ডিগ্রি ২য় বর্ষ(২০১৯-২০) নিয়মিত ও প্রাইভেট শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফরম পূরণ চলবে ৭/০২/২০২৩ থেকে ৭/০৩/২০২৩ পর্যন্ত। *পরীক্ষা হবে কেন্দ্র খালি থাকলে এপ্রিলের শুরুতে বা ঈদের পরপরই। কলেজসমূহে ফরম পূরণ ফি ১৫০০ এর মধ্যে।

রাজনৈতিক অংশগ্রহণ কত প্রকার ও কী কী? আলোকপাত কর।

অথবা, রাজনৈতিক অংশগ্রহণের প্রকারভেদসমূহ আলোচনা কর।
অথবা, রাজনৈতিক অংশগ্রহণের শ্রেণিবিন্যাস বর্ণনা কর।
উত্তর।। ভূমিকা :
যেকোন রাজনৈতিক ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো রাজনৈতিক অংশগ্রহণ (Political Participation). প্রকৃত প্রস্তাবে প্রত্যেক রাজনৈতিক ব্যবস্থায় রাজনৈতিক অংশগ্রহণ হলো একটি আবশ্যিক উপাদান। আধুনিককালে গণতান্ত্রিক অগণতান্ত্রিক নির্বিশেষে সকল রাজনৈতিক ব্যবস্থায়, এমনকি সামরিক শাসনাধীন রাষ্ট্রে ও জনগণের রাজনৈতিক অংশগ্রহণের উপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
রাজনৈতিক অংশগ্রহণের প্রকারভেদ : রাজনৈতিক অংশগ্রহণের অর্থ আগে ছিল সংকীর্ণ; কালক্রমে এই অর্থের পরিধি প্রসারিত হয়েছে। নতুন নতুন ক্রিয়াকলাপ ক্রমশঃ রাজনৈতিক অংশগ্রহণে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। আগেকার দিনে রাজনৈতিক অংশগ্রহণমূলক ক্রিয়াকলাপ বলতে মূলত নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নাগরিকদের অংশগ্রহণকেই বোঝাত। অর্থাৎ নির্বাচনে ভোট দেয়া, নির্বাচনী প্রচার, রাজনৈতিক সভা সমিতিতে যোগদান, রাজনৈতিক দলের প্রচারপত্র বিতরণ, দলের নির্বাচনী তহবিলে অর্থ প্রদান, রাজনৈতিক বিষয়াদি সম্পর্কে আলোচনা, ভোট দেয়ার ব্যাপারে অন্য ব্যক্তিকে প্রভাবিত করা প্রভৃতি। বর্তমানে নির্বাচনোত্তর পর্বের ও বহু ও বিভিন্ন ও বিভিন্ন ক্রিয়াকলাপ রাজনীতিক অংশগ্রহণের অন্তর্ভুক্ত বলে বিবেচিত হয়। সরকারী সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করা সম্পর্কিত কাজকর্মও রাজনৈতিক অংশগ্রহণের অন্তর্গত। ভোট ও নির্বাচনী প্রচার হলো সর্বাধিক সুস্পষ্ট ও বহুল আলোচিত রাজনৈতিক অংশগ্রহণ এ বিষয়ে দ্বিমতের অবকাশ নেই। কিন্তু রাজনৈতিক অংশগ্রহণমূলক অন্যান্য ক্রিয়াকলাপও আছে এবং এই সমস্ত ক্রিয়াকলাপের রাজনীতিক গুরুত্ব ও তাৎপর্য বিরোধ বিতর্কের উর্ধ্বে। এ প্রসঙ্গে Giuse ppe, Di Palma “To decide what activities constitute Political Participation is no simple matter some people devote their full time and energy to Politics, others choose to remain interested
but Passive spectators. For, some, Politics is a matter of continuous and responsible attention; for others, political activity is episode or engaged in only in times of crisis.
অধ্যাপক অমল কুমার মুখোপাধ্যায় বলেন, “Political Participation devotes a series of voluntary
activities which have a bearing on the Politcal Process that involves issues like the selection of rulers and the various aspects of the formation of Public Policy.
M. Rush & P. Altholf রাজনৈতিক অংশগ্রহণমূলক ক্রিয়াকলাপকে এর মাত্রা ও বিস্তারের বিচারের গুরুত্ব অনুসারে একটি তালিকা তৈরি করেছেন। এগুলো হলো :
১. রাজনীতিক বা প্রশাসনিক পদে আসীন থাকা;
২. রাজনীতিক বা প্রশাসনিক পদ পাওয়ার চেষ্টা;
৩. কোন রাজনৈতিক সংগঠনের সক্রিয় সদস্যপদ;
৪. কোন রাজনৈতিক সংগঠনের নিষ্ক্রীয় সদস্যপদ;
৫. স্বাৰ্থগোষ্ঠী বা চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর মতো কোন আধা রাজনীতিক সংগঠনের সক্রিয় সদস্যপদ;
৬. কেন আধা রাজনীতিক সংগঠনের নিষ্ক্রিয় সদস্যপদ;
৭. জনসভা মিটিং মিছিল প্রভৃতিতে অংশগ্রহণ;
৮. প্রথা বহির্ভূত রাজনীতিক আলোচনায় অংশগ্রহণ;
৯. রাজনৈতিক বিষয়ে সাধারণ আগ্রহ;
১০. ভোট দেয়া এবং
১১. উদাসীনতা।
Julian L. Woodward & E. Roper পাঁচ ধরনের আচরণকে রাজনৈতিক অংশ গ্রহণের অন্তর্ভুক্ত করেছেন। এই পাঁচ ধরনের আচরণ হলো-
ক. নির্বাচনে ভোট দেওয়া;
খ. সদস্য হয়ে চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী সমূহকে সমর্থন;
গ. আইনসভার সদস্যদের সাথে প্রত্যক্ষ ও ব্যক্তিগত যোগাযোগ;
ঘ. রাজনৈতিক দলের কাজকর্মে অংশগ্রহণ;
ঙ. অন্যান্য নাগরিকদের কাছে কথা বলে যোগাযোগ স্থাপনের মাধ্যমে স্বভাবজাত রাজনৈতিক মতামত প্রচারে যোগদান।
Lester Mill Brath রাজনৈতিক অংশগ্রহণমূলক কর্মকাণ্ডকে তিনটি শ্রেণিতে বিভক্ত করেছেন। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের এই তিনটি শ্রেণি হলো :
১. লড়াকু ক্রিয়াকলাপ : রাজনৈতিক দলের রুটিন কাজকর্মো একটি অংশ হলো লড়াকু কাজকর্ম। এ ধরনের কাজকর্মো উদাহরণ হিসাবে দলের মনোনীত প্রার্থী হিসাবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করা, দলীয় তহবিলে অর্থ সংগ্রহ, দলীয় প্রচারে অংশগ্রহণ, দলীয় সভাসমিতিতে যোগদান, দলের সদস্যসংখ্যা বৃদ্ধির চেস্টা প্রভৃতি ।
অধ্যাপক অমল কুমার মুখোপাধ্যায় বলেছেন, “Gladiators represent that small number of Party activities whose active association with Political Parties keep them engaged in a series of direct Party activities.”
২. সংক্রমণগত ক্রিয়াকলাপ : এ ধরনের ক্রিয়াকলাপ বলতে মূলত রাজনৈতিক দলের শুভানুধ্যায়ী ও সাহায্যকারীদের কার্যকলাপকে বুঝায় । এধরনের রাজনৈতিক ক্রিয়াকলাপের উদাহরণ হলো : দলের সদস্য, শুভানুধ্যায়ী বা নিরপেক্ষ ব্যক্তি হিসাবের রাজনৈতিক দলের সভাসমিতিতে যোগদান, রাজনৈতিক দলের কর্তাব্যক্তিদের সংগে সংযোগ সম্পর্ক রক্ষা দলীয় তহবিলে অর্থ প্রদান প্রভৃতি।
৩. দর্শকধর্মী ক্রিয়াকলাপ : এ ধরনের রাজনৈতিক ক্রিয়াকলাপ দর্শকধর্মী। এ রকম কাজকর্মের উদাহরণ হিসাবে ভোট দেয়া, অন্যান্য ভোটদাতাদের প্রভাবিত করা, রাজনৈতিক আলোচনা ও বিতর্কের অংশগ্রহণ করা, দলীয় প্রতীক পরিধান করা, দলের প্রচারপত্র বিতরণ করা প্রভৃতি। আবার উদ্দেশ্যগত বিচারে রাজনৈতিক অংশগ্রহণের শ্রেণিকরণ করা যেতে পারে। উদ্দেশ্যের ভিত্তিতে রাজনৈতিক অংশগ্রহণ দু’ধরনের হয়ে থাকে। রাজনৈতিক অংশগ্রহণের এই দুটি ধরন হলো :
১. সহায়ক রাজনৈতিক অংশগ্রহণ : সহায়ক রাজনৈতিক অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে অংশগ্রহণকারীর সামনে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য
পূরণের উদ্দেশ্য বর্তমান থাকে। উদাহরণ হিসাবে বলা যায়, নির্বাচনে কোন একটি রাজনৈতিক দলের সাফল্য লাভ, কোন রাজনৈতিক নেতার প্রভাব প্রতিপত্তির প্রসার সাধন, আইন সভায় কোন একটি বিলের বিধিবদ্ধকরণ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
২. অভিব্যক্তিমূলক রাজনৈতিক অংশগ্রহণ : অভিব্যক্তিমূলক রাজনৈতিক অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে অংশগ্রহণকারীর তেমন কোন সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে থাকে না। এ ধরনের রাজনৈতিক অংশগ্রহণের পিছনে কাজ করে বিশেষ কোন অনুভূতির অভিব্যক্তি বা মানসিক সন্তুষ্টি লাভ। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়, অনেকে কেবলমাত্র ভোটাধিকার প্রয়োগের সন্তুষ্টি লাভের জন্যই ভোট দেয়। এই শ্রেণির ভোটদাতাদের সামনে প্রতিদ্বন্দ্বী কোন প্রার্থীর বা কোন রাজনৈতিক দলের সাফল্য অর্জনের উদ্দেশ্য থাকে না। Norman Nie & verba 4 Samuel Huntington & Joan. M. Nelson রাজনৈতিক অংশগ্রহণকে শ্রেণিকরণ করেছেন দুইভাবে-
১. পেশাদারী অংশগ্রহণ : পেশাদার অংশগ্রহণকারীরা রুটিনমাফিক কাজ হিসেবে রাজনৈতিক অংশগ্রহণ মূলক কর্মকাণ্ডে সামিল হন। রাজনৈতিক ক্ষেত্রে পেশাদার ব্যক্তিবর্গের প্রাথমিক দায়িত্ব বা মূল কাজকর্ম রাজনীতিক বা সরকার কেন্দ্রিক। অর্থাৎ পেশাদার অংশগ্রহণকারী প্রধানত সরকারী ও রাজনৈতিক কার্যকলাপের সাথে সম্পর্কযুক্ত। এই শ্রেণীর অংশগ্রহণকারীদের উদাহরণ হিসাবে রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক পদাধিকারী অর্থাৎ সরকারী অধিকারিক ও রাজনৈতিক দলের কর্তা ব্যক্তিদের কথা বলা যায়।
২. অ-পেশাদারী অংশগ্রহণ : হাটিংটন ও কেলসন এর মতে অ-পেশাদারী অংশগ্রহণই হল সঠিক অর্থে রাজনৈতিক অংশগ্রহণ। অ-পেশাদার অংশগ্রহণকারীরা তাদের অন্যান্য সব রকম সামাজিক ভূমিকা পালন করে যায়। এরা রাজনীতিতে সার্বক্ষণিকভাবে নিযুক্ত থাকে না। রাজনৈতিক অংশগ্রহণের আধুনিক আলোচনায় আরও দু’ধরনের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ অর্ন্তভুক্ত করা হয়। এই দু’ধরনের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ হলো :
১. সমর্থন সূচক অংশগ্রহণ : সরকারের প্রতি সমর্থনসূচক রাজনীতিক কাজকর্মের মাধ্যমে এ ধরনের অংশগ্রহণের অভিব্যক্তি ঘটে। সরকারের প্রতি সমর্থন সূচক রাজনৈতিককাজকর্ম বহু ও বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। এ ক্ষেত্রে উদাহরণ হিসাবে মিটিং মিছিলে যোগদান, সরকারী উন্নয়নমূলক কর্ম-পরিকল্পনায় যোগদান প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। উন্নয়নশীল দেশসমূহে এর কম উদ্যোগ অধিকমাত্রায় পরিলক্ষিত হয়।
২. প্রতিবাদমূলক অংশগ্রহণ : প্রতিবাদী অংশগ্রহণমূলক ক্রিয়া কর্ম বিশেষভাবে বিতর্কিত। এ ধরনের কাজকর্ম অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আইন বিরুদ্ধ। এই কারণে এরকম প্রতিবাদী কাজকর্মকে নাই ও রাজনীতিক অংশগ্রহণ হিসাবে বিবেচনা করার বিরোধী। সরকারী সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার জন্য অংশগ্রহণকারীরা অনেক সময়ই সিদ্ধান্তগ্রহণকারী কর্তৃপক্ষের উপর নানাভাবে চাপ সৃষ্টি করে। এক্ষেত্রে উদাহরণ হিসেবে প্রতিবাদী আন্দোলন, মিছিল, বিক্ষোভ প্রদর্শন এবং দাঙ্গা-হাঙ্গামা, খুন-জখম ও অন্যান্য হিংসাত্বক কাজকর্মের কথা উল্লেখ করা যায়। রাজনৈতিক অংশগ্রহণকে দুটি ভাগে ভাগ করা যায়। এই দুটি ভাগ হলো :
১. সক্রিয় রাজনৈতিক ক্রিয়াকলাপ এবং
২. নিষ্ক্রিয় রাজনৈতিক ক্রিয়াকলাপ
১. সক্রিয় রাজনৈতিক ক্রিয়া কলাপ : যারা সময়, সামর্থ্য ও উদ্যোগে আয়োজন সহকারে রাজনৈতিক ক্রিয়াকলাপের সামিল হয় তারা হলো সক্রিয় রাজনৈতিক অংশহগ্রহণকারী।
২. নিষ্ক্রিয় রাজনৈতিক অংশগ্রহণকারী : ব্যক্তি যদি তার সময় সামর্থ্য, উদ্যোগ নিয়ে রাজনীতিতে অংশগ্রহণ না করে।তাহলে তাকে নিষ্ক্রিয় রাজনৈতিক অংশগ্রহণকারী বলা হয়। এদের রাজনৈতিক কার্যক্রম হল দর্শকধর্মী ক্রিয়াকলাপ ।
M. Lal Goel & David horton smith রাজনৈতিক অংশগ্রহণকে প্রধানত দু’ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে। যথা :
রীতিসম্মত বিধিবদ্ধ বা বিধিবদ্ধ বা প্রথাগত (Conventitional) ও অরীতিসম্মত বা অবিধিবদ্ধ বা প্রথাহীন (Un conventional)। রীতিসম্মত অংশগ্রহণ বলতে একজন নাগরিকের স্বাভাবিক বৈধ রাজনৈতিক কার্যাবলীকে বুঝায়। এ ধরনের অংশগ্রহণ সংস্কৃতি ভেদে এবং সময়ের ব্যবধানে ভিন্ন রকম হয়। অর্থাৎ ভিন্ন ভিন্ন রাজনৈতিক ব্যবস্থায় এ অংশ গ্রহণের প্রকৃতি ও মাত্রা ভিন্ন হয়। রীতিসম্মত অংশগ্রহণ মধ্যে রয়েছে ভোটদান, রাজনৈতিক আলোচনা, রাজনৈতিক প্রচারণা, সভা-সমাবেশে যোগদান, গোষ্ঠীবদ্ধ হওয়া, সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগে, রাজনৈতিক দলের সদস্য হওয়া। অন্যদিকে অরীতিসম্মত রাজনৈতিক অংশগ্রহণের বলতে স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ছাড়া উগ্র বা কট্টর রাজনৈতিক কর্মকান্ড বা বিপ্লবী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডকে বুঝায়। অরীতিসম্মত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের অন্তর্ভূক্ত রয়েছে বিক্ষোভ প্রদর্শন, মার্চ করা, নাগরিক অসহযোগিতা বা অনানুগত্য, ধর্মঘট, দাঙ্গা, গেরিলা কার্যক্রমে যুক্ত হওয়া বিপ্লব বা বিদ্রোহ (Rebelilion)।
M. Lal Goel & David horton smith রাজনৈতিক অংশগ্রহণের ক্রিয়াকলাপ নিম্নোক্ত ছকের মাধ্যমে দেখানো
হলো : Forms of Political Participation.

এ প্রসঙ্গে Almond & Powell বলেন, “Conventional Political acts are the normal forms of Political Participation in modern democracies. Unconventional forms of political Participation
include some that may be legal (Such as Petetioning) as well as that are illegal, violent and
revolutionary.”
উপসংহার : পরিশেষে বলতে পারি যে, বর্তমানে বহু ও বিভিন্ন স্বেচ্ছা সম্পাদিত ক্রিয়াকলাপ রাজনৈতিক অংশগ্রহণ হিসাবে পরিগণিত হয়। রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার উপর এই সমস্ত ক্রিয়াকলাপের প্রভাব প্রতিক্রিয়া অনস্বীকার্য।শাসকবর্গকে বাছাই করা এবং সরকারী নীতি নির্ধারণ প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার সংগে এই সমস্ত ক্রিয়াকলাপ সম্পর্কিত।সাম্প্রতিককালের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় রাজনীতিক বিষয়াদিতে গণঅংশগ্রহণের উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়। তবে রাজনৈতিক অংশগ্রহণের প্রকৃতি, পর্যায় ও মাত্রা সকল গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সমান নয়। সামাজিক সাংস্কৃতিক ও অর্থ
রাজনৈতিক পরিমণ্ডলের পরিপ্রেক্ষিতে পার্থক্য প্রতিপন্ন হয়। স্বভাবতই রাজনৈতিক অংশগ্রহণমূলক ক্রিয়াকলাপের ক্ষেত্রেও পার্থক্য দেখা দেয়। আবার রাজনৈতিক জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা রাজনৈতিক অংশগ্রহণের মানকে উন্নত করে।

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন: 01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!