ডিগ্রি ২য় বর্ষ(২০১৯-২০) নিয়মিত ও প্রাইভেট শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফরম পূরণ চলবে ৭/০২/২০২৩ থেকে ৭/০৩/২০২৩ পর্যন্ত। *পরীক্ষা হবে কেন্দ্র খালি থাকলে এপ্রিলের শুরুতে বা ঈদের পরপরই। কলেজসমূহে ফরম পূরণ ফি ১৫০০ এর মধ্যে।

লাজনম্র যে মেয়েটি থাকতো আড়ালে সর্বক্ষণ, যে ছিল অসূর্যম্পশ্যা, এখন সে ঝলসায় মিছিলে মিছিলে। -ব্যাখ্যা কর।

উৎস : ব্যাখ্যেয় অংশটুকু বাংলাদেশের প্রধান কবি শামসুর রাহমান বিরচিত ‘বার বার ফিরে আসে’ শীর্ষক দেশাত্মবোধক কবিতা থেকে চয়ন করা হয়েছে।
প্রসঙ্গ : বাংলাদেশের স্বাধিকার আন্দোলনের সময় এদেশের সর্বস্তরের মানুষ কীভাবে অংশগ্রহণ করেছিল তা বুঝানোর জন্য কবি আলোচ্য উপমাটি দিয়েছেন।
বিশ্লেষণ : বাংলাদেশের সহজ সরল নিরপরাধ মানুষ বার বার শাসক-শোষকদের দ্বারা নির্যাতিত হয়েছে। বার বার তারা রুখে দাঁড়িয়েছে অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে। ১৯৬৯ সালের স্বায়ত্তশাসন আন্দোলনের সময় বাঙালির উপর নেমে এসেছিল সামরিক শাসনের খড়গাঘাত। পাকিস্তানি শাসকেরা বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনকে বুলেট-বেয়নেট দিয়ে দমন করতে চেয়েছিল। এ দমন নিপীড়নের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিল বাংলাদেশের আবাল বৃদ্ধ বণিতা। সেদিন কেউ ঘরে বসে থাকেনি। সবাই স্বাধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে শরিক হয়েছিল। ঊনসত্তরের উত্তাল দিনে যুবকেরা খেলা ফেলে রেখে নেমে এসেছিল রাস্তায় ছাত্ররা ক্লাস থেকে বেরিয়ে এসে যোগ দিয়েছিল মিছিলে, কৃষক লাঙল জোয়াল ফেলে ছুটে এসেছিল গঞ্জের বিক্ষোভে, মাঝি নৌকা-বৈঠা ফেলে লগি হাতে যোগ দিয়েছিল জনসভায়, শ্রমিক কারখানা ছেড়ে অবরোধ গড়েছিল রাজপথে, শিক্ষক গবেষণা রেখে হাতে তুলে নিয়েছিল ব্যানার ফ্যাস্টুন। লাজম্র যে যুবতীরা কখনো ঘরের বাইরে আসতো না তারাও যোগ দিয়েছিল রাজপথের মিছিলে! এভাবে সর্বস্তরের বাঙালি অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিল যার যার অবস্থান থেকে। আসাদের রক্তে ভেজা শার্ট সেদিন পতাকা হয়েছিল মিছিলের। এভাবেই বার বার বাঙালির পরিচ্ছদ রক্তে ভিজে লাল হয়েছে।
মন্তব্য : অন্যায়ের বিরুদ্ধে বাঙালি সর্বদাই ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন গড়ে তুলেছে। এসব আন্দোলনের সময় কেউ পিছিয়ে থাকেনি।

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন: 01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!