
ক বিভাগ (অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন)
১। পরমাণুর মূল কণিকা কাকে বলে এবং কি কি?
উঃ যে সকল অতি সূক্ষ্ম কণিকা দ্বারা পরমাণু
গঠিত তাদেরকে মূল কণিকা বলা হয়। পরমাণুর স্থায়ী মূল কনিকা তিনটি। এগুলো হলো ইলেক্ট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন।
২। পারমাণবিক ভর একক কি?
উঃ পারমাণবিক ভর্ একক ব্যবহার করা হলে
একটি পরমাণুর ভর সেই মৌলের পারমাণবিক
ভরের সমান সংখ্যাবিশিষ্ট হয়। কার্বন -12
আইসোটোপের ভরের 12 অংশকে পারমাণবিক
ভর একক বলা হয়। একে ১ ডাল্টনও বলে। ১
ডাল্টন = 1.66 x 10-12 গ্রাম।
৩। তেজস্ক্রিয়তা কাকে বলে?
উঃ কোনো পরমাণুর নিউক্লিয়াসের স্বতঃস্ফূত
পরিবর্তনকে তেজস্ক্রিয়তা বলে ।
৪। ম্যাজিক সংখ্যা কাকে বলে?
উঃ কিছু বিশেষ নিউক্লিয়াস আছে যাদের মধ্যে ২,
৮, ২০, ২৮, ৫০, ৮২ বা ১২৬ সংখ্যক নিউট্রন বা
প্রোটন বর্তমান, সেই নিউক্লিয়াসগুলি অতীব সুস্থিত হয়। এই কারণে ঐ সংখ্যাগুলিকে ম্যাজিক সংখ্যা বলে।
৫। আইসোটোপ কি?
উঃ যে সকল পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা
সমান কিন্তু ভরসংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন তাদেরকে পরস্পরে
আইসোটোপ বলে।
৬। আইসোটোন কাকে বলে?
উঃ যে সব পরমাণুর নিউট্রন সংখ্যা একই কিন্তু
পারমানবিক সংখ্যা ও ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে পরস্পরের আইসোটোন বলে।
৭। বর্ণালি কি?
উঃ কোন মৌল ও যৌগের ওপর বিকিরণ
প্রয়োগ করলে তা শক্তি শোষণ বা নিক্ষেপ করে।
বর্ণালীমাপক যন্ত্রের সাহায্যে শোষিত বা নিক্ষিপ্ত
শক্তির যে লেখচিত্র অঙ্কিত হয় তাকে বর্ণালী বলে ।
৮। ফরমাল চার্জ কি?
উঃ রসায়নে ফরমাল চার্য হলোএকটি পরমাণুর জন্য নির্ধারিত চার্জ অনুমান করে যে সমস্ত রাসায়নিক বন্ধনের ইলেকট্রন গুলি আপেক্ষিক তড়িৎ ঋণাত্মকতা সকল পরমাণুর মধ্যে সমানভাবে ভাগ করা যায়।
৯। কোয়ান্টাম সংখ্যা কী?
উঃ যে সকল সংখ্যা দ্বারা পরমাণুতে অবস্থিত
ইলেকট্রনের শক্তিস্তরের আকার, আকৃতি ত্রিমাত্রিক
দিক বিন্যাস এবং নিজ অক্ষের উপর ইলেকট্রনের
তাদেরকে ঘূর্ননের দিকে প্রকাশ কোয়ান্টাম সংখ্যা বলে।
১০। পারমাণবিক বর্ণালি কী?
উঃ কোনো পরমাণু ইলেকট্রনসমূহ যখন
উচ্চশক্তি থেকে নিম্নশক্তি স্তর অথবা নিম্নশক্তি স্তর
থেকে উচ্চশক্তি স্তরে আবর্তন করে তখন যে
বর্ণালীর সৃষ্টি হয় তাকে পরমাণবিক বর্ণালী বলে ।
১১। জিম্যান প্রভাব কাকে বলে?
উঃ বিজ্ঞানী জিম্যান ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে লক্ষ্য
করেন যে, অতি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন চৌম্বকক্ষেত্রে
পরমাণুর বর্ণালীর প্রতিটি সূক্ষ্ম রেখা আরো সুক্ষ্মতর
রেখায় বিভাজিত হয়। চৌম্বক অনুপস্থিতিকে বর্ণালীর এ সূক্ষ্মতর বিভাজনে অদৃশ্য হয়। এ ঘটনাকে জিম্যান প্রভাব বলে ।
১২। তড়িৎ চুম্বকীয় বর্ণালি কি?
উঃ সাধারণভাবে সকল প্রকার আলোক
শক্তিকে বিদ্যুৎ চুম্বকীয় বিকিরণ বলা হয়। বিদ্যুৎ
চুম্বকীয় তরঙ্গ উৎস থেকে শক্তি স্থানান্তরিত করে
থাকে বিকীর্ণ শক্তি বলে। বিকীর্ণ শক্তির উদাহরণ
হলো রেডিও তরঙ্গ, অবলোহিত, দৃশ্যমান,অতিবেগুনি, X-রে এবং r-রশ্মি। একটি তড়িৎ ক্ষেত্র এবং একটি চৌম্বক ক্ষেত্রের সমন্বয়ে গঠিত বলে এদেরকে বিদ্যুৎ চুম্বকীয় বিকিরণ বলা হয়।
১৩। আইগেন ফাংশন ও আইগেন মান কি?
উঃ যে ভৌত রাশি পরিবর্তনের ফলে তরঙ্গের
সৃষ্টি হয় এবং তরঙ্গের বিস্তৃতি প্রকাশ করে তাকে
আইগেন ফাংশন (Y) বলে। যেখানে y-এর মান
বেশি তথা ইলেক্ট্রনের ঘনত্ব বেশি সে জায়গায় কণা
হিসেবে ইলেকট্রনের উপস্থিতির সম্ভাবনা বেশি
তাকে আইগেন মান বলে। অর্থাৎ for dv = 1.
১৪। পোলার যৌগ কাকে বলে?
উঃ তড়িৎ ঋণাত্মকতার পার্থক্যের ফলে কোনো,
সমযোজী বন্ধনের দুই প্রান্তে যে বিপরীত ধরনের
আধান সৃষ্টি হয় এবং ফলে যে বন্ধন সৃষ্টি হয় তা
পোলার বন্ধন এবং পোলার বন্ধনযুক্ত যৌগকে
পোলার যৌগ বলে।
১৫। পোলারায়ন কি?
উঃ দুটি বিপরীত আধানযুক্ত আয়ন খুব কাছাকাছি
থাকলে ক্যাটায়ন অ্যানায়নের ইলেকট্রন মেঘকে
আকর্ষণ করে ফলে অ্যানায়নের ইলেকট্রন মেঘের
বিকৃতি ঘটে এবং ক্যাটায়নের দিকে আংশিক
স্থানান্তরিত হয়। ইলেকট্রন মেঘের এ ধরনের স্থানান্ত
রকে আয়ন বিকৃতি বা পোলারায়ন বলে ।
১৬। তড়িৎ ঋণাত্মকতা কাকে বলে?
উঃ সমযোজী বন্ধনে আবদ্ধ কোন অণুর একটি
মৌলের পরমাণু কর্তৃক শেয়ারকৃত ইলেকট্রন
যুগলকে তার নিজের দিকে আকর্ষণ করার
ক্ষমতাকে তড়িৎ ঋণাত্মকতা বলে।
১৭। কৰ্ণ সম্পর্ক কাকে বলে?
উঃ পর্যায় সারণির পাশাপাশি পর্যায়ে কোনাকোনি
অবস্থানে অবস্থিত দুটি মৌলের মধ্যকার ধর্মের
সাদৃশ্যকে কর্ণ সম্পর্ক বলে।
১৮। আধুনিক পর্যায় সূত্রটি লিখ।
উঃ মৌলসমূহের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মাবলি
তাদের পারমানবিক সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে
পর্যায়ক্রমে আবর্তিত হয়।
১৯। অবস্থান্তর মৌল কি?
উঃ যেসব d-ব্লক মৌলের স্থিতিশীল আয়নের
ইলেকট্রন বিন্যাসে বহিঃস্থ অরবিটাল ইলেকট্রন দ্বারা
অপূর্ণ থাকে অর্থাৎ d’ থেকে a’ কাঠামো থাকে
তাদেরকে অবস্থান্তর মৌল বলা হয় ।
২০। P-ব্লক মৌল কি?
উঃ যে সকল মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাসে
সর্বশেষ ইলেকট্রনটি P- অরবিটালে প্রবেশ করে,
তাদেরকে P – ব্লক মৌল বলে। P
ব্লক এ সর্বোচ্চ ছয়টি ইলেকট্রন থাকতে পারে।
২১। অষ্টক নিয়ম কি?
উঃ বিভিন্ন মৌলের পরমাণুসমূহ নিজেদের মধ্যে
ইলেক্ট্রন আদান প্রদান অথবা শেয়ারের মাধ্যমে বন্ধন সৃষ্টি করে। এ আদান প্রদান বা শেয়ার এমনভাবে সম্পূর্ণ হয় যেন প্রতিটি পরমাণুর সর্বশেষ স্তরে ৮টি ইলেক্ট্রন (Spº) থাকে। ফলে প্রতিটি পরমাণু তাদের নিকটতম নিষ্ক্রিয় গ্যাসের অনুরূপ স্থায়ী ইলেকট্রন বিন্যাস লাভ করে। একে ইলেক্ট্রনীয় অষ্টক নিয়ম বা অষ্টকত্ত্ব বা অষ্টক বলে
২২। আন্তঃঅবস্থান্তর মৌল কারা?
উঃ যে সব মৌলের কোন সুস্থিত আয়নের
ইলেকট্রন বিন্যাস fl থেকে fl3 হয় তাদেরকে
আন্তঃঅবস্থান্তর মৌল বলা হয়।
২৩। C1 এবং CIT এর মধ্যে দুটি পার্থক্য লিখ।
উঃ (i) Cl একটি পরমাণু কিন্তু CI একি
আয়ন, (ii) Cl অপেক্ষা CIT এর ব্যাসার্ধ বেশি।
২৪। আয়নিকরণ শক্তি কাকে বলে?
উঃ গ্যাসীয় অবস্থায় কোন মৌলের এক মোল বিচ্ছিন্ন পরমাণুর প্রত্যেকটি বহিঃস্তর থেকে একটি একটি করে ইলেকট্রন বিন্যাসের সাহায্যে পর্যায় সারণিতে এক মৌল ইলেকট্রন অসীম দূরত্বে অপসারণ করে এক
মোল একক ধনাত্মক চার্জযুক্ত আয়নে পরিণত করতে
যে শক্তির প্রয়োজন তাকে আয়নীকরণ শক্তি বলে।
২৫। কার্যকর নিউক্লিয়ার চার্জ কাকে বলে?
উঃ কোন বিশেষ পরমাণু তার নিউক্লিয়াসের প্রোটন
সংখ্যার উপর ভিত্তি করে ধনাত্মক আধানবিশিষ্ট হয় এবং এ ধনাত্মক আধানই হলো কার্যকর নিউক্লিয়ার আধান ।
২৬। রাসায়নিক বন্ধন কী?
উঃ রাসায়নিক বন্ধন হলো এক প্রকার আকর্ষণ
বল, যা কোন অণুতে পরমাণুগুলোকে একই সাথে
আবদ্ধ রাখে। অর্থাৎ যে আকর্ষণ শক্তি বা বল দ্বারা
অণুতে পরমাণুসমূহ পরস্পর আবদ্ধ অবস্থায় থাকে
তাকে রাসায়নিক বন্ধন বলে।
২৭। বন্ধন ক্রম কি?
উঃ কোন অণু বা আয়নের বন্ধনী আণবিক
অর্বিটালের ইলেকট্রন সংখ্যা বন্ধন বিরোধী আণবিক
অর্বিটালের ইলেকট্রন সংখ্যার পার্থক্যকে 2 দ্বারা ভাগ
করলে যে রাশি পাওয়া যায় তাকে বন্ধনক্রম বলে।
২৮। আণবিক অরবিটাল কাকে বলে?
উঃ পারমাণবিক অরবিটালসমূহের অধিক্রমণের
ফলে সৃষ্ট নতুন অরবিটালকে আণবিক অরবিটাল বলে
২৯। হাইড্রোজেন বন্ধন কাকে বলে?
উঃ হাইড্রোজেন পরমাণু যখন উচ্চ তড়িৎ
ঋণাত্মক পরমাণু (O, N, F) এর সাথে সমযোজী
যৌগ গঠন করে, তখন উক্ত যৌগসমূহে
পোলারিটির সৃষ্টি হয়। এরূপ পোলার অণুসমূহ
পরস্পরের নিকট আসলে একটি অণুর ধনাত্মক
হাইড্রোজেন প্রাপ্ত অন্য অণুর ঋণাত্মক প্রান্তের সাথে
স্থির বিদ্যুৎ আকর্ষণ দ্বারা আকৃষ্ট হয়ে একটি দূর্বল
বন্ধন সৃষ্টি করে। একে হাইড্রোজেন বন্ধন বলে।
৩০। সংকর অরবিটাল কি?
উঃ কোন পরমাণুর যোজ্যতাস্তরের একাধিক ভিন্ন
শক্তির অরবিটাল মিশ্রিত হয়ে সমশক্তির সমসংখ্যক
জ্যামিতিক গঠন বিশিষ্ট নতুন অববিটাল তৈরির
প্রক্রিয়াকে হাইব্রিডাইজেশন বলে।এই হাইব্রিডাইজেশন বা সংকরায়ণ প্রক্রিয়া যে অরবিটাল সৃষ্টি হয় তাই সংকর বা হাইব্রিড অরবিটাল।
৩১। অনুবন্ধী এসিড ও অনুবন্ধী ক্ষারকের সংজ্ঞা লিখ।
উঃ অনুবন্ধী এসিড : কোন ক্ষারক প্রোটন
গ্রহণের পর যে এসিডে পরিণত হয় তাকে উক্ত
ক্ষারকের অনুবন্ধী এসিড বলে। যেমন- NH3 এর
অনুবন্ধী এসিড হল NH4+ আয়ন।
অনুবন্ধী ক্ষারক : কোন এসিড প্রোটন ত্যাগ করার
পর যে ক্ষারকের পরিণত হয় তাকে উক্ত এসিডের
অনুবন্ধী ক্ষারক বলে। যেমন- HCI এর অনুবন্ধী
ক্ষারক হল CI- আয়ন।
৩২। pH বলতে কি বুঝ?
উঃ কোন দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়নের (H’)
ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে ঐ দ্রবণে pH বলে ।
৩৩। HSAB এর পূর্ণ অর্থ লিখ।
উঃ HSAB এর পূর্ণ অর্থ হলো- Hard and Soft Acid
and Base. অর্থাৎ কঠিন ও কোমল অম্ল এবং ক্ষারক।
৩৪। একটি ত্রিক্ষারকীয় এসিডের নাম ও সংকেত লিখ।
উঃ একটি ত্রি-ক্ষারকীয় এসিডের নাম হলো
ফসফরিক এসিড এবং সংকেত হলো H3PO4
৩৫। তড়িৎ রাসায়নিক সারি কাকে বলে?
উঃ রাসায়নিক মৌলের তড়িৎ ঋণাত্মকার ক্রম
বা মান অনুযায়ী যে সারি সৃষ্টি তাই তড়িৎ
রাসায়নিক সারণি।
৩৬। রিডক্স বিক্রিয়া কাকে বলে?
উঃ যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় কোন পরমাণু বা
মূলক বা আয়ন ইলেকট্রন বর্জন করলে সংশ্লিষ্ট
পরমাণু বা মূলক বা আয়নের ধনাত্মক আধান বেড়ে
যায়, তাকে জারণ-বিক্রিয়া বলে। অন্যদিকে যে
বিক্রিয়ায় কোন পরমাণু বা মূলক বা আয়ন
ইলেকট্রন গ্রহণ করলে সংশ্লিষ্ট পরমাণু বা মূলক বা
আয়নের ঋণাত্মক আধান বেড়ে যায়, তাকে
বিজারণ বিক্রিয়া বলে এবং উক্ত জারণ ও বিজারণ
বিক্রিয়াকে একত্রে রিডক্স বিক্রিয়া বলে।
৩৭। জারণ সংখ্যা কাকে বলে?
উঃ কোন যৌগ বা আয়ন সৃষ্টির সময় বিভিন্ন
পরমাণুর মধ্যে ইলেকট্রন আদান-প্রদানের ফলে সংশ্লিষ্ট
পরমাণুতে সৃষ্ট ধনাত্মক বা ঋণাত্মক তড়িৎচার্জের
সংখ্যাকে ঐ মৌলের বা মূলকের জারণ সংখ্যা বলে।
৩৮। ল্যাটিস শক্তি কাকে বলে?
উঃ কোনো নমুনায় এক মোল যৌগের
আয়নসমূহকে কেলাস হতে পরস্পরের অসীম
দূরত্বে আনতে যে শক্তির দরকার হয়, তাকে উক্ত
যৌগের ল্যাটিস শক্তি বলে।
৩৯। আউফবাউ নীতি কি?
উঃ নিম্ন শক্তিস্তরের অধিক স্থিতিশীলতার কারণে
পরমাণুতে ইলেকট্রন প্রথমে নিম্নশক্তির অরবিটালে
প্রবেশ করে এবং ক্রমান্বয়ে উচ্চ শক্তিস্তরের
অরবিটালে প্রবেশ করে। ইলেক্ট্রন দ্বারা এভাবে
অরবিটাল পূর্ণ করার নীতিকে আউফবাউ নীতি বলে ।
৪০। দ্রাব্যতা গুণফল কাকে বলে?
উঃ কোন স্বল্প দ্রবণীয় লবণের সম্পৃক্ত দ্রবণে বিদ্যমান
ক্যাটায়ন ও অ্যানায়নের গুণফলকে দ্রাব্যতা গুণফল বলে ।
৪১। ক্যাথোড রশ্মি কি?
উঃ কোন পরমাণুতে বিদ্যমান ঋণাত্মক চার্জযুক্ত
কণাকে ক্যাথোড রশ্মি বলে, যা অতি দ্রুতগতি সম্পন্ন ।
৪২। সিগমা বন্ধন কী?
উঃ অণু গঠনের সময় দুটি পরমাণুর একই অক্ষে
অবস্থিত দুটি অরবিটালের সামনাসামনি অধিক্রমনের
কারণে যে বন্ধন সৃষ্টি হয়ে থাকে তাকে সিগমা বন্ধন বলে।

খ-বিভাগ (সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন)
১। পলির বর্জন নীতি উদাহরণসহ ব্যাখ্যা কর। ১০০%
২। লাইমেন সিরিজের প্রথম রেখার তরঙ্গদৈর্ঘ্য হিসাব কর। ১০০%
৩। অম্ল-ক্ষারকের প্রোটনীয় মতবাদ উদাহরণসহ ব্যাখ্যা কর। ১০০%
৪। দেখাও যে, একই যৌগ এসিড ও ক্ষারক রূপে আচরণ করে। ১০০%
৫। উদাহরণসহ অনুবন্ধী অম্ল ও অণুবন্ধী ক্ষার ব্যাখ্যা কর। ১০০%
৬। HF ও HI এর মধ্যে কোনটি অধিক শক্তিশালী অম্ল? ব্যাখ্যা কর। ১০০%
৭। নাইট্রোজেন অপেক্ষা অক্সিজেনের আয়নীকরণ শক্তি কম – ব্যাখ্যা কর। ১০০%
৮। তড়িৎঋণাত্মকতা ও ইলেকট্রন আসক্তির মধ্যে পার্থক্য ব্যাখ্যা কর। ১০০%
৯। ইলেকট্রন আসক্তি কি? ফ্লোরিন অপেক্ষা ক্লোরিনের ইলেকট্রন আসক্তি বেশী কেন? ৯৯%
১০। স্পিন কোয়ান্টাম সংখ্যার তাৎপর্য ব্যাখ্যা কর। ৯৯%
১১। উদাহরণসহ sp³d² সংকরণ প্রক্রিয়া বর্ণনা কর। ৯৯%
১২। পোলারায়ন কি? কোয়ান্টাম সংখ্যা ব্যাখ্যা কর। ৯৯%
১৩।অরবিট ও অরবিটালের মধ্যে পার্থক্যসমূহ লিখ। ৯৯%
১৪। আধুনিক পর্যায় সারণির উপকারিতাসমূহ লিখ। ৯৯%
১৫। নিম্নের অরবিটালগুলোর মধ্যে কোনগুলো সম্ভব নয় এবং কেন? ৯৯%
গ-বিভাগ (রচনামূলক প্রশ্ন)
১। আইগেন ফাংশন ও আইগেন মান বলতে কি বুঝ? আণবিক অরবিটাল তত্ত্বের প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা কর। ১০০%
২। হুঙের নীতিটি লিখ। পরমাণুর গঠন ব্যাখ্যা করার জন্য কোয়ান্টাম সংখ্যার তাৎপর্য উল্লেখ কর। ১০০%
৩। পর্যায় সারণিক কর্ণ সম্পর্ক বলতে কি বুঝ? ব্যাখ্যা কর। বোর পরমাণু মডেলের সাফল্য আলোচনা কর। ১০০%
৪। অন্নের ক্ষারকত্ব ও ক্ষারকের অম্লত্ব বলতে কি বুঝায়? লুইস অম্ল ও লুইস ক্ষারকের শ্রেণিবিভাগ আলোচনা কর। ১০০%
৫। বাফার দ্রবণ কী? ক্ষারীয় বাফার দ্রবণের ক্রিয়া-কৌশল বর্ণনা কর। ১০০%
৬। VSEPR তত্ত্বের স্বতঃসিদ্ধগুলো লিখ?বর্ণ-হেবার চক্রের সাহায্যে NaCl এর সংগঠন তাপ হিসাব কর। ১০০%
৭। d-অরবিটালের আকৃতি ও বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা কর। ১০০%
৮। অম্ল ও ক্ষারক সম্পর্কিত আহেনিয়াস মতবাদ ব্যাখ্যা কর। বর্ণ-হেবার চক্র উদাহরণসহ ব্যাখ্যা কর। ১০০%
৯। হাইড্রোজেন বন্ধন কী? আয়নিক বন্ধন গঠনে শক্তি পরিবর্তনের ধাপগুলো বর্ণনা কর। ৯৯%
১০। বোর পরমাণু মডেল অনুসারে হাইড্রোজেন পরমাণুর প্রথম কক্ষপথের ব্যসার্ধ নির্ণয়ের জন্য একটি সমীকরণ প্রতিপাদন কর। ৯৯%
১১। ইলেকট্রন বিন্যাসের উপর ভিত্তি করে মৌলসমূহের শ্রেণিবিভাগ বর্ণনা কর। ৯৯%
১২। পর্যায়বৃত্তিক ধর্ম কাকে বলে? ইলেকট্রন আসক্তি একটি পর্যায়বৃত্তিক ধর্ম ব্যাখ্যা কর। ৯৯%
১৩। অবস্থান্তর মৌল বলতে কি বুঝ? পর্যায় সারণিতে এদের অবস্থান আলোচনা কর। ৯৯%
১৪। পর্যায় সারণিতে নিষ্ক্রিয় গ্যাসের অবস্থান বর্ণনা কর? মৌলের পর্যায় বিন্যাস কিরূপে তাদের ইলেক্ট্রন বিন্যাসের সাথে সম্পর্কিত? ৯৯%
১৫।অক্সিজেনের প্রথম ইলেক্ট্রন আসক্তি ঋণাত্মক কিন্তু দ্বিতীয় ইলেকট্রন আসক্তি ধনাত্মক ব্যাখ্যা কর। ৯৯%

Leave a Reply