Answer

চতুর্থ অধ্যায়, নারী ও উন্নয়ন : কৌশল ও নীতিমালা,

ক-বিভাগ

উন্নয়ন-এর আভিধানিক অর্থ কী?
উত্তর : উন্নয়ন-এর আভিধানিক অর্থ হচ্ছে পরিপূর্ণতা।
সাধারণত নারী উন্নয়ন কাকে বলে?
উত্তর : সাধারণত নারী উন্নয়ন বলতে নারী সমাজের শিক্ষাদীক্ষা ও চিন্তাচেতনার সার্বিক উন্নয়নকে বুঝায়।
উন্নয়নের মূলধারার সাথে নারীকে সংযোজিত করার নাম কী?
উত্তর : উন্নয়নের মূলধারার সাথে নারীকে সংযোজিত করার নাম হলো নারী উন্নয়ন।
নারী বিষয়ক কয়টি কৌশল ও নীতিমালার উদ্ভব ঘটেছে?
উত্তর : নারী বিষায়ক তিনটি কৌশল ও নীতিমালার উদ্ভব ঘটেছে।
নারী বিষয়ক কৌশল ও নীতিমালা তিনটি উল্লেখ কর।
উত্তর : নারী বিষয়ক কৌশল ও নীতিমালা তিনটি নিম্নরূপ : ক. উন্নয়নে নারী (Women in Development- WID) খ. নারী ও উন্নয়ন (Women and Development-WAD) গ. জেন্ডার ও উন্নয়ন (Gender and Development-GAD).
উন্নয়নে নারী এ নীতিমালার মূল গ্রথিত রয়েছে কোথায়?
উত্তর : উন্নয়নে নারী এ নীতিমালার মূল গ্রথিত রয়েছে ৫০- দশক থেকে ৭০ দশকের আধুনিকীকরণ তত্ত্বের মধ্যে।
‘উন্নয়নে নারী’ বা ‘WID’ মূলত কোন ধরনের মতবাদ?
উত্তর : ‘উন্নয়নে নারী’ বা ‘WID’ মূলত একটি নারীবান্ধব উন্নয়ন মতবাদ।
‘WID’ এর পূর্ণরূপ কী?
উত্তর : Women in Development.
উন্নয়নে নারী পদ্ধতির উদ্ভাবক কারা?
উত্তর : উন্নয়নে নারী পদ্ধতির উদ্ভাবক হলো জাতিসংঘ নারীর মর্যাদা বিষয়ক কমিশন (The United Nations Commission on the stares of women) ও মার্কিন উদারনৈতিক নারীবাদীগণ (American Liberal Feminist).
এস্টার রোসেরাপ কে?
উত্তর : এস্টার রোসেরাপ হলেন প্রখ্যাত নারীবাদী অর্থনীতিবিদ।
Women’s Role in Economic Development-গ্রন্থটির রচিয়তা কে?
উত্তর : Women’s Role in Economic Development- গ্রন্থটির রচিয়তা হলেন এস্টার রোসেরাপ ।
উন্নয়নে নারী নীতিমালার পদ্ধতিগুলোকে কয়টি ধারায় বিন্যস্ত করা যায়?
উত্তর : উন্নয়নে নারী নীতিমালার পদ্ধতিগুলোকে পাঁচটি ধারায় বিন্যস্ত করা যায়।
কোন তত্ত্বকে ভিত্তি করে ‘কল্যাণমুখী পদ্ধতির উদ্ভব ঘটেছে?
উত্তর : অধুনিকীকরণ তত্ত্বকে ভিত্তি করে ‘কল্যাণমুখী পদ্ধতি’র উদ্ভব ঘটেছে।
কল্যাণমুখী পদ্ধতি কয়টি ধারণার উপর নির্ভরশীল?
উত্তর : কল্যাণমুখী পদ্ধতি তিনটি ধারণার উপর নির্ভরশীল।
কত সালে প্রথম বিশ্ব নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়?
উত্তর : ১৯৭৫ সালে প্রথম বিশ্ব নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
প্রথম বিশ্ব নারী সম্মেলন কত সালে অনুষ্ঠিত হয় এবং কোথায়?
উত্তর : ১৯৭৫ সালে মেক্সিকো সিটিতে।
প্রথম বিশ্ব নারী সম্মেলন কার তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত হয়?
উত্তর : জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে ‘প্রথম বিশ্ব নারী সম্মেলন’ অনুষ্ঠিত হয়।
কোনটির পরিপ্রেক্ষিতে ‘সমতাভিত্তিক পদ্ধতি’র উদ্ভব ঘটে?
উত্তর : জাতিসংঘ ঘোষিত নারী দশকে কল্যাণমুখী পদ্ধতি’র ব্যর্থতার পরিপ্রেক্ষিতে ‘সমতাভিত্তিক পদ্ধতি’র উদ্ভব ঘটে।
কোথায় ‘সমতাভিত্তিক পদ্ধতি’র তাত্ত্বিক পটভূমি রচিত হয়?
উত্তর : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে উন্নয়নে নারীর অংশগ্রহণের।
‘সমতাভিত্তিক পদ্ধতি’র মূল উদ্দেশ্য কী?
অনুষ্ঠানে ‘সমতাভিত্তিক পদ্ধতি’র তাত্ত্বিক পটভূমি রচিত হয়।
উত্তর : ‘সমতাভিত্তিক পদ্ধতি’র মূল উদ্দেশ্য হলো উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় নারীর জন্য সমদর্শিতা অর্জন।
কখন থেকে দারিদ্র্য বিমোচন পদ্ধতির প্রচলন হয়?
উত্তর : বিংশ শতাব্দীর ৮০ এর দশক হতে দারিদ্র্য বিমোচন পদ্ধতির প্রচলন হয়।
দারিদ্র্য বিমোচন পদ্ধতি কোন পদ্ধতির অন্যরূপ?
উত্তর : দারিদ্র্য বিমোচন পদ্ধতি সমতাভিত্তিক পদ্ধতির আরেক রূপ।
M. Buvinic এর মতে দারিদ্র্য বিমোচন পদ্ধতি কী?
উত্তর : M. Buvinic এর মতে “সমাজভিত্তিক পদ্ধতির এক ‘হালকাকৃত সংস্করণ’ হচ্ছে দারিদ্র্য বিমোচন পদ্ধতি।”
দারিদ্র্য বিমোচন পদ্ধতির মূল উদ্দেশ্য কী?
উত্তর : দারিদ্র্য বিমোচন পদ্ধতির মূল উদ্দেশ্য হলো দরিদ্র নারীদের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করা।
দক্ষতা পদ্ধতির সময়কাল কত?
উত্তর : দক্ষতা পদ্ধতির সময়কাল ৮০-৯০ এর দশকের মধ্যে।
নারী-পুরুষের মধ্যকার অসমতার মূল কারণ কী?
উত্তর : দারিদ্র্যতাই নারী-পুরুষের মধ্যকার অসমতার মূল কারণ।
কোন প্রেক্ষাপটে দক্ষতা পদ্ধতির উদ্ভব হয়?
উত্তর : ৮০ এর দশকে তৃতীয় বিশ্বের দেশসমূহে বিশ্ব ব্যাংক ও আই এম এফ এর কাঠামোগত পুনর্বিন্যাস কর্মসূচি ব্যর্থ হওয়ার প্রেক্ষাপটে দক্ষতা পদ্ধতির উদ্ভব হয়।
দক্ষতা পদ্ধতির মূল লক্ষ্য কী?
উত্তর : দক্ষতা পদ্ধতির মূল লক্ষ্য হলো নারীর অর্থনৈতিক অবদানের মাধ্যমে উন্নয়নকে যেন আরো দক্ষ ও কার্যকর করে তোলা যায় তা নিশ্চিত করা এবং নারীকে উন্নয়নের প্রান্ত থেকে মূল ধারায় নিয়ে আসা।
দক্ষতা পদ্ধতি নারীর কয় ধরনের ভূমিকাকে স্বীকৃতি দেয়?
উত্তর : দক্ষতা পদ্ধতি নারীর তিন ধরনের ভূমিকাকে স্বীকৃতি দেয়।
ক্ষমতায়ন পদ্ধতি নারীর জন্য কোনটির উপর অধিক গুরুত্ব প্রদান করে?
উত্তর : ক্ষমতায়ন পদ্ধতি নারীর জন্য ক্ষমতা বৃদ্ধির উপর অধিক গুরুত্ব প্রদান করে।
কাদের দ্বারা ক্ষমতায়ন পদ্ধতির উদ্ভব ঘটে?
উত্তর : তৃতীয় বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশসমূহের নারীতাত্ত্বিকগণ অর্থাৎ নারীবাদী লেখিকা ও কর্মীদের দ্বারা ক্ষমতায়ন পদ্ধতির উদ্ভব ঘটে।
প্রথম বিশ্ব নারী সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
উত্তর : প্রথম বিশ্ব নারী সম্মেলন মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত হয়।
কোথায় নারীর ক্ষমতায়নের স্লোগানটি সর্বপ্রথম উচ্চারিত হয়?
উত্তর : ১৯৭৫ সালে প্রথম বিশ্ব নারী সম্মেলনে নারীর ক্ষমতায়ে মূলত নারীর উন্নয়নের পদ্ধতি হিসেবে কোন পদ্ধতির বিকাশ ঘটে?
উত্তর : মূলত নারীর উন্নয়নের পদ্ধতি হিসেবে ক্ষমতায়ন পদ্ধতির বিকাশ ঘটে।
ক্ষমতায়ন পদ্ধতি কী?
উত্তর : ক্ষমতায়ন পদ্ধতি হচ্ছে ক্ষমতা এবং উন্নয়নের মধ্যকার এক ধরনের আন্তঃসম্পর্ক যা এ দুটি বিষয় সম্পর্কে এক নতুন ধরনের দিকনির্দেশনা দেয়।
ক্ষমতায়ন পদ্ধতির মূল লক্ষ্য কী?
উত্তর : ক্ষমতায়ন পদ্ধতির মূল লক্ষ্য হলো ব্যাপক আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনে নারীর ক্ষমতায়ন, যাতে করে পুরুষের সাহায্য ব্যতীত নিজেরাই সমাজে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে পারবে।
ক্ষমতায়ন পদ্ধতির মূলকথা কী?
উত্তর : ক্ষমতায়ন পদ্ধতির মূলকথা হলো নারীকে কেবল অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলাই যথেষ্ট নয়; বরং জীবনের সকল পর্যায়ে তার নিজেস্ব ভাবনার প্রতিফলন ঘটানো এবং নিজের জীবনকে অন্যের নিয়ন্ত্রণমুক্ত রাখার শক্তি অর্জনের যোগ্যতা সৃষ্টিতে সহায়তা করা।
কিসের প্রেক্ষাপটে ‘নারী ও উন্নয়ন’ বা WAD এর উদ্ভব ঘটে?
উত্তর : ‘আধুনিকীরণ তত্ত্ব’ ও ‘উন্নয়নে নারী’ (Women in development) নীতিমালার সমালোচনার প্রেক্ষাপটে
‘নারী ও উন্নয়ন’ বা ‘WAD’ এর উদ্ভব ঘটে।
‘উন্নয়ন ও নারী’ বা ‘WAD’ কী ধরনের ধারণা?
উত্তর : ‘উন্নয়ন ও নারী’ বা ‘WAD’ মূলত একটি নব্য-মার্কসীয় নারীবাদী ধারণা।
‘WAD’ এর পূর্ণরূপ কী?
উত্তর : Women and Development.
‘উন্নয়ন ও নারী’ নীতিমালার ভিত্তি কী?
উত্তর : ‘উন্নয়ন ও নারী’ নীতিমালার ভিত্তি হলো নির্ভরশীলতা তত্ত্ব।
‘উন্নয়ন ও নারী’ নারীর কোন দিকের উপর জোর দেয়?
উত্তর : ‘উন্নয়ন ও নারী’ নারীর উপার্জনক্ষম কর্মকাণ্ডের উপর জোর দেয়।
কোন নীতিমালার বিকল্প হিসেবে ‘জেন্ডার ও উন্নয়ন’ বা ‘GAD’ নীতিমালার উদ্ভব ঘটে?
উত্তর : ‘উন্নয়নে নারী’ (WID) এবং ‘নারী ও উন্নয়ন’ (WAD) নীতিমালার বিকল্প হিসেবে জেন্ডার ও উন্নয়ন নীতিমালার উদ্ভব ঘটে।
‘WAD’ নীতিমালার মূলকথা কী?
উত্তর : ‘WAD’ নীতিমালার মূল কথা হলো নারীরা অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সত্ত্বেও তারা ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত। তাই এর তাত্ত্বিকগণ এর মূল কারণ উদ্ভাবন করে এর প্রতিকারের জন্য অভিমত ব্যক্ত করেন।
‘জেন্ডার ও উন্নয়ন’ নীতিমালা কোনটি দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত?
উত্তর : ‘জেন্ডার ও উন্নয়ন’ নীতিমালা সমাজতান্ত্রিক নারীবাদ দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত।
নারীর জীবনের সকল দিককে কোন নীতিমালা ধারণ করে?
উত্তর : নারীর জীবনের সকল দিককে ‘জেন্ডার ও উন্নয়ন’ নীতিমালা ধারণ করে।
GAD নীতিমালা কোনটি পরীক্ষা করে দেখে?
‘জেন্ডার ও উন্নয়ন’ নীতিমালা কোনটির উপর আলোকপাত করে?
উত্তর : ‘জেন্ডার ও উন্নয়ন’ নীতিমালা জীবনের সর্বক্ষেত্রে নারী-পুরুষের মধ্যকার সামাজিক সম্পর্কের উপর আলোকপাত করে। এ
GAD নীতিমালা নারী শব্দটির পরিবর্তে কোন শব্দ ব্যবহার করে?
উত্তর : GAD নীতিমালা নারী শব্দটির পরিবর্তে জেন্ডার শব্দ ব্যবহার।
উত্তর : GAD নীতিমালা নারী-পুরুষের মধ্যে বিদ্যমান বৈষম্য দূর হচ্ছে কিনা তা পরীক্ষা করে দেখে তি।
GAD নীতিমালা কিসের উপর গুরুত্ব প্রদান করে?
উত্তর : এ পদ্ধতি নারীর চেয়ে জেন্ডারের উপর অধিক গুরুত্ব প্রদান করে।
GAD নীতিমালার মূল লক্ষ্য কী?
(WAriant)
উত্তর : GAD নীতিমালার মূল লক্ষ্য হলো নারীর ক্ষমতায়ন।
দিক্ষদর্শ’ প্রকাশনী লিমিটেড GAD নীতিমালার দুটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ কর।
উত্তর : GAD নীতিমালার দুটি বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপ : ক. এ নীতিমালা নারীকে কোনো সমস্যা নয় বরং সমাধান ও উন্নয়নের বাহন মনে করে। খ. এ নীতিমালা পুরুষের সাথে সমতার ভিত্তিতে নারীকে সম্পৃক্ত করে।
GAD নীতিমালার একটি ত্রুটি উল্লেখ কর।
উত্তর : GAD নীতিমালা নারীর চেয়ে বরং জেন্ডারের উপর অধিক গুরুত্বারোপ করে। ফলে ব্যক্তিগতভাবে নারীর ভূমিকা কখনোই পুরুষের চেয়ে বেশি হতে পারে না।
GAD নীতিমালায় নারীর অধস্তনতার মূল কারণ কী?
উত্তর : GAD নীতিমালায় নারীর অধস্তনতার মূল কারণ পুরুষতন্ত্র।
GAD এর পূর্ণরূপ কী?
উত্তর : Gender and Development.
নারীর অধিকার বলতে কী বুঝায়?
উত্তর : নারীর অধিকার বলতে বুঝায় জীবনের সকল ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের মধ্যে সমতা ও ন্যায্যতা।
কত সালে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়?
উত্তর : ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
প্রাচীন সমাজে নারীদেরকে কী হিসেবে ধিকৃত করা হতো?
উত্তর : প্রাচীন সমাজে নারীদেরকে সমাজের দুষ্ট-চক্র ও অমঙ্গলের প্রধান বাহন হিসেবে ধিকৃত করা হতো।
প্রভাতী মুখার্জী কে?
উত্তর : ভারতের বিশিষ্ট লেখিকা।
জাতিসংঘ কত সালে জন্মলাভ করে?
উত্তর : জাতিসংঘ ১৯৪৫ সালে জন্মলাভ করে ।
ইতিহাসের প্রথম প্রকৃত আন্তর্জাতিক সংগঠন কোনটি?
উত্তর : ইতিহাসের প্রথম প্রকৃত আন্তর্জাতিক সংগঠন হচ্ছে জাতিসংঘ।
দ্বিতীয় বিশ্ব নারী সম্মেলন কত সালে অনুষ্ঠিত হয়?
উত্তর : দ্বিতীয় বিশ্ব নারী সম্মেলন ১৯৮০ সালে অনুষ্ঠিত হয়।
দ্বিতীয় বিশ্ব নারী সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
উত্তর : দ্বিতীয় বিশ্ব নারী সম্মেলন কোপেনহেগেন এ অনুষ্ঠিত হয়।
‘CSW’ এর পূর্ণরূপ কী?
উত্তর : ‘Commission on Status of Women’ হচ্ছে ‘CSW’ এর পূর্ণরূপ ।
‘CSW’ কত সালে গঠিত হয়?
উত্তর : ‘CSW’ ১৯৮৬ সালে গঠিত হয়।
INSTRAW এর পূর্ণরূপ কী?
উত্তর : International Research and Training Institute for the Advancement of Women.
‘ইনস্ট্র’ (INSTRAW) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
উত্তর : ‘ইনস্ট্র’ (INSTRAW) ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
কত সালে ১০ই ডিসেম্বর জাতিসংঘ কর্তৃক সর্বজনীন মানবাধিকারের ঘোষণা জারি করা হয়?
উত্তর : ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘ কর্তৃক সর্বজনীন মানবাধিকারের ঘোষণা জারি করা হয়।
কেন ‘UNESCO’ সনদ গৃহীত হয়?
উত্তর : বালিকা এবং মহিলাদের শিক্ষাক্ষেত্রে সমান অধিকার ও সুযোগ প্রবর্তনের লক্ষ্যে ইউনেস্কো ‘UNESCO’ সনদ গৃহীত হয় ।
INSTRAW কী?
উত্তর : নারীর প্রগতির জন্য আন্তর্জাতিক গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট।
কত সালে উন্নয়নে নারীর ভূমিকা সম্পর্কে প্রথম জরিপ অনুষ্ঠিত হয়?
উত্তর : ১৯৮৮ সালে উন্নয়নে নারীর ভূমিকা সম্পর্কে প্রথম জরিপ অনুষ্ঠিত হয়।
‘বেইজিং প্লাস ফাইভ’ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় কোথায়?
উত্তর : ‘বেইজিং প্লাস ফাইভ’ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় নিউইয়র্কে।
প্রথম বিশ্ব নারী সম্মেলনে নারী উন্নয়নের লক্ষ্যে কী গৃহীত হয়?
উত্তর : প্রথম বিশ্ব নারী সম্মেলনে নারী উন্নয়নের লক্ষ্যে ‘বিশ্ব কর্ম পরিকল্পনা’ গৃহীত হয়।
প্রথম বিশ্ব নারী সম্মেলন কী নামে পরিচিত?
উত্তর : প্রথম বিশ্ব নারী সম্মেলন ‘মেক্সিকো সম্মেলন’ নামে পরিচিত
ডেনমার্কের রাজধানীর নাম কী?
উত্তর : ডেনমার্কের রাজধানীর নাম কোপেনহেগেন।
দ্বিতীয় বিশ্ব নারী সম্মেলন কত সালে অনুষ্ঠিত হয়?
উত্তর : দ্বিতীয় বিশ্ব নারী সম্মেলন ১৯৮০ সালে অনুষ্ঠিত হয়।
কতদিন ব্যাপী দ্বিতীয় বিশ্ব নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়?
উত্তর : দ্বিতীয় বিশ্ব নারী সম্মেলন ১৪ জুলাই থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত মোট ১৮ দিন ব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়।
কোপেনহেগেন সম্মেলনের অপর নাম কী?
উত্তর : কোপেনহেগেন সম্মেলনের অপর নাম হলো দ্বিতীয় বিশ্ব নারী সম্মেলন।
.কোপেনহেগেন সম্মেলনের উপ-বিষয় কী ছিল?
উত্তর : কোপেনহেগেন সম্মেলনের উপ-বিষয় ছিল শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং কর্মসংস্থান।
কেনিয়ার রাজধানীর নাম কী?
উত্তর : কেনিয়ার রাজধানীর নাম নাইরোবি।
তৃতীয় বিশ্ব নারী সম্মেলনের সময়কাল কত?
উত্তর : তৃতীয় বিশ্ব নারী সম্মেলনের সময়কাল হচ্ছে ১৯৮৫ সালের ১৫-২৬ জুলাই পর্যন্ত।
তৃতীয় বিশ্ব নারী সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
উত্তর : তৃতীয় বিশ্ব নারী সম্মেলন কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে অনুষ্ঠিত হয়।
তৃতীয় বিশ্ব নারী সম্মেলন কী নামে পরিচিত?
উত্তর : তৃতীয় বিশ্ব নারী সম্মেলন নাইরোবি সম্মেলন নামে পরিচিত
বেইজিং কোন দেশের রাজধানী?
উত্তর : বেইজিং চীনের রাজধানী।
কত সালে ৪র্থ বিশ্ব নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়?
উত্তর : ১৯৯৫ সালে (৪-১৫ সেপ্টেম্বর)।
চতুর্থ বিশ্ব নারী সম্মেলনে কতটি দেশ অংশগ্রহণ করেছিল?
উত্তর : চতুর্থ বিশ্ব নারী সম্মেলনে ১৮৮টি দেশ অংশগ্রহণ করেছিল।
কোনটি চতুর্থ বিশ্ব নারী সম্মেলনের মূল দলিল?
উত্তর : বেইজিং প্লাটফর্ম অ্যাকশন হচ্ছে চতুর্থ বিশ্ব নারী সম্মেলনের মূল দলিল।
প্লাটফর্ম ফর অ্যাকশন (PFA) কী?
উত্তর : চতুর্থ বিশ্ব নারী সম্মেলনে নারীর অধস্তন অবস্থানের কারণগুলো চিহ্নিত করে যে খসড়া দলিল তৈরি করা হয় তাকে প্লাটফর্ম ফর অ্যাকশন (PFA) বলা হয়।
কোনটিকে বিশ্বের নারী সমাজের উন্নয়নের জন্য একটি ‘নীলনকশা’ হিসেবে চিহ্নিত করা যায়?
উত্তর : প্লাটফর্ম ফর অ্যাকশন (PFA) কে বিশ্বের নারী সমাজের উন্নয়নের জন্য একটি ‘নীলনকশা’ হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।
PFA কয়টি Paragraph সমৃদ্ধ?
উত্তর : PFA ৩৬১টি Paragraph সমৃদ্ধ।
PFA -তে কয়টি বিষয়কে নারী প্রগতি ও উন্নয়ন সমতার বাধা হিসেবে বিবেচনা করা হয়?
উত্তর : PFA -তে বারোটি বিষয়কে নারী প্রগতি ও উন্নয়ন সমতার বাধা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
শিক্ষা কী ধরনের অধিকার?
উত্তর : শিক্ষা একটি মৌলিক মানবিক অধিকার।
নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা বলতে কী বুঝায়? .
উত্তর : নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা বলতে বুঝায় জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতার যে কোন ধরনের তৎপরতা, যার ফলে নারীর শারীরিক, যৌন অথবা মনস্তাত্ত্বিক ক্ষতি বা বিপর্যয় ঘটে বা ঘটতে পারে।
কত সালে বাংলাদেশে আন্তঃমন্ত্রণালয় টাস্কফোর্স গঠন করা হয়?
উত্তর : ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশে আন্তঃমন্ত্রণালয় টাস্কফোর্স গঠন করা হয়।
কোন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে “আন্তঃমন্ত্রণালয় টাস্কফোর্স” গঠন করা হয়?
উত্তর : বাংলাদেশ সরকারের মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে “আন্তঃমন্ত্রণালয় টাস্কফোর্স” গঠন করা
হয়।
জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতির প্রধান লক্ষ্য কী?
উত্তর : জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতির প্রধান লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের নির্যাতিত এবং অবহেলিত ব্যাপক নারীসমাজের
ভাগ্য উন্নয়ন করা।
জাতীয় নারী উন্নয়ন পরিষদের সভাপ্রধান কে?
উত্তর : জাতীয় নারী উন্নয়ন পরিষদের সভাপ্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
কত সালে ‘জাতীয় নারী উন্নয়ন পরিষদ’ গঠিত হয়?
উত্তর : ১৯৯৫ সালে ‘জাতীয় নারী উন্নয়ন পরিষদ’ গঠিত হয়।
কত সাল থেকে ‘জাতীয় নারী উন্নয়ন পরিষদ’ কাজ শুরু করে?
উত্তর : ১৯৯৭ সাল থেকে ‘জাতীয় নারী উন্নয়ন পরিষদ’ কাজ শুরু করে
‘PLAGE’ এর পূর্ণরূপ কী?
উত্তর : ‘PLAGE’ -এর পূর্ণরূপ ‘Policy Leadership and Advocacy for Gender Equality’.
‘বেইজিং +৫ সম্মেলন’ এ কতটি দেশের প্রতিনিধি যোগদান করেন?
উত্তর : ‘বেইজিং +৫ সম্মেলন’ -এ ১৮৮টি দেশের প্রতিনিধি যোগদান করেন।
কে ‘বেইজিং +৫ সম্মেলন’ এর উদ্বোধন করেন?
উত্তর : জাতিসংঘ মহাসচিব কফি আনান ‘বেইজিং +৫ সম্মেলন’ এর উদ্বোধন করেন
‘বেইজিং +৫ সম্মেলন’ এ কে সভাপতিত্ব করেন?
উত্তর :‘বেইজিং +৫ সম্মেলন’ – এ নামিবিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী থিওবেন গুরিয়ার সভাপতিত্ব করেন।
‘বেইজিং +৫ সম্মেলন’ উদ্বোধনী ঘোষণায় জাতিসংঘ মহাসচিব কী বলেন?
বেইজিং +১০ সম্মেলনে কতজন মন্ত্রী যোগদান করেন?
উত্তর : বেইজিং +১০ সম্মেলনে ৮০ জন মন্ত্রী যোগদান করেন।
বেইজিং +১০ সম্মেলনে ১৬৫ সদস্য রাষ্ট্রের পক্ষে কতজন সরকারি প্রতিনিধি যোগদান করেন?
উত্তর : বেইজিং +১০ সম্মেলনে ১৬৫ সদস্য রাষ্ট্রের পক্ষে ১৮০০ জন সরকারি প্রতিনিধি যোগদান করেন।
বেইজিং +১০ সম্মেলনে ১৬৫ সদস্য রাষ্ট্রের পক্ষে কতজন বেসরকারি প্রতিনিধি যোগদান করেন?
উত্তর : বেইজিং+১০ সম্মেলনে ১৬৫ সদস্য রাষ্ট্রের পক্ষে ২৬০০ জন বেসরকারি প্রতিনিধি যোগদান করেন।
উত্তর : ‘বেইজিং +৫ সম্মেলন’ উদ্বোধনী ঘোষণায় জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, “পৃথিবীর ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে
নারীর উপরই।
বেইজিং +৫ সম্মেলনের প্রধান লক্ষ্য কী?
উত্তর : রেইজিং +৫ সম্মেলনের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে চতুর্থ বিশ্ব নারী সম্মেলনে গৃহীত কর্মসূচি ‘Beijing Platform
For Action’ এর অগ্রগতি পর্যালোচনা করা।

  1. ন।
  2. ১৯৯২ সালে কোথায় ‘জাতিসংঘ পরিবেশ ও উন্নয়ন সম্মেলন’ অনুষ্ঠিত হয়?
    উত্তর : ১৯৯২ সালে রিও ডি জেনিরো-তে ‘জাতিসংঘ পরিবেশ ও উন্নয়ন সম্মেলন’ অনুষ্ঠিত হয়।
    ‘জাতিসংঘ পরিবেশ ও উন্নয়ন সম্মেলন’ এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অর্জন কী?
    উত্তর : ‘জাতিসংঘ পরিবেশ ও উন্নয়ন সম্মেলন’ এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হচ্ছে পরিবেশ ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়নে
    নারীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার স্বীকৃতি।
    অস্ট্রিয়ার রাজধানীর নাম কী?
    উত্তর : অস্ট্রিয়ার রাজধানীর নাম ভিয়েনা।
    ভিয়েনা সম্মেলন কত সালে অনুষ্ঠিত হয়?
    উত্তর : ভিয়েনা সম্মেলন ১৯৯৩ সালে অনুষ্ঠিত হয়।
    কায়রো সম্মেলনের উদ্দেশ্য কী?
    উত্তর : কায়রো সম্মেলনের উদ্দেশ্য ছিল পৃথিবীর দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধিকে স্থিতিশীল রাখা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নকে
    ত্বরান্বিত করা।
    ১৯৯৫ সালে ‘সামাজিক উন্নয়ন সম্পর্কিত বিশ্ব শীর্ষ সম্মেলন’-এ কতটি দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানগণ
    অংশগ্রহণ করেন?
    উত্তর : ১৯৯৫ সালে ‘সামাজিক উন্নয়ন সম্পর্কিত বিশ্ব শীর্ষ সম্মেলন’-এ ১১৭টি দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানগণ
    অংশগ্রহণ করেন।
    ১৯৯৫ সালের ‘সামাজিক উন্নয়ন সম্পর্কিত বিশ্ব শীর্ষ সম্মেলন’ এর উদ্দেশ্য কী ছিল?
    উত্তর : ১৯৯৫ সালের ‘সামাজিক উন্নয়ন সম্পর্কিত বিশ্ব শীর্ষ সম্মেলন’ এর উদ্দেশ্য ছিল দারিদ্র্য দূরীকরণ, পূর্ণ-
    কর্মসংস্থানের লক্ষ্য অর্জন এবং নিরাপদ ও যথার্থ সমাজ নির্মাণ।
    ‘CSW’ কমিশনের সদস্য সংখ্যা কত?
    উত্তর : ‘CSW’ কমিশনের সদস্য সংখ্যা ৪৫ জন।
    ‘CSW’ কমিশনের প্রধান কাজ কী?
    উত্তর : ‘CSW’ কমিশনের প্রধান কাজ হচ্ছে মানবাধিকারসহ নারীদের সাথে বিশেষভাবে সম্পৃক্ত বিষয়াদির ব্যাপারে অনুসন্ধান ও সুপারিশমালা তৈরি করা।
    ‘Platform For Action’ এর বাস্তবায়ন কোন কমিশন মনিটর করে?
    উত্তর : ‘Platform For Action’ এর বাস্তবায়ন ‘CSW’ কমিশন মনিটর করে।
    নারীর মর্যাদা বিষয়ক কমিশন (CSW) বিশ্বব্যাপী কয়টি প্রধান ক্ষেত্রে নারীর প্রতি বৈষম্যের কথা বর্ণনা করে?
    উত্তর : নারীর মর্যাদা বিষয়ক কমিশন (CSW) বিশ্বব্যাপী চারটি প্রধান ক্ষেত্রে নারীর প্রতি বৈষম্যের কথা বর্ণনা করে।
    ‘DAW’ এর পূর্ণরূপ কী?
    উত্তর : ‘DAW’ এর পূর্ণরূপ হচ্ছে ‘Division for the Advancement of Women’.
    ‘UNIFEM’ কী?
    উত্তর : নারীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিকল্পে জাতিসংঘ যে প্রকল্পগুলো হাতে নেয়, তার অর্থায়নের লক্ষ্যে যে সংগঠন
    তাই ‘UNIFEM’ বা ‘নারীর জন্য জাতিসংঘ উন্নয়ন তহবিল’।
    ‘UNIFEM’ কত সালে গঠিত হয়?
    উত্তর : ‘UNIFEM’ ১৯৭৬ সালে গঠিত হয়।
    ‘UNIFEM” এর সদর দপ্তর কোথায়?
    উত্তর : ‘UNIFEM’ এর সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে ।।
    ‘UNIFEM’ কী ধরনের তহবিল?
    উত্তর : ‘UNIFEM’ জাতিসংঘের একটি সেচ্ছামূলক তহবিল।
    ‘UNIFEM’ প্রাথমিকভাবে কয়টি ক্ষেত্রে কর্মরত?
    উত্তর : ‘UNIFEM’ প্রাথমিকভাবে তিনটি ক্ষেত্রে কর্মরত।
    ‘UNIFEM’ এর পূর্ণরূপ কী?
    উত্তর : ‘UNIFEM’ এর পূর্ণরূপ ‘United Nations Development Fund For Women’,
    কিসের মাধ্যমে ‘ইনস্ট্র’ নতুন তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে?
    উত্তর : ‘GAINS’ মাধ্যমে ‘ইনস্ট্র’ নতুন তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে।
    ‘GAINS এর পূর্ণরূপ কী?
    উত্তর : ‘GAINS’ এর পূর্ণরূপ হচ্ছে ‘Gender Aware Information and Networking System’.
    কোন শতাব্দীতে বাঙালি নারীসমাজের আত্মপ্রতিষ্ঠার যুগ সূচিত হয়?
    উত্তর : বিংশ শতাব্দীতে বাঙালি নারীসমাজের আত্মপ্রতিষ্ঠার যুগ সূচিত হয়।
    বাংলা সাহিত্যের প্রথম আত্মচরিত লেখিকা কে?
    উত্তর : বাংলা সাহিত্যের প্রথম আত্মচরিত লেখিকা শ্রীমতি রাসসুন্দরী দেবী।
    শ্রীমতি রাসসুন্দরী দেবীর সময়কাল কত?
    উত্তর : শ্রীমতি রসসুন্দরী দেবীর সময়কাল ১৮০৯-১৯০০।
    ‘আমার জীবন’ আত্মচরিতটির লেখিকা কে?
    উত্তর : ‘আমার জীবন’ আত্মচরিতটির লেখিকা শ্রীমতি রাসসুন্দরী দেবী।
    নারী আন্দোলনের প্রাথমিক পর্যায়ে কোনটির ভূমিকা ও প্রভাব বেশিমাত্রায় কার্যকর ছিল?
    উত্তর : নারী আন্দোলনের প্রাথমিক পর্যায়ে ব্যক্তিত্বের ভূমিকা ও প্রভাব বেশিমাত্রায় কার্যকর ছিল।
    জোঁড়া সাঁকোর ঠাকুরবাড়ির কয়েকজন নারীর নাম লিখ।
    উত্তর : জোড়া সাঁকোর ঠাকুরবাড়ির কয়েকজন নারী হলেন— স্বর্ণকুমারী দেবী, সরলা দেবী, রমাবাঈ প্রমুখ ।
    বাংলাদেশের নারী আন্দোলনের কত বছরের ঐতিহ্যবাহী গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস রয়েছে?
    উত্তর : বাংলাদেশের নারী আন্দোলনের ৩০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস রয়েছে।
    বাংলাদেশের নারী আন্দোলনকে কয়টি পর্যায়ে বিভক্ত করা যায়?
    উত্তর : বাংলাদেশের নারী আন্দোলনকে তিনটি পর্যায়ে বিভক্ত করা যায়।
    বাংলাদেশের নারী আন্দোলনকে কোন তিনটি পর্যায়ে বিভক্ত করা যায়?
    উত্তর : বাংলাদেশের নারী আন্দোলনকে নিম্নোক্ত তিনটি পর্যায়ে বিভক্ত করা যায়। যথা : ক. ব্রিটিশ আমলে নারী
    আন্দোলন; খ. পাকিস্তান আমলে নারী আন্দোলন; গ. বাংলাদেশ আমলে নারী আন্দোলন;
    ব্রিটিশ আমলে নারী আন্দোলন-এর সময়কাল কত ছিল?
    উত্তর : ব্রিটিশ আমলে নারী আন্দোলন-এর সময়কাল হচ্ছে ১৭৫৭-১৯৪৭।
    বাংলায় নারী আন্দোলন কোন আমল থেকে শুরু?
    উত্তর : বাংলায় নারী আন্দোলন ব্রিটিশ আমল থেকে শুরু ।
    সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের মধ্য দিয়ে বাংলায় কোন শাসনের সূত্রপাত হয়?
    উত্তর : সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের মধ্য দিয়ে বাংলায় ইংরেজ শাসনের সূত্রপাত হয়।
    রাজা রামমোহন রায় কে ছিলেন?
    উত্তর : রাজা রামমোহন রায় ছিলেন বাংলার নারীমুক্তি আন্দোলনের অগ্রসৈনিক।
    রাজা রামমোহন রায়কে সতীদাহ প্রথা বন্ধের জন্য কত বছর পরিশ্রম করতে হয়?
    উত্তর : রাজা রামমোহন রায়কে সতীদাহ প্রথা বন্ধের জন্য ২১ বছর পরিশ্রম করতে হয়।
    কে ‘আত্মীয় সভা’ প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তুলেছিলেন?
    উত্তর : রাজা রামমোহন রায় ‘আত্মীয় সভা’ প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তুলেছিলেন। ১
    রাজা রামমোহন রায় কত সালে আত্মীয় সভা গড়ে তুলেন?
    উত্তর : রাজা রামমোহন রায় ১৮১৫ সালে আত্মীয় সভা গড়ে তুলেন।
    রাজা রামমোহন রায় আত্মীয় সভার মাধ্যমে কী করেছিলেন?
    বিরুদ্ধে লড়াই-সংগ্রাম করেছিলেন।
    উত্তর: রাজা রামমোহন রায় আত্মীয় সভার মাধ্যমে কৌলিন্য প্রথা, কন্যা বিক্রি, পণপ্রথা, জাতিভেদ প্রভৃতির।
    কত সালে সতীদাহ প্রথা আইনসম্মতভাবে নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়?
    উত্তর : ১৮২৯ সালে সতীদাহ প্রথা আইনসম্মতভাবে নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়। সার
    ইয়ংবেঙ্গল নেতা কে?
    উত্তর : ইয়ংবেঙ্গল নেতা হলেন হেনরি লুই ডিভিয়ান ডিরোজিও।
    রাজা রামমোহন রায়ের কাছ থেকে বাংলার নারীসমাজ কী পায়?
    উত্তর : রাজা রামমোহন রায়ের কাছ থেকে বাংলার নারীসমাজ বাঁচার অধিকার পায়।
    বাংলার নারীসমাজ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের কাছ থেকে কী পায়?
    উত্তর : বাংলার নারীসমাজ শিক্ষা, সম্মান ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতা নিয়ে বাঁচার পথ খুঁজে পায় ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের কাছ
    থেকে।
    কার উদ্যোগে ‘বিধবা বিবাহ আইন’ পাস হয়?
    উত্তর : ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের উদ্যোগে ‘বিধবা বিবাহ আইন’ পাস হয়।
    ‘বিধবা বিবাহ আইন’ কত সালে পাস হয়?
    উত্তর : ‘বিধবা বিবাহ আইন’ ১৮৫৬ সালে পাস হয়।
    কত সালে ‘বাংলাদেশ মহিলা পুনর্বাসন সংস্থা গঠিত হয়?
    উত্তর : ১৯৭২ সালে ‘বাংলাদেশ মহিলা পুনর্বাসন সংস্থা’ গঠিত হয়।
    ‘বাংলাদেশ মহিলা পুনর্বাসন সংস্থা’ কোন লক্ষ্যে গঠিত হয়েছিল?
    উত্তর : ১৯৭২ সালে দুস্থ ও শিশুদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে ‘বাংলাদেশ মহিলা পুনর্বাসন সংস্থা’ গঠিত হয়েছিল।
    বাংলায় কত সালে নারীরা ভোটাধিকার পায়?
    উত্তর : ১৯৭২ সালে।
    কে প্রথম সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধ করেন?
    উত্তর : রাজা রামমোহন রায় প্রথম সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধ করেন।
    চতুর্থ বিশ্বনারী সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
    উত্তর : চীনের রাজধানী বেইজিং এ চতুর্থ বিশ্ব নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
    নারীর ক্ষমতায়ন বলতে কী বুঝ?
    উত্তর : সাধারণত উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে নারী যথাযথ অংশগ্রহণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ দান।
    এশিয়ার প্রথম নারী সরকারপ্রধানের নাম কী?
    উত্তর : শ্রীমাভো বন্দরনায়েকে, শ্রীলংকা।
    ফতোয়া কী?
    উত্তর : ফতোয়া শব্দের অর্থ ধর্মীয় বিধিবিধান। ইসলামি ধর্মীয় বিশেষজ্ঞ বা মুফতি কর্তৃক প্রদত্ত বিধিবিধানকে
    ফতোয়া বলে ।
    ইভটিজিং কী?
    উত্তর : ইভটিজিং নারীনির্যাতনের একটি ধরন। ঘরে-বাইরে তথা রাস্তা-ঘাটে চলাফেরার সময় প্রায় সব বয়সের
    মেয়েদের অশ্লীল ইঙ্গিত বা অশোভন মন্তব্য দ্বারা উত্যক্ত করাই ইভটিজিং।
    নারীর মর্যাদা সম্পর্কিত কমিশন কবে গঠিত হয়?
    উত্তর : ১৯৪৬ সালের ২১ জুন।
    বাঙালি নারীদের দুটি গুণাবলি লিখ।
    উত্তর : রাজনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ, পোশাক শিল্পে নারীদের অবদান।
    পরিবারে নারীর তিনটি ভূমিকা লিখ।
    উত্তর : মা, স্ত্রী, বোন ।
    চীনের রাজধানী বেইজিং-এ চতুর্থ বিশ্বনারী সম্মেলনের শ্লোগান কী ছিল?
    উত্তর : শান্তি, সমতা, উন্নয়ন।
    চতুর্থ বিশ্বনারী সম্মেলন কোথায় কত সালে হয়?
    উত্তর : বেইজিং-এ ১৯৯৫ সালে।
    হিন্দুসমাজের সতীদাহ প্রথা কে বন্ধ করেন?
    উত্তর : রাজা রামমোহন রায়।
    বিবাহবিচ্ছেদের ক্ষেত্রে সমাজ কাকে প্রাধান্য দিয়েছে?
    উত্তর : পুরুষকে।
    বিবাহবিচ্ছেদের পর সন্তান মায়ের অধিকারে কত বছর থাকতে পারে?
    উত্তর : ছেলে সন্তান ৭ বছর মেয়ে সন্তান বয়ঃপ্রাপ্তিকাল পর্যন্ত ।
    বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন প্রথম কবে হয়?
    উত্তর : ১৯২৯ সালে।
    ভারতের সাবেক নারী প্রেসিডেন্টের নাম কী?
    উত্তর : ভারতের সাবেক নারী প্রেসিডেন্টের নাম প্রতিভা পাতিল ।
    বিধবাবিবাহ চালু করেন কে?
    উত্তর : বিধবাবিবাহ চালু করেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
    সতীদাহ প্রথা বিলোপসাধন করেন কে?
  3. উত্তর : লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক সতীদাহ প্রথা বিলোপসাধন করে

খ-বিভাগ

প্রশ্ন॥১॥ক্ষমতায়ন বলতে কী বুঝ?
প্রশ্ন॥২॥নারীর ক্ষমতায়নে NGO দের ইতিবাচক দিক সংক্ষেপে আলোচনা কর।
প্রশ্ন৷৩৷৷নারীর ক্ষমতায়নে NGO দের নেতিবাচক দিক সংক্ষেপে আলোচনা কর।
প্রশ্ন॥৪॥নারীর ক্ষমতায়নে কৌশলগত জেন্ডার স্বার্থ সংক্ষেপে আলোচনা কর।
প্রশ্ন॥৫॥বিশ্বায়ন বলতে কী বুঝ?
প্রশ্ন॥৬॥বিশ্বায়নের যুগে নারীর অবস্থা আলোচনা কর।
প্ৰশ্ন৷॥৭॥উন্নয়ন এবং নারী উন্নয়ন কী?
প্ৰশ্ন৷॥৮॥Women in development (WID) এর কর্মকৌশলগুলো লিখ ।
প্রশ্ন॥৯॥‘উন্নয়নে নারী’ নীতিমালার (WID) সীমাবদ্ধতাসমূহ কী কী?
প্ৰশ্ন৷৷১০৷৷উন্নয়নে নারী’ নীতিমালার দক্ষতা পদ্ধতি (Efficiency Approach) সংক্ষেপে আলোচনা কর।
প্রশ্ন৷১১৷৷উন্নয়নে নারী নীতিমালার ধরনগুলো কী কী?
প্ৰশ্ন৷৷১২৷৷ উন্নয়নে নারী নীতিমালার দারিদ্র্য বিমোচন পদ্ধতি সংক্ষেপে আলোচনা কর ।
প্রশ্ন৷৷১৩৷৷ উন্নয়নে নারী নীতিমালার কল্যাণমুখী পদ্ধতি সংক্ষেপে আলোচনা কর।
প্ৰশ্ন৷ ১৪৷৷ কল্যাণমুখী পদ্ধতির সীমাবদ্ধতাসমূহ কী কী?
প্ৰশ্ন৷৷১৫৷কীভাবে জেন্ডার সমতা নিশ্চিত করা যায় লেখ।
প্ৰশ্ন৷৷১৬৷৷ Gender and development (GAD) এর বৈশিষ্ট্য সংক্ষেপে আলোচনা কর?
প্ৰশ্ন৷১৭৷৷ নারী উন্নয়ন কী?
প্ৰশ্ন৷৷১৮৷৷ Women and development (WAD) সীমাবদ্ধতা সংক্ষেপে আলোচনা কর।
প্ৰশ্ন৷৷১৯৷ সুশাসনে নারীর অংশগ্রহণ কেন দরকার?
প্রশ্ন৷২০৷৷ রাজনৈতিক দল ও নারী ইস্যু সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা কর।
প্ৰশ্ন৷৷২১৷৷ উন্নয়নে নারী বলতে কী বুঝ?
প্ৰশ্ন৷৷২২৷৷নারী উন্নয়নের কৌশল ও নীতিমালা আলোচনা কর।
প্রশ্ন৷৷২৩৷নারীর শ্রমশক্তির উপর বিশ্বায়নের প্রভাব কেমন?
প্ৰশ্ন৷২৪৷জেন্ডার সংবেদনশীল বাজেটের প্রয়োজনীয়তা সংক্ষেপে আলোচনা কর।
প্ৰশ্ন৷৷২৫৷জেন্ডার ও উন্নয়ন কী?
প্রশ্ন৷৷২৬৷জেন্ডার ও উন্নয়ন এর বৈশিষ্ট্য লিখ ।
প্ৰশ্ন৷৷২৭৷৷৷নারী উন্নয়নের এ্যাপ্রোচসমূহ আলোচনা কর।
প্ৰশ্ন৷৷২৮৷পিআরএসপি এর প্রধান কৌশল কী কী?
প্ৰশ্ন৷৷২৯৷৷সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য মাত্রা কী?
প্রশ্ন৷৩০৷৷ফোকাল পয়েন্ট কী?
প্ৰশ্ন৷৩১৷৷‘গেইনস’ কী?
প্ৰশ্ন৷৷৩২৷৷উয়িড ও গ্যাড় কী?
প্ৰশ্ন৷৩৩৷৷জাতীয় বাজেটে নারীর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি কেমন?
প্ৰশ্ন৷৩৪৷৷উন্নয়নমূলক বাজেটে নারীর অবস্থান সংক্ষেপে আলোচনা কর।
প্রশ্ন॥৩৫৷রাজস্ব বাজেটে নারীর অবস্থান সংক্ষেপে আলোচনা কর।
প্ৰশ্ন৷৩৬৷৷WID, WAD, GAD কী?
প্ৰশ্ন৷৩৭৷বিশ্ব নারী সম্মেলনগুলো সালসহ উল্লেখ কর।
প্ৰশ্ন৷৷৩৮৷৷নারীর ক্ষমতায়নের উপায়সমূহ কী কী?
প্ৰশ্ন৷৩৯৷৷বাংলাদেশে নারী ক্ষমতায়নের বাধাসমূহ কী?
প্ৰশ্ন৷৪০৷৷ বাংলাদেশে নারী উন্নয়ন বা ক্ষমতায়নের বাস্তব দিক কী?
প্রশ্ন৷৷ ৪১৷৷বাংলাদেশে নারী উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের তত্ত্বগত দিক কী?
প্ৰশ্ন৷৷ ৪২৷৷পারিবারিক ক্ষেত্রে নারীর ক্ষমতায়ন সংক্ষেপে আলোচনা কর।
প্ৰশ্ন৷৷ ৪৩৷৷জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রক্রিয়ায় নারীর ক্ষমতায়ন সংক্ষেপে আলোচনা কর।
প্ৰশ্ন৷৷ ৪৪৷৷প্রথম বিশ্ব নারী সম্মেলন (মেক্সিকো সিটি ১৯৭৫)-এর কর্ম পরিকল্পনাগুলো লিখ।
প্ৰশ্ন৷৷ ৪৫৷৷ কোপেনহেগেন>দ্বিতীয় বিশ্ব নারী সম্মেলন ১৯৮০ সংক্ষেপে আলোচনা কর।
প্রশ্ন৷৪৬৷ নাইরোবি>তৃতীয় বিশ্ব নারী সম্মেলন ১৯৮৫ সংক্ষেপে আলোচনা কর।
প্ৰশ্ন৷॥৪৭৷৷ বেইজ়িং>চতুর্থ বিশ্ব নারী সম্মেলন ১৯৯৫ সংক্ষেপে আলোচনা কর।
প্ৰশ্ন৷৪৮৷ নিউইয়র্ক>বেইজিং প্লাস ফাইভ সম্মেলন ২০০০ সংক্ষেপে আলোচনা কর ।
প্ৰশ্ন৷৷ ৪৯৷৷ আইন ও শালিস কেন্দ্রের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সংক্ষেপে আলোচনা কর।
প্রশ্ন॥৫০৷ মানবাধিকার রক্ষায় এমনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল (AI) এর ভূমিকা সংক্ষেপে আলোচনা কর।
প্ৰশ্ন৷৫১৷ মানবাধিকার রক্ষায় মানবাধিকার কমিশনের ভূমিকা কী?
প্ৰশ্ন৷৷৫২৷৷ মানবাধিকার কমিশনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সংক্ষেপে আলোচনা কর।
প্রশ্ন॥৫৩৷৷ নারীর মানবাধিকার বলতে কী বুঝ?
প্রশ্ন৷৫৪।।নারীর দৈনন্দিন জীবনে বিশ্বায়নের প্রভাব কিরূপ?
প্রশ্ন॥৫৫৷ বাংলাদেশের নারীদের সাংবিধানিক অধিকারসমূহ কী কী?
প্রশ্ন৷৫৬৷৷ নারীর উপর বিশ্বায়নের ইতিবাচক প্রভাব কী কী?
প্রশ্ন॥৫৭৷ নারীর উপর বিশ্বায়নের নেতিবাচক প্রভাব কী কী?
প্রশ্ন৷৫৮৷ নারীর ক্ষমতায়নের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কী কী?
প্রশ্ন॥৫৯৷ নারীর ক্ষমতায়নের প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা কর।

গ-বিভাগ

প্রশ্ন॥১॥ক্ষমতায়ন বলতে কী বুঝ? নারীর ক্ষমতায়নের স্তরগুলো আলোচনা কর।
প্ৰশ্ন৷৷২৷৷নারীর ক্ষমতায়নের উপায়সমূহ আলোকপাত কর।
প্রশ্ন॥৩॥নারীর ক্ষমতায়নের পথে বাধাসমূহ বা প্রতিবদ্ধকতাসমূহ আলোচনা কর।
প্রশ্ন॥৪॥নারীর ক্ষমতায়নে জেন্ডার স্বার্থ সম্পর্কে আলোচনা কর ।
প্রশ্ন॥৫॥নারীর ক্ষমতায়নে কৌশলগত অবস্থান আলোচনা কর।
প্ৰশ্ন৷৬৷নারী উন্নয়নে ‘উন্নয়নে নারী’ কৌশলের গুরুত্ব আলোচনা কর।
প্ৰশ্ন৷॥৭॥এলিচ রোসী (Alice Rossi) প্রদত্ত নারীমুক্তির মডেলটি আলোচনা কর।
প্ৰশ্ন৷৮৷৷নারী উন্নয়নে WID সম্পর্কে আলোচনা কর।
প্রশ্ন॥৯॥সুশাসনে নারীর অংশগ্রহণ কেন জরুরি? আলোচনা কর।
প্ৰশ্ন৷১০৷জেন্ডার সংবেদনশীল সুশাসনের কর্মকৌশলগুলো কী কী?
প্ৰশ্ন৷১১৷৷নারী উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত নীতিসমূহ পর্যালোচনা কর।
প্ৰশ্ন৷১২৷৷ নারীর শ্রম শক্তির উপর বিশ্বায়নের প্রভাব আলোচনা কর।
প্ৰশ্ন৷৷১৩৷৷নারী উন্নয়নে GAD-এর নীতিমালা আলোচনা কর।
প্ৰশ্ন৷৷ ১৪৷৷জেন্ডার উন্নয়নের কৌশলসমূহ আলোচনা কর।
প্ৰশ্ন৷৷১৫৷৷ নারীদের উপর বিশ্বায়নের প্রভাব আলোচনা কর।
প্ৰশ্ন৷৷১৬৷৷উপমহাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নারীদের আগমনের ক্রমবিকাশ আলোচনা কর।
প্ৰশ্ন৷৷ ১৭৷ নারী রাষ্ট্রপ্রধানদের দৃষ্টিতে নারী নেতৃত্ব আলোচনা কর।
প্রশ্ন৷ ১৮৷৷ অবিভক্ত বাংলার মুসলিম জাগরণে বেগম রোকেয়ার অবদান মূল্যায়ন কর।
প্রশ্ন৷১৯৷ নারী শিক্ষা ও সমাজসংস্কারের ক্ষেত্রে বেগম রোকেয়ার অবদান আলোচনা কর।
প্ৰশ্ন৷৷২০৷৷ মাদার তেরেসার জীবনী, বিভিন্নমুখী কর্মকাণ্ড ও তাঁর অবদানসমূহ আলোচনা কর।
প্ৰশ্ন৷৷২১৷৷ মার্গারেট থ্যাচারের জীবনী ও তাঁর কর্মকাণ্ড সম্পর্কে আলোচনা কর।
প্রশ্ন৷৷২২৷ ইন্দিরা গান্ধীর জীবনী আলোচনাপূর্বক তাঁর রাজনৈতিক অবদানসমূহ আলোচনা কর।
প্ৰশ্ন৷৷২৩৷৷ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বেনজীর ভুট্টোর অবদান আলোচনা কর।
প্ৰশ্ন৷৷২৪৷৷ শ্রীমাভো বন্দরনায়েকের জীবনী, রাজনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে তাঁর অবদান আলোচনা কর
প্ৰশ্ন৷৷২৫৷৷৷ রাজনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে চন্দ্রিকা কুমারাতুঙ্গার অবদান আলোচনা কর।
প্ৰশ্ন৷৷২৬৷৷ সোনিয়া গান্ধীর পরিচয় এবং তাঁর রাজনৈতিক কর্মজীবন সম্পর্কে আলোচনা কর।
প্ৰশ্ন৷৷২৭৷৷ বিজ্ঞানে নারীর ভূমিকা আলোচনা কর ।
প্ৰশ্ন৷৷২৮৷৷ প্রযুক্তিতে নারীর ভূমিকা আলোচনা কর ।
প্ৰশ্ন৷৷২৯৷৷বাংলাদেশে নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের সম্ভাবনা কতটুকু? আলোচনা কর।
প্ৰশ্ন৷৷৩০৷৷সুশাসনে নারীর অংশগ্রহণ কেন জরুরি? জেন্ডার সংবেদনশীল সুশাসনের কর্মকৌশলগুলো কি কি?
প্ৰশ্ন৷৩১৷৷রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় নারীর পশ্চাৎপদতার কারণসমূহ আলোচনা কর।
প্ৰশ্ন৷৩২৷৷নারী উন্নয়নের কৌশলপত্র হিসেবে WID, WAD এবং GAD সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা কর।
প্রশ্ন৷৩৩৷৷ নারী উন্নয়নে ‘উন্নয়নে নারী’ কৌশলের গুরুত্ব আলোচনা কর।
প্ৰশ্ন৷৷৩৪৷৷ নারী উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত নীতিসমূহ পর্যালোচনা কর।
প্ৰশ্ন৷৷৩৫৷৷ বাংলাদেশের জাতীয় অর্থনীতিতে নারীর অবদান মূল্যায়ন কর।

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন: 01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!