ডিগ্রি ২য় বর্ষ(২০১৯-২০) নিয়মিত ও প্রাইভেট শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফরম পূরণ চলবে ৭/০২/২০২৩ থেকে ৭/০৩/২০২৩ পর্যন্ত। *পরীক্ষা হবে কেন্দ্র খালি থাকলে এপ্রিলের শুরুতে বা ঈদের পরপরই। কলেজসমূহে ফরম পূরণ ফি ১৫০০ এর মধ্যে।

নারী নির্যাতন বন্ধের উপায়সমূহ কী কী? বাংলাদেশ সরকার নারী নির্যাতন রোধে কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে? নারী নির্যাতন বন্ধে প্রতিবন্ধকতাসমূহ আলোচনা কর।

অথবা, কিভাবে নারী নির্যাতন বন্ধ করা যাবে? নারী নির্যাতন রোধে বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহ কী কী? নারী নির্যাতন বন্ধে প্রতিবন্ধকতাসমূহ আলোচনা কর।
অথবা, নারী নির্যাতন রোধের উপায় লিখ। বাংলাদেশ সরকারের নারী নির্যাতন রোধে গৃহীত পদক্ষেপগুলো বর্ণনা কর। নারী নির্যাতন বন্ধের প্রতিবন্ধকতাসমূহ উল্লেখ কর।
অথবা, নারী নির্যাতন কিভাবে রোধ করা যাবে? নারী নির্যাতন রোধে বাংলাদেশ সরকারের ভূমিকা বর্ণনা কর এবং নারী নির্যাতন বন্ধের প্রতিবন্ধকতা লিখ।
উত্তর৷ ভূমিকা :
বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে ভয়াবহ একটি রূপ হল নারী নির্যাতন। বর্তমান পৃথিবীতে প্রতি তিনজন নারীর মধ্যে একজন ঘরের ভিতরে কিংবা বাইরে শারীরিক, মানসিক বিভিন্নভাবে নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। গত দুই দশক ধরে নারী নির্যাতন বাংলাদেশে অন্যতম সামাজিক ইস্যু হিসেবে আলোচনার শীর্ষে উঠে এসেছে।
এমন কোন দিন নেই যেদিন পত্রিকার পাতায় এক বা ততোধিক নারী নির্যাতনের খবর ছাপা হয় না।
নারী নির্যাতন বন্ধের উপায় : নারী নির্যাতন আজ একটি সামাজিক ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। এটি প্রতিরোধ করা সহজ কাজ নয়। এর জন্য সামাজিক অঙ্গীকারের প্রয়োজন। নিম্নে নারী নির্যাতন বন্ধের উপায়সমূহ উল্লেখ করা হল :
১.নির্যাতনের কারণ, ধরন ও প্রকৃতি সুস্পষ্টভাবে চিহ্নিত করা ও সমাধানকল্পে ব্যবস্থা গ্রহণ ।
২.ধরন ও প্রকৃতির সাথে মিল রেখে আইন প্রণয়ন করা।
পুরুষতান্ত্রিক মূল্যবোধ দূরীকরণার্থে উভয়ের চরিত্র, কর্তব্য ও অধিকার সম্পর্কে সচেতন করে তোলা।
৪. অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা।
৫. মেয়েদের আত্মরক্ষার জন্য রক্ষণাত্মক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।
৬.ছেলেমেয়ে উভয়কে পারিবারিক দিক দিয়ে নৈতিক মূল্যবোধের শিক্ষা দেয়া
৭. নৈতিক চরিত্র গঠনমূলক পাঠ্যপুস্তক পাঠদান বাধ্যতামূলক করা।
৮.প্রচার মাধ্যম, যথা : রেডিও, টিভি ও সংবাদপত্রগুলোকে নারী নির্যাতন বন্ধ সম্পর্কিত অনুষ্ঠান প্রচার ও পত্রিকায় বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ করতে হবে।
৯. মেয়েদের উচ্চ শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা।
১০. নির্যাতিতা মহিলাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে।
১১. এসিড বিক্রয় কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
১২. নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা রোধে জাতীয় পর্যায়ে একটি ‘Platform for Action’ প্রতিষ্ঠা করা যেতে পারে।
১৩. দেশের সকল সংবাদপত্রকে নারীর বিরুদ্ধে পরিচালিত সহিংসতা রোধে সচেতন ও সমন্বিত ভূমিকা পালন করতে হবে।
১৪. সর্বোপরি নারী নির্যাতন বন্ধে আন্দোলন গড়ে তোলা।
নারী নির্যাতন রোধে বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ : নারী নির্যাতন বন্ধের জন্য সরকার যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে নিম্নে সেগুলো আলোকপাত করা হল :
১. মুসলিম পারিবারিক আইন-১৯৬১ : নারী নির্যাতন রোধে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের মধ্যে মুসলিম পারিবারিক আইন-১৯৬১ অন্যতম।
২. বাল্যবিবাহ অধ্যাদেশ- ১৯৭৪ : বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর সরকার নারী নির্যাতনরোধে যেসব ব্যবস্থা গ্রহণ
করে তার মধ্যে বাল্যবিবাহ অধ্যাদেশ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে ।
৩. যৌতুক নিরোধ আইন- ১৯৮০ : ১৯৮০ সালের যৌতুক নিরোধ আইন নারী নির্যাতন রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৪. নারী নির্যাতন বিবর্তনমূলক আইন (শাস্তিযোগ্য)- ১৯৮৪ : এ আইনে নারী নির্যাতনের শাস্তি সম্পর্কে উল্লেখ
৫. বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন (সংশোধিত অর্ডিন্যান্স- ১৯৮৪) : ১৯৮৪ সালের সংশোধিত অর্ডিন্যান্সেও নারী নির্যাতন রোধের ব্যাপারে আলোচনা করা হয়। করা হয়েছে।
৬. অপরাধ দমন আইন (দ্বিতীয় সংশোধিত অধ্যাদেশ) : এ আইনে এসিড নিক্ষেপের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। এছাড়া বর্তমানে এসিড নিক্ষেপ সম্পর্কিত মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য আলাদা ট্রাইব্যুনাল গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
৭. পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ- ১৯৮৫ : ১৯৮৫ সালে প্রবর্তিত পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশেও নারী নির্যাতন দমন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
৮. সন্ত্রাস দমন অধ্যাদেশ- ১৯৯২ : ১৯৯২ সালের সন্ত্রাস দমন আইনের মধ্যেও নারী নির্যাতন রোধের কথা উল্লেখ করা হয়।
৯. নারী ও শিশু মন্ত্রণালয় কেন্দ্রীয় সেল : নারী নির্যাতন প্রতিরোধ, নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ নিশ্চিতকরণ ও পরিবীক্ষণের লক্ষ্যে ১৯৯০ সালে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে একটি কেন্দ্রীয় সেল গঠন করা হয়।
১০. মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক গৃহীত ব্যবস্থা : মহিলা অধিদপ্তর, বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা সংস্থা অনুরূপভাবে সেল গঠন করে কর্মপরিচালনা করেছে। সরকার জেলায় এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে কমিটি গঠন করেছে একই উদ্দেশ্যে। ১৫ সদস্যবিশিষ্ট আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠিত হয়েছে, যার প্রধান মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী।
১১. মহিলা পুলিশ নিয়োগ : ১৯৯৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে সাহায্য করার লক্ষ্যে জেলা সদরগুলোতে একজন মহিলা পুলিশ সাব ইন্সপেক্টর ও একজন মহিলা সহকারী পুলিশ সাব ইন্সপেক্টর এবং পাঁচজন করে মহিলা কনস্টেবল নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
১২. নারী ও শিশু নির্যাতন সম্পর্কিত প্রচলিত আইনের সংশোধনী : সরকার ১৯৮৫ সালের জুলাই মাসে পাচারসহ নারী ও শিশু নির্যাতন সম্পর্কিত প্রচলিত আইনের একটি সংশোধনী (বিশেষ অধ্যাদেশ) জাতীয় সংসদে পাস করে। এ নতুন আইনে ধর্ষণ, এসিড নিক্ষেপ, যৌতুক, অপহরণ এবং নারী ও শিশু পাচার ইত্যাদি অপরাধের বিরুদ্ধে ন্যূনতম ৭ বছরের কারাদণ্ড ও মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে ।
১৩. জাতীয় কাউন্সিল গঠন : সরকার নারী উন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়কে অন্তর্ভুক্ত করে একটি ৪২ সদস্যবিশিষ্ট জাতীয় কাউন্সিল গঠন করেছে, যার প্রধান হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী।
১৪. মহিলা তদন্ত কেন্দ্র স্থাপন : বাংলাদেশে প্রথম এবং একমাত্র মহিলা তদন্ত কেন্দ্র স্থাপন করা হয় ঢাকার মিরপুরে। নারী নির্যাতন সংক্রান্ত অভিযোগ ও মামলা তদন্ত করবে এ মহিলা তদন্ত কেন্দ্র ।
১৫. নারী নির্যাতন বিলোপ সমন্বিত প্রকল্প (৭ দফা পদক্ষেপ) : সরকার সম্প্রতি (১৯৯৭) নারী নির্যাতন রোধে মহিলা ও শিশুবিষয়ক অধিদপ্তরের উদ্যোগে পাঁচ বছর মেয়াদি একটি সমন্বিত প্রকল্প হাতে নিয়েছে।
১৬. নারী উন্নয়ন পরিষদ : নারী উন্নয়ন ও নারীর সমতা বিধানের লক্ষ্যে সরকার নারী উন্নয়ন পরিষদ গঠন করেছে।
১৭. নারী নির্যাতন প্রতিরোধে নতুন আইন সুপারিশ কমিটি গঠন : নারীর অধিকার নিশ্চিত করা এবং নারী নির্যাতন প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দেশে বর্তমানে প্রচলিত সংশ্লিষ্ট আইনসমূহ পরীক্ষা নিরীক্ষা করে সেগুলোতে প্রয়োজনীয় সংশোধন অথবা প্রয়োজনে নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এ উদ্দেশ্যে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবকে সভাপতি করে ঐ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
১৮. মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের কার্যক্রম বৃদ্ধি : মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের কার্যক্রম বৃদ্ধি ও নতুন পদ সৃষ্টি করা হয়েছে।
১৯. নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালত গঠন : প্রতি জেলায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমনবিষয়ক আদালত গঠন করা হয়েছে।
২০. নারী সহায়তা কেন্দ্র : এটা মিরপুরের নির্যাতন দমন সেলের সাথে সংশ্লিষ্ট। কোন নারীকে কোন নির্যাতনের বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে নারী সহায়তা কেন্দ্রে তিন মাস থাকতে হয় এবং সেখানে তাকে বিভিন্ন ধরনের ক্ষুদ্র শিল্প ও হাতের কাজ সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।
২১. কর্মসংস্থান তথ্যকেন্দ্র : এ তথ্যকেন্দ্রটি শিক্ষিত ও অশিক্ষিত মেয়েদের কাজের বা চাকরি সম্পর্কে বিভিন্ন ধরনের তথ্য প্রদান ছাড়াও তাদের জন্য কাজের ব্যবস্থা করে থাকে।
২২. নানাবিধ পরিকল্পনা নির্ধারণ : স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে বহুমুখী পরিকল্পনা হিসেবে ঢাকা ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজে One Stop Crysis Centre চালু করা হয়েছে।
২৩. অন্যান্য : শিশু পাচার রোধে ইউনিসেফ (UNICEF) এর তত্ত্বাবধানে এবং SAARC এর অধীনে নারী ও শিশু পাচার রোধে বিভিন্ন প্রকল্প চালু করা হয়েছে।
বেসরকারি সংগঠনের গৃহীত উদ্যোগ : বাংলাদেশ সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি সংগঠন নারী নির্যাতন রোধে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে। শহরের পাশাপাশি গ্রামীণ এলাকাতেও বিভিন্ন বেসরকারি সংগঠন নারী নির্যাতন রোধে কাজ করে যাচ্ছে। যেমন- নারী পক্ষ এসিড নিক্ষেপের বিরুদ্ধে এবং Centre for Child and Women Study শিশু পাচার রোধে কাজ করে যাচ্ছে।
নারী নির্যাতন বন্ধে প্রতিবন্ধকতাসমূহ : বাংলাদেশে নারীদেরকে বিভিন্ন প্রকার নির্যাতন থেকে সুরক্ষার লক্ষ্যে আইন প্রণীত হয়েছে। কিন্তু আইনের যথাযথ প্রয়োগ হয়নি। আইনকে ফাঁকি দিয়ে অপরাধী সাজা না পেয়ে ছাড়া পেয়ে যায়। যৌতুক বিরোধী আইন, পারিবারিক আদালত বিধিমালা, নারী নির্যাতন বিবর্তনমূলক অধ্যাদেশ বাস্তবে আশানুরূপভাবে কার্যকর হয়নি। এর পিছনে বিভিন্ন কারণ বিদ্যমান। তাহলো :
ক. জারিকৃত আইনের অধ্যাদেশের গঠন কাঠামোগত দুর্বলতা।
খ.প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক অবকাঠামো ও প্রশাসনের আন্তরিকতার অভাব।
গ. নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সমগ্র সমাজের সঠিক দৃষ্টিভঙ্গির অনুপস্থিতি।
ঘ.শিক্ষা ও সচেতনতার অভাবে নারীরা এসব আইন থেকে সুযোগ সুবিধা পেতে সক্ষম হয় না।
ঙ.বাংলাদেশের সংবিধানের আইনের ছত্রছায়ায় নারীদের সমতা নিশ্চিত করা হয়নি এবং দেশে লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য অনেক । ফলে নির্যাতন বন্ধ হয়নি।
চ.বাংলাদেশ সরকার কিছু কিছু মুখ্য বিষয় সংরক্ষিত করে CEDAW সনদে সম্মতি প্রদান করেছে।
ছ.সংরক্ষিত বিষয়গুলো হল ব্যক্তিগত ও ধর্মীয় আইন। পারিবারিক নির্যাতনকে অপরাধ হিসেবে এখনও আইনগতভাবে স্বীকার করা হয়নি এমন কোন লিঙ্গভিত্তিক নীতি প্রণীত হয়নি, যার দ্বারা সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অসাম্য দূরীভূত হতে পারে অথবা কর্মক্ষেত্রে নির্যাতন বা Violence সম্পূর্ণভাবে রোধ সম্ভব।
উপসংহার : পরিশেষে বলা যায় যে, সারা দেশে ক্রম প্রসারমান নারী নির্যাতনের পথ কেবল সমঅধিকার দিয়ে বন্ধ করা যাবে না। এ ব্যাপারে প্রতিটি নারীকে ব্যক্তিগতভাবে সচেতন হয়ে উঠতে হবে এবং সচেতন করে গড়ে তোলার জন্য সামাজিক আন্দোলনসহ নারী সংগঠনগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে। পাশাপাশি প্রতিটি রাজনৈতিক দল ও শিক্ষিত সচেতন, মানবতাবাদী, উদার, মুক্তচিন্তার অধিকারী সকল মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। তাই প্রতিটি রাষ্ট্রেরই উচিত নারী নির্যাতনের কারণ, ফলাফল ও প্রকৃত ঘটনা সম্পর্কে সবাইকে সম্পূর্ণরূপে অবহিত করা, যাতে এসবের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়া সম্ভব হয়।

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন: 01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!