ডিগ্রী এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এবং ২০২২ সকল বিষয়ের রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে Whatsapp করুন: +8801979786079  

ডিগ্রী এবং অনার্স পয় বর্ষ ২০২২ সকল বিষয়ের রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা প্রতি বিষয় এবং ৭ বিষয়ের নিলে ১৫০০টাকা। সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079

স্বাধীন বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থার ক্রমবিবর্তন উল্লেখ কর।


অথবা, স্বাধীনোত্তর বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থার বিকাশ ধারা উল্লেখ কর।
অথবা, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থার ধাপসমূহ লিখ।
অথবা, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থার ক্রমবিবর্তন লিখ।
অথবা, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থার ধাপসমূহ উল্লেখ কর।
অথবা, স্বাধীনোত্তর বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থার বিকাশের ধারাসমূহ লিখ।
ভূমিকা :
স্থানীয় পর্যায়ে প্রশাসন, উন্নয়ন ও নীতিনির্ধারণ বিষয়াবলিতে জনগণের অংশগ্রহণমূলক ব্যবস্থা গড়ে তোলাই ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণের মতাদর্শ। ঔপনিবেশিক শাসনের পূর্বে বাংলা অঞ্চলে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থা ছিল। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে প্রতিটি সরকার বদলের সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন সরকার কাঠামোর পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। স্থানীয় সরকারের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তরও করেনি এবং আর্থিক স্বাধীনতাও প্রদান করেনি।
স্বাধীনোত্তর বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের প্রকৃতি : ১৯৭১ সালের দীর্ঘ নয় মাসের স্বাধীনতাযুদ্ধের পর বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে। স্বাধীনতা লাভের পরপরই সরকার স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের কাঠামো পুনর্গঠনের পদক্ষেপ গ্রহণ করে। স্বাধীনোত্তর বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ছিল সম্পূর্ণ ব্রিটিশ মডেলের। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সরকার স্থানীয় সরকার কাঠামোর বিভিন্ন ধরনের সংস্কার আনয়ন করেছে। নিম্নে আলোচনার মাধ্যমে এগুলো তুলে ধরা হলো :
১. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আমল (১৯৭২-১৯৭৫) : ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি এক আদেশে পাকিস্তান আমলের সকল স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনসমূহ বিলোপ সাধন করে বাংলাদেশ পঞ্চায়েত ব্যবস্থা প্রবর্তন করে। ইউনিয়ন কাউন্সিলের নাম ইউনিয়ন পঞ্চায়েত করা হয়। ১৯৭৩ সালের জুন মাসে জাতীয় সংসদে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত আইন পাস হয়। তাতে ইউনিয়ন পঞ্চায়েতের পরিবর্তে আবার ইউনিয়ন পরিষদ নামটি পুনঃপ্রবর্তন করা হয়। ঐ বছরের শেষের দিকে প্রথম স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের অর্থাৎ ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
২. জিয়াউর রহমানের শাসনামল (১৯৭৫-১৯৮১) : জিয়ার সামরিক শাসন আমলে ১৯৭৬ সালে ৩ স্তর বিশিষ্ট (ইউনিয়ন পরিষদ, থানা পরিষদ এবং জেলা পরিষদ) স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন পুনর্গঠন করেন। ১৯৮০ সালে প্রেসিডেন্ট জিয়া গ্রাম এলাকায় স্বনির্ভর গ্রাম সরকার গঠনের এক অধ্যাদেশ জারি করেন এবং ৬৮,০০০ গ্রামে গ্রাম সরকার গঠন করেন। ১৯৮১ সালে জিয়ার মৃত্যুর সাথে সাথে গ্রাম সরকার ব্যবস্থাও বাতিল হয়ে যায়।তায় বিশ্বাবদ্যালয়
৩. এরশাদের শাসনামল (১৯৮২-১৯৯০) : জেনারেল এরশাদ ক্ষমতায় এসে থানাকে উন্নয়নের সকল কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করার উদ্দেশ্যে ১৯৮২ সালে স্থানীয় সরকার অধ্যাদেশ জারি করেন। এই অধ্যাদেশে প্রতিটি থানাকে উন্নত করে উপজেলা নামকরণ করা হয় এবং জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয় ।
৪. খালেদা জিয়ার শাসনামল (১৯৯১-১৯৯৬): ১৯৯১ সালের নভেম্বর মাসে বেগম খালেদা জিয়া এক অধ্যাদেশ বলে উপজেলা পদ্ধতি বাতিল করেন। এ সময়ে “স্থানীয় সরকার কাঠামো পর্যালোচনা কমিশন’ গঠন করেন। এই কমিশন দুই স্তর (জেলা পরিষদ এবং ইউনিয়ন পরিষদ) বিশিষ্ট স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত সরকার ব্যবস্থার সুপারিশ করেন।
৫. শেখ হাসিনার শাসনমল (১৯৯৬-২০০১) : শেখ হাসিনার আমলে রহমত আলীকে আহ্বায়ক করে গঠিত কমিশন ৪ স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত সরকার কাঠামো সুপারিশ করেন। স্তরগুলো :
১. জেলা পরিষদ,
২. উপজেলা পরিষদ,
৩. ইউনিয়ন পরিষদ ও
৪. গ্রাম পরিষদ। বাস্তবে ৩ স্তরই থেকে যায়।
৬. খালেদা জিয়ার শাসনামল (২০০২-২০০৬) : বিএনপি সরকারের শাসনামলে স্থানীয় সরকার কাঠামোতে যে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন সাধিত তা হলো গ্রাম সরকার ব্যবস্থায় পুনর্গঠন। তবে গ্রাম সরকার সম্পর্কে যথেষ্ট বিতর্ক থাকায় এটা সঠিকভাবে তার কার্যাবলি সম্পন্ন করতে পারে নি।
৭. শেখ হাসিনার শাসনামল (২০০৯-বর্তমান) : শেখ হাসিনার সরকার দ্বিতীয়বারের মত ক্ষমতায় এসে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন করে। বর্তমানে বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত সরকার ব্যবস্থায় তিনটি স্তর বিদ্যমান। যথা :
ক. ইউনিয়ন পরিষদ,
খ. উপজেলা পরিষদ ও
গ. জেলা পরিষদ । জেলা পরিষদে প্রধান হিসেবে প্রশাসকগণ দায়িত্বরত রয়েছেন।
উপসংহার : উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, বালাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী সময় থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত সরকার ব্যবস্থায় গৃহীত বিভিন্ন সরকারি পদক্ষেপ বিভিন্ন কারণে সঠিকভাবে কার্যকর করা বা বাস্তবায়ন করা যায়নি। বিশেষত আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সুষ্ঠু পরিকল্পনার অভাবে অনেক সংস্কার দুর্নীতির কবল থেকে মুক্ত হতে পারেনি।

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন: 01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published.