
ক বিভাগ (অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন)
১। ফার্মাটের নীতি কি?
উঃ আলোক রশ্মির এক সেট মাধ্যমের মধ্য দিয়ে গমনের ক্ষেত্রে সর্বদা সেই পথই অনুসরণ করে যে পথে সর্বনিম্ন সময় লাগে। অর্থাৎ কোনো আলোক রশ্মির প্রতিফলন বা প্রতিসরণের সূত্র মেনে কোনো সমতল পৃষ্ঠে প্রতিফলিত বা প্রতিসৃত হলে, সেটি সর্বদা ক্ষুদ্রতম পথ অনুসরণ করে।
২। অনুবন্ধী ফোকাস কাকে বলে?
উঃ কোনো গোলীয় দর্পনের উপর এমন দুটি বিন্দু যার
একটি বস্তু রাখলে অন্যটিতে তার বিশ্ব গঠিত হয়, তবে
একটিকে অপরটির অনুবন্ধী ফোকাস বলে।
৩। ফোকাস তল কাকে বলে?
উঃ কোনো লেন্সের প্রধান ফোকাসের মধ্য দিয়ে এর
প্রধান অক্ষের সাথে লম্বভাবে যে তল কল্পনা করা হয়,
তাকে এর ফোকাস তল বলে।
৪। কৌণিক বিবর্ধন কি?
উঃ কৌণিক বিবর্ধন বলতে প্রতিসৃত রশ্মি এবং
আপতিত রশ্মি প্রধান অক্ষের সাথে যে কোণদ্বয় উৎপন্ন করে তাদের অনুপাতকে বুঝায়। একে সাধারণত দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
৫। অ্যাপ্লানেটিক লেন্স কি?
উঃ একটি স্বচ্ছ গোলককে যদি লেন্স হিসেবে ব্যবহার
করা হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে সর্বদা এক জোড়া বিন্দু পাওয়া যাবে, যার একটিতে উৎস স্থাপন করলে অপরটিতে গোলাপেরণের মুক্ত প্রতিবিম্ব পাওয়া যাবে। এই বিশেষ জোড়া বিন্দুকে অ্যাপ্লানেটিক বিন্দু এবং উক্ত তলকে অ্যাপ্লানেটিক তল ও এরূপ লেন্স
অ্যাপ্লানেটিক লেন্স বলে।
৬। অবাস্তব প্রতিবিম্ব কাকে বলে?
উঃ কোনো একটি বিন্দু হতে কতগুলো আলোক রশ্মি
নিঃসৃত হয়ে কোনো একটি তলে প্রতিফলিত বা কোনো
একটি মাধ্যমে প্রতিসৃত হবার পর যদি অপর কোনো
একটি বিন্দু হতে অপসৃত হচ্ছে বলে প্রতীয়মান হয়, তবে দ্বিতীয় বিন্দুটিকে প্রথম বিন্দুর অবাস্তব প্রতিবিম্ব বলে।
৭। সমতুল্য লেন্স কি?
উঃ কোনো একটি লেন্সের ক্রিয়া পাশাপাশি অবস্থিত
দুই বা ততোধিক লেন্সের ক্রিয়ার সমতুল্য হলে উক্ত
একক লেন্সটিকে ঐ লেন্সগুলোর সমতুল্য লেন্স বলে।
৮। পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন কি?
উঃ আলোকরশ্মি যখন ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যে
সংকট কোণের চেয়ে বড় মানের কোণে আপতিত হয় প্রতিসরণের পরিবর্তে আলোকরশ্মি সম্পূর্ণরূপে প্রত
মাধ্যমের অভ্যন্তরে প্রতিফলনের সূত্রানুযায়ী প্রতিফলিত হন এই ঘটনাকে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন বলে ।
৯। আলোক অক্ষ কি?
উঃ কর্ণিয়া ও চক্ষু লেন্সের কেন্দ্রবিন্দুর সংযোগকারী
সরলরেখাকে আলোক অক্ষ বলে।
১০। রশ্মি ম্যাট্রিক্স কাকে বলে?
উঃ আলোকীয় সিস্টেমের সাথে জড়িত চলকসমূহ বস্তুর দূরত্ব, বিশ্ব দূরত্ব, ফোকাস দূরত্ব ইত্যাদি
নিয়ে গঠিত ম্যাট্রিক্সেকে রশ্মি ম্যাট্রিক্স বলা হয়।
১১। গোলাপেরণ বলতে কী বুঝ?
উঃ প্রধান অক্ষের কোনো বিন্দু উৎস হতে আগত রশ্মিগুচ্ছ কোনো গোলকীয় তলের বিকৃতি উন্মোষে আপতিত হয়ে প্রতিফল বা প্রতিসরণের পর প্রধান অক্ষের বিভিন্ন বিন্দুতে মিলিত হয় এবং একই বস্তুর একাধিক প্রতিবিম্ব সৃষ্টি করে। প্রতিবিম্বের এই ধরনের ত্রুটিকে গোলাপেরণ বলে।
১২। কোমা কি?
উঃ কোমা প্রতিবিম্বের সাধারণ ত্রুটির মধ্যে একটি।
কোমার ফলে প্রতিবিম্ব অনেকটা ধূমকেতুর আকৃতি লাভ করে।
১৩। বিন্দু উৎস কী?
উঃ যে আলোক উৎস থেকে নির্দিষ্ট তরঙ্গমালার
বিকিরণ নির্গত হয় তাকে বিন্দু উৎস বলে।
১৪। সুসংগত আলোক উৎসের সংজ্ঞা দাও।
উঃ দুটি উৎস থেকে একই তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের আলোক
তরঙ্গ উৎপন্ন হয়ে নির্দিষ্ট দশা পার্থক্যে নির্গত হলে এবং
ঐ দশা পার্থক্য সর্বদা স্থির থাকলে উৎসদ্বয়কে সুসংগত উৎস বলে।
১৫। লেজার আলো কেন সুসংহত?
উঃ লেজার আলো সুসংহত হওয়ার কারণ হলো এই
আলোক উৎস হতে নির্গত আলোক তরঙ্গ সর্বদা সমদশা বিরাজ করে এবং এই আলোক উৎস হতে একই বিস্তার, কম্পাঙ্ক ও তরঙ্গদৈর্ঘ্যবিশিষ্ট আলোক তরঙ্গ নির্গত হয়।
১৬। কালিক কোহেরেন্স বা সংসক্ততা কী?
উঃ কোনো আলোক উৎসের জন্য কম্পাঙ্ক ব্যবধান
বৃদ্ধির সাথে সাথে সাইন সদৃশ তরঙ্গের সময় দৈর্ঘ্য হ্রাস
পায়। ফলে কোহেরেন্স কাল হ্রাস পায়। এই ঘটনাকে
কালিক কোহেরেন্স বলে।
১৭। রেখাগ্রস্থ কী?
উঃ যখন ব্যতিচারী রশ্মিদ্বয়ের পথপার্থক্য শূন্য অথবা
খুবই কম হয় তখন বিভিন্ন উপাংশ তরঙ্গের দরুন
ব্যতিচার ঝালর পরস্পর আরোপিত হয় ফলে ঝালরের
উদ্ধতা উচ্চমানের হয়। আবার পথ পার্থক্য বৃদ্ধি পেলে
ঝালরের তুলনামূলক উজ্জ্বলতা হ্রাস পায়। আর এই
ঝালরের হ্রাস বৃদ্ধির পার্থক্যই হলো রেখা গ্রস্থ।
১৮। কোহেরেন্স কাল কাকে বলে?
উঃ যে গড় সময় যাবত তরঙ্গ সাইনুসয়ডাল থাকে
এবং তরঙ্গ প্যাকেটের দশা অপরিবর্তিত থাকে তাকে
সংসক্ততা বা কোহেরেন্স সময় বলে।
১৯। আলোর ব্যতিচার কাকে বলে?
উঃ কোনো মাধ্যমের কোনো একটি বিন্দুর মধ্য দিয়ে
একই রং, কম্পাংক ও বিস্তারের দুটি আলোক তরঙ্গ দুটি উপরিপাতনের ফলে বিন্দুটি কখনও উজ্জ্বল, কখনও অন্ধকার দেখায় এই ঘটনাকে আলোর ব্যতিচার বলে।
২০। তরঙ্গের উপরিপাতন নীতি কাকে বলে?
উঃ কোনো মাধ্যমে কোনো একটি কশার উপর একই সাথে দুটি
তরঙ্গ আপতিত হলে কণাটির যে লব্ধি সরণ ঘটে, তা তরঙ্গ দুটি কর্তৃক আলাদাভাবে কশাটির যে দুটি সরণ ঘটে তাদের বীজগাণিতিক যোগফলের সমান হয়। অর্থাৎ লব্ধি সরণ, y =yi = y2 যেখানে y ও y2 হলো তরঙ্গদ্বয় কর্তৃক সৃষ্ট কণাটির সরণ।
২১। গৌণ তরঙ্গ উৎস কী?
উঃ যে বিন্দু থেকে তরঙ্গ সঞ্চালিত হয় তাকে
প্রাথমিক তরঙ্গ উৎস বলে। কিন্তু আপাত দৃষ্টিতে অন্য
কোনো বিন্দু থেকে সঞ্চালিত হয় বলে মনে করা হয় তাই ঐ বিন্দুকে গৌণ তরঙ্গ উৎস বলে।
২২। ধ্বংসাত্মক ব্যতিচার কাকে বলে?
উঃ দুটি তরঙ্গ পরস্পর বিপরীত দশায় মিলিত হলে
যে ব্যতিচার সৃষ্টি হয়, তাকে ধ্বংসাত্মক ব্যতিচার বলে।
২৩। ব্যতিচার ঝালর বলতে কি বুঝ?
উঃ ব্যতিচারের ঘটনায় কোনো তলে বা পদার্থে
অনেকগুলো পরস্পর সমান্তরাল উজ্জ্বল ও অন্ধকার রেখা দেখা যায়। এই উজ্জ্বল ও অন্ধকার রেখাগুলোকে আলোর ব্যতিচার ঝালর বলে।
২৪। নিউটন বলয় কাকে বলে?
উঃ একটি মসৃণ কাচ ফলকের উপর একটি দীর্ঘ
ব্যাসার্ধের সমতলোত্তল লেন্স স্থাপন করলে এদের মধ্যে
যে ক্রমবর্ধমান পুরুত্বের ক্ষীণ বায়ুস্তর আবদ্ধ হয় এর
উপর একবর্ণী আলোক অভিলম্ব ভাবে ফেললে বায়ুস্তরের উপর ও নিচতল হতে প্রতিফলিত আলোক রশ্মিদ্বয়ের ব্যতিচারে সমকেন্দ্রিক বহু সংখ্যক পর্যায় ক্রমিক উজ্জ্বল ও অন্ধকার রিং উৎপন্ন হয়। এদের নিউটন রিং বলে ।
২৫। হাইগেন্স-এর নীতি কি?
উঃ কোনো তরঙ্গমুখের প্রতিটি বিন্দুই এক একটি
গৌণ তরঙ্গ উৎস হিসেবে ক্রিয়া করে এবং গৌণ
তরঙ্গগুলো মূল তরঙ্গের সমান বেগে মাধ্যমের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয়। যেকোনো সময়ে অঙ্কিত গৌণ তরঙ্গ
উৎসগুলোর স্পর্শক তল ঐ সময়ের নতুন তরঙ্গমুখের
অবস্থান নির্দেশ করে।”
২৬। দ্বি-প্রিজম বলতে কি বুঝ?
উঃ ক্ষুদ্র প্রতিসারক কোণবিশিষ্ট দুটি প্রিজমকে
যুক্তকরণে একটি প্রিজমের ন্যায় আচরণ করে এই
প্রিজমের আবিষ্কারক বিজ্ঞানী ফ্রেনেলের নামানুসারে একে ফ্রেনেলের দ্বি-প্রিজম বলা হয়।
২৭। আলোর অপবর্তন বলতে কি বুঝ?
উঃ আলো সব সময় সরল পথে চলে না। কোনো অস্বচ্ছ প্রতিবন্ধকের ধার বা কিনারা ঘেষে চলার সময় আলো সামান্য বেঁকে যায়। এই ঘটনাকে আলোর অপবর্তন বলে ।
২৮। গ্রেটিং-এর বিশ্লেষণ ক্ষমতা কাকে বলে?
উঃ কোনো ট্রান্সমিশন গ্রেটিং কর্তৃক কাছাকাছি তরঙ্গ
দৈর্ঘ্যের দুটি বর্ণালী রেখাকে পৃথক করার ক্ষমতা কে বা
সামর্থ্যকে ঐ গ্রেটিং এর বিশ্লেষণ ক্ষমতা বলে ।
২৯। গ্রেটিং ধ্রুবক কাকে বলে?
উঃ আমরা জানি, কোনো গ্রেটিং-এর প্রত্যেক রেখা
প্রতিবন্ধক হিসেবে এবং দুটি পাশাপাশি রেখার মধ্যবর্তী বাঁকাস্থান চিড় হিসেবে কাজ করে। যদি চিড়ের বিস্তার এবং রেখার বিস্তার b হয়, তবে পাশাপাশি একটি চিড় ও একটি রেখার মধ্যবর্তী দূরত্ব (a + b), এ দূরত্ব (a + b)- কে গ্রেটিং ধ্রুবক বা গ্রেটিং উপাদান বলে ।
৩০। অপবর্তন গ্রেটিং কি?
উঃ সম ব্যবধানে সমান্তরালভাবে খুবই কাছাকাছি
স্থাগিত অনেক সংখ্যক সমপ্রস্থের সূক্ষ্ম চিড়সম্পন্ন পাতকে অপবর্তন গ্রেটিং বলে।
৩১। অর্ধ-পর্যায় অঞ্চল কি?
উঃ একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে আলোক তীব্রতা নির্ণয়ের
জন্য বিজ্ঞানী ফ্রেনেল একটি বিশেষ পদ্ধতিতে সমগ্র
তরঙ্গমুখকে কতকগুলো অঞ্চলে বিভক্ত করেন। এই
অঞ্চলগুলোকে অর্ধপর্যায় অঞ্চল বলে ।
৩২। আলোকের সমবর্তন কি?
উঃ যে প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন তলে কম্পমান আলোর তড়িৎ
ভেক্টরগুলোকে একটি নির্দিষ্ট তল বরাবরকম্পনক্ষম করা যায়, তাকে আলোকের সমবর্তন বলে।
৩৩। সমবর্তিত আলো কাকে বলে?
উঃ যে আলোর তড়িৎ ভেক্টর গুলো একটি নির্দিষ্ট তলে
কম্পমান থাকে, তাকে সমতল সমবর্তিত আলো বলে।
৩৪। অসমবর্তিত আলো কাকে বলে?
উঃ যে আলোর তড়িৎ ভেক্টরগুলো বিভিন্ন তলে
কম্পমান থাকে, তাকে অসমবর্তিত আলো বলে।
৩৫। সমবর্তন কোণ কী?
উঃ কোনো প্রতিফলক মাধ্যমে আপতন কোণের মান
ধীরে ধীরে পরিবর্তন করলে যে আপতন কোণের জন্য
সমবর্তন সর্বাধিক হবে, তাকে সমবর্তন কোণ বলে।
৩৬। ব্রীউস্টারের সূত্রটি (Brewsteris Law) বিবৃত কর।
উঃ স্যার ডেবিড ব্রীউস্টার নামক একজন বিজ্ঞানী
১৮১১ সালে সমবর্তন কোণ সম্পর্কে একটি সূত্র আবিষ্কার করেন। তার নামানুসারের একে ব্রীউস্টার এর সূত্র বলে। সূত্রটি নিম্নরূপ — “সমবর্তন কোণের ট্যানজেন্টের মান সংখ্যাগতভাবে প্রতিফলক মাধ্যমের প্রতিসরাংকের সমান।”
৩৭। ম্যালাসের সূত্রটি লিখ।
উঃ সমতল সমবর্তিত আপতিত রশ্মির স্পন্দন দ্বি-
প্রতিসারক কেলাসের প্রধান ছেদের সাথে কোনো কোণ
উৎপন্ন করলে নির্গত রশ্মিদ্বয়ের তীব্রতার সমষ্টি আপতিত রশ্মির তীব্রতার সমান।
৩৮। আলোক সক্রিয়তা কি?
উঃ বেশ কিছু সলিড ক্রিস্টাল তরল ও জৈব পদার্থ
সমবর্তিত আলোর কম্পন তলকে একটি কোণে ঘুরিয়ে
দিতে পারে। বস্তুর এরূপ ধর্মকে আলোক সক্রিয়তা
বলে। উদহারণ- কোয়ার্টজ, চিনি, টারটারিক এসিড
ইত্যাদি আলোক সক্রিয় পদার্থ।
৩৯। দ্বৈত প্রতিসরণ কাকে বলে?
উঃ কতকগুলো বিশেষ ধরনের কেলাসের মাধ্যমে
আলোক রশ্মি প্রতিসৃত হয়ে দুটি রশ্মিতে বিভক্ত হওয়ার ঘটনাকে দ্বৈত প্রতিসরণ বলে।
৪০। দুটি হি-অক্ষীয় কেলাসের নাম লিখ।
উঃ যে সকল কেলাসে আলোকে রশ্মির দ্বৈত প্রতিসরণ
সংঘটিত হয় তাকে দ্বৈত প্রতিসারক কেলাস বলে।
৪১। পোলারিমিটার কি?
উঃ আলোক সক্রিয় দ্রবণের অপবর্তন কোন
পরিমাপের জন্য যে যন্ত্র ব্যবহার করা হয় তাকে
পোলারিমিটার বলে।
৪২। আপেক্ষিক আবর্তন কি?
উঃ নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় ও নির্দিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের একবনী
সমতল সমবর্তিত আলোক একক গ্রাম/সিসি গাঢ়ত্বের
একক ডেসিমিটার দৈর্ঘ্যের আলোেক সক্রিয় দ্রবণ
অতিক্রমকালে এর সমবর্তন তল যে কোণে ঘুরে যায়
তাকে দ্রবণের আপেক্ষিক আবর্তন বলে।
৪৩। স্পেকট্রোমিটার কি?
উঃ স্পেকট্রোমিটার বা বর্ণালী বিক্ষণ যন্ত্র এমন একটি
আলোকীয় যন্ত্র যার সাহায্যে আলোর বিভিন্ন বর্ণের জন্য প্রিজম পদার্থের প্রতিসরাংক ও বিভিন্ন বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য নির্ণয় করা যায়। একেই স্পেকট্রোমিটার বলে।
৪৪। থমসন বিক্ষেপণ বলতে কি বুঝ?
উঃ অতিউচ্চ কম্পাংকের বিকিরণের বিক্ষেপণ
প্রস্থচ্ছেদ কম্পাংকের উপর নির্ভরশীল নয়। একে থমসন বিক্ষেপণ বলে।
৪৫। কৌণিক বিচ্ছুরণের সংজ্ঞা দাও।
উঃ সাদা আলোক রশ্মি প্রিজমের মধ্য দিয়ে গমনকালে
প্রতিসরণের ফলে সাতটি মূল বর্ণে বিভক্ত হয় এবং এরূপ ক্ষেত্রে প্রান্তস্থ লাল ও বেগুনি রশ্মির সাপেক্ষে কৌণিক বিচ্যুতির পার্থক্যকে কৌণিক বিচ্ছুরণ বলে।

খ-বিভাগ (সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন)
১। ফার্মাটের নীতি বর্ণনা ও প্রমাণ কর। ১০০%
২। অবিন্দুকত্ব কী? ইহা সংশোধনের উপায় বর্ণনা কর। ১০০%
৩। কিভাবে গোলাপেরন ত্রুটি দূর করা যায়? ১০০%
৪। কোহেরেন্স দৈর্ঘ্যের সমীকরণ প্রতিপাদন কর। ১০০%
৫। ইয়ং-এর দ্বি-চির পরীক্ষার আলোকে স্থানিক কোহেরেন্স-এর ব্যাখ্যা দাও। ১০০%
৬। আলোর ব্যতিচার বলতে কি বুঝ? গাণিতিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে ব্যতিচার সৃষ্টির শর্তসমূহ প্রতিপাদন কর। ১০০%
৭। ফ্রেনেলের যুগ্ম প্রিজমের গঠন বর্ণনা কর। এর সাহায্যে আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য নির্ণয় পদ্ধতি বর্ণনা কর। ১০০%
৮। মাইকেলসন ইন্টারফেরোমিটারের গঠন ও কার্যনীতি বর্ণনা কর। ১০০%
৯। ব্যতিচার শক্তির নিত্যতার সূত্র মেনে চলে—ব্যাখ্যা কর। ৯৯%
১০। একক চিরে ফ্রনহফার অপবর্তন ব্যাখ্যা কর। ৯৯%
১১। ফ্রেনেল ও ব্রুনহষ্কার শ্রেণির অপবর্তনের মধ্যে পার্থক্য লিখ। ৯৯%
১২। মণ্ডল ফলক ও উত্তল লেন্সের মধ্যে তুলনা কর। ৯৯%
১৩। আলোর বিক্ষেপণ বলতে কী বুঝ? ৯৯%
১৪। বিক্ষেপণ কী? থমসন ও র্যালে বিক্ষেপণের মধ্যে পার্থক্য লিখ। ৯৯%
১৫। আবদ্ধ ইলেকট্রন দ্বারা বিক্ষেপণ আলোচনা কর। দেখাও যে, অতি উচ্চ কম্পাংকে বিক্ষেপণ গ্রন্থচ্ছেদ কম্পাংক অনির্ভর। ৯৯%
গ-বিভাগ (রচনামূলক প্রশ্ন)
১। (ক) জ্যামিতিক আলোকবিজ্ঞান— এ ম্যাটিক্স পদ্ধতি প্রয়োগের সুবিধা কী? ১০০%
(খ) ফারম্যাটের নীতি থেকে আলোর প্রতিসরণের সূত্রগুলো প্রমাণ কর। ১০০%
২।(ক) দেখাও যে, একক লেন্স কখনও অবার্ণ হতে পারে না। ১০০%
(খ) কাচের তৈরি দুটি পাতলা উত্তল লেন্সকে একই অক্ষের উপর খানিকটা ব্যবধানে রেখে সমবায় গঠন করা হলো। লেন্সদ্বয়ের ফোকাস দূরত্ব ভিন্ন । সমবায়ের আবার্ণতার শর্ত নির্ণয় কর। ১০০%
৩।(ক) একটি পুরু লেন্সের জন্য সিস্টেম ম্যাট্রিক্স নির্ণয় কর এবং তা থেকে লেন্সের সমীকরণ নির্ণয় কর। ১০০%
(খ) অবার্ণ যুগল ব্যাখ্যা কর। ১০০%
৪।(ক) অসীমে ফোকাসিং এর জন্য যৌগিক অণুবীক্ষণ যন্ত্রের বিবর্ধনের রাশিমালা প্রতিষ্ঠা কর। ১০০%
(খ) ক্রাউন কাচ ও ফ্লিন্ট কাচের বিচ্ছুরণ ক্ষমতা যথাক্রমে 0.036 এবং 0.072। দু’টি পাতলা লেন্সের ফোকাস দূরত্ব নির্ণয় কর যারা সংলগ্নে থেকে 50 cm ফোকাস দূরত্বের অবার্ন সমবায় গঠন করে। ১০০%
৫। (ক) একটি নভো দূরবীক্ষণ যন্ত্রের অভিলক্ষের ফোকাস দূরত্ব 4m। অসীম দূরত্বে ফোকাসিং এর জন্য বিবর্ধন 100 হলে অভিনেত্রের ফোকাস দূরত্ব কত? ১০০%
(খ) দুটি পদার্থ A-ও-B এর বিচ্ছুরণ ক্ষমতা যথাক্রমে 0.2 ও 0.4। এ দুটি পদার্থে তৈরি সংলগ্ন লেন্সের সাহায্যে একটি অভিসারী লেন্স সমবায় গঠন করা হলো যার ফোকাস দূরত্ব 30 cm। লেন্সদ্বয়ের ফোকাস দূরত্ব বের কর। ১০০%
৬। (ক) 20cm এবং 15cm ফোকাস দূরত্বের দুটি পাতলা উত্তল লেন্সকে সমাক্ষীয়ভাবে পরস্পর 10cm ব্যবধানে স্থাপন করা হল। সমতুল্য ফোকাস দূরত্ব ও সমতূল্য লেন্সের অবস্থান নির্ণয় কর। ১০০%
(খ) একটি আলোকীয় ফিল্টারের রেখা গ্রন্থ 1.5nm এবং গড় তরঙ্গদৈর্ঘ্য 550nm। ফিল্টারে সাদা আলো আপতিত হলে কোহারেন্স দৈর্ঘ্য এবং তরঙ্গমালার তরঙ্গ সংখ্যা নির্ণয় কর। ১০০%
৭। (ক) ফেব্রি-পেরট ব্যতিচার মাপক যন্ত্রের সাহায্যে সোডিয়াম D, ও D, রেখার তরঙ্গ-দৈর্ঘ্যের পার্থক্য নির্ণয় কর। ১০০%
(খ) নিউটন রিং-এর কেন্দ্রীয় পঢ়ি অন্ধকার হয় কেন? ব্যাখ্যা কর। ১০০%
৮। (ক) ইয়ং এর ছি চিড় পরীক্ষায় সৃষ্ট ঝলর গ্রন্থের রাশিমালা নির্ণয় কর। ১০০%
(খ) প্রতিফলিত আলোর ব্যতিচারের ক্ষেত্রে প্রাবল্যের চরম ও অবমের শর্ত প্রতিষ্ঠা কর। ১০০%
৯। (ক) মাইকেলসনের ব্যতিচার মাপকযন্ত্রের যে কোনো একটি দর্পণকে 0.233 মি.মি. স্থানান্তরিত করলে দুরবীক্ষণ যন্ত্রের রেখন তারে 792 সংখ্যক ঝালর অতিক্রম করে। আলোকের তরঙ্গদৈর্ঘ্য কত? ৯৯%
(খ) একটি দ্বিচির পরীক্ষায় 5890 A তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো দ্বারা চির দু’টিকে আলোকিত করে চিরের খুব কাছাকাছি 2m ফোকাস দৈর্ঘ্যের একটি উত্তল লেন্স স্থাপন করা হলো। যদি চিরদ্বয়ের মধ্যে ব্যবধান 0.4mn হয় তবে লেন্সের ফোকাস তলে অবস্থিতপর্দায় গঠিত ডোরা গ্রন্থ কত? ৯৯%
১০। (ক) একটি নিউটন রিং পরীক্ষায় ৩য় ও ২৩তম রিং-এর ব্যাস যথাক্রমে 0.181cm 30.501cm পাওয়া গেলো। ব্যবহৃত আলোর তরঙ্গ- দৈর্ঘ্য 5890Å হলে সমতলোত্তল লেন্সটির বক্রতার ব্যাসার্ধ কত? ৯৯%
(খ) 5890Å তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো দ্বারা আলোকিত একটি রেখাছিদ্র হতে 5cm দূরে একটি দ্বি-প্রিজম স্থাপন করলে দুটি অবাস্তব প্রতিবিম্বের দূরত্ব 5mm হয়। দ্বি-প্রিজম থেকে 60cm দূরে স্থাপিত পর্দায় সৃষ্ট ঝলরের বেধ নির্ণয় কর। ৯৯%
১১। (ক)প্রিজম বর্ণালী ও গ্রেটিং বর্ণালীর পার্থক্য কর। ৯৯%
(খ) গ্রেটিং এর সাহায্যে একবর্ণী আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য নির্ণয়ের একটি পরীক্ষা বর্ণনা কর। ৯৯%
১২। (ক) একটি মণ্ডল ফলকের কেন্দ্রীয় অঞ্চলের ব্যাস 1.5cm উহা হতে 5cm দূরে একটি বিন্দু আলোক উৎস স্থাপন করলে ২য় বিশ্বের অবস্থান নির্ণয় কর। আলো তরঙ্গদৈঘ্য 5890 A. ৯৯%
(খ) একটি সমতল গ্রেটিংয়ের 6000Å তরঙ্গদৈর্ঘ্যের প্রথম পর্যায়ে 30° কোণে অপবর্তিত হয়। গ্রেটিংয়ের প্রতি সেন্টিমিটারে রেখার সংখ্যা কত? গ্রেটিং ধ্রুবক নির্ণয় কর। ৯৯%
১৩। (ক) একটি গ্রেটিং এ প্রতি সেমি. এ 1000 সংখ্যক রেখা আছে। 6000Å তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলোকের উপর লম্ভাবে আপতিত হলে কত পর্যায়ের বর্ণালি রেখা দেখা যাবে। ৯৯%
(খ) দ্বি-চিড় ফ্রনহকার অপবর্তন নকশায় অনুপস্থিত ক্রমগুলো নির্ণয় কর। চিড়দ্বয়ের গ্রন্থ 15x10m এবং পারস্পারিক দূরত্ব 6x10m4। ৯৯%
১৪। (ক)সমতল সমবর্তিত আলো ও বৃত্তাকার সমবর্তিত আলো বর্ণনা কর। ৯৯%
(খ) সমবর্তিত আলো ও অসমবর্তিত আলোর মধ্যে পার্থক্য কর। ৯৯%
১৫। (ক) পোলারয়েড কী? এটা কিভাবে তৈরি করা হয়? এর ব্যবহার লিখ। ৯৯%
(খ) ব্র্যাগের সূত্রটি বিবৃত ও প্রতিপাদন কর। ৯৯%

Why there are no answers of these question? Its very ridiculous. We already can find these question very easily but hardly can find their answers. So put answers with the question if u really wanna do help of a student though the shortcut answers..