ডিগ্রি ২য় বর্ষ(২০১৯-২০) নিয়মিত ও প্রাইভেট শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফরম পূরণ চলবে ৭/০২/২০২৩ থেকে ৭/০৩/২০২৩ পর্যন্ত। *পরীক্ষা হবে কেন্দ্র খালি থাকলে এপ্রিলের শুরুতে বা ঈদের পরপরই। কলেজসমূহে ফরম পূরণ ফি ১৫০০ এর মধ্যে।

গ্রামীণ রাজনীতিতে অংশগ্রহণের সমস্যাগুলো কী কী?

অথবা, গ্রামীণ রাজনীতিতে অংশগ্রহণের কী সমস্যা রয়েছে?
অথবা, গ্রামীণ রাজনীতিতে অংশগ্রহণের অন্তরায় উল্লেখ কর।
অথবা, গ্রামীণ রাজনীতিতে অংশগ্রহণের বাধা উল্লেখ কর।
অথবা, গ্রামীণ রাজনীতিতে অংশগ্রহণের অসুবিধা সম্পর্কে লিখ।
অথবা, গ্রামীণ রাজনীতিতে অংশগ্রহণের সমস্যা উল্লেখ কর।
অথবা, গ্রামীণ রাজনীতিতে অংশগ্রহণের বাধাসমূহ লিখ।
উত্তর।। ভূমিকা :
গ্রামীণ সমাজ কাঠামোর সাথে গ্রাম্য রাজনীতির ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বিদ্যমান। গ্রাম জনজীবনে ক্ষমতা চর্চায় গ্রামীণ রাজনীতিতে যারা প্রতিষ্ঠিত তারাই প্রাধান্য বিস্তার করে থাকে। সাধারণ গ্রামীণ রাজনীতি বলতে গ্রামীণ মানুষের দৈনন্দিন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও আর্চার অনুষ্ঠানকে বুঝায়।
গ্রামীণ রাজনীতিতে অংশগ্রহণের সমস্যা : গ্রামীণ রাজনীতিতে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে নানাবিধ সমস্যা মানুষকে বাধাগ্রস্ত করে। নিয়ে গ্রামীণ রাজনীতি অংশগ্রহণের সমস্যাসমূহ উল্লেখ করা হলো।
১. অর্থনৈতিক অবস্থান : গ্রামীণ রাজনীতিতে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে ব্যক্তির অর্থনৈতিক অবস্থান ভীষণভাবে প্রভাব বিস্তার করে। অধিক আয়ের মানুষ অতি মাত্রায় স্বাচ্ছন্দ্য ও অবসর গ্রহণের সুযোগ পেয়ে থাকে, যা তাদের রাজনীতিতে সক্রিয় হতে উৎসাহিত করে। গ্রামীণ অধিকাংশ মানুষ দরিদ্র কৃষক। তারা তাদের জীবন ও জীবিকা নিয়ে প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করে। তাদের কাছে রাজনীতি করার অবসর নেই। সুতরাং অর্থনৈতিক দুরবস্থা ও দারিদ্র্য গ্রামীণ জনগণকে রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে রাখে।
২. শিক্ষার অভাব : রাজনীতিতে অংশগ্রহণের অন্যতম নিয়ামক বা পূর্বশর্ত হচ্ছে শিক্ষা। বাংলাদেশের গ্রামীণ সমাজে শিক্ষার হার অতিমাত্রায় কম। এ অশিক্ষিত জনগোষ্ঠী রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করে না এবং তাদের পক্ষে কার্যকর ও অর্থপূর্ণ অংশগ্রহণ সম্ভব নয়। সুতরাং শিক্ষার অভাবই গ্রামীণ জনগণের রাজনীতিতে অংশগ্রহণ না করার অন্যতম কারণ।
৩. প্রতিদ্বন্দ্বিতার অনুপস্থিতি : আমীণ সমাজ কাঠামো রাজনীতিকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা খুবই সীমিত। শান্তিপ্রিয় গ্রামীণ মানুষ রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও সংঘর্ষ পছন্দ করে না। এক্ষেত্রে বিবিধ কারণে গ্রামীণ রাজনীতি প্রতিদ্বন্দ্বিতার অনুপস্থিতি বিদ্যমান।
৪. সচেতনতার অভাব : সামাজিক ও রাজনৈতিক সচেতনতা রাজনীতিতে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে অন্যতম নিয়ামক।সচেতন ব্যক্তিরা অসচেতন ব্যক্তির তুলনায় বেশি মাত্রায় রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করে থাকে। রাজনীতি বিষয়ে গ্রামীণ এলাকার লোকজনের সচেতনতা খুবই কম। এর ফলে সচেতনতার অভাবে গ্রামীণ জনগোষ্ঠী রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করে না।
৫. রাজনৈতিক পরিবেশ : গ্রামীণ রাজনৈতিক পরিবেশ সর্বদা অনুকূলে না থাকায় গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর সিংহভাগ রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করে না।
উপসংহার: পরিশেষে বলা যায় যে, রাজনীতির সকল পর্যায়ের অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে গ্রামীণ জনগোষ্ঠী পিছিয়ে রয়েছে। মৌসুমি অংশগ্রহণকারী হিসেবে পরিচিত গ্রামীণ জনগণ নির্বাচনের মতো বিশেষ মৌসুমে রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করে থাকে এবং বাকি সময় তারা রাজনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন থাকে।

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন: 01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!