বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত, কততম অধ্যায় ও কোন কোন অধ্যায় থাকছে।
অনার্স ১ম বর্ষ: বাংলাদেশের ইতিহাস: ভাষা, সংস্কৃতি ও পরিচয় (২১৯৯০১) সিলেবাস ও অধ্যায় পরিচিতি
রকেট স্পেশাল শর্ট সাজেশন পেতে এ ক্লিক করুন।
শিক্ষার্থী বন্ধুরা, রকেট সাজেশনস-এর পক্ষ থেকে তোমাদের স্বাগতম। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স প্রথম বর্ষের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ‘বাংলাদেশের ইতিহাস: ভাষা, সংস্কৃতি ও পরিচয় (বিষয় কোড: ২১৯৯০১)’। এই কোর্সটি মূলত আমাদের ভূখণ্ড, ভাষা এবং জাতিসত্তার বিবর্তনের এক পূর্ণাঙ্গ দলিল।
আজকের পোস্টে আমরা এই বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত ৮টি অধ্যায় সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো, যা তোমাদের পরীক্ষার প্রস্তুতিকে আরও সহজ করে তুলবে।
আমাদের App এ আমরা অধ্যায় ভিত্তিক প্রশ্ন উত্তর দিয়েছি আমাদের App টি ডাউনলোড করুন।
সিলেবাসের বিস্তারিত আলোচনা
অধ্যায় ০১: প্রাক-ঔপনিবেশিক যুগ
এই অধ্যায়ে বাংলাদেশের প্রাচীন ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। আর্যদের আগমনের আগের বাংলা, প্রাচীন জনপদ (যেমন: গৌড়, পুণ্ড্র, সমতট), এবং পাল ও সেন বংশের শাসন আমল সম্পর্কে এখানে জানা যায়। এছাড়া সুলতানি আমল ও বাংলার স্বাধীন ভূঁইয়াদের ইতিহাসও এই অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত।
অধ্যায় ০২: ঔপনিবেশিক যুগ (১৮শ ও ১৯শ শতক)
১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলায় ব্রিটিশ শাসনের সূচনা এবং তার পরবর্তী প্রভাব এই অধ্যায়ের মূল বিষয়। চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত, কোম্পানির শাসন এবং ১৯শ শতকের বাংলার নবজাগরণ (Social and Religious Reform Movements) সম্পর্কে এখানে বিস্তারিত আলোকপাত করা হয়েছে।
অধ্যায় ০৩: ঔপনিবেশিক যুগ (২০শ শতকের প্রথমার্ধ)
এই অধ্যায়ে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন, ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ এবং তার রদ, খেলাফত ও অসহযোগ আন্দোলন এবং ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। মূলত ভারত ও পাকিস্তান সৃষ্টির আগের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এখানে গুরুত্ব পেয়েছে।
অধ্যায় ০৪: বিভাজন-পরবর্তী যুগ (১৯৪৭-১৯৭১)
১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর পাকিস্তান শাসনামলে পূর্ব বাংলার (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) বঞ্চনার ইতিহাস এই অধ্যায়ের মূল ভিত্তি। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪-এর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৬৬-এর ছয় দফা এবং ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান সম্পর্কে এখানে বিস্তারিত পড়তে হবে।
অধ্যায় ০৫: বাঙালি পরিচয়ের পরিবর্তন
বাঙালি জাতি হিসেবে আমাদের আত্মপরিচয়ের বিবর্তন কীভাবে হয়েছে, তা এখানে আলোচিত। ভাষা, ধর্ম এবং আঞ্চলিকতার ঊর্ধ্বে উঠে কীভাবে একটি ‘বাঙালি জাতীয়তাবাদ’ তৈরি হলো, তার তাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক বিশ্লেষণ এই অধ্যায়ের মূল উপজীব্য।
অধ্যায় ০৬: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ও ২০২৪ এর অভ্যুত্থান
এটি সিলেবাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এখানে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি, বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ, অপারেশন সার্চলাইট এবং চূড়ান্ত বিজয় নিয়ে আলোচনা আছে। পাশাপাশি, সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের গুরুত্ব ও প্রভাব সম্পর্কেও ধারণা দেওয়া হয়েছে।
অধ্যায় ০৭: অন্যান্য নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর ইতিহাস
বাংলাদেশ কেবল বাঙালিদের নয়, এখানে রয়েছে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি। চাকমা, মারমা, সাঁওতাল, গারোসহ বিভিন্ন আদিবাসী সম্প্রদায়ের ইতিহাস, জীবনযাত্রা এবং আমাদের জাতীয় ইতিহাসে তাদের অবদান এই অধ্যায়ে তুলে ধরা হয়েছে।
অধ্যায় ০৮: সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং আধুনিক রূপান্তর
শেষ অধ্যায়ে বাংলাদেশের লোকজ সংস্কৃতি, মেলা, উৎসব, স্থাপত্য এবং শিল্পের বিবর্তন নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। আমাদের হাজার বছরের ঐতিহ্য কীভাবে আধুনিক যুগে এসে পরিবর্তিত ও পরিমার্জিত হচ্ছে, তা এখানে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
পরীক্ষার প্রস্তুতির টিপস
এই বিষয়টিতে ভালো নম্বর পেতে হলে প্রতিটি অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বদের নাম সঠিকভাবে মনে রাখা জরুরি।
রকেট সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন।
আমাদের সাথেই থাকুন।

All the best