
ক_বিভাগ (অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন)
১। ক্ষার ধাতু কাকে বলে?
উঃ পর্যায় সারণিতে H ব্যতীত, IA উপশ্রেণির Li, Na, K, Rb, Cs মৌলগুলোকে একত্রে ক্ষার ধাতু বলে।
২। সক্রিয় হাইড্রোজেন কাকে বলে?
উঃ H-H পরমাণুদ্বয়ের মধ্যে বিদ্যমান অতীব শক্তিশালী বন্ধন শক্তিযুক্ত অত্যাধিক সুস্থিত দ্বি- পারমাণবিক আণবিক হাইড্রোজেন (H₂) অণুর বন্ধনকে ভেঙ্গে অত্যন্ত সক্রিয় কিন্তু ক্ষণস্থায়ী যে হাইড্রোজেন পরমাণুর সৃষ্টি করা হয় তাকে সক্রিয় হাইড্রোজেন বলে।
৩। অর্থো হাইড্রোজেন অণু কাকে বলে?
উঃ যে হাইড্রোজেন অণুর উপাদান পরমাণুদ্বয়ের দুইটি প্রোটনের (নিউক্লিয়ার) স্পিন একইমুখী থাকে তাকে অর্থো হাইড্রোজেন অণু বলে।
৪। প্যারা হাইড্রোজেন অণু কাকে বলে?
উঃ যে হাইড্রোজেন অণুর উপাদান পরমাণুদ্বয়ের দুইটি প্রোটনের (নিউক্লিয়ার) স্পিন বিপরীতমুখী থাকে তাকে প্যারা হাইড্রোজেন বলে।
৫। ডিউটেরিয়াম কী?
উঃ ভারী হাইড্রোজেনকে ডিউটেরিয়াম বলে। এতে একটি প্রোটন, একটি ইলেক্ট্রন ও একটি নিউট্রন থাকে।
৬। ক্ল্যাপরেটস যৌগ কী?
উঃ নির্দিষ্ট গঠনাকৃতি বিশিষ্ট কোনো জৈব বা অজৈব যৌগের ল্যাটিসের ফাঁকা স্থানসমূহ অন্য কোনো অণু বা পরমাণুর অবস্থানযুক্ত একক সাম্যবস্থার কঠিন পদার্থকে ক্ল্যাথরেটস বলে।
৭। ভারী পানি (D₂O) কী?
উঃ অক্সিজেন ও ডিউটিরিয়াম সমন্বয়ে গঠিত যৌগ ডিটেরিয়াম অক্সাইডেক ভারী পানি বলে। এর সাধারণ সংকেত D₂O।
৮। অজলীয় দ্রাবক কি?
উঃ পানি ব্যতীত যে-কোনো জৈব বা অজৈব দ্রাবককে অজলীয় দ্রাবক বলে। অর্থাৎ অজলীয় দ্রাবকে কোনো পানি থাকবে না। পানির অনুপস্থিতিতেই এরা দ্রাবক হিসেবে কাজ করে। যেমন- THF.
৯। ল্যাটিস শক্তি কী?
উঃ যে শক্তি প্রভাবে কোনো পদার্থের কেলাস কাঠামোতে অবস্থান করে, তাকে ল্যাটিস শক্তি বলে।
১০। ক্ষারধাতুর প্রধান উৎস কী?
উঃ ক্ষার ধাতুগুলি অত্যন্ত সক্রিয়। এজন্য এদেরকে প্রকৃতিতে কেবল রাসায়নিক যৌগে সংযুক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। কখনো মুক্ত মৌল হিসেবে পাওয়া যায় না। ভূ-ত্বকের কঠিন শিলায় অ্যালুমিনোসিলিকেট যৌগে (সিলিকন, অ্যালুমিনিয়াম এবং অক্সিজেনের যৌগ যার মধ্যে ধনাত্মক আয়ন হিসেবে Na+ এবং K+ আয়ন উপস্থিত থাকে। প্রচুর পরিমাণে সোডিয়াম এবং পটাশিয়াম তাদের দ্রবণীয় লবণ হিসেবে শেষ পর্যন্ত বৃষ্টি এবং নদীর পানি দ্বারা বাহিত হয়ে সাগরে পৌঁছায়।
১১। সল্টপিটার কী?
উঃ NaNO3।
১২। বেকিং পাউডার কি?
উঃ সোডিয়াম বাইকার্বনেট ও পটাসিয়াম হাইড্রোজেন টারট্রেট এর মিশ্রণকে বেকিং পাউডার বলে।
১৩। পটাসিয়াম সুপার অক্সাইডের সংকেত লেখ।
উঃ পটাশিয়াম সুপার অক্সাইডের সংকেত K₂O
১৪। সোডাঅ্যাশ কাকে বলে?
উঃ অনার্দ্র সোডিয়াম কার্বনেটকে সোডাঅ্যাশ বলে।
১৫। কর্ণ সম্পর্ক কী?
উঃ পর্যায় সারণির পাশাপাশি পর্যায়ে কোনাকোনি অবস্থানে অবস্থিত দুটি মৌলের মধ্যকার ধর্মের সাদৃশ্যকে কর্ণ সম্পর্ক বলে।
১৬। চুনগোলা কী?
উঃ পানি ও ক্যালসিয়াম হাইড্রোঅক্সাইড এর সাথে একত্রে মিশ্রিত হয়ে যে পেস্ট তৈরি হয় তাকে চুনগোলা বা মিল্ক অব লাইম বলা হয়।
১৭। CaC₂ এর একটি ব্যবহার লেখ।
উঃ CaC₂ এর প্রয়োগে অ্যাসিটিলিন গ্যাস উৎপাদন করা যায়। এছাড়াও সার এবং স্টিল উৎপাদনের কাজে ব্যবহার করা হয়। ফল পাকানোর কাজে ও এটি ব্যবহার করা হয়।
১৮। ডাইবোরেন কী?
উঃ বোরন ও হাইড্রোজেনের সমন্বয়ে গঠিত দ্বি-মৌল যৌগকে বোরন হাইড্রাইড বা ডাইবোরেন বলা হয়। ডাইবোরেন সংকেত B₂H₂।
১৯। বোরাক্স কী?
উঃ বোরাক্স হলো টেট্রাবরিক এসিডের সোডিয়াম লবণ। এর মধ্যে ১০ অণু পানি থাকে। এর সংকেত হলো : Na2B4O7.10H2O.
২০। ম্যাগনেলিয়াম কী?
উঃ Al→70-95%, Mg 30-0.5% কে একত্রে ম্যাগনেলিয়াম বলে।
২১। ইলেক্ট্রন স্বল্প বা ঘাটতি যৌগ কাকে বলে?
উঃ যেসব যৌগ অণুতে সমযোজী বন্ধন গঠনের জন্য এক জোড়া করে ইলেক্ট্রন ব্যবহার করার মত যথেষ্ট সংখ্যক ইলেক্ট্রন থাকে না, তাকে ইলেক্ট্রন স্বপ্ন বা ইলেক্ট্রন ঘাটতি বলে।
২২। অজৈব বেনজিন কাকে বলে?
উঃ বেনজিনের ন্যায় গঠনাকৃতির জন্য বোরাজিনকে (B3N3H6) অজৈব বেনজিন বলে।
২৩। ধাতব কার্বনিল কাকে বলে?
উঃ M-C বন্ধনযুক্ত কার্বন মনোক্সাইড (CO) সঙ্গে গঠিত ধাতব যৌগসমূহকে ধাতব কার্বনিল বলে।
২৪। ক্যাটেনেশন কাকে বলে?
উঃ একই মৌলের একাধিক পরমাণু পরস্পরের সাথে
যুক্ত হয়ে দীর্ঘ শিকল গঠন করে থাকে ক্যাটেনেশন বলে।
২৫। কার্বাইড যৌগ কাকে বলে?
উঃ কার্বনের সাথে এর চাইতে উচ্চতর তড়িৎ ধনাত্মক ধাতব মৌলের দ্বি-মৌল যৌগকে কার্বাইড বলে।
২৬। কার্বন ডেটিং কি?
উঃ কার্বন-14 (14c) এর ক্ষয় এর পরিমাণ নির্ণয় করে কোনো প্রত্মতাত্ত্বিক বস্তুর বয়স নির্ণয় করার পদ্ধতিকে কার্বন ডেটিং বলে।
২৭। সিঁদুর এর সংকেত লিখ।
উঃ রেড লেড (Pb3O4) কে সিঁদুর বলে।
২৮। শুল্ক বরফ কী?
উঃ কঠিন CO₂ কে শুষ্ক বরফ বলা হয়।
২৯। নাইট্রোজেন সংবন্ধন কাকে বলে?
উঃ প্রকৃতিতে মুক্ত অবস্থায় বিদ্যমান নাইট্রোজেনকে বিভিন্নভাবে অন্য মৌলের সঙ্গে যুক্ত করে ব্যবহারোপযোগী যৌগে পরিণত করার মাধ্যমে আবদ্ধ করার প্রক্রিয়াকে নাইট্রোজেন সংবন্ধন বা নাইট্রোজেন বন্ধন বলে।
৩০। সক্রিয় নাইট্রোজেন কী?
উঃ উচ্চতর তাপমাত্রায় নাইট্রোজেনকে সক্রিয়
নাইট্রোজেন বলে।
৩১। লিকার অ্যামোনিয়াম বা অ্যামোনিয়া স্পিরিট কাকে বলে?
উঃ অ্যামোনিয়াম সম্পৃক্ত জলীয় দ্রবণে ৩৫% -৪০%
অ্যামোনিয়া থাকে তাকে অ্যামোনিয়া স্পিরিট বলে।
৩২। অলিয়াম কী?
উঃ বিশুদ্ধ 100% H₂SO₄ এর মধ্যে উচ্চচাপে আরও SO, গ্যাস প্রবাহিত করলে H₂SO₄ এসিড SO₁ কে শোষণ করে পাইরো-সালফিউরিক (H₂S207) এ পরিণত হয়। একে অলিয়াম বলে।
৩৩। সালফান কী?
উঃ 98% H₂SO₄ এর মধ্যে SO₃ গ্যাস চালনা করলে 2% পানির সঙ্গে SO; যুক্ত হয়ে 100% H₂SO₄ উৎপন্ন করে তাকে সালফান বলে।
৩৪।এসিড বৃষ্টি কাকে বলে?
উঃ বৃষ্টি, শিশির এবং তুষার যে-কোনো ধরনের অধঃক্ষেপণে এসিড বা অম্লের মান স্বাভাবিক তুলনায় বেশি হলে অধঃক্ষেপণকে এসিড বৃষ্টি বলে। অধঃক্ষেপণে pH এর মান 5.6 – এর কম হলেই উক্ত অধঃক্ষেপণকে এসিড বৃষ্টি বলে। প্রকৃতপক্ষে এসিড বৃষ্টি হলো প্রধানত H₂SO₄ ও HNO, এবং HCI এর মিশ্রিত বৃষ্টি। এরূপ বৃষ্টির পানিতে pH এর মান 5.6 থেকে 3.5 এর মধ্যে হয়ে থাকে।
৩৫। সোরেল সিমেন্ট কী?
উঃ ম্যাগনেসিয়াম ক্লোরাইড ও ম্যাগনেশিয়াম অক্সাইড এর গাঢ় মিশ্রণকে পানির সাথে বিক্রিয়া করে যা উৎপন্ন হয় তাই সোরেল সিমেন্ট। সোরেল সিয়েন্ট এর সংকেত (MgCl2.5H2O.17H2O).
৩৬। কেল্প কী?
উঃ সামুদ্রিক আগাছা পুড়িয়ে যে ছাই পাওয়া যায় তাকে কেল্প বলে। সামুদ্রিক শৈবাল বা আগাছাতে বেশকিছু আয়োডিন ক্ষার ধাতুর আয়োডাইড হিসেবে থাকে।
৩৭। টিংচার আয়োডিন কী?
উঃ অর্ধ আউন্স আয়োডিন, অর্ধ আউন্স KI এবং 1 পাউন্ড রেকটিফাইড স্পিরিট এর মিশ্রণকে টিংচার আয়োডিন বলে। এটি জীবাণুনাশক ও পচনরোধক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩৮। ওজোন গর্ত কাকে বলে?
উঃ ১৯৮০ সালের অক্টোবর মাসের মাঝামাঝি সময় অ্যান্টার্কটিকায় কিছু অঞ্চলে ও জোনস্তর সম্পূর্ণরূপে বিনষ্ট হয়। প্রতি বছর সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর এর মধ্যে অ্যান্টার্কটিকায় ওজোন স্তরের ক্ষয়কে ড. ফারমেন ওজোন হোল বলে অভিহিত করেছেন।
৩৯। অসামঞ্জস্যতা বিক্রিয়া কী?
উঃ কোনো বিক্রিয়ায় কোনো মৌলের বা আয়নের যুগপৎ জারণ ও বিজারণ ক্রিয়া সংঘটিত হলে তাকে অসামঞ্জস্যতা বিক্রিয়া বলে।
৪০। আন্তঃ হ্যালোজেন যৌগ কাকে বলে?
উঃ উপযুক্ত চাপও তাপমাত্রায় দু’টি ভিন্ন হ্যালোজেন মৌলের পরস্পরের সমন্বয়ে দ্বিমৌল যৌগকে আন্ত :হ্যালোজেন যৌগ বলে।
৪১। পলিহ্যালাইড কাকে বলে?
উঃ আণবিক হ্যালোজেন বা আন্তঃহ্যালোজেন যৌগের সঙ্গে কোন একই বা ভিন্ন হ্যালাইড আয়নযুক্ত হয়ে গঠিত একযোজী আয়নযুক্ত লবণকে পলিহ্যালাইড যৌগ বলে।
৪২। H₂O একটি লিগাত, কেন?
উঃ যে সকল পরমাণু, মূলক বা যৌগ নিসঙ্গ যুগল ইলেকট্রন প্রদান করতে পারে তাদেরকে লিগান্ড বলা হয়। H₂O এর অণুতে নিঃসঙ্গ যুগল ইলেকট্রন বিদ্যমান তাই H₂Q লিগান্ড।
৪৩। নিষ্ক্রিয় গ্যাস কী?
উঃ পর্যায় সারণির গ্রুপ শূন্য এ অষ্টক পুণ্য থাকার কারণে এদের ইলেকট্রন আসক্তি নেই, এরা কারও সাথে বিক্রিয়া করে না বলে এদের নিষ্ক্রিয় গ্যাস বলে।
৪৪। রাজঅম্ল কি?
উঃ এক মোল গাঢ় HNO, এবং তিন মোল গাঢ় HCI মিশ্রণকে অ্যাকোয়া রেজিয়া বা রাজ-অম্ল বলে। গোল্ড, প্লাটিনাম, ইরিডিয়াম প্রভৃতি অভিজাত ধাতুসমূহ (Noble metals) শুধুমাত্র গাঢ় HNO3 বা গাঢ় HCI-এ দ্রবীভূত হয় না; কিন্তু রাজ-অম্ল বা অ্যাকোয়া রেজিয়াতে দ্রবীভূত হয়।
৪৫। সার্থক সংখ্যা কি?
উঃ একটি মানে যে সকল ডিজিট পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে জানা যায়। তার পরবর্তী ডিজিট পর্যন্ত সকল ডিজিটকে সার্থক সংখ্যা বলে।

খ-বিভাগ (সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন)
১। H₂O অম্ল ও ক্ষারক হিসাবে কাজ করে। ব্যাখ্যা কর। ১০০%
২। BeCI, সমযোজী কিন্তু CaCl₂ আয়নিক ব্যাখ্যা কর।১০০%
৩। KOH ক্ষার কিন্তু CIOH অম্ল। ব্যাখ্যা কর। ১০০%
৪। HCIO H₃PO₄ এর মধ্যে কোনটি অধিক শক্তিশালী অম্ল? ব্যাখ্যা কর। ১০০%
৫। লুইস এসিড কী? BCI, একটি লুইস এসিড ব্যাখ্যা কর। ১০০%
৬। বোরাজিন কী? বোরাজিন বেনজিনের সাথে আইসোইলেকট্রিনিক কেন?১০০%
৭। বক্সাইট কী? Be ও AI এর কর্ণ সম্পর্ক আলোচনা কর। ১০০%
৮। সোডিয়াম ধাতুকে পেট্রোলে ডুবিয়ে রাখা কেন? ১০০%
৯। পর্যায় সারণিতে হাইড্রোজেনের অবস্থান আলোচনা কর। ৯৯%
১০। H₂S গ্যাস কিন্তু H₂O তরল ব্যাখ্যা কর। ৯৯%
১১। অক্সাইড কী? দেখাও যে, AI₂O, একটি উত্তধর্মী অক্সাইড।
১২। কার্বন ও সিলিকনের মধ্যে পার্থক্য লিখ। ৯৯%
১৩।চালকোজেন কী? দ্রাবক হিসেবে অজলীয় দ্রাবক অ্যমোনিয়ার সুবিধাসমূহ লেখ।
১৪। SO, জারক ও বিজারক হিসাবে ক্রিয়া করে। ব্যাখ্যা কর।৯৯%
১৫। ফ্লোরোকার্বন কী? ফ্লোরোকার্বনের দু’টি প্রস্তুতি লিখ। ৯৯%
১৬। সালফারের বহুরূপতা আলোচনা কর এবং ক্লোরিন, সালফার ডাইঅক্সাইডের বিরঞ্জন ক্রিয়ার তুলনা কর। ৯৯%
১৭। সোডিয়ামের শিখা পরীক্ষায় গাঢ় HCI ব্যবহার করা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর। ৯৯%
গ-বিভাগ (রচনামূলক প্রশ্ন)
১।(ক) বস পদ্ধতিতে হাইড্রোজেনের শিল্পোৎপাদন বর্ণনা কর। ১০০%
(খ) আন্তঃআণবিক এবং আন্তঃআণবিক হাইড্রোজেনের বন্ধনে পার্থক্য আলোচনা কর।১০০%
২। (ক) আলুমিনিয়াম সালফেটের জলীয় দ্রবণের প্রকৃতি রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে বর্ণনা কর। ১০০%
(খ) বোরন নাইট্রাইডের প্রস্তুতি ও ব্যবহার লেখ। ১০০%
৩।(ক) কার্বন ডেটিং বলতে কী বুঝ? এর প্রয়োজনীয়তা বর্ণনা কর। ১০০%
(খ) CO এর প্রাণ রাসায়নিক প্রভাব বর্ণনা কর। ১০০%
৪। (ক) SiCI এর আর্দ্র বিশ্লেষণ ব্যাখ্যা কর। ১০০%
(খ) কার্বাইড যৌগসমূহের প্রকারভেদ উদাহরণসহ বর্ণনা কর। ১০০%
৫। ক) অ্যাকোয়া-রেজিয়া কীভাবে সোনা দ্রবীভূত করে? রাসায়নিক বিক্রিয়া দ্বারা বর্ণনা কর। ১০০%
(খ) ধাতু-নাইট্রোসিল যৌগের বন্ধন প্রকৃতি বর্ণনা কর।১০০%
৬।(ক) স্পর্শ পদ্ধতিতে H₂SO₄ এর উৎপাদন বর্ণনা কর। ১০০%
(খ) অক্সাইডসমূহের শ্রেণিবিভাগ উদাহরণসহ লিখ। ১০০%
৭।(ক) Na₂CO, এর জলীয় দ্রবণ ক্ষারধর্মী – ব্যাখ্যা কর।১০০%
(খ) মানব শরীরে Na* ও K’ এর প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ কর। ১০০%
৮। (ক) ব্রাইন কী? ব্রাইন থেকে কস্টিক সোডা উৎপাদনের মূলনীতি বর্ণনা কর।১০০%
(খ) 3c- 2c বন্ধন কী? Li এবং Mg এর মধ্যে অনেক সাদৃশ্য বিদ্যমান কেন?১০০%
৯। (ক) ধাতু কার্বনিল কী? ধাতু কার্বনিলের বন্ধন প্রকৃতি ব্যাখ্যা কর।১০০%
(খ) বহুরূপতা কী? হীরকের গঠন ও বন্ধন বর্ণনা কর। ১০০%
১০।(ক) হেবার পদ্ধতিতে অ্যামোনিয়ার শিল্পোৎপাদনের মূলনীতি বর্ণনা কর। ৯৯%
(খ) শ্বেত ফসফরাস, লোহিত ফসফরালের পারস্পরিক রূপান্তর দেখাও।৯৯%
১১। (ক) লেসলার বিকারক কী? ইহা কিভাবে তৈরি করা হয়? এর ব্যবহার লিখ। ৯৯%
(খ) পানি দূষক হিসেবে আর্সেনিকের ভূমিকা লিখ। ৯৯%
১২। (ক) ফ্রাস পদ্ধতিতে সালফার নিষ্কাশন বর্ণনা কর। ৯৯%
(খ) H₂S-এর বিজারণ ধর্ম রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যাখ্যা কর। ৯৯%
১৩। (ক) ব্লিচিং পাউডারের প্রস্তুতি বিক্রিয়াসহ লেখ। ব্লিচিং পাউডার কীভাবে জীবাণুনাশক হিসেবে কাজ করে? ব্যাখ্যা কর। ৯৯%
(খ) ব্রাইন থেকে সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইটের শিল্প উৎপাদন বর্ণনা কর। ৯৯%
১৪। (ক) ইলেকট্রন ঘাটতি যৌগ কি? দেখাও যে, BF, একটি ইলেকট্রন ঘাটতি যৌগ। ৯৯%
(খ) AICI, আর্দ্র বিশ্লেষিত হয়। কিন্তু NaCI হয় না -ব্যাখ্যা কর। ৯৯%
১৫।(ক) চুনের পানিতে অতিরিক্ত CO₂ গ্যাস চালনা করলে কি ঘটে? বিক্রিয়াসহ ব্যাখ্যা কর।৯৯%
(খ) BeCI, অণু রৈখিক কেন? ৯৯%

Leave a Reply