৩৪.বসন্ত কবির কাছে অর্থহীন, কারণ-

উত্তর:প্রিয়জনের বিচ্ছেদ বেদনা

৩৫.এমন উম্মনা তুমি”? -এটি কার উক্তি?

উত্তর:কবি ভক্তের

৩৬.”তাহারেই পড়ে মনে” কবিতায় ‘মাঘের সন্ন্যাসী’ বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?

উত্তর:শীতের রিক্ততা

৩৭.সুফিয়া কামালের পৈতৃক নিবাস কোথায়?

উত্তর:কুমিল্লা

৩৮.’তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতায় শীতকে কেন মাঘের সন্ন্যাসী বলা হয়েছে?

উত্তর:শীতের বিদায় সর্বোত্যাগী সন্ন্যাসীর মত

৩৯.পহেলা বৈশাখে গোটা জাতি উৎসবে মেতে উঠলেও ড. রুবিনা ব্যক্তিগত বিষাদময়তায় আচ্ছন্ন হয়ে আছেন। পহেলা বৈশাখের সাথে ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতায় কীসের মিল রয়েছে?

উত্তর:বসন্ত

৪০.বসন্তের আবেদন গুরুত্ব হারিয়েছে কেন?

উত্তর:কবি বসন্তকে বরণ করেননি বলে

৪১. ‘যদিও এসেছে তবু তুমি তারে করিলে বৃথাই’- এখানে ‘তারে’ বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?

উত্তর:বসন্তকে

৪২.তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতায় কী প্রাধান্য পেয়েছে?

উত্তর:প্রকৃতি ও মানবমনের সম্পর্ক

৪৩.মাঘের সন্ন্যাসী কোথায় চলে গেছে?

উত্তর:দিগন্তের পথে

৪৪.’তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতায় কবি কাকে ব্যাখ্যা দিয়েছেন?

উত্তর:কবি ভক্ত

৪৫.’তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতাটি আচ্ছন্ন হয়ে আছে-

উত্তর:বিষাদময় রিক্ততার সুর

৪৬.ডেকেছে কি সে আমারে’-চরণটিতে প্রকাশ পেয়েছে কবির-

উত্তর:আনমনা হৃদয়

৪৭.’তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতার কবির জীবনে শূন্যতা নেমে আসার কারণ কী?

উত্তর:স্বামীর অসুস্থতা

৪৮.’কহিল সে কাছে সরে আসি’- ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতার এই পঙক্তিতে কী প্রকাশ পেয়েছে?

উত্তর:অন্তরঙ্গতা

৪৯.’তাহারেই পড়ে মনে কবিতায় কবির মন কীসে আচ্ছন্ন হয়ে থাকে?
স্পষ্টতা আচ্ছন্ন হয়ে আছে?

উত্তর:অন্তরঙ্গতা

৫০.নিচের কোন পরিচয়টি সুফিয়া কামালের নয়?

উত্তর:আলো হাতে নারী

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন—

১. ‘অর্ঘ্য’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তর: ‘অর্ঘ্য’ শব্দের অর্থ অঞ্জলি বা উপহার।

২. ‘ফুটেছে কী আমের মুকুল’? উক্তিটি কার?

উত্তর: ‘ফুটেছে কি আমের মুকুল?’ উক্তিটি কবির।

৩. উত্তরী শব্দের অর্থ কী?

উত্তর: উত্তরী শব্দের অর্থ চাদর।

৪. ‘পুষ্পারতি’ শব্দটির অর্থ কী?

উত্তর: ‘পুষ্পারতি’ শব্দটির অর্থ ফুলের বন্দনা।

৫. ‘দক্ষিণ দুয়ার গেছে খুলি?’ প্রশ্নটি কার?

উত্তর: ‘দক্ষিণ দুয়ার গেছে খুলি?’ প্রশ্নটি কবির।

৬. ‘কুহেলি’ অর্থ কী?

উত্তর: ‘কুহেলি’ অর্থ- কুয়াশা।

৭. সুফিয়া কামালের প্রথম স্বামীর নাম কী?

উত্তর: সুফিয়া কামালের প্রথম স্বামীর নাম সৈয়দ নেহাল হোসেন।

৮. কবিভক্ত কবির কাছে কী শোনার মিনতি করে?

উত্তর: কবিভক্ত কবির কাছে বসন্ত-বন্দনা শোনার মিনতি করেছে।

৯. ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতাটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?

উত্তর: ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতাটি প্রথম ‘মাসিক মোহাম্মদী’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।

১০. ‘উত্তরী’ মানে কী?

উত্তর: ‘উত্তরী’ মানে চাদর।

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন—

প্রশ্ন-১. ‘বসন্ত-বন্দনা তব কণ্ঠে শুনি- এ মোর মিনতি’ কবির কাছে কেন এ মিনতি করা হয়েছে?

উত্তর: বসন্তের আগমনে কবির উদাসীনতা দেখে কবি-ভক্ত কবিকে কাব্য রচনার মিনতি করেছেন।প্রকৃতিতে বসন্ত এসেছে। কিন্তু বসন্তের আগমন সত্ত্বেও কবির সেদিকে কোনো লক্ষ নেই। উদাসীন কবির এ অবস্থায় কবি-ভক্ত তাকে সচেতন করে তোলার চেষ্টা করছেন। বসন্তের বন্দনায় তাই কবিকে কাব্য রচনায় মনোনিবেশ করার মিনতি করা হয়েছে।

প্রশ্ন-২. ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতায় কবির উদাসীনতার কারণ ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতায় কবির উদাসীনতার কারণ হলো তাঁর স্বামী ও কাব্য সাধনার প্রেরণা পুরুষের আকস্মিক মৃত্যু।

প্রকৃতিতে বসন্ত এলেও কবির মন জুড়ে বিরাজ করছে শীতের রিক্ততা ও বিষণ্ণ রূপ। কবি শীত ঋতুকে ভুলতে পারছেন না। তাঁর এ ভুলতে না পারার কারণ প্রিয়। স্বামী সৈয়দ নেহাল হোসেনের আকস্মিক মৃত্যু। স্বামীর অকাল প্রয়াণে কবির হৃদয়। দুঃখ ভারাক্রান্ত। আর এ কারণেই প্রকৃতিতে বসন্তের আগমন সত্ত্বেও কবি উদাসীন।

প্রশ্ন-৩. “কহিল সে কাছে সরে আসি” পংক্তিটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: প্রশ্নোক্ত পড়ক্তিটির মাধ্যমে বেদনার্ত কবির বসন্তবিমুখতা ও তাঁর জীবনে শীতের রিক্ততার প্রভাব প্রকাশ করেছেন। ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতায় কবি প্রিয়জন হারানোর বেদনায় বিমূঢ়। এজন্য তাঁর কাছে বসন্ত বিশেষ কোনো অর্থ বহন করে না। কবিভক্ত বসন্তের আগমনী বার্তা কবিকে জানালেও কবি তাতে আগ্রহী হন না। বরং কবি তাঁর ভক্তের কাছে শীত ঋতুর রিক্ততায় শূন্য হৃদয়ের বেদনা বোঝানোর চেষ্টা করেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে প্রশ্নোক্ত কথাটি বলা হয়েছে।

প্রশ্ন-৪. বসন্তের প্রতি কবি উদাসীন কেন?

উত্তর: বিদায়ী শীতের রিক্ততার স্মৃতি কবিকে আচ্ছন্ন করে রেখেছে বলে তিনি বসন্তের প্রতি উদাসীন।

বসন্তের আগমনে প্রকৃতি ফুলের সাজে সাজলেও কবির মন জুড়ে আছে শীতের রিক্ততার ছবি। শীত যেন রিক্ত সন্ন্যাসীর মতো কুয়াশার চাদর গায়ে পত্রপুষ্পহীন দিগন্তের পথে চলে গেছে। শীতের রিক্ততা কবিমনে গভীর বেদনার মতো গেঁথে আছে। বস্তুত, শীতের রিক্ততার প্রতীকে এ কবিতায় প্রকাশিত হয়েছে কনির ব্যক্তিগত জীবনের বিষাদময় ঘটনা। কবি তাই বসন্তের প্রতি উদাসীন।

প্রশ্ন-৫. কবি শীত ঋতুকে ‘মাঘের সন্ন্যাসী’ বলেছেন কেন?

উত্তর: কুয়াশার চাদর নিয়ে শীত উপস্থিত হয় বলে কবি শীত ঋতুকে ‘মাঘের সন্ন্যাসী’ বলেছেন।

‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতায় কবি শীতকে মাঘের সন্ন্যাসীরূপে কল্পনা করেছেন। শীত ঋতুতে কুয়াশা চারদিক আচ্ছন্ন করে রাখে। গাছের পাতা ঝরে যায়। প্রকৃতি- পরিবেশে এক নিঃস্ব-রিক্ত রূপ বিরাজ করে। কবি শীতের এই অবস্থাকে সন্ন্যাসীর সঙ্গে তুলনা করেছেন। সন্ন্যাসীরা জাগতিক বিলাস-ব্যসন ত্যাগ করে সহজ-সরল অ জীবনযাপন করেন। তাঁরা সংসারবিবাগী, সর্বত্যাগী। শীত ঋতুও যেন তেমনই সর্বত্যাগী সন্ন্যাসীর মতো প্রকৃতিকে রিক্ত-শূন্য করে কুয়াশার শুভ্র চাদরে আচ্ছন্ন করে রাখে। বসন্তের আগমন এলেও শীত যেন তা থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন।

৫.আঠারো বছর বয়স

বহুনির্বাচনী

১.তাজা তাজা প্রাণে অসহ্য- কী?

উত্তর:যন্ত্রণা

২.সুকান্ত ভট্টাচার্য তার কাব্যে একাত্মতা ঘোষণা করেছেন-

উত্তর:ধর্মের পক্ষে

৩.’আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় কবি ‘সপে আত্মাকে শপথের কোলাহলে’ বলতে বুঝিয়েছেন-

উত্তর:আত্মত্যাগের মহিমা

৪.আঠারো বছর বয়সের নেতিবাচক দিক হচ্ছে, এ বয়স-

উত্তর:পদস্খলনের শঙ্কাপূর্ণ

৫.সুকান্ত ভট্টাচার্য ফ্যাসবিরোধী লেখক শিল্পী সংঘের পক্ষে কী কাব্যগ্রন্থ সম্পাদনা করেন?

উত্তর:হরতাল

৬.বিপদের মুখে ‘আঠারো বছর বয়স’ কেমন?

উত্তর:অগ্রণী

৭.”এদেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।” পঙ্ক্তিটিতে কবির কোন মনোভাবের প্রকাশ ঘটেছে?

উত্তর:তারুণ্য শক্তির জাগরণের প্রত্যাশা

৮.সুকান্ত ভট্টাচার্য আমৃত্যু কোন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন?

উত্তর:দৈনিক স্বাধীনতা

৯.নিচের কোন চরণে ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় কবির মতে ইতিবাচক বক্তব্যের প্রকাশ ঘটেছে?

উত্তর:এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য

১০.আঠারো বছর বয়স দুঃসহ কেন?

উত্তর:স্পর্ধায় মাথা তোলার ঝুঁকির কারণে

১১.কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্ম কোন জেলায়?

উত্তর:গোপালগঞ্জ

১২.আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় ‘সঁপে আত্মাকে শপথের কোলাহলে।’- বলতে কী বোঝায়?

উত্তর:যৌবনের দুঃসাহকিতা/পদক্ষেপের দৃঢ়তা

১৩.এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য’- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর:শুভ, কল্যাণ ও সুন্দরের জন্য রক্তদান

১৪.নিচের কোনটিতে আঠারো বছর বয়সের ইতিবাচক দিকের প্রতিফলন ঘটেছে?

উত্তর:সঁপে আত্মাকে শপথের কোলাহলে

১৫.’আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় ‘এ বয়সে প্রাণ তীর আর প্রখর’ বলতে বোঝানো হয়েছে-

উত্তর:তীব্রতা ও সংবেদনশীলতা

১৬.’আঠারো বছর বয়স’ কোন ছন্দে রচিত?

উত্তর:মাত্রাবৃত্ত

১৭.আঠারো বছর বয়সীদের তাজা প্রাণে কেমন যন্ত্রণা সৃষ্টি হয়?

উত্তর:অসহ্য

১৮.’আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় তরুণেরা বাম্পের বেগে কীসের মতো চলে?

উত্তর:স্টিমারের

১৯.কবি স্টিমারের সঙ্গে তারুণ্যের তুলনা করেছেন কেন?

উত্তর:জীবনের গতিশীলতার জন্য

২০.’ছাড়পত্র’ কাব্যগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?

উত্তর:১৯৪৮

২১.’আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় কবি কীসের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন?

উত্তর:বয়সন্ধিকালের।

২২.কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের সাথে নিচের কোন কবির ভাবগত সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায়?

উত্তর:কাজী নজরুল ইসলাম

২৩.এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়- নিচের কোন চরণটির সাথে এর ভাব মিলে যায়?

উত্তর:এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য

২৪.আঠারো বছর বয়সে কিসের প্রস্তুতি নিতে হয়?

উত্তর:স্বনির্ভর হওয়ার

২৫.সুকান্ত ভট্টাচার্যের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম কী?

উত্তর:ছাড়পত্র

২৬.তরুণেরা আত্মাকে কিসে সমর্পণ করে?

উত্তর:শপথের কোলাহলে

২৭.”স্পর্ধায় নেয় মাথা তোলবার ঝুঁকি” -আঠারো বছর বয়স কবিতায় চরণটি প্রকাশ পেয়েছে তরুণদের-

উত্তর:আত্মনির্ভরতা

২৮.’হরতাল’-কার লেখা?

উত্তর:সুকান্ত ভট্টাচার্যের

২৯.’মিঠেকড়া’ রচনাটি কার লেখা?

উত্তর:সুকান্ত ভট্টাচার্য

৩০.আঠারো বছর বয়সের সব থেকে বড়ো ধর্ম হলো-

উত্তর:আত্মত্যাগের মহান মন্ত্রে উজ্জীবিত হওয়া

৩১.আঠারো বছর বয়স ভয়ঙ্কর কেন?

উত্তর:এ বয়স তীব্র আর প্রখর

৩২.আঠারো বছয় বয়সে কী ক্ষত-বিক্ষত হয়?

উত্তর:সহস্র প্রাণ

৩৩.’সব ক্ষয়ক্ষতি খেয়াল-খুশিতে পশ্চাতের যায় ফেলে।’ -এ চরণের সাথে নিকট সম্পর্ক আছে কোন চরণের?

উত্তর:সঁপে আত্মাকে শপথের কোলাহলে

৩৪.আঠারো বছর বয়সের তরুণরা ‘শপথের কোলাহলে’ কী সঁপে দেয়?

উত্তর:এ বয়স তীব্র আর প্রখর

৩৫.এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে’ চরণটিতে কবির কোন প্রত্যাশা প্রকাশিত হয়েছে?

উত্তর:অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার

৩৬.নিচের কোন চরণে ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার ইতিবাচক বক্তব্যের প্রকাশ ঘটেছে?

উত্তর:ক্ষত-বিক্ষত হয় সহস্র প্রাণ

৩৭.আঠারো বছর বয়স’ কবিতার ‘বিপদের মুখে এ বয়স’ চরণের বাকি অংশ কী?

উত্তর:দুর্বার

৩৮.আঠারো বছর বয়স কেন তাৎপর্যমন্ডিত?

উত্তর:নতুন কিছু করে বলে

৩৯.আঠারো বছর বয়স জানে না কাঁদা, কারণ এই বয়সে মানুষ –

উত্তর:আত্মপ্রত্যয়ী হয়

৪০.’তাজা তাজা প্রাণে অসহ্য যন্ত্রণা’ বলতে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?

উত্তর:তরুণেরা অসংগতি দেখে সংক্ষুব্ধ

৪১.রক্তদানের পূণ্য’ -কথাটি দ্বারা কোন বিষয়টি প্রকাশিত হয়েছে?

উত্তর:দেশের জন্য আত্মত্যাগের গৌরব

৪২.’আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি কত সালে প্রকাশিত হয়?

উত্তর:১৯৪৮ সালে

৪৩.’আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় কোন কালের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হয়েছে?

উত্তর:বয়ঃসন্ধি

৪৪.’আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় কবির প্রত্যাশা কী?

উত্তর:তারুণ্যধর্ম দিয়ে এ দেশ পরিচালিত হোক

৪৫.আঠারো বছর বয়সে প্রাণ কেমন থাকে?

উত্তর:প্রখর

৪৬.কখন হাল ঠিকমতো রাখা ভার হয়ে ওঠে?

উত্তর:দুর্যোগে

৪৭.তারুণ্য স্বপ্ন দেখে কিসের?

উত্তর:নতুন জীবনের

৪৮.সুকান্ত ভট্টাচার্যের জীবনকাল কত?

উত্তর:১৯২৬-১৯৪৭

৪৯.এ বয়সে কাকে আসে কত মন্ত্রণা’ কোন ধরনের মন্ত্রণার সম্মুখীন হয় তরুণরা?

উত্তর:ভালো-মন্দ

৫০.আঠারো বছর বয়সে তরুণেরা পাদঘাতে কী ভাঙতে চায়?

উত্তর:পাথর বাধা

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন —

১. ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি কবির কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?

উত্তর: ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি কবির ‘ছাড়পত্র’ কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।

২. আঠারো বছর বয়স কী জানে?

উত্তর: আঠারো বছর বয়স রক্ত দানের পুণ্য জানে।

৩. ‘আঠারো বছর বয়স’ বিপদের মুখে কী?

উত্তর: ‘আঠারো বছর বয়স’ বিপথের মুখে অগ্রণী।

৪. সুকান্ত ভট্টাচার্যের পৈতৃক নিবাস গোপালগঞ্জের কোন গ্রামে?

উত্তর: সুকান্ত ভট্টাচার্যের পৈতৃক নিবাস গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়া গ্রামে।

৫. ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?

উত্তর: ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি ‘ছাড়পত্র’ কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।

৬. আঠারো বছর বয়স পদাঘাতে কী ভাঙতে চায়?

উত্তর: আঠারো বছর বয়স পদাঘাতে পাথর বাধা ভাঙতে চায়।

৭. সুকান্ত ভট্টাচার্য সম্পাদিত কাব্যগ্রন্থটির নাম কী?

উত্তর: সুকান্ত ভট্টাচার্য সম্পাদিত কাব্যগ্রন্থটির নাম ‘আকাল’।

৮. ‘আকাল’ সুকান্ত ভট্টাচার্যের কী ধরনের রচনা?

উত্তর: ‘আকাল’ সুকান্ত ভট্টাচার্যের সম্পাদিত কাব্যগ্রন্থ।

৯. ‘ছাড়পত্র’ কাব্যগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?

উত্তর: ‘ছাড়পত্র’ কাব্যগ্রন্থটি ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত হয়।

১০. আঠারো বছর বয়স পদাঘাতে কী ভাঙতে চায়?

উত্তর: আঠারো বছর বয়স পদাঘাতে পাথর সমীন বাধা ভাঙতে চায়।

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন —

প্রশ্ন-১. আঠারো বছর বয়স দুঃসহ কেন?

উত্তর: এ বয়সে নানা দুঃসাহসী স্বপ্ন, কল্পনা ও উদ্যোগ মনকে ঘিরে রাখে বলে কবি আঠারো বছর বয়সকে দুঃসহ বলেছেন।

আঠারো বছর বয়স মানবজীবনের এক উত্তরণকালীন পর্যায়। এ বয়সে মানুষ কৈশোর থেকে যৌবনে পদার্পন করে। আত্মনির্ভরশীলতার তাড়না এ সময় মনকে অস্থির করে তোলে। এ বয়সেই স্বাধীনভাবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার ঝুঁকি নেয় মানুষ। ফলে তাকে এক দুঃসহ অবস্থায় পড়তে হয়। তাই আলোচ্য কবিতায় আঠারো বছর বয়সকে দুঃসহ বলে অভিহিত করা হয়েছে।

প্রশ্ন-২. ‘সঁপে আত্মাকে শপথের কোলাহল’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর : ‘সঁপে আত্মাকে শপথের কোলাহল’ শব্দবন্ধের মাধ্যমে নিত্য-নতুন করণীয় সম্পাদনের লক্ষ্যে তরুণদের নব নব শপথে বলীয়ান হওয়ার দিকটিকে বোঝানো হয়েছে।

আঠারো বছর বয়সি তারুণ্য নানা ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যে সমুজ্জ্বল। এ বয়সি তরুণরা স্বপ্ন দেখে নতুন জীবনের, নব নব অগ্রগতি সাধনের। সেসব স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নিত্যনতুন করণীয় সম্পাদনের জন্য তারুণ্যশক্তি নানামুখী শপথ গ্রহণ করে। প্রশ্নোক্ত ‘সঁপে আত্মাকে শপথের কোলাহল’ শব্দবন্ধের মধ্য দিয়ে এ বিষয়টিই ফুটে উঠেছে।

প্রশ্ন-৩. ‘এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।’- পঙ্ক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: কবি উক্ত পঙ্ক্তিটির মাধ্যমে প্রত্যাশা করেছেন, আঠারো বছর বয়সের ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যগুলো যেন জাতীয় জীবনের চালিকাশক্তি হয়ে ওঠে।

আঠারো বছর বয়স বহু ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যে সমৃদ্ধ। এ বয়সের তরুণরা জড়- নিশ্চল প্রথাবদ্ধ জীবনকে পেছনে ফেলে সব সময় নতুন জীবন রচনার স্বপ্ন দেখে। কল্যাণচিন্তা, সেবাব্রত, উদ্দীপনা, সাহসিকতা, চলার দুর্বার গতি- এসবই আঠারো বছর বয়সি তারুণ্যের বৈশিষ্ট্য। কবির কামনা এসব বৈশিষ্ট্য দিয়েই যেন তরুণরা জাতীয় জীবনের ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটায়।

প্রশ্ন-৪. এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় কবি ‘এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা’- চরণটির মাধ্যমে এ বয়সে নতুন নতুন তত্ত্বের সঙ্গে পরিচিত হওয়াকে বুঝিয়েছেন।

আঠারো বছর বয়সে মানুষ আত্মপ্রত্যয়ে প্রথমবারের মতো স্বনির্ভর জীবনযাপনের প্রয়াস চালায়। এ জন্য তাকে বাস্তব রূঢ় মাটির পৃথিবীর ওপর দাঁড়াতে হয়। এ সময় তারা ভালো-মন্দ, ইতিবাচক-নেতিবাচক নানা তত্ত্ব, মতবাদ ও ভাবধারার সঙ্গে পরিচিত হতে শুরু করে।

প্রশ্ন-৫. কবি কেন যৌবনশক্তির জয়গান করেছেন?

উত্তর: কবি তারুণ্যের কল্যাণধর্মী কর্মকান্ডের দিকে আকৃষ্ট হওয়ার কারণে যৌবনশক্তির জয়গান করেছেন।

‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় কবি তারুণ্যের ধর্ম ও বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন। এই বয়সী তরুণরা সবচেয়ে বেশি দুঃসাহসী হয়। তারা সবচেয়ে বেশি আঘাত সহ্য করতে পারে এবং তা প্রতিহত করতেও জানে। তরুণদের যৌবনে হৃদয়ে আবেগ আসে। সেই আবেগে ভর করে তার মানবকল্যাণে অগ্রসর হয়। তাই তারা শত্রুর মুখোমুখি দাঁড়াতেও ভয় পায় না। যৌবনকাল মানুষের জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়। কবি তাই যৌবনশক্তির জয়গান করেছেন।

৬.ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯

বহুনির্বাচনী

১.ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় কার মুখকে ‘তরুণ শ্যামল পূর্ব বাংলার’ সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে?

উত্তর:সালাম

২.ওপরওয়ালাদের নির্দেশে বঙ্গবন্ধুকে নারায়ণগঞ্জে কোথায় রাখা হয়েছিল?

উত্তর:পুলিশ ব্যারাকের ঘরে

৩.’ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে চয়ন করা হয়েছে?

উত্তর:নিজ বাসভূমে

৪.ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় কে শূন্যে ফ্ল্যাগ তোলে?

উত্তর:সালাম

৫.’ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় কার চোখে আজ আলোচিত ঢাকা?

উত্তর:সালামের

৬.ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় ‘একুশের কৃষ্ণচূড়া’ আমাদের চেতনারই রং।” পঙ্ক্তিতে উল্লিখিত চেতনার প্রকৃতি-

উত্তর:সংগ্রামী

৭.উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে কাজ করেছে- চেতনা।

উত্তর:একুশের

৮.”সে ফুল আমাদেরই প্রাণ,” বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর:বাংলা ভাষা

৯.ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় “আবার সালাম নামে রাজপথে’- কেন?

উত্তর:কমলবন তছনছ করতে

১০.ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতাটি কবি শামসুর রাহমানের কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?

উত্তর:নিজ বাসভূমে

১১.’ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় কৃষ্ণচূড়া ফুলকে কবির কাছে কেমন মনে হয়?

উত্তর:শহিদের ঝলকিত রক্তের বুদ্বুদ

১২.’একুশের কৃষ্ণচূড়া আমাদের চেতনারই রং।’ এই চরণটির আগের চরণ হলো-

উত্তর:শহিদের ঝলকিত রক্তের বুদ্বুদ, স্মৃতিগন্ধে ভরপুর

১৩.ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় কৃষ্ণচূড়ার রঙকে কবি কীসের রং হিসেবে উল্লেখ করেছেন?

উত্তর:বাঙালির চেতনা

১৪.’ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় ঘাতকের থাবার সম্মুখে কে বুক পাতে?

উত্তর:বরকত

১৫.’ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় কোন ফুলের উল্লেখ আছে?

উত্তর:কৃষ্ণচূড়া

১৬.’আবার ফুটেছে দ্যাখো কৃষ্ণচূড়া থরে থরে শহরের পথে’- পঙ্ক্তিতে জাতীয় জীবনের কোন দিকটি তুলে ধরা হয়েছে?

উত্তর:গণআন্দোলনের

১৭.ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় ‘চতুর্দিকে মানবিক বাগান, কমলবন হচ্ছে।”

উত্তর:তছনছ

১৮.ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় আমাদের চেতনার রং-

উত্তর:কৃষ্ণচূড়া

১৯.ভাষাশহিদদের ‘রক্তের বুদ্বুদ’ কোনটি?

উত্তর:কৃষ্ণচূড়া

২০.’ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় ‘আবার সালাম নামে রাজপথে- কেন?

উত্তর:গণজাগরণে যোগ দিতে

২১.”এ-রঙের বিপরীত আছে অন্য রঙ” -চরণটিতে ‘অন্য রং’ বলতে বোঝানো হয়েছে-

উত্তর:স্বৈরাচারী কর্মকান্ডকে

২২.দেখলাম সালামের হাত থেকে নক্ষত্রের মতো ঝরে অবিরত অবিনাশী বর্ণমালা- এখানে ‘অবিনাশী বর্ণমালা কিসের প্রতীক?

উত্তর:বাঙালির সংগ্রামী চেতনা

২৩.’ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় কৃষ্ণচূড়া কিসের প্রতীক?

উত্তর:রক্তের

২৪.শহরের পথে আবার ও কৃষ্ণচূড়া ফোটার মাধ্যমে লেখক কী বোঝাতে চেয়েছেন?

উত্তর:সংগ্রামী চেতনা

২৫.একুশের কৃষ্ণচূড়া মূলত-

উত্তর:ভাষাশহিদদের রক্তের প্রতীক

২৬.’ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে চয়ন করা হয়েছে?

উত্তর:নিজ বাসভূমি

২৭.কবি শামসুর রাহমান ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় সালামের চোখে আজ কী দেখেছেন?

উত্তর:আলোচিত ঢাকা

২৮.’কমলবন হচ্ছে তছনছ’ দিয়ে কবি বোঝাতে চেয়েছেন-

উত্তর:মানবিকতা, সুন্দর ও কল্যাণের জগৎ ধ্বংস করা হচ্ছে

২৯.’ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতাটি রচিত হয়েছে কোন পটভূমিতে?

উত্তর :গণ আন্দোলন

৩০.’ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতাটি কোন ধরনের কবিতা?

উত্তর:ইতিহাসনির্ভর

৩১.ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় কবি ‘কমলবন’ শব্দটি কোন অর্থে ব্যবহার করেছেন?

উত্তর:কল্যাণ

৩২.ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতাটি কোন পটভূমিতে লেখা?

উত্তর:গণজাগরণ

৩৩.ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় ‘সে ফুল আমাদের প্রাণ’ -বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর:বাংলা ভাষা

৩৪.অবিনাশী বর্ণমালা কার হাত থেকে ঝরে?

উত্তর:সালাম

৩৫.’ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় ‘কমলবন’ কী?

উত্তর:প্রতীক

৩৬.কোন সালের ছাত্র অসন্তোষ ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের রূপ নেয়?

উত্তর:১৯৫২ সালের

৩৭.ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় কাদের রক্তের বুদ্বুদ কৃষ্ণচূড়া ফুল হয়ে ফোটে?

উত্তর:শহিদদের

৩৮.’ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় কবি কোন বিষয়টিকে অধিক গুরুত্ব দিয়েছেন?

উত্তর:ভাষা আন্দোলনের সংগ্রামী চেতনা

৩৯.’ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় কোন রঙে পথঘাট ছেঁয়ে গেছে?

উত্তর:কৃষ্ণচূড়ার রঙে

৪০.”এ রঙের বিপরীতে আছে অন্য রং” – চরণটিতে ‘অন্য রং’ দ্বারা বুঝানো হয়েছে-

উত্তর:স্বৈরাচারী কর্মকাণ্ডকে

৪১.ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় ‘হৃদয়ের হরিৎ উপত্যকা’ দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর:পূর্ব বাংলাকে

৪২.নিচের কোনটি শামসুর রহমানের কাব্যগ্রন্থ?

উত্তর:রৌদ্র করোটিতে

৪৩.ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় সালামের চোখ আজ আলোচিত—

উত্তর:ঢাকা

৪৪.কখন সালাম আবার ফিরে আসে?

উত্তর:উনসত্তরে

৪৫.শামসুর রাহমানের প্রথম কবিতা কোন পত্রিকায় প্রকাশি হয়?

উত্তর:সাপ্তাহিক সোনার বাংলা

৪৬.’ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় ‘হৃদয়ের হরিৎ উপত্যকা’ দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর:পূর্ববাংলাকে

৪৭.কে ১৯৬৯ সালে শহিদ নন?

উত্তর:নূর হোসেন

৪৮.উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে কিসের চেতনা কাজ করে?

উত্তর:একুশের চেতনা

৪৯.কবি শামসুর রাহমান পেশায় ছিলেন-

উত্তর:সাংবাদিক

৫০.’বাঙালির মুক্তির সনদ’ হিসেবে পরিচিত কোনটি?

উত্তর:ছয় দফা

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন —

১. ঘাতকের থাবার সম্মুখে বুক পাতে কে?

উত্তর: ঘাতকের থাবার সম্মুখে বুক পাতে বরকত।

২. শহরের পথে ঘুরে থরে কী ফুটেছে?

উত্তর: শহরের পথে থরে থরে কৃষ্ণচূড়া ফুল ফুটেছে।

৩. শহরের পথে কী ফুটেছে?

উত্তর: শহরের পথে কৃষ্ণচূড়া ফুল ফুটেছে।

৪. ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় কোন ফুলের উল্লেখ রয়েছে?

উত্তর: ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় কৃষ্ণচূড়া ফুলের উল্লেখ রয়েছে।

৫.’ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় শহরের পথে থরে থরে কী ফুটেছে?

উত্তর: ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় শহরের পথে থরে থরে কৃষ্ণচূড়া ফুল ফুটেছে।

৬.’ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ শীর্ষক কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?

উত্তর: ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ শীর্ষক কবিতাটি ‘নিজ বাসভূমে’ কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।

৭. ‘কমলবন’ শব্দটির অর্থ কী?

উত্তর: ‘কমলবন’ শব্দটির অর্থ পদ্মবন।

৮. ‘হরিৎ উপত্যকা’ অর্থ কী?

উত্তর: ‘হরিৎ উপত্যকা’ অর্থ- সবুজ দেশ। এখানে ‘হরিৎ উপত্যকা’ বলতে বাংলাকে অর্থাৎ বাংলাদেশকে বোঝানো হয়েছে।

৯.এখনো কার রক্তে বাস্তবের বিশাল চত্বরে ফুল ফোটে?

উত্তর: এখনো বীরের রক্তে বাস্তবের বিশাল চত্বরে ফুল ফোটে।

১০ ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত।

উত্তর: ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতাটি গদ্য ছন্দে রচিত।

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন—

প্রশ্ন-১. ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় ‘ঘাতকের অশুভ আস্তানা’ বলতে কবি কী
বুঝিয়েছেন?

উত্তর: ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় ১৯৬৯ সালে পাকিস্তানি শাসনাধীন দেশকে কবি ঘাতকের অশুভ আস্তানা বলেছেন।

১৯৬৯ সালে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর অনাচারের বিরুদ্ধে তৎকালীন পূর্ববঙ্গের মানুষ ফুঁসে ওঠে। একুশের রক্তাক্ত চেতনা জনগণের মনে প্রেরণা জোগায়। কিন্তু এ চেতনার বিপরীত শক্তি সেসময় বাংলার জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে তোলে। • শাসকগোষ্ঠী’ ও তাদের দোসররা এদেশের শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি, শিক্ষাসহ প্রতিটি ক্ষেত্রকে অবরুদ্ধ করে মানুষের ওপর নির্যাতন চালায়। ফলে পুরো দেশ যেন হয়ে ওঠে ঘাতকের অশুভ আস্তানা।

প্রশ্ন-২. ‘এ- রঙের বিপরীত আছে অন্য রং’- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর : ‘এ রঙের বিপরীত আছে অন্য রং’- বলতে কৃষ্ণচূড়ার যে লাল রং ভাষা আন্দোলনের চেতনার ধারক ও বাহক তার বিপরীত রং অর্থাৎ অশুভ চেতনাকে বোঝানো হয়েছে।

ভাষা আন্দোলনে মাতৃভাষাকে রক্ষার প্রত্যয়ে যাঁরা বুকের রক্তে রাজপথ রঞ্জিত করেছিলেন, তাঁদের অম্লান সৃষ্টিকে ধারণ করে আছে কৃষ্ণচূড়া। কারণ কৃষ্ণচূড়ার লাল রং ভাষাশহিদদের রক্তদানের কথা মনে করিয়ে দেয়। কিন্তু এই রঙের বিপরীত রঙও এখন বাংলাদেশে দৃশ্যমান। ফলে সন্ত্রাস ছড়িয়ে পড়েছে দেশে। আর সারাদেশ হয়ে উঠেছে পাকিস্তানি ঘাতকের অশুভ আস্তানা।

প্রশ্ন-৩. ‘এখন সে রঙে ছেয়ে গেছে পথ-ঘাট’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর: ‘এখন সে রঙে ছেয়ে গেছে পথ-ঘাট’ বলতে বাঙালির ওপর সর্বক্ষেত্রে পাকিস্তানিদের শোষণের বিষয়টি বোঝানো হয়েছে।

দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে পাকিস্তান ও ভারত নামক দুটি রাষ্ট্রের জন্ম হলেও পশ্চিম পাকিস্তানিরা ক্ষমতা লাভ করে বাঙালির ওপর শোষণ-নিপীড়ন, অন্যায়-অত্যাচার চালাতে থাকে। বাঙালির জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তাদের শোষণের কালো থাবা বিস্তার লাভ করে। উল্লিখিত চরণে সেই বিষয়কেই বোঝানো হয়েছে।-

প্রশ্ন-৪. ‘শহিদের ঝলকিত রক্তের বুদ্বুদ, স্মৃতিগন্ধে ভরপুর’। ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: কবির মনে যেন ভাষাশহিদদের রক্তের বুদ্বুদ কৃষ্ণচূড়া ফুল হয়ে উঠেছে, যা আলোচ্য পঙ্ক্তিতে ব্যক্ত হয়েছে।

শহরের পথে ফুটে ওঠা কৃষ্ণচূড়ায় কবি একুশের চেতনার রং দেখতে পান। তাঁর মনে হয় যেন, ভাষার জন্য যাঁরা জীবন উৎসর্গ করেছেন তাদের ত্যাগ আর মহিমা মূর্ত হয়ে উঠেছে লাল কৃষ্ণচূড়ার স্তবকে স্তবকে, উদ্ধৃত উক্তিটি দ্বারা কৃষ্ণচূড়ার লাল রং এর মধ্য দিয়ে ভাষাশহিদদের মহান আত্মত্যাগের স্মৃতি এবং চেতনার দিকটিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে।

প্রশ্ন-৫. ‘আবার সালাম নামে রাজপথে’- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: অত্যাচারকে নিঃশেষ করতে আবার সালাম রাজপথে নামে। ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষা ‘বাংলার দাবিতে ছাত্রসমাজ ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে মিছিল বের করে। পুলিশ মিছিলে গুলিবর্ষণ করলে নিহত হন সালাম। কবি ১৯৬৯ সালের মিছিলের কথা বলতে গিয়ে এই কথা স্মরণ করেন। এই মিছিলে যারা অংশ নিয়েছেন তার যেন ভাষাশহিদ সালামের মতোই রাজপথে নেমে আন্দোলন করছে, বিরুদ্ধতা করছে অন্যায়ের।

৭.আমি কিংবদন্তির কথা বলছি

বহুনির্বাচনী

১.কোন পংক্তিটি ‘চিত্রকল্প’ বা ‘ইমেজ’- এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ?

উত্তর:কর্ষিত জমির প্রতিটি শস্যদানা কবিতা

২.ভাষা-আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ কোন কবির কবিতায় বিষয় হিসেবে বিশেষ প্রাধান্য পেয়েছে?

উত্তর:আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ্

৩.’কিংবদন্তি’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তর:জনশ্রুতি

৪.’আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় ‘জননীর আশীর্বাদ’ কাকে দীর্ঘায়ু করবে?

উত্তর:যে গভীর পরিচর্যা করে

৫.’আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় কবি কেন তাঁর পূর্ব পুরুষের কথা বলেছেন?

উত্তর:গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস রয়েছে বলে

৬.’আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় কবি কার যুদ্ধের কথা বলেছেন?

উত্তর:ভাইয়ের

৭.শেখ মুজিবুর রহমান কাদের জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত ছিলেন?

উত্তর:দেশ ও জনগণের

৮.আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’- কবিতায় কবির মা কীসের কথা বলতেন?

উত্তর:নদীর

৯.’আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় কোন শব্দটি ঐতিহ্যের প্রতীক হয়ে ওঠেছে?

উত্তর:কিংবদন্তি

১০.’তাঁর পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল’- এ চরণটিতে কার পিঠের ক্ষতকে নির্দেশ করা হয়েছে?

উত্তর:কবির পূর্বপুরুষের

১১.’আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় ‘বিচলিত স্নেহ’ বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?

উত্তর:আপনজনের উৎকণ্ঠা

১২.’আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় যে কবিতা শুনতে জানে না সে কী শুনবে?

উত্তর:ঝড়ের আর্তনাদ

১৩.’আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় ‘ভালোবাসা দিলে মা মরে যায়’- চরণটির তাৎপর্য কী?

উত্তর:ছেলের জন্য মায়ের উৎকণ্ঠা

১৪.’আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় ‘বিচলিত স্নেহ’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর:আপনজনের উৎকণ্ঠা

১৫.’আমি যেখানেই থাকি, যেমনি থাকি, সর্বদা মনে বাংলাদেশকেই লালন করি’-উল্লিখিত অংশ ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতার কোন মনোভাবকে •
উপস্থাপন করে?

উত্তর:শেকড়সন্ধানী

১৬.’তাঁর করতলে পলিমাটির সৌরভ ছিল’- ‘আমি কিংবদন্তিরকথা বলছি’ কবিতার চরণটিতে বোঝানো হয়েছে পূর্বপুরুষদের-

উত্তর:মৃত্তিকাসংলগ্নতা

১৭.’কবিতা’কে কবি কী বলে অভিহিত করেছেন?

উত্তর:কর্ষিত জমির শস্যদানা

১৮.পূর্বপুরুষের পিঠে রক্তজবাব মতো ক্ষত ছিল। কারণ তিনি-

উত্তর:ক্রীতদাস ছিলেন

১৯.’আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ -কবিতায় জননীর আশীর্বাদে কে দীর্ঘায়ু হবে?

উত্তর:গাভীর পরিচর্যাকারী

২০.’আমরা কি তার মতো কবিতার কথা বলতে পারব? -এ অংশে কবির কোন আকাঙ্ক্ষার কথা ব্যক্ত হয়েছে?

উত্তর:প্রতিবাদী চেতনার

২১.গঠনরীতির দিক থেকে আলাদা কোনটি?

উত্তর:আমি কিংবদন্তির কথা বলছি

২২.’আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় ‘কিংবদন্তি’ শব্দটি কিসের প্রতীক হয়ে উঠেছে?

উত্তর:ঐতিহ্যের

২৩.সূর্যকে হৃৎপিণ্ডে ধরে রাখার মাধ্যমে কোন চেতনা প্রকাশ পেয়েছে?

উত্তর:স্বাধীনতার

২৪.যে গাভীর পরচর্যা করে তার পরের চরণ কোনটি?

উত্তর:জননীর আশীর্বাদ তাকে দীর্ঘায়ু করবে

২৫.’আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ -কবিতায় ইস্পাতের তরবারি যাকে সশ্রস্ত্র করবে, সে হলো-

উত্তর:লৌহখণ্ড প্রজ্বলনকারী

২৬.’আমি বিচলিত স্নেহের কথা বলছি’ এখানে বিচলিত অর্থ কী?

উত্তর:উদ্বিগ্ন

২৭.’আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় কবি কার যুদ্ধের কথা বলেছেন?

উত্তর:ভাইয়ের

২৮.আবু জাফর ওবায়দুল্লাহকে বাংলা একাডেমী পুরস্কার দেওয়া হয় কেন?

উত্তর:বাংলা সাহিত্যে অবদান রাখার জন্য

২৯.’আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় কোন পঙ্ক্তিটি বারংবার প্রয়োগ করেছেন কবি?

উত্তর:আমি কিংবদন্তির কথা বলছি

৩০.তার করতলে পলিমাটির সৌরভ ছিল’- চরণটিতে কোন বিষয়টি ইঙ্গিত করা হয়েছে?

উত্তর:কৃষিনির্ভর সমাজ

৩১.’আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় কবি রক্তজবার মতো ক্ষত বলতে কীসের ক্ষত বুঝিয়েছেন?

উত্তর:পূর্বপুরুষদের অত্যাচারিত হওয়ার

৩২.’আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় ভালোবাসা দিলে মা মরে যায় কেন?

উত্তর:দেশমাতৃকার প্রয়োজনে

৩৩.’প্রবহমান নদী যে সাঁতার জানে না তাকেও ভাসিয়ে রাখে’ কথাটি কে বলতেন?

উত্তর:মা

৩৪.”গর্ভবতী বোনের মৃত্যুর কথা বলছি’ -এ পরের লাইন কোনটি?

উত্তর:আমি আমার ভালোবাসার কথা বলছি

৩৫.’তিনি কবি ও কবিতার কথা বলতেন’- উক্তিটি দ্বারা কবির পূর্বপুরুষদের কোন মানসিকতার পরিচয় পাওয়া যায়?

উত্তর:সৃজনশীল

৩৬.কবির মতে, কর্ষিত জমির প্রতিটি শস্যদানা কী?

উত্তর:কবিতা

৩৭.নিচের কোনটি ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতার চরণ নয়?

উত্তর:আমি আমার উত্তরসূরিদের কথা বলছি

৩৮.’উনোনের আগুনে আলোকিত’ চরণটি দ্বারা কী বোঝায়?

উত্তর:পরিশুদ্ধ জীবন

৩৯.’যুদ্ধ আসে ভালোবেসে’- এর তাৎপর্য ধারণ করে কোনটি?

উত্তর:যুদ্ধ আসে বলেই দেশের প্রতি মমত্ব জন্মে

৪০.’রক্তজবার মতো প্রতিরোধের উচ্চারণ কবিতা’ চরণটিতে কী প্রকাশিত হয়েছে?

উত্তর:দৃপ্ত শপথ

৪১.’আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতার মূল বক্তব্য কী?

উত্তর:বাঙালির ইতিহাস ও ঐতিহ্য

৪২.কবির পূর্বপুরুষের পলিমাটির সৌরভ ছিল কোথায়?

উত্তর:করতলে

৪৩.’আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতাটির প্রেক্ষিতে ‘অধীন দেশের বাঁধন বেদন’ কে ছিন্ন করতে পারে-

উত্তর:যে কবিতা শুনতে জানে

৪৪.যে কবিতা শুনতে পারে না সে ভালোবেসে কোথায় যেতে পারে না?

উত্তর:যুদ্ধে

৪৫.আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর জন্মতারিখ নিচের কোনটি?

উত্তর:৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩৪

৪৬.আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেন?

উত্তর:ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

৪৭.আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ কী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে যান?

উত্তর:রাষ্ট্রদূত

৪৮.যে সাঁতার জানে না তাকে কে ভাসিয়ে রাখে?

উত্তর:প্রবহমান নদী

৪৯.যে কবিতা শুনতে জানে না সে কার সঙ্গে খেলা করতে পারে না?

উত্তর:মাছের

৫০.সন্তানের জন্য কে মরতে পারে না?

উত্তর:যে কবিতা শুনতে জানে না

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন —

১. জননীর আশীর্বাদ কাকে ধন্য করবে?

উত্তর: জননীর আশীর্বাদ গাভীর পরিচর্যাকারীকে ধন্য করবে।

২. উনোনের আগুনে কী আলোকিত হয়ে উঠেছে?

উত্তর: উনোনের আগুনে জানালা আলোকিত হয়ে উঠেছে।

৩.প্রবহমান নদী কাকে ভাসিয়ে রাখে?

উত্তর: প্রবহমান নদী ‘যে সাঁতার জানে না’ তাকে ভাসিয়ে রাখে।

৪. ভালোবাসা দিলে কে মরে যায়?

উত্তর: ভালোবাসা দিলে মা মরে যায়।

৫ . ভালোবাসা দিলে কে মরে যায়?

উত্তর: ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় বর্ণিত ভালোবাসা দিলে মা মরে যায়।

৬. ‘কিংবদন্তি’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তর: ‘কিংবদন্তি’ শব্দের অর্থ জনশ্রুতি।

৭ . জিহ্বায় উচ্চারিত প্রতিটি সত্য শব্দ কী?

উত্তর: জিহ্বায় উচ্চারিত প্রতিটি সত্য শব্দ কবিতা।

৮. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?

উত্তর: ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতাটি গদ্যছন্দে রচিত।

৯. কীসের অনিবার্য অভ্যুত্থান কবিতা?

উত্তর: সশস্ত্র সুন্দরের অনিবার্য অভ্যুত্থান কবিতা।

১০. পূর্বপুরুষের পীঠ রক্তজবার মতো ক্ষত কেন?

উত্তর: পূর্বপুরুষের পীঠে অত্যাচারের আঘাত এখনও তাজা রয়েছে বলে তাদের পীঠে রক্তজবার মতো ক্ষত।

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন—

প্রশ্ন-১, ‘আমি বিচলিত স্নেহের কথা বলছি’- এখানে ‘বিচলিত স্নেহ’ বলতে কী
বোঝায়?

উত্তর: এখানে ‘বিচলিত স্নেহ’ বলতে আপনজনের উৎকণ্ঠা বোঝানো হয়েছে। কেউ সামান্য বিপদে পড়লে আপনজনের উৎকণ্ঠার শেষ থাকে না। কবি সেই উৎকণ্ঠাকে স্মরণ করেন, যা এদেশের মুক্তিকামী মানুষের স্বজনদের মধ্যে অসংখ্যবার প্রকাশ পেয়েছে। আজ সেসব ইতিহাস। কিন্তু তাঁদের সেই দিনের উৎকণ্ঠা, আশঙ্কা, উদ্বিগ্নতা, অপত্যস্নেহ, ভালোবাসা আজও কবিকে আবেগতাড়িত করে। ‘বিচলিত স্নেহ’ বলতে এটাই বোঝানো হয়েছে।

প্রশ্ন-২. “তাঁর পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল”-বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর: ‘তাঁর পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল” কথাটি দ্বারা বিদেশি শাসক দ্বারা কবির পূর্বপুরুষদের নির্যাতিত হওয়াকে বোঝানো হয়েছে।

‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় কবি বিদেশি শত্রু-শাসকদের অধীনে তাঁর পূর্বপুরুষের দাসত্বের যন্ত্রণা, শরীরে আঘাতের ক্ষতচিহ্ন এবং তা থেকে উত্তরণের চেতনা তুলে ধরেছেন। কবির পূর্বপুরুষের ওপর শত্রুরা পেছন থেকে যে আঘাত করেছিল, তা এখনও উজ্জ্বল। কবি সেই আঘাতের চিহ্নকে রক্তজবার মতো ক্ষতের সঙ্গে তুলনা করেছেন।

প্রশ্ন-৩. “ভালোবাসা দিলে মা মরে যায়” বলতে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?

উত্তর: দেশমাতৃকার প্রতি কবির ভালোবাসার দিকটি কবিতায় প্রতিফলিত হয়েছে। দেশাত্মবোধে উজ্জীবিত হলে দেশপ্রেমিকের চেতনায় দেশই মাতৃরূপে ফিরে আসে। আর চেতনায় দেশমাতাকে ধারণ করলে জন্মদাত্রী মায়ের আবেদন তার কাছে তুচ্ছ হয়ে যায়। প্রশ্নোক্ত উক্তিটি দ্বারা কবি এ কথাটিই বোঝাতে চেয়েছেন।

প্রশ্ন-৪. “জিহ্বায় উচ্চারিত প্রতিটি সত্য শব্দ কবিতা” বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর: “জিহ্বায় উচ্চারিত প্রতিটি সত্য শব্দ কবিতা” বলতে কবিতা যে সবসময়
সত্য ও সুন্দরের কথা বলে সে কথা বোঝানো হয়েছে।

কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় বলেছেন, জিহ্বায় উচ্চারিত প্রতিটি সত্য শব্দ কবিতা। কবিতায় সবসময় সত্য ও সুন্দরের কথা বলা হয় যা জিহ্বা নির্বিঘ্নে ও নির্ভয়ে উচ্চারণ করে। সত্যের মধ্যে কোনো আড়ষ্টতা থাকে না। তাই কবি বলেছেন, জিহ্বায় উচ্চারিত প্রতিটি সত্য শব্দ কবিতা।

প্রশ্ন-৫. ‘সে সূর্যকে হৃৎপিন্ডে ধরে রাখতে পারে না’ লাইনটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: ‘সে সূর্যকে হৃৎপিন্ডে ধরে রাখতে পারে না’ বলতে কবি হৃদয়ে কবিতা ধারণকে বুঝিয়েছেন।

সূর্য সকল শক্তির উৎস। তাই এই সর্বশক্তির আধারকে হৃদয়ে ধারণ করতে পারলে মুক্তি অনিবার্য। কবির মতে, এই সামর্থ্য অর্জনের একমাত্র উপায় হলো কবিতা শোনা, কবিতাকে আত্মস্থ করা। কেননা, কবির কাছে শুধু কবিতাই সত্য, আর সত্যই শক্তি।

উপন্যাস

১.লালসালু

বহুনির্বাচনি

১.’সে যেন খাঁচায় ধরা পড়েছে।’- কে খাঁচায় ধরা পড়েছে?

উত্তর:জমিলা

২.পাথর এবার হঠাৎ নড়ে।’ এখানে ‘পাথর’ কে?

উত্তর:মজিদ

৩.”তুমি কী হলফ কইরা বলতে পারো তোমার দিলে ময়লা নাই?” এ প্রশ্ন কে করেছে?

উত্তর:মজিদ

৪.”বিশ্বাসের পাথরে যেন খোদাই সে-চোখ।” কাদের কথা বলা হয়েছে?

উত্তর:ক্ষেতের প্রান্তে জড়ো হওয়া লোকজন

৫.লালসালু’ উপন্যাসে বর্ণিত ‘কিন্তু দেশটা কেমন মরার দেশ’- বাক্যটিতে ‘মরার দেশ’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর:শস্য শূন্যতা

৬.অন্ধকারে মজিদের চোখ কীসের মত চকচক করে?

উত্তর:সাপের

৭.ছোটবেলায় নাকে নোলক পরে হলদে শাড়ি পেঁচিয়ে ছুটোছুটি করত কে?

উত্তর:রহিমা

৮.ছেলেমেয়েরা কখন আমসিপারা পড়ে?

উত্তর:ভোরে

৯.মজিদ কার ভয়ে শঙ্কিত হয়?

উত্তর:আক্কাসের

১০.লালসালু’ উপন্যাসে ঝড় এলে হৈ হৈ করার অভ্যাস কার?

উত্তর:হাসুনির মার

১১.প্রিয় পয়গম্বরের বাণী এল কত হিজরিতে?

উত্তর:পঞ্চম

১২.’লালসালু’ উপন্যাসে মজিদ কোন সময় আওয়ালপুর গ্রামে পৌছালো?

উত্তর:সূর্য হেলে পড়লে

১৩.”খেলোয়াড় চলে গেছে, খেলবে কার সাথে।”- এখানে ‘খেলোয়াড়’ কে?

উত্তর:তাহের-কাদেরের বাপ

১৪.ধান দিয়া কী হইব, মানুষের জানা যদি না থাকে-উক্তিটিতে কী মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে?

উত্তর:ক্ষোভ

১৫.মহব্বতগরে আগমনের পূর্বে মজিদ কোথায় ছিল?

উত্তর:গারো পাহাড়ে

১৬.অতি সন্তর্পণে ধানের ফাঁকে ফাঁকে তারা নৌকা চালায় কেন?

উত্তর:ঢেউ বা শব্দ হওয়ার ভয়ে

১৭.লালসালু’ উপন্যাসে অশীতিপর বৃদ্ধ কে?

উত্তর:সলেমানের বাপ

১৮.মহব্বতনগর গ্রামের মহিলাদের সাথে মজিদের যোগসূত্র-

উত্তর:রহিমা

১৯.’তানি বুঝি দুলার বাপ।’- জমিলা কার সম্পর্কে এ উক্তি করেছে?

উত্তর:মজিদ

২০.’বতোর দিন’ কীসের সাথে সম্পর্কিত?

উত্তর:চাষাবাদ

২১.’মজিদের মন কদিন ধরে চিন্তায় ঘোরপাক খায়।’ー কারণ কী?

উত্তর:আওয়ালপুরে পীরের উপস্থিতি

২২.দেশে দেশে-পীরদের সফর শুরু হয় কখন?

উত্তর:ধানের মৌসুমে

২৩.ঢেঙা বুড়া কার কথায় বিভ্রান্ত হয়?

উত্তর:মজিদ

২৪.বুঠাজমি’ কী?

উত্তর:নিষ্ফলা জমি

২৫.মজিদের ভাষায় স্ত্রীলোকের সন্তানাদি হয় না কেন?

উত্তর:পেটে বেড়ি পড়ায়

২৬.’লালসালু’ উপন্যাসে মতিগঞ্জের সড়ক থেকে মহব্বতনগর গ্রাম কোন দিকে?

উত্তর:উত্তর

২৭.লালসালু’ উপন্যাসে অবিশ্রান্ত ঢোলক বেজে চলে কোথায়?

উত্তর:ডোম পাড়ায়

২৮.’লালসালু’ উপন্যাসে “যেখানে সাপ জাগে সেখানে আবার কোমলতার ফুল ফোটে।”- এখানে ‘সাপ’ কী অর্থ প্রকাশ করে?

উত্তর:প্রতিহিংসা

২৯.মজিদ কীভাবে তার প্রভাবকে প্রতিষ্ঠিত করে?

উত্তর:সকলকে অন্ধবিশ্বাসে আচ্ছন্ন করে

৩০.’লালসালু’ উপন্যাসের শেষ বাক্য কোনটি?

উত্তর:বিশ্বাসের পাথরে যেন খোদাই সে চোখ

৩১.’কলমা জানো মিঞা’- মজিদ কাকে এ প্রশ্ন করে?

উত্তর:দুদু মিঞা

৩২.’আকাশটা বুঝি চটের মতো চিরে গেল’ কখন এমন মনে হয়?

উত্তর:কাক আর্তনাদ করলে

৩৩.বাইরে বসে কার কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম ঝরছে?

উত্তর:ব্যাপারীর

৩৪.লালসালু’ উপন্যাসের প্রধান উপাদান-

উত্তর:সমাজ বাস্তবতা

৩৫.সাপ জেগে উঠেছে ছোবল মারার জন্য’- কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর:মজিদের প্রতিশোধের নেশা

৩৬.ধান দিয়া কী হইব, মানুষের জান যদি না থাকে”- উক্তিটি কার?

উত্তর:রহিমার

৩৭.নামাজরত মানুষের নীরবতার মধ্যে খ্যাপা কুকুরের মতো কে আর্তনাদ করে উঠল?’ -কার কথা?

উত্তর:আগুনের

৩৮.’লালসালু’ উপন্যাসের বিদ্রোহী চরিত্র হিসেবে কোন চরিত্রটি বিবেচ্য?

উত্তর:জমিলা

৩৯.মানুষের রসনা কার রসনার চেয়েও ভয়ংকর বলে মজিদ মনে করে?

উত্তর:সাপের

৪০.’অতএব যে জিনিস বোঝার জন্য নয়, তার জন্য কৌতূহল প্রকাশ করা অর্থহীন’ কোন প্রসঙ্গে কথাটি বলা হয়েছে?

উত্তর:বুড়ো লোকটির অন্তর্ধান

৪১.তার বয়স্ক গলায় শিশুর আকুলতা জাগে” -কার?

উত্তর:জমিলা

৪২.’বুদ্ধি-বিবেচনা থাকলেও তা আবার স্বার্থের ঘোরে ঢাকা’-কার প্রসঙ্গে বলা হয়েছিল?

উত্তর:তাহের-কাদের

৪৩.’রহিমা ভাবে, আমেনা বিবির হৃদয়ের সঙ্গে তার হৃদয়ের কোথায় যেন সমতা।’ এই সমতার কারণ তারা উভয়ই-

উত্তর:জমিলা

৪৪.মজিদ কয় ছেলের বাপ দুদু মিঞাকে প্রশ্ন করে?

উত্তর:সাত

৪৫.উপন্যাসের বিশ্লেষকগণ একটি সার্থক উপন্যাসের কয়টি উপাদানের কথা উল্লেখ করেছেন।

উত্তর:যৎসামান্য

৪৬.তা হুজুর ঘরের কথা আপনারে ক্যামেন কই?-কথাটির মধ্য দিয়ে বুড়োর কোন বৈশিষ্ট্য প্রকাশিত হয়েছে?

উত্তর:আত্মসম্মানবোধ

৪৭.লালসালু’ উপন্যাসে মুখের কথা আধা বুকে বিঁধে যায়’- কার?

উত্তর:মজিদ

৪৮.লালসালু’ উপন্যাসে কে জন্মবেদনার তীক্ষ্ম যন্ত্রণা অনুভব করে?

উত্তর:মজিদ

৪৯.মজিদ আমেনা বিবির চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছিল কেন?

উত্তর:প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য

৫০.’সিরাজউদ্দৌলা’ কোথাকার জলসা চিরকালের মতো ভেঙে দেন?

উত্তর:মতিঝিলের

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন—

১. রহিমার পেটে কয়টি প্যাঁচ?

উত্তর: মজিদের মতে রহিমার পেটে
চৌদ্দটি প্যাঁচ আছে।

২. তানু বিবি কে?

উত্তর: খালেক ব্যাপারীর দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম তানু বিবি

৩. ‘লালসালু’ উপন্যাসের ইউনিয়ন বোর্ডের প্রেসিডেন্টের নাম কী?

উত্তর: ‘লালসালু’ উপন্যাসের ইউনিয়ন বোর্ডের প্রেসিডেন্টের নাম মতলুব খাঁ।

৪. সাত ছেলের বাপের নাম কী?

উত্তর: সাত ছেলের বাপের নাম দুদু মিয়া।

৫. ‘কলমা জানো মিঞা?’- মজিদ প্রশ্নটি কাকে করেছে?

উত্তর: ‘কলমা জানো মিঞা’- মজিদ প্রশ্নটি দুদু মিয়াকে করেছে।

৬. ‘লালসালু’ কত সালে প্রকাশিত হয়?

উত্তর: ‘লালসালু’ ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত হয়।

৭. ‘তোমার দাড়ি কই মিঞা?’ উক্তিটি কে করেছিল?

উত্তর: তোমার দাড়ি কই মিঞা?’ উক্তিটি মজিদ করেছিল আক্কাসকে উদ্দেশ্য করে।

৮.মজিদের দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী?

উত্তর: মজিদের দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম জমিলা।

৯. ‘কাঁদো নদী কাঁদো’ কোন ধরনের গ্রন্থ?

উত্তর: ‘কাঁদো নদী কাঁদো’- একটি উপন্যাস।

১০. “মরা মানুষ জিন্দা হয় ক্যামনে”- উক্তিটি কার?

উত্তর: “মরা মানুষ জিন্দা হয় ক্যামনে”- উক্তিটি মজিদের।

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন —

প্রশ্ন-১. “বিশ্বাসের পাথরে যেন খোদাই সে চোখ”- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত দিশেহারা মানুষের কাছে বিশ্বাস ছাড়া আর কিছুই নেই- এই বিষয়টি বোঝাতেই প্রশ্নোক্ত কথাটি বলা হয়েছে।

গ্রামের মানুষের হাড়ভাঙা পরিশ্রমের সোনালি ফসল প্রচন্ড ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে নষ্ট হয়ে যায়। অনিশ্চিত ভবিষ্যতের ভাবনায় কৃষকরা ব্যাকুল হয়। তারা ত্রাণকর্তা মজিদের কাছে ছুটে যায়। তখন মজিদ তাদের বলে- ‘খোদার উপর তোয়াক্কল রাখো।’ আর তখন ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামবাসীর মুখে আর কোনো কথা জোগায় না। তারা ঝরে পড়া ধানের ধ্বংসস্তূপ প্রত্যক্ষ করে। বিশ্বাসের পাথরে যেন খোদাই করা সে চোখ।

প্রশ্ন-২. “মনে হয় এটা খোদা তালার বিশেষ দেশ।”- কেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: শস্যহীন অঞ্চলের জনজীবনে অভাব-অনটন থাকা সত্ত্বেও ধর্মী কাজে কার্পণ্য না থাকায় লেখক কিছুটা ব্যঙ্গ করে আলোচ্য উক্তিটি করেছেন। নোয়াখালি অঞ্চলের মানুষের জীবনে অভাব থাকলেও দেখা যায় ভোরবেলায় মক্তবে কচিকন্ঠে ধ্বনিত হয়ে ওঠে আমসিপারা পাঠ। পরনে কাপড় নেই, পেটে ভাত নেই, এমন ছেলেরা সেই মক্তবের পড়ুয়া। তারা জীবনকে যতটা ভালোবাসে মৃত্যুকে তার চেয়ে অনেক গুণ বেশি ভয় পায়। তাই লেখক কিছুটা ব্যঙ্গাত্মক ভাষায় বলেছেন, এটি হয়তো খোদাতা’লার বিশেষ একটি অঞ্চল, যেখানে মানুষ অনেকখানি ধর্মসংলগ্ন।

প্রশ্ন-৩. জমিলা কে? সংক্ষেপে তার পরিচয় দাও।

উত্তর: জমিলা ‘লালসালু’ উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামের মাজারের খাদেম মজিদের দ্বিতীয় স্ত্রী।

মজিদ দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে কিশোরী জমিলাকে বিয়ে করে। মজিদের প্রত্যাশা ছিল জমিলা তার সব আদেশ-নিষেধ যথাযথভাবে পালন করবে। কিন্তু দিনে দিনে জমিলার মধ্যে বেপরোয়া ভাব প্রকাশ পেতে থাকে। কেননা সে মজিদের ভন্ডামি বুঝতে পেরেছিল। মজিদের বশ্যতার বিরুদ্ধে মূলত জমিলা নীরবে বিদ্রোহী হয়ে উঠেছে। তাই জমিলাকে ‘লালসালু’ উপন্যাসের প্রতিবাদী চরিত্রেও বলা যায়।

প্রশ্ন-৪. মজিদ আক্কাসকে স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে বাধা দেয় কেন?

উত্তর: মজিদ তার নিজের বিপদের কথা ভেবে স্কুল নির্মাণে বাধা দেয়।

আক্কাস মিয়া গ্রামের মানুষকে শিক্ষিত করে তোলার জন্য স্কুল নির্মাণের কথা বললে মজিদের তা পছন্দ হয় না। কারণ লোকজন শিক্ষিত হলে তারা ভালো- মন্দ বুঝবে, কুসংস্কার মানবে না, মজিদের ভণ্ডামি বুঝতে পারবে। ফলে অন্ধকারে থাকা ধর্মভীরু মানুষের সাথে তার ধর্মব্যবসা করা বন্ধ হয়ে যাবে। এ কারণেই মজিদ স্কুল নির্মাণে বাধা দেয়।

প্রশ্ন-৫. ‘সময়-অসময়ে মিথ্যে কথা না বললে নয়।’- উক্তিটি কার?

উত্তর: ‘লালসালু’ উপন্যাসের মজিদ একাকী আত্মসমালোচনার সময় প্রশ্নোক্ত কথাটি ভাবে।

আলোচ্য উপন্যাসে মজিদ একজন ভন্ড ধর্মব্যবসায়ী। সে মহব্বতনগর গ্রামে এসে একটি পুরাতন কবরকে মোদাচ্ছের পিরের কবর বলে সহজ-সরল গ্রামবাসীর সঙ্গে প্রতারণা করে। মজিদের প্রতিপত্তি দিন দিন বৃদ্ধি পায়। মজিদ নিজের পূর্বের অবস্থার সঙ্গে বর্তমান অবস্থার তুলনা করে যখন একাকী ভাবে তখন তার মনে হয় নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য সে এই পথে এসেছে। ভয়ংকর এই পথে সময়-অসময় মিথ্যে কথাও বলতে হয়।

নাটক

১.সিরাজউদ্দৌলা

বহুনির্বাচনি

১.সিরাজের কোন অমাত্য নিরীশ্বরবাদী জৈন ধর্মের অনুসারী ছিলেন?

উত্তর:জগৎ শেঠ

২.’ইংরেজদের হয়ে যুদ্ধ করছি কোম্পানির টাকার জন্য। তা বলে বাঙালি কাপুরুষ নয়।’- ওয়ালি খানের এই উক্তিতে কী প্রকাশ পেয়েছে?

উত্তর:জাতীয়তাবোধ

৩.মিরজাফর নবাব হওয়ার পর ক্লাইভ কোন এলাকার স্থায়ী মালিকানা পায়?

উত্তর:চব্বিশপরগণার

৪.সিরাজকে হত্যা করতে মোহাম্মদি বেগ অগ্রিম বাবদ কত টাকা দাবি করে?

উত্তর:পাঁচ হাজার

৫.”ঘরের লোক অবিশ্বাসী হলে বাইরের লোকের পক্ষে সবই সম্ভম্ব, লুৎফা।’- উক্তিটি কার?

উত্তর:সিরাজের

৬.’আমরা এমন কিছু করলাম যা ইতিহাস হবে’ উক্তিটি কার?

উত্তর:ক্লাইভের

৭.সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকে সিরাজউদ্দৌলার উপস্থিতি আছে কয়টি দৃশ্যে?

উত্তর:৮টি

৮.সিরাজউদ্দৌলার প্রধান গুপ্তচর কে?”

উত্তর:নারান সিং

৯.ক্লেটন কাদেরকে প্রাণপণে যুদ্ধ করতে বলেন?

উত্তর:ব্রিটিশ সৈন্যদের

১০.উর্মিচাঁদ ঘসেটি বেগমকে কার স্বাক্ষরিত চিঠি দেয়?

উত্তর:রজার ড্রেকের

১১.সিরাজউদ্দৌলার প্রধান প্রতিবন্ধকতা কী ছিল?

উত্তর:প্রাসাদ ষড়যন্ত্র

১২.উমিচাঁদ কোথা থেকে বাংলাদেশে এসেছে?

উত্তর:লাহোর

১৩.”চারিদিকে শুধু অবিশ্বাস আর ষড়যন্ত্র।”- রায়দুর্লভের এ উক্তিটিতে তার কোন ধরনের মনোভাব ফুটে উঠেছে?

উত্তর:দ্বিধাগ্রস্ততা

১৪.”আমি চিরকালই ইংরেজদের বন্ধু।”- উক্তিটি কার?

উত্তর:উমিচাঁদ

১৫.নবাবের কোনো ক্ষমতা নেই’- ক্লাইভের এ কথার অর্থ কী?

উত্তর:প্রজারা নবাব বিরোধী

১৬.কিলপ্যাট্রিক মাদ্রাজ থেকে কতজন সৈন্য নিয়ে হাজির হন?

উত্তর:আড়াইশো

১৭.গঙ্গাজল ছুঁয়ে ঈশ্বরের নামে শপথ করেছিল কে?

উত্তর:রাজবল্পব

১৮.’সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকে মূলত বিধৃত হয়েছে-

উত্তর:লোভ ও ক্ষমতার দ্বন্দ্ব

১৯.মিরজাফর ১৭৫৭ সালের কত তারিখে বাংলার মসনদে বসেন?

উত্তর:২৯ জুন

২০.”ফরাসিরা ডাকাত আর ইংরেজরা অতিশয় সজ্জন ব্যক্তি, কেমন?”- উক্তিটি কার?

উত্তর:সিরাজের

২১.আজ নবাবকে ডোবাচ্ছেন, কাল আমাদের পথে বসাবেন না তা কি বিশ্বাস করা যায়?’ ক্লাইভের এ উক্তিতে প্রকাশ পেয়েছে মিরজাফর ও তার সঙ্গীদের প্রতি-

উত্তর:আস্থাহীনতা

২২.নবাব মসনদের পাশে দাঁড়িয়ে আছেন। ইনি কি নবাব না ফকির?’- এ কথার মধ্য দিয়ে মিরজাফর চরিত্রের কোন বৈশিষ্ট্য প্রকাশিত হয়েছে?

উত্তর:পরনির্ভরশীল

২৩.সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের প্রথম অঙ্কের দ্বিতীয় দৃশ্যের ঘটনাগুলো সংঘটনের স্থান কোনটি?

উত্তর:ফোর্ট উইলিয়াম জাহাজ

২৪.দশ দিকের দশটি হাত ভর্তি, করতে হিমশিম খেয়ে যাচ্ছে ইংরেজ, ডাচ আর ফরাসিরা।’- এ কথার মধ্যে কোন তথ্য রয়েছে?

উত্তর:নবাবের পারিষদবর্গের লোভ

২৫.নবাবের সৈন্যরা ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ আক্রমণ করলে কে মেয়েদের নৌকায় করে পালিয়ে গিয়েছিল?

উত্তর:ড্রেক

২৬.তুমিও কম সাপিনী নও’- ঘসেটি বেগমের এই উক্তিতে প্রকাশ পেয়েছে-

উত্তর:হিংসা

২৭.মনীষী এরিস্টটল নাটকের কয়টি ঐক্যের কথা বলেছেন?

উত্তর:তিন

২৮.উমিচাঁদের কাছে ভগবানের দাদামশায়ের চেয়েও বড় কী?

উত্তর:দওলত

২৯.’যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা’- বাক্যটির মর্মার্থ হলো—

উত্তর:বেশি স্পর্ধা

৩০.অর্থসম্পদের চেয়ে সততা অধিক মূল্যবান’- ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের কোন চরিত্রে এর বিপরীত বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে?

উত্তর:উমিচাঁদ

৩১.মানিকচাঁদের হুকুম মানার জন্য উমিচাঁদের দাবিকৃত টাকার পরিমাণ কত?

উত্তর:১৭ হাজার টাকা

৩২.কলকাতার দেওয়ান কে ছিলেন?

উত্তর:মানিকচাঁদ

৩৩.ভাগীরথী নদী কোথায় অবস্থিত?

উত্তর:কলকাতায়

৩৪.কারা ভাবার সংঘবদ্ধ হয়ে উঠেছে?

উত্তর:ইংরেজরা

৩৫.উমিচাঁদ কাকে হাত করেছে?

উত্তর:মানিকচাঁদ

৩৬.কলকাতার দেওয়ান-কে ছিল?

উত্তর:মানিক চাঁদ

৩৭.’সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকে কয়টি দৃশ্য আছে?

উত্তর:১২টি

৩৮.’আমি চিরকালই ইংরেজদের বন্ধু’- উক্তিটি কে করেছেন?

উত্তর:উর্মিচাঁদ

৩৯.আমার অদৃষ্ট আর কল্যাণের মাঝখানে শুধু দেয়াল আর দেয়াল’ – এখানে প্রকাশ পেযেছে সিরাজের-

উত্তর:হতাশা

৪০.নবাবের পদাতিক বাহিনী কোন রাস্তা দিয়ে এসেছে?

উত্তর:দমমর সরু রাস্তা

৪১.দেয়াল? কোথায় দেয়াল, জাঁহাপনা?’-উক্তিটি কার—

উত্তর:নারানসিং

৪২.’যুদ্ধ বন্ধ করবার আদেশ দিন, ক্যাপ্টেন ক্লেটন; -উক্তিটি কার?

উত্তর:ওয়ালি খান

৪৩.’কাপুরুষ বাঙালির কাছে যুদ্ধ বন্ধ হবে না’-কে বলেছিন?

উত্তর:ক্লেটন

৪৪.সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকে ‘আমরা অনেক দূর এগিয়ে এসেছি”- কথাটি কে কাকে বলে?

উত্তর:মিরজাফর রাজবল্লভকে

৪৫.ইংরেজের হয়ে কোম্পানির টাকার জন্য যুদ্ধ করে কে?

উত্তর:ওয়ালি খান

৪৬.খালি হাত ভর্তি’ দ্বারা কিলপ্যাট্রিক কী বুঝিয়েছেন?

উত্তর:উৎকোচ

৪৭.সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকে নবাবের উক্তিতে সবচেয়ে বড় অস্ত্র হলো-

উত্তর:দেশপ্রেম

৪৮.সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকটি কত সালে প্রকাশিত হয়?

উত্তর:১৯৬৫

৪৯.না, প্রাণের ভয়ে আমি
পালাইনি- নবাবের এ কথার
মাঝে প্রকাশ পেয়েছে-

উত্তর:জয়ের আকৃতি

৫০.’সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের নায়ক চরিত্র কোনটি?

উত্তর:নবাব সিরাজ

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন—

১. সিরাজউদ্দৌলার হত্যাকারীর নাম কী?

উত্তর: সিরাজউদ্দৌলার হত্যাকারীর নাম মোহাম্মদি বেগ।

২. ওয়াাটসনের সই জাল করে দিয়েছে কে?

উত্তর: ওয়াটসনের সই জাল করে দিয়েছে লুসিংটন।

৩. পত্র মারফত শওকতজাকে কে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছিলেন?

উত্তর: পত্র মারফত শওকতজঙ্গকে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছিলেন মিরজাফর।

৪. ইংরেজরা পরাজিত হয়ে কোন জাহাজে আশ্রয় নেয়?

উত্তর: ইংরেজরা পরাজিত হয়ে ফোর্ট উইলিয়াম জাহাজে আশ্রয় নেয়।

৫. কোম্পানির ঘুষখোর ডাক্তার কে?

উত্তর: কোম্পানির ঘুষখোর ডাক্তার হলেন, হলওয়েল।

৬. ‘সিরাজউদ্দৌলা’ কোন জাতীয় নাটক?

উত্তর: ‘সিরাজউদ্দৌলা’ ইতিহাসভিত্তিক নাটক।

৭. ঘসেটি বেগম কোন প্রাসাদে থাকতেন?

উত্তর: ঘসেটি বেগম মুর্শিদাবাদের সুরম্য মতিঝিল প্রাসাদে থাকতেন।

৮ . ‘আমি দওলতের পূজারি।’- উক্তিটি কার?

উত্তর: ‘আমি দওলতের পূজারি।’- উক্তিটি উমিচাঁদের।

৯ . নকল দলিল দেখিয়ে কাকে ঠকানোর ব্যবস্থা করা হয়েছিল?

উত্তর: নকল দলিল দেখিয়ে উমিচাঁদকে ঠকানোর ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

১০. উমিচাঁদ কোথা থেকে বাংলাদেশে এসেছে?

উত্তর: উমিচাঁদ লাহোর থেকে বাংলাদেশে এসেছে।

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন —

প্রশ্ন-১. “বাট আই অ্যাম সিউর নবাব ক্যান কজ নো হার্ম টু আস।”- উক্তিটি কেন করা হয়েছে?

উত্তর: নবাবের ক্ষমতা সম্পর্কে সন্দিহান হওয়ায় ক্লাইভ প্রশ্নোক্ত উক্তিটি করেছে।

‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকে ক্লাইভ ও ওয়াটস নারীর ছদ্মবেশে মিরজাফরের সঙ্গে দেখা করতে আসে। কিন্তু এভাবে ছদ্মবেশে দেখা করাটাকে বিপজ্জনক মনে করে মিরজাফর। কিন্তু ক্লাইভের বিশ্বাস নবাবের প্রধান সেনাপতিসহ প্রধান অমাত্যরা যখন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়, তখন সেই নবাবের আর বিপজ্জনক হওয়ার ক্ষমতা নেই। এই পরিপ্রেক্ষিতেই ক্লাইভ প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছে।

প্রশ্ন-২. “ভীরু প্রতারকের দল চিরকালই পালায়”- এর তাৎপর্য বুঝিয়ে দাও।

উত্তর: মানুষদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে ইংরেজ ও তাদের দোসরদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে উদ্বুদ্ধ করতে গেলে অনেকের পালিয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে নবাবের প্রশ্নোক্ত কথায় প্রতারক ভীরুদের চিরন্তন প্রবণতার দিকটি প্রকাশ পেয়েছে।

পলাশির যুদ্ধে পরাজিত হয়ে নবাব সিরাজউদ্দৌলা রাজধানীতে ফিরে এসে পুনরায় সৈন্য সংগ্রহ করে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের চেষ্টা করেন। কিন্তু দিকে দিকে দায়িত্বপ্রাপ্ত অনেকের পালানোর কথা ছড়িয়ে পড়ে। এ খবর নবাবের কাছে এলে হতাশাগ্রস্ত মানুষকে আশান্বিত করতে তখনো তিনি বীরত্বের কথা বলেন। এ প্রসঙ্গেই পলায়নরতদের কাপুরুষ আখ্যা দিয়ে তিনি প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেন।

প্রশ্ন-৩. ‘ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন, এ বড় লজ্জার কথা’- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গে নবাব সিরাজউদ্দৌলার আক্রমণের মুখে ইংরেজরা পালিয়ে যাওয়ায় প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি করা হয়েছে।

১৭০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গে ইংরেজরা নবাবের বিনা অনুমতিতে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করে। তাই নবাব ওই দুর্গ আক্রমণ করেন। ইংরেজ সৈন্যরা নবাবের সৈন্যদের আক্রমণের মুখে দিশেহারা হয়ে পড়লে ক্যাপ্টেন মিনচিন, কাউন্সিলার ফকল্যান্ড ও ম্যানিংহাম নৌকাযোগে দুর্গ থেকে পালিয়ে আত্মরক্ষা করেন। শেষ পর্যায়ে ক্যাপ্টেন ক্লেটনও গভর্নর ড্রেকের সাথে পরামর্শের নাম করে আত্মরক্ষার্থে সব প্রতিজ্ঞা ভুলে দুর্গ থেকে পালিয়ে যান। তাই ব্যঙ্গার্থে প্রশ্নোক্ত কথাটি বলা হয়েছে।

প্রশ্ন-৪. “ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন, এ বড়ো লজ্জার কথা”-সংলাপটি বুঝিয়ে লেখো।

উত্তর: ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গে নবাব সিরাজউদ্দৌলার আক্রমণের মুখে ইংরেজরা পালিয়ে যাওয়ায় প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি করা হয়েছে।

১৭০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গে ইংরেজরা নবাবের বিনা অনুমতিতে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করে। তাই নবাব ওই দুর্গ আক্রমণ করেন। ইংরেজ সৈন্যরা নবাবের সৈন্যদের আক্রমণের মুখে দিশেহারা হয়ে পড়লে ক্যাপ্টেন মিনচিন, কাউন্সিলার ফকল্যান্ড ও ম্যানিংহাম নৌকাযোগে দুর্গ থেকে পালিয়ে আত্মরক্ষা করেন। শেষ পর্যায়ে ক্যাপ্টেন ক্লেটনও গভর্নর ড্রেকের সাথে পরামর্শের নাম করে আত্মরক্ষার্থে সব প্রতিজ্ঞা ভুলে দুর্গ থেকে পালিয়ে যান। তাই ব্যঙ্গার্থে প্রশ্নোক্ত কথাটি বলা হয়েছে।

প্রশ্ন-৫. “আমার শেষ যুদ্ধ পলাশিতেই”- ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: মোহনলাল পলাশির যুদ্ধে আসন্ন পরাজয় ও নিজের মৃত্যু অনিবার্য মনে করে সিরাজউদ্দৌলাকে আলোচ্য কথাটি বলেছে। পরাশির যুদ্ধে মিরজাফর, রায়দুর্লভ, ইয়ার লুৎফ তাদের সৈন্যবাহিনী নিয়ে পুতুলের মতো দাঁড়িয়ে ছিল। যে কারণে বিশাল সৈন্যবাহিনী থাকা সত্ত্বেও নবাবকে পরাজয় বরণ করতে হয়। কিন্তু নবাবের পক্ষে দেশপ্রেমিক মোহনলাল, নৌবে সিং, বদ্রি আলি প্রমুখ জীবন বাজি রেখে লড়াই করে। যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে মোহনলাল সিরাজউদ্দৌলাকে মুর্শিদাবাদে ফিরে গিয়ে সৈন্য সংগ্রহের পরামর্শ দেয়। নবাব একাই ফিরে যাবেন কি না- এমন প্রশ্নের উত্তর মোহনলাল প্রশ্নোক্ত উক্তিটি করেছিল।

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন: 01979786079
or 01773270077

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*