ডিগ্রি ২য় বর্ষ(২০১৯-২০) নিয়মিত ও প্রাইভেট শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফরম পূরণ চলবে ৭/০২/২০২৩ থেকে ৭/০৩/২০২৩ পর্যন্ত। *পরীক্ষা হবে কেন্দ্র খালি থাকলে এপ্রিলের শুরুতে বা ঈদের পরপরই। কলেজসমূহে ফরম পূরণ ফি ১৫০০ এর মধ্যে।

কৌশলগত জেন্ডার চাহিদা কী?

অথবা, কৌশলগত জেন্ডার চাহিদা বলতে কী বুঝ?
অথবা, কৌশলগত জেন্ডার চাহিদা কাকে বলে?
অথবা, কৌশলগত জেন্ডার চাহিদার সংজ্ঞা দাও।
অথবা, কৌশলগত জেন্ডার চাহিদা সম্পর্কে সংক্ষেপে লিখ।
অথবা, কৌশলগত জেন্ডার চাহিদা সম্পর্কে তুমি সংক্ষেপে উল্লেখ কর।
উত্তর৷ ভূমিকা :
জীবনধারণের জন্য অত্যাবশ্যকীয় উপকরণের প্রয়োজনীয়তাকেই সাধারণ অর্থে চাহিদা বলা হয়। যেমন- খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা এগুলো হলো মানুষের মৌলিক চাহিদা। কিন্তু এ মৌলিক চাহিদা ও জেন্ডার চাহিদার মধ্যে সুস্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। মৌলিক চাহিদা সকল মানুষের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য, কিন্তু জেন্ডার চাহিদা হয়ে থাকে শুধু নারীদের ক্ষেত্রে। সমগ্র বিশ্বে এখনো নারীরা পুরুষের তুলনায় পশ্চাৎপদ। যদিও এ পশ্চাৎপদতা এক এক অঞ্চলে এক এক ধরনের হতে পারে। এ পশ্চাৎপদতা মূলত দুটি কারণে হয়ে থাকে।
কৌশলগত জেন্ডার চাহিদা : নারীর কৌশলগত জেন্ডার চাহিদার উদ্ভব হয় সাধারণত সমাজে পুরুষের তুলনায় নারীর অধস্তন অবস্থান পরিবর্তনের প্রয়োজন থেকে। সমাজে পুরুষের তুলনায় নারীদের হীন অবস্থানকে চ্যালেঞ্জ করে নারীদের এ কৌশলগত জেন্ডার চাহিদা। নারী ও পুরুষের মধ্যকার বিদ্যমান অসমতা দূর করার লক্ষ্যে ক্ষমতা, আইনগত অধিকার, অর্জন, সুযোগ সুবিধা, মর্যাদা, নিয়ন্ত্রণ, পছন্দ ইত্যাদি ক্ষেত্রে যে চাহিদার উদ্ভব হয় তাকে কৌশলগত জেভার চাহিদা বলে।
Moser বলেছেন, “কৌশলগত জেন্ডার চাহিদা পূরণ নারীকে অধিকতর সমতা অর্জনে সহায়তা করে। প্রচলিত ভূমিকাগুলো পরিবর্তন করে। কাজেই নারীর অধস্তন অবস্থানকে চ্যালেঞ্জ করে।” কৌশলগত জেন্ডার চাহিদা হচ্ছে-
১. নারীকে পুরুষ অধীনতার বিশ্লেষণ থেকে সূত্রায়িত করা হয
২. বর্তমানে সমাজের যে সংগঠন তাঁর বিকল্প এবং তার চেয়ে অধিকতর সমতাপূর্ণ ও সন্তোষজনক সংগঠনকে চিহ্নিত করা যায় ।
৩. পুরুষ ও নারীর মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্কগুলোর কাঠামো প্রকৃতির সাথে সংশ্লিষ্ট।
৪. নারীর অধীনতা পাস ছিন্ন করে।
কৌশলগত জেন্ডার চাহিদার মধ্যে আছে-
ক.: আইনগত অধিকার, পারিবারিক নির্যাতন, সমান মজুরি, নিজ দেহের উপর নারীর নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি সমস্যা ও প্রশ্ন।
খ. যৌন শ্রমবিভাজনের বিলুপ্তি সাধন।
গ. গার্হস্থ্য শ্রম ও শিল্প পালনের গুরুভার বিমোচন।
ঘ. বৈষম্যের প্রাতিষ্ঠানিক রূপগুলোর অপসারণ।
উপসংহার : উপর্যুক্ত আলোচনা শেষে বলা যায় যে, উন্নয়নশীল দেশগুলোতে উন্নয়ন প্রকল্প প্রণয়নে ব্যবহারিক =জন্ডার চাহিদাগুলোর প্রাধান্য দেয়া হয় কিন্তু নারীমুক্তির জন্য ব্যবহারিক বা বাস্তবমুখী জেন্ডার চাহিদা পূরণ যথেষ্ট নয়, কৌশলগত জেন্ডার চাহিদা পূরণ না হলে নারী তার অধস্তন অবস্থা থেকে কখনো বেরিয়ে আসতে পারবে না।

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন: 01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!