ডিগ্রি ২য় বর্ষ(২০১৯-২০) নিয়মিত ও প্রাইভেট শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফরম পূরণ চলবে ৭/০২/২০২৩ থেকে ৭/০৩/২০২৩ পর্যন্ত। *পরীক্ষা হবে কেন্দ্র খালি থাকলে এপ্রিলের শুরুতে বা ঈদের পরপরই। কলেজসমূহে ফরম পূরণ ফি ১৫০০ এর মধ্যে।

সুশাসনে নারীর অংশগ্রহণ কেন দরকার?

অথবা, সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নারীর অংশগ্রহণ কেন গুরুত্বপূর্ণ?
অথবা, সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নারীর অংশগ্রহণ কেন জরুরি?
অথবা, সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নারীর অংশগ্রহণ কেন প্রয়োজন?
অথবা, সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নারীর অংশগ্রহণের গুরুত্বপূর্ণ দিক উল্লেখ কর।
অথবা, সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নারীর অংশগ্রহণের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সংক্ষেপে লিখ।
উত্তর৷ ভূমিকা :
সুশীল সমাজের সুশাসনের ধারণার মধ্যেও অনেক সময় সামাজিক গ্রুপ হিসেবে নারীদের প্রতি বৈষম্যমূলক মনোভাব দেখা যায়। কর্মক্ষেত্রেও নারী পুরুষের ক্ষমতা অসম। এর প্রকাশে ঘটে বিভিন্ন পেশায় নারীর প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধকরণ মজুরি বা বেতন বৈষম্যের মধ্যে। নিম্নে সুশাসনে নারীর অংশগ্রহণ কেন জরুরি তা আলোচনা করা হলো :
১. গুণগত ভিন্নতা আনয়ন : প্রথমত নারীরা গভর্নেন্স প্রক্রিয়ায় গুণগত ভিন্নতা আনয়ন করে। এটি আজ স্বীকৃত সত্য যে, নারীরাও গভর্নেন্সের ক্ষেত্রে নতুন ধ্যানধারণা, শক্তি, উৎসাহ, উদ্দীপনা ও নয়া তত্ত্ব আনতে সক্ষম। কেননা নারীদের সুপ্ত প্রতিভা ও দক্ষতা গভর্নেন্স প্রক্রিয়াকে গুণগতভাবে সমৃদ্ধ করতে পারে।
২. জনগণকে অধিকমাত্রায় সম্পৃক্তকরণ : নারী জনগণের অধিক অংশগ্রহণ ও সম্পৃক্ততাকে প্রয়োজনীয় করে তুলতে সক্ষম। যদিও নারী ও পুরুষ উভয়ই মানুষের মতামত বিবেচনায় নেয় কিন্তু দেখা যায়, নারী নেতৃত্বের প্রতি এক ধরনের অবজ্ঞা থাকে। ফলে জনগণকে অংশগ্রহণ করানোর ক্ষেত্রে পুরুষের চেয়ে নারীকে অনেক বেশি সংগ্রাম করতে হয়।
৩. সহজাত বৈশিষ্ট্য : সুশাসন প্রক্রিয়ায় নারীরা অনেক বেশি সৎ থাকে এবং যে কোনো পরিস্থিতি সম্পর্কে নিখুঁত ও স্পষ্ট তথ্য তুলে ধরে। নারীরা সহজাত বৈশিষ্ট্যের কারণে নেতার চেয়ে এবং নেত্রীরাই জনগণের কাছে সহজগম্য হয় এবং নেত্রীর কাছে জনগণ সাবলীলভাবে মত প্রকাশ করতে অনেক বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে।
৪. নারীরা কম দুর্নীতিপরায়ণ : পুরুষদের তুলনায় নারীরা কম দুর্নীতিপরায়ণ হয়। বিভিন্ন দেশের সংগৃহীত তথ্য থেকে এটি প্রমাণিত হয় যে, যেখানে সকল স্তরের শ্রমশক্তিতে নারীদের অংশগ্রহণ বেশি এবং সংসদে নারীর আসন সংখ্যা বেশি, সেখানে দুর্নীতির হারও তুলনামূলকভাবে অনেক কম।
উপসংহার : পরিশেষে আমরা বলতে পারি, উপরের আলোচনা থেকে প্রমাণিত হয় যে পুরুষের তুলনায় নারীরা কাজের প্রতি বেশি আন্তরিক ও সচেতন। তাই সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নারীর বেশি মাত্রায় অংশগ্রহণ জরুরি।

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন: 01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!