বাংলাদেশে দারিদ্র্যের কারণগুলো ব্যাখ্যা কর।

অথবা, বাংলাদেশে দারিদ্র্যের কারণগুলো কী কী? বর্ণনা কর।
অথবা, বাংলাদেশে দারিদ্র্যের কারণসমূহ আলোচনা কর।
অথবা, বাংলাদেশে দারিদ্র্যের কারণগুলো সম্পর্কে বর্ণনা দাও।
উত্তর৷ ভূমিকা :
সমসাময়িককালে দারিদ্র্য একটি বহুল আলোচিত বিষয়, যা মানবতার প্রতি একটি বড় অভিশাপ । আধুনিক মানবতা বিকাশে দারিদ্র্য একটি মারাত্মক অন্তরায়। অনুন্নত ও তৃতীয় বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশসমূহের বিশেষকরে বাংলাদেশের অনুন্নয়নের অন্যতম কারণ হলো দারিদ্র্য। দারিদ্র্যের দিক থেকে শীর্ষস্থানে স্থানকারী ১৩টি দেশের একটি হয়েছে বাংলাদেশ। এ কারণে বর্তমানে বাংলাদেশের প্রতিটি শিশু প্রায় ৬৫০০ টাকা বিশ্ব ব্যাংকের ঋণের বোঝা

মাথায় নিয়ে ভূমিষ্ঠ হচ্ছে। আর এ অভিশাপ থেকে মুক্তি পাওয়ার লক্ষ্যে বর্তমানে বিশ্বে ‘দারিদ্র্য বিমোচন’ একটি সামাজিক আন্দোলনে রূপ নিয়েছে।
দারিদ্র্যের কারণসমূহ (Causes of poverty) : দারিদ্র্য মূলত মনুষ্য সৃষ্ট একটি অবস্থা, যার ব্যাখ্যা এভাবে করা যায় :
F→ Failure of to develop broadbased development programme.
A⇒ Antagonistic attitudes of power structure.
SPOM⇒ Mismanagement of govt fund.
I → Ignorance.
PEIN⇒ National Commitment (lack of)
| DE Empty election pledge.
উৎস : ‘World Bank Report 961
বাংলাদেশের দারিদ্র্যের কারণগুলো নিয়ে আলোচনা করা হলো :
১. দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র (Poverty cycle) : এ চিত্রে দেখা যায়, অনুন্নত দেশসমূহে উৎপাদন কম বলে লোকের আয় কম, আয় কম বলে বিনিয়োগ কম আবার বিনিয়োগ কম হওয়ার কারণে মূলধন কম, মূলধন কম বলে উৎপাদন কম এভাবে এটি চক্রাকারে চলতে থাকে ফলে দেশে দারিদ্র্য বিরাজ করে।
২. সম্পদের অসম বণ্টন : আমাদের দেশের সম্পদ এক শ্রেণির লোকের হাতে কুক্ষিগত। অর্থাৎ, শতকরা ২০ ভাগ সম্পদ ৮০ ভাগ লোক এবং এবং ৮০ ভাগ সম্পদ ২০ ভাগ লোক ভোগ করেছে। সম্পদের এ অসম বণ্টনের কারণে আমাদের দেশে আরও দারিদ্র্য উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেয়েছে।
৩. দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধি : এ দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ২.৪৮% এবং প্রতি বর্গ কিলোমিটারে প্রায় ৯৭৫ জন বাস করে, যা অন্যান্য দেশের তুলনায় অত্যন্ত মারাত্মক অবস্থা। এর ফলে জনগণ তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে এবং তাদের প্রয়োজনীয় উৎপাদন করতে সম্পূর্ণ অক্ষম হয়েছে ফলে দারিদ্র্য আরও ভয়ার্তরূপে দেখা দিয়েছে।
৪. শিল্পের অগ্রসরতা : বাংলাদেশের শিল্পক্ষেত্রে অত্যন্ত অনগ্রসর। মূলধনের স্বল্পতা, কাঁচামাল ও যন্ত্রপাতির অভাব, কারিগরি বিজ্ঞানের অভাব, অনুন্নত পরিবহণ ও যোগাযোগব্যবস্থা প্রভৃতি এ দেশের দ্রুত শিল্পোন্নয়নে বাধা সৃষ্টি করেছে। সুতরাং, শিল্পক্ষেত্রের গশ্চাৎপদতা হলো বাংলাদেশের দারিদ্র্যের অন্যতম কারণ।
৫. ভূমিহীনতা : ভূমিহীনতা দারিদ্র্যের অন্যতম কারণ। আমাদের দেশের শতকরা ১০ ভাগ পরিবার মোট জমির ৫০ ভাগ এর মালিক এবং শতকরা ৬০ ভাগ পরিবার ভূমিহীন ও বিত্তহীন। মাথাপিছু জমির পরিমাণ ০.৩৮ একর। শতকরা ৭০ ভাগ লোকের খেয়ে বেঁচে থাকার মতো কৃষিযোগ্য ভূমি নেই। মাত্র ২০/৩০ ভাগ লোক তাদের জমির আয় নিয়ে সংসারযাত্রা নির্বাহ করে, যদি বন্যা, প্রাদুর্ভাব, জলোচ্ছ্বাস না দেখা যায় ।
৬. দুর্নীতি : বলা হয় “Corruption is the eating of vital of the nation.” সুতরাং, অনুন্নয়নের অন্যতম কারণ হলো দুর্নীতি। এসব দেশে এমন কোনো ক্ষেত্র নেই, যেখানে দুর্নীতি হয় না। বাংলাদেশ বর্তমানে সমস্ত দুর্নীতিগ্রস্ত দেশসমূহের শীর্ষস্থানে আছে এবং পর পর ৩ বারের মতো এ অবস্থানে আছে, যার ফলে এ দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন ক্রমশ ভেঙে পড়ছে।
৭. কৃষির উপর অত্যধিক নির্ভরশীলতা : বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। এ দেশের দারিদ্র্যের অন্যতম কারণ হলো কৃষির উপর অত্যধিক নির্ভরশীলতা। এ দেশের মোট জনসংখ্যার শতকরা ৮৫ ভাগ লোক প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কর কৃষিকাজের সাথে জড়িত, যার ফলে নতুন কোনো প্রযুক্তি সেখানে প্রবেশ করতে বাধা পায়।
৮. চিকিৎসা : স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল। কিন্তু এটা আমাদের দেশে একটা প্রবাদস্বরূপ। কারণ চিকিৎসা ক্ষেত্রে এ দেশের মাথাপিছু বরাদ্দ মাত্র ৩৬ টাকা, যা দ্বারা কোনো উন্নত চিকিৎসা আশা করা যায় না। ফলে ভগ্ন স্বাস্থ্য দ্বারা কোনো উন্নয়ন আশা করা সম্ভব নয়।
৯. প্রাকৃতিক দুর্যোগ : বাংলাদেশে প্রতি বছর ১২/১৩ বার সাইক্লোনের কবলে পতিত হয়, যার মধ্যে ৫/৬ বার অত্যন্ত মারাত্মক আকারে দেখা যায়। এতে আমাদের জনগণের মাথাপিছু আয় হ্রাস পায় এবং জীবনযাত্রার মান নিচু হয়, যা দারিদ্র্যের অন্যতম কারণ।
১০. প্রসূতি ও শিশু মৃত্যুর হার : তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, অশিক্ষা, কুসংস্কার, অস্বাস্থ্য ইত্যাদি কারণে জনগণ স্বাস্থ্য সম্পর্কে অজ্ঞ, যার ফলে প্রতিনিয়ত মা ও শিশু মৃত্যুর হার বেড়েই চলেছে।
১১. রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা : তৃতীয় বিশ্বের এ দেশটিতে ক্ষমতার পালাবদল এবং রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার জন্য কোনো দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয় না। উপজেলা পদ্ধতির বাতিল এর অন্যতম উদাহরণ, ফলে দারিদ্র্য এ দেশ থেকে দূর হয় না।
১২. অনুন্নত যোগাযোগ ও পরিবহণব্যবস্থা : বাংলাদেশের যোগাযোগ ও পরিবহণব্যবস্থা অনুন্নত। ফলে সুষ্ঠু যোগাযোগ ও পরিবহণব্যবস্থার অভাবে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ব্যাহত হচ্ছে। একটি দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ঐ দেশের সঠিক উন্নয়নে বিশেষ করে অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়তা করে থাকে।
উপসংহার : পরিশেষে বলা যায়, উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশের দারিদ্র্যের মাত্রা অত্যন্ত মারাত্মক অবস্থার মধ্যদিয়ে অতিক্রান্ত হয়েছে। তবে এ পরিস্থিতির জন্য উল্লিখিত কারণগুলো বিশেষভাবে দায়ী বা রোধ অনিবার্য। এ কারণগুলো সঠিকভাবে এবং যথাযথভাবে চিহ্নিত করতে পারলে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা সম্ভব হবে। দারিদ্র্যের কারণগুলোর মধ্যে জনগণের অজ্ঞতা, শিক্ষা ও সচেতনতার অভাব, জনসংখ্যার দ্রুত বৃদ্ধি প্রভৃতি কারণগুলো বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। কারণ এগুলো একটির সাথে অন্যটির আন্তঃসম্পর্কিত।

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন: 01979786079
or 01773270077

1 Comment

  1. বাংলাদেশে দারিদ্র্যের কারণগুলো কী কী? বর্ণনা কর।
    অথবা, বাংলাদেশে দারিদ্র্যের কারণসমূহ আলোচনা কর।
    অথবা, বাংলাদেশে দারিদ্র্যের কারণগুলো সম্পর্কে বর্ণনা দাও।উত্তর৷ ভূমিকা :

    সমসাময়িককালে দারিদ্র্য একটি বহুল আলোচিত বিষয়, যা মানবতার প্রতি একটি বড় অভিশাপ । আধুনিক মানবতা বিকাশে দারিদ্র্য একটি মারাত্মক অন্তরায়। অনুন্নত ও তৃতীয় বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশসমূহের বিশেষকরে বাংলাদেশের অনুন্নয়নের অন্যতম কারণ হলো দারিদ্র্য। দারিদ্র্যের দিক থেকে শীর্ষস্থানে স্থানকারী ১৩টি দেশের একটি হয়েছে বাংলাদেশ। এ কারণে বর্তমানে বাংলাদেশের প্রতিটি শিশু প্রায় ৬৫০০ টাকা বিশ্ব ব্যাংকের ঋণের বোঝা

    মাথায় নিয়ে ভূমিষ্ঠ হচ্ছে। আর এ অভিশাপ থেকে মুক্তি পাওয়ার লক্ষ্যে বর্তমানে বিশ্বে ‘দারিদ্র্য বিমোচন’ একটি সামাজিক আন্দোলনে রূপ নিয়েছে।
    দারিদ্র্যের কারণসমূহ (Causes of poverty) :
    দারিদ্র্য মূলত মনুষ্য সৃষ্ট একটি অবস্থা, যার ব্যাখ্যা এভাবে করা যায় :

    বাংলাদেশের দারিদ্র্যের কারণগুলো নিয়ে আলোচনা করা হলো :
    ১. দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র (Poverty cycle) :
    এ চিত্রে দেখা যায়, অনুন্নত দেশসমূহে উৎপাদন কম বলে লোকের আয় কম, আয় কম বলে বিনিয়োগ কম আবার বিনিয়োগ কম হওয়ার কারণে মূলধন কম, মূলধন কম বলে উৎপাদন কম এভাবে এটি চক্রাকারে চলতে থাকে ফলে দেশে দারিদ্র্য বিরাজ করে।
    ২. সম্পদের অসম বণ্টন :
    আমাদের দেশের সম্পদ এক শ্রেণির লোকের হাতে কুক্ষিগত। অর্থাৎ, শতকরা ২০ ভাগ সম্পদ ৮০ ভাগ লোক এবং এবং ৮০ ভাগ সম্পদ ২০ ভাগ লোক ভোগ করেছে। সম্পদের এ অসম বণ্টনের কারণে আমাদের দেশে আরও দারিদ্র্য উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেয়েছে।
    ৩. দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধি :
    এ দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ২.৪৮% এবং প্রতি বর্গ কিলোমিটারে প্রায় ৯৭৫ জন বাস করে, যা অন্যান্য দেশের তুলনায় অত্যন্ত মারাত্মক অবস্থা। এর ফলে জনগণ তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে এবং তাদের প্রয়োজনীয় উৎপাদন করতে সম্পূর্ণ অক্ষম হয়েছে ফলে দারিদ্র্য আরও ভয়ার্তরূপে দেখা দিয়েছে।
    ৪. শিল্পের অগ্রসরতা :
    বাংলাদেশের শিল্পক্ষেত্রে অত্যন্ত অনগ্রসর। মূলধনের স্বল্পতা, কাঁচামাল ও যন্ত্রপাতির অভাব, কারিগরি বিজ্ঞানের অভাব, অনুন্নত পরিবহণ ও যোগাযোগব্যবস্থা প্রভৃতি এ দেশের দ্রুত শিল্পোন্নয়নে বাধা সৃষ্টি করেছে। সুতরাং, শিল্পক্ষেত্রের গশ্চাৎপদতা হলো বাংলাদেশের দারিদ্র্যের অন্যতম কারণ।
    ৫. ভূমিহীনতা :
    ভূমিহীনতা দারিদ্র্যের অন্যতম কারণ। আমাদের দেশের শতকরা ১০ ভাগ পরিবার মোট জমির ৫০ ভাগ এর মালিক এবং শতকরা ৬০ ভাগ পরিবার ভূমিহীন ও বিত্তহীন। মাথাপিছু জমির পরিমাণ ০.৩৮ একর। শতকরা ৭০ ভাগ লোকের খেয়ে বেঁচে থাকার মতো কৃষিযোগ্য ভূমি নেই। মাত্র ২০/৩০ ভাগ লোক তাদের জমির আয় নিয়ে সংসারযাত্রা নির্বাহ করে, যদি বন্যা, প্রাদুর্ভাব, জলোচ্ছ্বাস না দেখা যায় ।
    ৬. দুর্নীতি :
    বলা হয় “Corruption is the eating of vital of the nation.”সুতরাং, অনুন্নয়নের অন্যতম কারণ হলো দুর্নীতি। এসব দেশে এমন কোনো ক্ষেত্র নেই, যেখানে দুর্নীতি হয় না। বাংলাদেশ বর্তমানে সমস্ত দুর্নীতিগ্রস্ত দেশসমূহের শীর্ষস্থানে আছে এবং পর পর ৩ বারের মতো এ অবস্থানে আছে, যার ফলে এ দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন ক্রমশ ভেঙে পড়ছে।
    ৭. কৃষির উপর অত্যধিক নির্ভরশীলতা :
    বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। এ দেশের দারিদ্র্যের অন্যতম কারণ হলো কৃষির উপর অত্যধিক নির্ভরশীলতা। এ দেশের মোট জনসংখ্যার শতকরা ৮৫ ভাগ লোক প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কর কৃষিকাজের সাথে জড়িত, যার ফলে নতুন কোনো প্রযুক্তি সেখানে প্রবেশ করতে বাধা পায়।
    ৮. চিকিৎসা :
    স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল। কিন্তু এটা আমাদের দেশে একটা প্রবাদস্বরূপ। কারণ চিকিৎসা ক্ষেত্রে এ দেশের মাথাপিছু বরাদ্দ মাত্র ৩৬ টাকা, যা দ্বারা কোনো উন্নত চিকিৎসা আশা করা যায় না। ফলে ভগ্ন স্বাস্থ্য দ্বারা কোনো উন্নয়ন আশা করা সম্ভব নয়।
    ৯. প্রাকৃতিক দুর্যোগ :
    বাংলাদেশে প্রতি বছর ১২/১৩ বার সাইক্লোনের কবলে পতিত হয়, যার মধ্যে ৫/৬ বার অত্যন্ত মারাত্মক আকারে দেখা যায়। এতে আমাদের জনগণের মাথাপিছু আয় হ্রাস পায় এবং জীবনযাত্রার মান নিচু হয়, যা দারিদ্র্যের অন্যতম কারণ।
    ১০. প্রসূতি ও শিশু মৃত্যুর হার : তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, অশিক্ষা, কুসংস্কার, অস্বাস্থ্য ইত্যাদি কারণে জনগণ স্বাস্থ্য সম্পর্কে অজ্ঞ, যার ফলে প্রতিনিয়ত মা ও শিশু মৃত্যুর হার বেড়েই চলেছে।
    ১১. রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা :
    তৃতীয় বিশ্বের এ দেশটিতে ক্ষমতার পালাবদল এবং রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার জন্য কোনো দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয় না। উপজেলা পদ্ধতির বাতিল এর অন্যতম উদাহরণ, ফলে দারিদ্র্য এ দেশ থেকে দূর হয় না।
    ১২. অনুন্নত যোগাযোগ ও পরিবহণব্যবস্থা :
    বাংলাদেশের যোগাযোগ ও পরিবহণব্যবস্থা অনুন্নত। ফলে সুষ্ঠু যোগাযোগ ও পরিবহণব্যবস্থার অভাবে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ব্যাহত হচ্ছে। একটি দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ঐ দেশের সঠিক উন্নয়নে বিশেষ করে অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়তা করে থাকে।
    উপসংহার :
    পরিশেষে বলা যায়, উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশের দারিদ্র্যের মাত্রা অত্যন্ত মারাত্মক অবস্থার মধ্যদিয়ে অতিক্রান্ত হয়েছে। তবে এ পরিস্থিতির জন্য উল্লিখিত কারণগুলো বিশেষভাবে দায়ী বা রোধ অনিবার্য। এ কারণগুলো সঠিকভাবে এবং যথাযথভাবে চিহ্নিত করতে পারলে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা সম্ভব হবে। দারিদ্র্যের কারণগুলোর মধ্যে জনগণের অজ্ঞতা, শিক্ষা ও সচেতনতার অভাব, জনসংখ্যার দ্রুত বৃদ্ধি প্রভৃতি কারণগুলো বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। কারণ এগুলো একটির সাথে অন্যটির আন্তঃসম্পর্কিত।

    STOP WITH THIS FUCKING PROTECTED SHITTTTTTTT
    LOSERS

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*