ডিগ্রি ২য় বর্ষ(২০১৯-২০) নিয়মিত ও প্রাইভেট শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফরম পূরণ চলবে ৭/০২/২০২৩ থেকে ৭/০৩/২০২৩ পর্যন্ত। *পরীক্ষা হবে কেন্দ্র খালি থাকলে এপ্রিলের শুরুতে বা ঈদের পরপরই। কলেজসমূহে ফরম পূরণ ফি ১৫০০ এর মধ্যে।

প্রজনন স্বাস্থ্য’ ব্যাখ্যা কর।

অথবা, প্রজনন স্বাস্থ্য বলতে কী বুঝ?
অথবা, প্রজনন স্বাস্থ্য কী?
অথবা, প্রজনন স্বাস্থ্য কাকে বলে?
উত্তর৷ ভূমিকা :
স্বাস্থ্যক্ষেত্রে বাংলাদেশের নারীদের অবস্থান খুবই হতাশাজনক। দেশের সব মানুষের স্বাস্থ্য এমনকি স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া যে নারীর অধিকার, এটাও জানা নেই অনেকের। তাই এদেশে পুরুষের তুলনায় নারীর স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি সাংবিধানিক অঙ্গীকার হলেও, বাস্তব সত্য হলো এখনো নারীরা স্বাস্থ্যসেবার অধিকার থেকে বঞ্চিত।
পরিচর্যা অনেক কম হয়।
প্রজনন স্বাস্থ্য : জনসংখ্যা ও উন্নয়ন বিষয়ক জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক সম্মেলনে (ICPD) প্রোগ্রাম অভ অ্যাকশন দলিল অনুযায়ী প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা বলতে বুঝায় প্রাথমিক স্বাস্থ্য যত্নের মাধ্যমে প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা। পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক পরামর্শ দান, তথ্যশিক্ষা ও যোগাযোগ সেবা প্রদান এবং বস্তুত প্রজনন অধিকারের মূল দিক হলো সন্তান ধারণের স্বাধীন গ্রহণ এবং নিরাপদ ও কার্যকর জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির অধিকার। ১৯৬৮-তে জাতিসংঘ মানবাধিকার ঘোষণায় এবং পরবর্তীতে ১৯৭৪ সালে বুখারেস্টের জাতিসংঘ জনসংখ্যা সম্মেলনে এ অধিকারের কথা অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন জাতীয়-আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও মানবাধিকার দলিলপত্রে নারীর প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার ভোগের কথা বলা হয়েছে। অথচ বাস্তবে এর উল্টোটাই ঘটছে। নারীর শরীর ও প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার অধিকার নারীর নেই। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত নেয় তার স্বামী কিংবা শ্বশুরবাড়ির লোক এমনকি রাষ্ট্র কিংবা উন্নত বিশ্বের রথী-মহারথীরাও তাদের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেয় নারীর উপর। উন্নত বিশ্বের দেশ ও বিভিন্ন সাহায্য সংস্থাগুলো নির্ধারণ করে আমাদের জন্যসংখ্যা কেমন হবে, অনিয়ন্ত্রিত জনসংখ্যাকে নিয়ন্ত্রণের জন্য কি কি
ব্যবস্থা নিতে হবে, আর সে জন্য নারীর কি কি করণীয়। এক্ষেত্রে নারী কি চায়, তার সমস্যা বা সুবিধা-অসুবিধা কি কি; তার শরীর এই ভার বহন করতে পারবে কিনা- এসব বিবেচনা না করেই সবকিছু তার উপর চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে।
উপসংহার : পরিশেষে বলা যায় যে, যতদিন নারী স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত থাকবে, ততদিন নারীরা সামাজিক মর্যাদার দিক থেকেও পিছিয়ে থাকবে। তাই নারীদের সামাজিক অবস্থান নির্ণয়ের জন্য অধিকারভিত্তিক একটি স্বাস্থ্য পরিকাঠামো গড়ে তুলতে হবে। অবশ্য সাম্প্রতিক সময়ে নারীর স্বাস্থ্যগত মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিভিন্নধর্মী কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে।

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন: 01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!