Answer

সহসম্পর্ক বিশ্লেষণের পদ্ধতিসমূহ কী কী?

অথবী, সহসম্বন্ধ বিশ্লেষণের পদ্ধতিগুলো তুলে ধর।
অথবা, সহসংশ্লেষণ বিশ্লেষণের পদ্ধতিসমূহ উল্লেখ কর।
উত্তর৷ ভূমিকা :
সামাজিক পরিসংখ্যান দুই বা ততোধিক চলকের একই সাথে পরিবর্তিত হওয়ার প্রবণতা বা পরস্পর নির্ভরশীলতাকে সহসম্পর্ক বলে । পরস্পর সম্পর্কযুক্ত দুটি চলকের একটির অবস্থার উন্নতি হলে অন্যটিরও হয় বা একটি অবস্থার অবনতি হলে অন্যটিরও তাই হয় অথবা এর বিপরীত অবস্থাও ঘটতে পারে। চলকের মধ্যে এই হ্রাস-বৃদ্ধি পরিমাপ করার জন্য কতিপয় পদ্ধতির ব্যবহার লক্ষ করা যায় ।
সহসম্পর্ক সহগ বা সংশ্লেষাঙ্ক : দুই বা ততোধিক চলকের মধ্যে যে সম্পর্ক বিদ্যমান তার গাণিতিক পরিমাণকে সহসম্পর্ক সহগ বা Co-efficeient of correlation বলে । এটি একটি সিরিজকে বিশ্লেষণ করে না, বরং নমুনার দুটি চলকের মধ্যকার সম্পর্ক নিয়েই শুধু সহসম্পর্ক কাজ করে । একে “r” দ্বারা সূচিত করাহয়। এর মান -১ হতে শুরু করে ১ এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। তবে ‘o’ দ্বারা সহসম্পর্কের অনুপস্থিতিকে বুঝায়। সহসম্পর্ক সহগের কোন একক নেই । গোষ্ঠীর সহসম্পর্ক সহগকে p (রো) দ্বারা প্রকাশ করা হয় ।
সহসম্পর্ক বিশ্লেষণের পদ্ধতি : সহসম্পর্ক বিশ্লেষণের দুটি প্রধান ধাপ রয়েছে । যথা : সম্পর্কের প্রকৃতি জানা এবং সম্পর্কের পরিমাণ নির্ণয় । বিক্ষেপ চিত্র এবং লেখচিত্রের মাধ্যমে দুটি চলকের মধ্যে দৃশ্যমান উপস্থাপনা তৈরি করা হয়। অঙ্কন এ মাধ্যমে উপস্থাপন করলে শুধুই সম্পর্কের প্রকৃতি জানা যায়। তবে অঙ্কন ছাড়াও কয়েক প্রকার গাণিতিক পদ্ধতি রয়েছে, যাদের মাধ্যমে সহসম্পর্কের প্রকৃতি এবং মাত্রা উভয়ই জানা যায়। পদ্ধতিগুলোকে নিম্নলিখিতভাবে শ্রেণিবিন্যস্ত করা সম্ভব ।

উপসংহার : পরিশেষে বলা যায় যে, চিত্রে উপস্থাপনের জন্য আমরা সাধারণত বিক্ষেপ চিত্র পদ্ধতিই ব্যবহার করি । অপরদিকে গাণিতিক পদ্ধতির মধ্যে কার্ল পিয়ারসনের সহসম্পর্ক সহগ পদ্ধতি এবং স্পিয়ারম্যানের র‍্যাঙ্ক পদ্ধতি সহসম্পর্ক বিশ্লেষণে বেশি ব্যবহার হয়।

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন: 01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!