ডিগ্রি ২য় বর্ষ(২০১৯-২০) নিয়মিত ও প্রাইভেট শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফরম পূরণ চলবে ৭/০২/২০২৩ থেকে ৭/০৩/২০২৩ পর্যন্ত। *পরীক্ষা হবে কেন্দ্র খালি থাকলে এপ্রিলের শুরুতে বা ঈদের পরপরই। কলেজসমূহে ফরম পূরণ ফি ১৫০০ এর মধ্যে।

একটি ভালো প্রতিবেদন লেখার প্রয়োজনীয় নির্দেশনাবলি উল্লেক কর।

অথবা, গবেষণার প্রতিবেদন লেখার নিয়মাবলি লিখ।
অথবা, কী কী নিয়মাবলি অনুসরণ করে একটি ভালো প্রতিবেদন লেখা হয়।
অথবা, একটি উত্তম প্রতিবেদন লেখার নিয়মাবলি তুলে ধর।
উত্তর৷ ভূমিকা :
ভালো প্রতিবেদনে কতকগুলো মৌলিক এবং অপরিহার্য বৈশিষ্ট্যাবলি ও গুণাবলি থাকা একান্ত প্রয়োজন । একটি ভালো প্রতিবেদনের বৈশিষ্ট্যের উপরই নির্ভর করে ঐ প্রতিবেদনের সঠিকতা ও নির্ভরযোগ্যতা । ভালো প্রতিবেদন লেখার প্রয়োজনীয় নির্দেশনা : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট এর অধ্যাপক ড. শাহজাহান তপন কোন গবেষণা প্রতিবেদন উত্তমরূপে লেখার জন্য কতকগুলো মূল্যবান উপদেশ বিধৃত করেছেন । সে সম্পর্কে নিম্নে আলোকপাত করা হলো :
১.সঠিক অর্থ প্রকাশ পায় এই রকম শব্দ চয়ন করতে হবে।
২.পাঠক যাতে প্রতিবেদনটি সহজভাবে উপলব্ধি করতে পারেন তার জন্য এর ভাষা হবে সহজ-সরল।
৩.প্রতিবেদনটি অবশ্যই উপযুক্ত মানসম্পন্ন হতে হবে।

  1. প্রত্যয় (Concept) ও পদসমূহের (Term) সংজ্ঞা ও ব্যাখ্যা থাকতে হবে ।
    ৫. প্রতিবেদনের প্রকাশভঙ্গি হবে পরিষ্কার, সংক্ষিপ্ত এবং নৈর্ব্যক্তিক (Clear, brief and impersonal)।
    ৬.কোন কথ্য বা আঞ্চলিক ভাষায় এবং আবেগ উচ্ছ্বাসজনিত ভাষায় প্রতিবেদন লেখা উচিত নয় ।
    ৭.প্রতিবেদনে একমাত্র উদ্ধৃতি ছাড়া Personal pronoun ব্যবহার করা উচিত নয়। তৃতীয় পুরুষ (Third person) এ প্রতিবেদন লেখা অপরিহার্য ।
    ৮.কোন জটিল এবং ভাবগম্ভীর ধারণাকেও সহজ ভাষায় এবং ছোট বাক্যে প্রকাশ করতে হবে।
    ৯. অতীতকাল ব্যবহার করে প্রতিবেদন লিখতে হবে।
    ১০. সমগ্র প্রতিবেদনে একই রকম বানান রীতি, সংক্ষিপ্তকরণ নীতি, যতি চিহ্ন ও বিভক্তি ব্যবহার করতে হবে।
    ১১. গবেষণালব্ধ তথ্যাবলি সততার সাথে এবং যৌক্তিক আকারে উপস্থাপন করতে হবে।
    ১২. কারো উক্তি থাকলে তা সঠিকভাবে উদ্ধৃত করতে হবে এবং এর জন্য যথাস্থানে কৃতজ্ঞতা স্বীকার করতে হবে।
    ১৩. কাঠামো, বিষয়বস্তু, সংগঠন ও উপস্থাপনে ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে হবে ।
    ১৪. প্রতিবেদনটি যত্নসহকারে লিখতে এবং টাইপ করতে হবে ।
    ১৫. কোন প্রতিবেদন মুদ্রিত আকারে প্রকাশিত হলে সতর্কতার সাথে Proof দেখতে হবে। অর্থাৎ বানানের দিকে খেয়াল রাখতে হবে।
    উপসংহার : পরিশেষে বলা যায়, গবেষণার প্রতিবেদনের মাধ্যমে এর বিষয়বস্তু, পদ্ধতি-প্রক্রিয়া, ফলাফল ও এর তাৎপর্য সম্পর্কে অবহিত হওয়া যায়। প্রতিবেদন থেকে পাঠকরা গবেষণা সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ করেন এবং নতুন জ্ঞানের উন্মেষ ঘটে । বস্তুত জ্ঞান বিতরণের ক্ষেত্রে একটি উত্তম প্রতিবেদনের গুরুত্বকে কোনভাবে অস্বীকার করা যায় না ।
পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন: 01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!