ডিগ্রি ২য় বর্ষ(২০১৯-২০) নিয়মিত ও প্রাইভেট শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফরম পূরণ চলবে ৭/০২/২০২৩ থেকে ৭/০৩/২০২৩ পর্যন্ত। *পরীক্ষা হবে কেন্দ্র খালি থাকলে এপ্রিলের শুরুতে বা ঈদের পরপরই। কলেজসমূহে ফরম পূরণ ফি ১৫০০ এর মধ্যে।

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রক্রিয়ায় নারীর ক্ষমতায়ন সংক্ষেপে আলোচনা কর।

অথবা, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নারীর ক্ষমতায়নের বাস্তব চিত্র তুলে ধর।
অথবা, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নারীর ক্ষমতায়ন সম্পর্কে সংক্ষেপে বর্ণনা কর।
অথবা, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নারীর ক্ষমতায়ন সম্পর্কে সংক্ষেপে বিবরণ দাও।
অথবা, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নারীর ক্ষমতায়ন সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোকপাত কর।
উত্তর৷ ভূমিকা :
বর্তমান যুগ বিশ্বায়নের যুগ। এখানে নারীরা এখন শুধু স্থানীয় পর্যায়ে নয় বরং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সকল ক্ষেত্রে পুরুষের পাশাপাশি ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা তাদের দমিয়ে রাখতে পারছে না সত্য কিন্তু প্রতিনিয়ত এ সমাজব্যবস্থা নারীর অংশগ্রহণকে প্রতিহত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নারীর ক্ষমতায়ন : জাতীয় পর্যায়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াটি মূলত সম্পন্ন হয় প্রত্যেকটি দেশের আইনসভায়। আইনসভায় মহিলা প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার মাধ্যমেই মহিলাদের জাতীয় পর্যায়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রাখতে পারে। আইনসভায় মহিলাদের প্রতিনিধিত্বের দাবি একটি জাতীয় ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। ১৯৭৩ সালের নির্বাচনে ব্রিটিশ আমলের মহিলাদের সংরক্ষিত ৭টি আসন বৃদ্ধি পেয়ে ১৫টিতে উন্নীত করা হয় এবং ১৯৭৯ সালে এক সংশোধনীর মাধ্যমে একে ১৫ থেকে ৩০ এ উন্নীত করা হয়। বর্তমানে নারীদের সংরক্ষিত আসন ৫০ এ উন্নীত হয়েছে। অপরদিকে আন্তর্জাতিক সংগঠনসমূহ নারী ক্ষমতায়নে অধিক সোচ্চার ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এক্ষেত্রে তারা বিভিন্ন আইনি পদক্ষেপও নিয়েছে। জাতিসংঘের Economic and social commission ১৯৯৫ সাল নাগাদ পার্লামেন্ট, রাজনৈতিক দল, স্বার্থগোষ্ঠী ইত্যাদিতে নারীর অংশগ্রহণের লক্ষ্যমাত্রা ৩০% স্থাপন করেছে। কিন্তু বিভিন্ন রাষ্ট্রের ও আন্তর্জাতিক নারীর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা বিশ্লেষণে দেখা যায় যে, রাজনৈতিক দলে কাঠামোগত চরিত্রে সংসদীয় রাজনীতিতে নারীর আগমনকে নিরুৎসাহিত ও বাধাগ্রস্ত করে
উপসংহার : পরিশেষে আমরা বলতে পারি, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রক্রিয়ায় নারীর অংশগ্রহণ এখনো পর্যন্ত পর্যাপ্ত নয়। তাই সর্বক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা হাতে নিতে হবে যাতে নারী-পুরুষ বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা করা যায়।

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন: 01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!