ডিগ্রি ২য় বর্ষ(২০১৯-২০) নিয়মিত ও প্রাইভেট শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফরম পূরণ চলবে ৭/০২/২০২৩ থেকে ৭/০৩/২০২৩ পর্যন্ত। *পরীক্ষা হবে কেন্দ্র খালি থাকলে এপ্রিলের শুরুতে বা ঈদের পরপরই। কলেজসমূহে ফরম পূরণ ফি ১৫০০ এর মধ্যে।

নারী উন্নয়নে ‘উন্নয়নে নারী’ কৌশলের গুরুত্ব আলোচনা কর।

অথবা, নারী উন্নয়নে ‘উন্নয়নে নারী’ নীতিমালার কলাকৌশলসমূহ ব্যাখ্যা কর।
অথবা, উন্নয়নে নারী’ নীতিমালার কৌশলের গুরুত্ব বর্ণনা কর।
অথবা, নারী উন্নয়নে ‘উন্নয়নে নারী’ কৌশলের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা কর।
অথবা, নারী উন্নয়নে ‘উন্নয়নে নারী’ নীতিমালার কর্মকৌশল ব্যাখ্যা কর।
উত্তর৷ ভূমিকা :
সত্তরের দশকে আধুনিকায়ন তত্ত্বের সমালোচনার ধারায় ‘উন্নয়নে নারী’ (WID) নীতিমালার উদ্ভব। এ নীতিমালা অনুযায়ী ধরে নেওয়া হয় যে, নারীরা সম্পদ, দক্ষতা ও সুযোগের অভাবের দরুন উন্নয়ন প্রক্রিয়ার সাথে সম্পর্কিত নয় এবং তাই তাদের উন্নয়ন প্রক্রিয়ার সাথে সম্পৃক্ত করতে হবে। ধারণা করা হয় যে, নারীরা উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের অংশীদার হলে বিদ্যমান অসম বা বৈষম্যমূলক জেন্ডার সম্পর্ক পরিবর্তিত হবে। উন্নয়নে নারী নীতিমালা তাই প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক পরিবর্তনের মাধ্যমে নারীকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পর্কিত করার
উপর জোর দেয়। নারীর উৎপাদন ক্ষমতার উপর গুরুত্ব আরোপ করে এবং উৎপাদনশীল খাতে নারীর পশ্চাৎপদতা কাটানোর লক্ষ্যে কৌশল উদ্ভাবনের কথা বলে। উন্নয়নে নারী মূলত নারী কল্যাণমুখী দৃষ্টিভঙ্গি। যেখানে সন্তান উৎপাদনী ভূমিকা সম্পর্কিত চাহিদা পূরণের কথা বলে। আপনাআপনি
উন্নয়নে নারী’ নীতিমালার কর্মকৌশল : এ ‘উন্নয়নে নারী’ নীতিমালাটি পরবর্তীকালে সার্বিক নারী উন্নয়নবিদরা গ্রহণ করায় সমগ্র উন্নয়নশীল বিশ্বে এ নীতিমালা ব্যাপক বিস্তৃতি লাভ করে। নিম্নে উন্নয়নে নারী নীতিমালার
কর্মকৌশলগুলো প্রদত্ত হলো :
১. উন্নয়ন উদ্যোগগুলোতে নারীরা কিভাবে আরও ভালোভাবে সম্পর্কিত হতে পারে সেদিকে আলোকপাত করা ।
২.নারীদের আয় উপার্জনমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করা।
৩.শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে নারীর সমান অংশগ্রহণের লক্ষ্যে কাজ করা।
8.প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে নারীর সুযোগ সৃষ্টি করা।
৫.নারীর কাজের বোঝা লাঘবের জন্য লাগসই প্রযুক্তি প্রবর্তন |
৬.নারীর জন্য ঋণ প্রদান ও ঋণ সেবা প্রসারিত করা।
৭.নারী স্বাস্থ্য, পুষ্টি, শিশু পরিচর্যা ইত্যাদি কল্যাণমুখী দিকের উন্নয়ন সাধন।
WID এর সীমাবদ্ধতা : উন্নয়নে নারী নীতিমালার WID এর সীমাবদ্ধতাগুলো হলো নিম্নরূপ :
১. উন্নয়নে নারী নীতিমালা এমন ধারণা পোষণ করে যে, নারীরা উন্নয়ন প্রক্রিয়ার সাথে সম্পৃক্ত নয়।
২.প্রচলিত বৈষম্যমূলক সামাজিক কাঠামোকে মেনে নেয়। কখনই নারীর প্রচলিত অধস্তনতার উৎস সম্পর্কে প্রশ্ন তোলে না।
৩. সংঘাতহীন, আপসকামী মনোভাব পোষণ করে এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ড থেকে নারীরা পুরুষের সমান উপকৃত নাহওয়ার কারণ উদ্ঘাটনে উদ্যোগী হয় না।
৪.নারীর দারিদ্র্য ও অধস্তন অবস্থার মূল কারণস্বরূপ পিতৃতন্ত্রকে চ্যালেঞ্জ করে না।
৫.শ্রেণি, বর্ণ, ধর্ম, সংস্কৃতি ইত্যাদিকে উপেক্ষা করে নারীদের একটি আলাদা বা বিচ্ছিন্ন গ্রুপ হিসেবে দেখা হয় এবং বিচ্ছিন্নভাবে নারীর চাহিদা পূরণ করারও চেষ্টা করা হয়।
৬.নারীর জীবনের উৎপাদনশীল দিকের উপর বেশি জোর দেওয়া হয় কিন্তু নারীর প্রজনন বা পুনঃউৎপাদনমূলক ভূমিকাকে অবমূল্যায়ন করা হয়।
৭. নারীর গার্হস্থ্য কাজ ও দায়দায়িত্বের বোঝা লাঘব না করেই তাদের শ্রমের বাজারে ঠেলে দেওয়া হয়।
৮.সম্পদের অপর্যাপ্ততা এবং নারীর অনভিজ্ঞতার প্রশ্ন তুলে নারী উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের পরিধিকে প্রায়শই সীমিত করা হয়।
৯.ধরে নেওয়া হয় যে, নারীরা উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের অংশীদার হলে নারীর বিদ্যমান অধস্তন অবস্থা আপনা আপনি
পরিবর্তিত হবে।
উল্লেখ্য, শত সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও উন্নয়নে নারী নীতিমালাই প্রথম নারী উন্নয়ন নীতি, যা উন্নয়ন তত্ত্ব ও প্রয়োগের ক্ষেত্রে নারী ইস্যুটিকে মূর্তভাবে সামনে নিয়ে আসে।
উন্নয়নে নারী নীতিমালার ধরন : বিভিন্ন ধরনের নারী উন্নয়ন নীতিমালার উদ্ভব হয়েছে, যা বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে অনুসৃত হয়ে চলেছে। এগুলো হলো:
১. কল্যাণমূলক এপ্রোচ (Welfare approach),
২.সমদর্শী এপ্রোচ (Equality approach),
৩.দারিদ্র্য বিমোচন এপ্রোচ (Anti-poverty approach),
৪.দক্ষতা এপ্রোচ (Efficiency approach),
৫.ক্ষমতায়ন এপ্রোচ (Empowerment approach).
এ সবগুলো approach উন্নয়নে নারী নীতিমালার অন্তর্ভুক্ত। নিম্নে এগুলো আলোচনা করা হলো :
১. কল্যাণমূলক এপ্রোচ (Welfare approach) : কল্যাণমূলক এপ্রোচ ৫০ ও ৬০ এর দশকে উন্নয়নশীল দেশের নারী উন্নয়নের সবচেয়ে পুরানো ও জনপ্রিয় এপ্রোচ। মূলত এটা সমাজের অসহায় জনগোষ্ঠীর মঙ্গলের জন্য একটি সামাজিক নীতি, যা ঊনবিংশ শতাব্দীতে European poor laws দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে। এজন্য একে প্রাক উন্নয়নে নারী (Pre-WID) এপ্রোচ বলা হয়। তৃতীয় বিশ্বের সাবেক ঔপনিবেশিক দেশগুলোতে এর বহুল প্রয়োগের কারণে একে ঔপনিবেশিক মডে (Colonial model) রূপেও অনেকে অভিহিত করেন। কল্যাণমূলক এপ্রোচ মূলত আধুনিকায়ন তত্ত্বনির্ভর এ এপ্রোচের মূল উদ্দেশ্য হলো নারীকে একজন মা-বাবা গৃহবধু হিসেবে উন্নয়নের ক্ষেত্রে সম্পৃক্ত করা। ধারণা করা হয় যে, মা হিসেবে ভূমিকা পালন করাটাই হলো নারীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা এবং সন্তান লালনপালন করার মাধ্যমেই নারীর উন্নয়নের ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর অবদান রাখতে পারে। এ এপ্রোচ নারীকে পরোক্ষ উপকারভোগী বা গ্রাহক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। উন্নয়নের সক্রিয় এজেন্ট বা চালিকারূপে নয়। পুরুষরাই মূলত এখানে শ্রমশক্তি, পরিবার প্রধান এবং বাইরের জগতের প্রতিনিধিরূপে বিবেচিত হয়। দরিদ্র নারীকে এখানে আলাদা বিচ্ছিন্ন গোষ্ঠী হিসেবে চিহ্নিত করা হয় নারীর দরিদ্রতাকে এখানে দেখা হয় অনুন্নয়নের সমস্যারূপে। নারীর অধস্তন অবস্থাকে এক্ষেত্রে আদৌ খেয়াল করা হয় না
২. সমদর্শী এপ্রোচ (Equality approach) : সমদর্শী এপ্রোচ আধুনিকায়ন তত্ত্বের ব্যর্থতার পরিপ্রেক্ষিতে জাতিসংঘ নারী দশক (১৯৭৬-৮৫) উদ্ভূত হয়। বিশেষত যুক্তরাষ্ট্রের উন্নয়নে নারী আন্দোলনজাত এটি। এ এপ্রোচ এর মূল উদ্দেশ্য হলো উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় নারীর জন্য সমদর্শিতা অর্জন। কেননা, নারীদের এখানে দেখা হয় উন্নয়নের সক্রিয় অংশগ্রহণকারীরূপে । বলা হয় পুরুষের মত নারীদেরও জীবনের সর্বক্ষেত্রে সমানাধিকার রয়েছে এবং নারীদের সে অধিকার চর্চার জন্য সাহায্য করতে হবে। নারীরা হলো উন্নয়নে অংশগ্রহণকারী, সমান ভাগিদার এবং তাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদনমূলক ভূমিকা রয়েছে। নারীরা তাদের পুনঃউৎপাদনমূলক ও উৎপাদনমূলক ভূমিকা পালনের মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখছে। এ এপ্রোচ অনুযায়ী নারীর সমস্যার কারণ পুরুষের কাছে তাদের অধীনস্থতা এবং সেজন্য তা বিদ্যমান অসম ক্ষমতা সম্পর্কে পুনর্বিন্যাসের দাবি জানায়। এখানে মনে করা হয় যে, প্রচলিত অর্থনৈতিক উন্নয়ন কর্মকৌশলে প্রায়শই নারীর উপর বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। তাই নারীদেরকে অবশ্যই কর্মসংস্থান ও বাজার ব্যবস্থায়
অংশগ্রহণের সুযোগ প্রদান করে উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত করতে হবে।
৩. দারিদ্র্য বিমোচন এপ্রোচ (Anti-poverty approach) : দারিদ্র্য বিমোচন হলো জাতীয় উন্নয়নে নারী এপ্রোচ, যা ১৯৭০ দশকে উদ্ভূত হয়। এটি মূলত সমদর্শী এপ্রোচই একটি নমনীয় আপসমূলক ধরন এবং প্রবৃদ্ধি। মৌলিক চাহিদ ও পুনর্বণ্টনমূলক সামষ্টিক অর্থনৈতিক তত্ত্বের সাথে সম্পর্কিত এটি। এর মূল উদ্দেশ্য হলো, দরিদ্র নারীদের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি নিশ্চিত করা। নারীর দারিদ্র্যতাকে এখানে দেখা হয় অনুন্নয়নের একটি সমস্যারূপে, নারীর অধস্তনতারূপে নয়। নারীর হীন অবস্থান নয়, দারিদ্র্যই হচ্ছে নারী-পুরুষের মধ্যকার অসমতার মূল কারণ। এ এপ্রোচ অনুযায়ী নারীরা হলো দরিদ্রদে মধ্যে দারিদ্র্যতম এবং এ দরিদ্র নারীদের তাদের পরিবারের চাহিদা পূরণের জন্য সাহায্য প্রয়োজন । এখানে আয়, উপার্জন, দক্ষতা, উন্নয়ন ও ক্ষুদ্র ঋণের মাধ্যমে নারীদের তাদের পরিবারের মৌলিক চাহিদা পূরণে সক্ষম করে তোলার কথা বলা হয়। দারিদ্র্য বিমোচন এপ্রোচ নারীর উৎপাদনমূলক ভূমিকার উপর আলোকপাত করে এবং বাস্তবমুখী জেন্ডা পূরণে সহায়তা করে। ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পভিত্তিক আয় উপার্জনমূলক প্রকল্প, ক্ষুদ্র ঋণ প্রকল্প লাগসই প্রযুক্তি প্রদান ইত্যাদ চাহিদ এ এপ্রোচের উদাহরণ।
৪. দক্ষতা এপ্রোচ (Efficiency approach) : বর্তমানে সর্বোচ্চ প্রাধান্য বিস্তারকারী উন্নয়নে নারী এপ্রোচ হচ্ছে দক্ষতা এপ্রোচ। মূলত আশির দশকে এর উদ্ভব ঘটলেও এখনও খুব জনপ্রিয় এপ্রোচ এটি। এটি বিশ্বব্যাপী
অর্থনৈতিক মন্দা, ঋণ সংকটের প্রেক্ষিতে বিশ্বব্যাংক (আই.এম.এফ) এর কাঠামোগত পুনর্বিন্যাস কর্মসূচির আলোকে সামনে আসে এবং এখানে ক্রমবর্ধমান হারে দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির উপর বিশ্বব্যাপী জোর দেওয়া হয়। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও পুনর্বিন্যাসের নীতিমালার সফলতার বিষয়টি উন্নয়নের ক্ষেত্রে নারীর অর্থনৈতিক অবদানের
উপর নির্ভর করে বলে এখানে বিবেচনা করা হয়। দক্ষতা এপ্রোচের মূল লক্ষ্য হলো, নারী অর্থনৈতিক অবদানের মাধ্যমে উন্নয়নকে যেন আরও দক্ষ ও কার্যকর করে তোলা যায় তা নিশ্চিত করা এবং নারীকে উন্নয়নের প্রান্ত থেকে উদ্ধার করে মূল ধারায় নিয়ে আসা।
৫. ক্ষমতায়ন এপ্রোচ (Empowerment approach) : ক্ষমতায়ন এপ্রোচ সবচেয়ে সাম্প্রতিক approach. সমদর্শী এপ্রোচের ব্যর্থতার পরিপ্রেক্ষিতে তৃতীয় বিশ্বে নারীবাদী সাহিত্য ও তৃণমূল সংগঠনের অভিজ্ঞতা থেকে এর উদ্ভব ঘটেছে ১৯৭৫’র পরবর্তী সময়ে। অবশ্য এ এপ্রোচটি এখনও একটি এপ্রোচরূপে ব্যাপকভাবে স্বীকৃতি লাভ করে নি কিংবা সেভাবে সংকলিত করা হয় নি। ক্ষমতায়ন এপ্রোচ মূলত নিজেদের জীবনের উপর নারীদের নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধির উপর আলোকপাত করে। এর লক্ষ্য হলো, ব্যাপক আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনের মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন। নারীদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করা, যাতে তারা সমাজে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে। কেননা, এখানে মনে করা হয় যে, গুরুত্বপূর্ণ বস্তুগত ও অবস্তুগত সম্পদের উপ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে নারীরা সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তনের দিকনির্দেশনাকে প্রভাবিত করার পদক্ষেপ গ্রহণ করতে
পারবে। নারীরা নিজেরাই নিজেদের উন্নয়নের চালিকাশক্তি হবে। পুরুষের সাহায্য সহযোগিতা এখানে কাম্য নয় আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনের মাধ্যমে উৎপাদিত সম্পদের উপর নিয়ন্ত্রণ ও অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রয়াসী এ এপ্রোচ। ক্ষমতায়ন এপ্রোচ উপর থেকে চাপিয়ে দিয়ে নয়, বরং নিচ থেকে (Bottom up) উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে নারীদের সচেতনতা বৃদ্ধির কথা বলে, যাতে করে তারা সমাজে তাদের হীন মর্যাদাকে চ্যালেঞ্জ করতে পারে। কেবল পুরুষ কর্তৃক সৃষ্টি সমরুপে নয়, নারীর অধীনস্থতাকে এখানে ঔপনিবেশিকও নয়, ঔপনিবেশিক শোষণ নিপীড়নের সমস্যারূপেও দেখা হয়।
উপসংহার : উপরিউক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি যে, নারী উন্নয়নে ‘উন্নয়নে নারী’ (WID) কৌশলের গুরুত্ব অনস্বীকার্য। প্রখ্যাত নারীবাদী অর্থনীতিবিদ Ester Boserup পুরুষ ও নারীর কাজের উপর চিহ্নিত ফলাফলগুলো পরীক্ষা করে তথ্যসহ প্রমাণ করেন যে, ষাট দশক থেকে সত্তর দশকের উন্নয়নের সুফল পুরুষের তুলনায় নারীর কাছে পৌঁছেছে অনেক কম। পরে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিসরে সমষ্টিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন নীতিমালা পরিবর্তনে ফলে নারী উন্নয়ন নীতিমালার ক্ষেত্রেও পরিবর্তন সাধিত হচ্ছে। এক্ষেত্রে নারী উন্নয়নে বিভিন্ন ধরনের এপ্রোচের সৃষ্টি হয়েছে। আর প্রতিটি এপ্রোচই নারী উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন: 01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!