ডিগ্রি ২য় বর্ষ(২০১৯-২০) নিয়মিত ও প্রাইভেট শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফরম পূরণ চলবে ৭/০২/২০২৩ থেকে ৭/০৩/২০২৩ পর্যন্ত। *পরীক্ষা হবে কেন্দ্র খালি থাকলে এপ্রিলের শুরুতে বা ঈদের পরপরই। কলেজসমূহে ফরম পূরণ ফি ১৫০০ এর মধ্যে।

গুণবাচক ও পরিমাণ বাচক উপাত্ত বলতে কী বুঝ?

অথবা, গুণবাচক ও পরিমানবাচক উপাত্ত কী?
অথবা, গুণবাচক ও পরিমানবাচক উপাত্তের সংজ্ঞা দাও।
অথবা, গুণবাচক ও পরিমানবাচক উপাত্তে কাকে বলে?
অথবা, গুণবাচক ও পরিমানবাচক উপাত্ত ধারণা দুইটি ব্যাখ্যা কর।
উত্তর৷ ভূমিকা :
সামাজিক গবেষণার মূলভিত্তি হলো উপাত্ত। এটি কোন ঘটনা বা বিষয় সম্পর্কে অভিব্যক্তি। কোন বিষয় সম্পর্কে সংগৃহীত উপাত্তের শ্রেণিবিভক্তিকরণ একান্ত আবশ্যক । কেননা উপাত্তের শ্রেণিবিভক্তিকরণের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট বিষয় বা সমস্যাকে সঠিকভাবে সমাধান করা যায় । সমাজ গবেষণায় বহুল ব্যবহৃত উপাত্তসমূহের বিদ্যমান বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী উপাত্তকে গুণবাচক ও পরিমাণবাচক এ দুইভাগে ভাগ করা যায় ।
গুণবাচক উপাত্ত : যেসব উপাত্তকে সংখ্যার সাহায্যে প্রকাশ করা সম্ভব নয় কিন্তু বিশেষ গুণের ভিত্তিতে একটি অন্যটি থেকে পৃথক বা আলাদা হয়। সেগুলোকে গুণগত উপাত্ত বলে । যেমন- মেধা, বুদ্ধি, মনোভাব, সাফল্য, প্রত্যাশা, সৌন্দর্য ইত্যাদি ।
পরিমাণ বাচক উপাত্ত : যেসব উপাত্তকে সংখ্যার দ্বারা প্রকাশ করা সম্ভব অর্থাৎ যা পরিমাণ বা গণনাযোগ্য তাকে পরিমাণ বাচক উপাত্ত বলে । যেমন- বয়স, আয়, উচ্চতা ইত্যাদি ।
উপসংহার : পরিশেষে বলা যায় যে, গবেষণা কাজে ব্যবহৃত সঠিক, বিশ্বাসযোগ্য, প্রয়োজনীয় তথ্যই হলো উপাত্ত । আর এ উপাত্তকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা যায় যার মধ্যে গুণবাচক আর পরিমাণবাচক উপাত্ত অন্যতম ।

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন: 01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!